ধর্ম ও জীবন

ইসলামে মাযার জিয়ারত প্রসঙ্গ

আব্দুস সালাম সুনামগঞ্জী প্রকাশিত হয়েছে: ২২-০৩-২০১৯ ইং ০১:০৩:০৬ | সংবাদটি ৮৮ বার পঠিত

হযরত সাফওয়ান ইবনে উমাইয়্যা (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা একবার রাসুলে পাক (সা.) এর মজলিসে ছিলাম, তখন আমর ইবনে কুররাহ হাযির হয়ে আরজ করতে লাগল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ আমাকে দরিদ্র ও হতভাগা বানিয়েছেন। একটি উপায় ব্যতিত আমার জন্য জীবনোপায় সংগ্রহের সকল দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আর তা হচ্ছে আমি দফ বাজিয়ে এবং গান গেছে যা কিছু উপার্জন করি। ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি আমাকে গান-বাজনার অনুমতি দিন। আমি গান-বাজনাকে কোনো অশ্লীলতায় ব্যবহার করবো না। রাসুল (সা.) জবাবে ইরশাদ করলেন, আমি কোনো ক্রমেই এর অনুমতি দেব না। হে আল্লাহর দুশমন! তুমি মিথ্যা বলছ? নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তোমার জন্য হালালের দরজা উন্মুক্ত রেখেছেন। যেভাবে তার সাধারণ সৃষ্টিজীবের জন্য উন্মুক্ত রেখেছেন। তুমি নিজেই হালাল ত্যাগ করে হারামের অবলম্বন করেছ। তুমি আমার মজলিস থেকে চলে যাও, আল্লাহর দরবারে তওবা কর এবং সাবধান হয়ে যাও।
তুমি যদি আবার কখনো এ কাজ কর তাহলে আমি তোমাকে কঠিন ও মর্মান্তিক শাস্তি দেব। শহর থেকে বের করে দেব অথবা জেলখানায় আটক করে রাখব এবং মদিনার শ্রোতাদের জন্য তোমার ধন সম্পদ লুট করা বৈধ করে দেব। (সুনানে ইবনে মাযাহ, ১৮৭ পৃষ্ঠা)
এ হাদিস হতে আমাদের সামনে ৩টি বিষয় বেরিয়ে আসেÑ
এক. গান বাজনাকে জীবিকা সংগ্রহের উপায় সাব্যস্ত করা হারাম ও কবীরা গুনাহ। যেহেতু এর মাধ্যমে মানুষের অর্থনৈতিক জীবন ধ্বংস ও বিনাশ হয়ে যায় এবং ব্যাপক অনৈতিকতার জন্ম হয়। এ জন্য হযরত রাসুলে করিম (সা.) আমর ইবনে কুররাহকে আল্লাহর দুশমন বলে অবহিত করেছেন এবং তুচ্ছজ্ঞাপক শব্দ দিয়ে তাকে সম্বোধন করেছেন।
দুই. এ ধরণের অর্থনৈতিক জীবন যাপনকারীদের সাথে অত্যন্ত কঠোর শাস্তিমূলক আচরণ করা ইসলামী শাসকদের পক্ষে জরুরি। যাতে অবৈধ অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মূলোচ্ছেদ ঘটে এবং কল্যাণকর বৈধ অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়।
তিন. গান-বাজনা অপসংস্কৃতি তা সর্বক্ষেত্রেই হারাম। বিবাহ-শাদী, বা ওয়ালিমা অনুষ্ঠানেই হোক কিংবা অন্য কোন অনুষ্ঠানে হোক। পীর সাহেবের মাযারে হোক বা কোনো উৎসবে হোক। যিকিরের নামে হোক বা ওরশের নামে হোক। মারেফতী, কাওয়ালী, মুরশীদির নামে হোক বা বাউল গানের নামেই হোক। (আল্লামা মুশাহিদ আহমদ বায়মপুরী রহ. কৃত ফাতহুল কারীম, পৃষ্ঠা ১০৮)
ইসলামে রাষ্ট্র নায়কের কর্তব্য হচ্ছে এসব অপসংস্কৃতি বন্ধ করে দেয়ার জন্য সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কারণ এসবের মাধ্যমে অনৈতিকতার বিস্তার ঘটে। নিন্দিত পুঁজিবাদও মাথাচাড়া দেয়, সর্ব সাধারণের জন্য অভাব ও দারিদ্রের দোয়ার উন্মুক্ত হয়ে যায়। সরকারের পক্ষ থেকে যদি এসব অপসংস্কৃতি বন্ধের দ্রুত উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে জনসাধারণের জীবনোপায় সংগ্রহের দুয়ার বন্ধ হয়ে যাবে এবং দেশে অভাব ও দারিদ্রের ব্যধি ছড়িয়ে পড়বে। যার ফলে মানুষের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবন ধ্বংস হয়ে যাবে এবং জাতীয় জীবনে ব্যাপকভাবে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়বে। বর্তমানে ফেসবুক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে শিশুদের ও যুবক-যুবতীদের লেখাপড়ার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, নৈতিকতা ও মানবতা ধ্বংস হতে যাচ্ছে। সুতরাং সারকারকে এমন পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে দেশের সর্ব শ্রেণির লোক সর্বপ্রকার অপসংস্কৃতি ও অনৈতিকতা থেকে রক্ষা পেতে পারে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেনÑ ‘আমি তোমাদেরকে কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। তোমরা এখন কবর জিয়ারত করবে। কেননা এটা দুনিয়া বিমুখ করে এবং পরকাল স্মরণ করিয়ে দেয়’। (ইবনে মাযাহ, পৃষ্ঠা ১১২, আত তারগীব ওয়াত তারহীব, ৪নং খন্ড, পৃষ্ঠা ৩৫৭, হাদিস নং- ৫২০২)
ইসলামের প্রাথমিক যুগে রাসুল (সা.) কবর যেয়ারত করতে নিষেধ করেছিলেন। কেননা তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে, এখনই কবর যেয়ারতে অনুমতি দিলে নব মুসলিমগণ হয়তো এমন কিছু করতে পারে যা কুফরীর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অতঃপর যখন তাদের অন্তরে ইসলাম দৃঢ়ভাবে বসে গেল, হিতে বিপরীতে আশঙ্কা দূরীভূত হয়, তখন তিনি তাদের কবর যেয়ারতে অনুমতি দিলেন। ফলে এখন কবর যিয়ারত সর্বসম্মতিক্রমে মুস্তাহাব আমলে পরিণত হয়েগেছে। রাসুল (সা.) জান্নাতুল বাকীতে যেতেন এবং তাদের প্রতি সালাম প্রদান পূর্বক দোয়া করতেন। মহিলাদের ব্যাপারে ফতওয়া এ কথার ওপর হয়ে গেছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ব্যতিত অন্য কারো কবর তারা যেয়ারত করবে না। (ফয়জুল কালাম, পৃষ্ঠা ৩৫৬, মাযাহিরে হক ২/৪৭৬ পৃষ্ঠা)
ইমাম নববী (রহ.) বলেনÑ‘যিয়ারতকারীর জন্য মুস্তাহাব হচ্ছে বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করা, আল্লাহ যিকির করা এবং কবরস্থানের মুর্দাদের জন্য দু’আ করা আর সমগ্র বিশ্বের মুসলমান মুর্দাদের জন্য দু’আ করা। আরও মুস্তাহাব হচ্ছে অধিক পরিমাণে কবর যিয়ারত করা এবং আহলে খায়র ও ফজল তথা আল্লাহর নেক বান্দা আলেম/উলামা ও ওলী আউলিয়ার কবরে বেশি সময় অবস্থান করা’। (আল আযকার, ১৪৭ পৃষ্ঠা)
ইহইয়াউল উলূম ষষ্ঠ খন্ডে বর্ণিত আছে ‘কবর যিয়ারত মুস্তাহাব হচ্ছে কিবলাকে পেছনে রেখে মৃত ব্যক্তির চেহারাকে সামনে রেখে দাঁড়ানো এবং সালাম করা। কবরে হাত না বুলানো এবং কবরকে স্পর্শ না করা আর কবরকে চুমু না দেওয়া। কেননা এসব খ্রিস্টানদের অভ্যাস। (ইহইয়াউল উলূম ৬/১২৭ পৃষ্ঠা)
সারকথা কবরে বা মাযারে গিয়ে প্রথমে সালাম পেশ করা। অর্থাৎ হে মুমিন সম্প্রদায়ের আবাসস্থলের অধিবাসীগণ! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, আমরাও আল্লাহ চাহে তো অবশ্যই তোমাদের সঙ্গে মিলিত হবো। আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের জন্য এবং তোমাদের জন্য শান্তির আবেদন করছি।
সালামের পর কেবলার দিকে পিঠ এবং মাইয়েতের (কবরের) দিকে মুখ করে যথা সম্ভব কুরআন শরীফ পড়ে মাইয়েতকে ছওয়াব পৌঁছে দেয়া। বিশেষভাবে সুরা বাকারার শুরু থেকে মুফলিহুন পর্যন্ত আয়াতুল কুরসী, সুরা বাকারার শেষ তিন আয়াত, সুরা ফাতেহা, সুরা ইয়াসিন, সুরা মুলক, সুরা তাকাসুর সূরা এখলাস ১১/১২ বার বা যে পরিমাণ সহজে পড়তে পারে পড়ে দু’আ করা। মাইয়েতের মাগফিরাতের জন্যও দু’আ করা। (আহসানুল কাতাওয়া, খন্ড ৪, পৃষ্ঠা ২২২)
সালাম, তিলাওয়াত, দুরূদ, পড়ার পর কেবলামুখি হয়ে অর্থাৎ মাইয়েতের দিকে পিঠ করে দু’আ করা। (জাওয়াহিরে ফিকাহ)
কবর যিয়ারত অজু ও পাক পবিত্র অবস্থায় করা উত্তম। কবর যিয়ারত যে কোনো সময় যে কোনো দিন করা যায়, তবে শুক্রবারে কবর যিয়ারত করা অধিক উত্তম। বৃহস্পতিবার, শনিবার এবং সোমবারও কবর যিয়ারত করা উত্তম। সপ্তায় অন্তত একবার কবর যিয়ারত করা মুস্তাহাব। (আহকামে মাইয়েত, আহসানুল ফাতাওয়া, খন্ড ৪, পৃষ্ঠা ২২২)
যিয়ারতের পর হাত তুলে বা না তুলে উভয় প্রকার দু’আ জায়েয। তবে বুযুর্গদের মাযারে হাত না ওঠানো, তাহলে কবরবাসীর নিকট চাওয়ার সন্দেহ থেকে মুক্ত থাকা হবে। (আহসানুল ফাতাওয়া, খন্ড ৪, পৃষ্ঠা ২২৫)
হযরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত আছে ‘যে ব্যক্তি করবস্থানে যাবে এবং সেখানে সুরা এখলাস ১১ বার পাঠ করে এর সওয়াব কবরবাসীদের বখশে দেবে এতে জিয়ারতকারী ব্যক্তি কবরস্থানে শায়িত মৃত ব্যক্তিদের সংখ্যার সমান সওয়াব লাভ করবে। (দারে কুতনী, হাশিয়াতুত তাহাবী, পৃষ্ঠা ৬২২)
হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন ‘যে ব্যক্তি কবরস্থানে যাবে এবং সেখানে মৃত ব্যক্তিদেরকে সওয়াব বখশে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সূরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবে আল্লাহ তা’আলা কবরবাসীর শাস্তি ও আযাব কমিয়ে দেবেন আর এই ব্যক্তিকে করবস্থানে শায়িত মৃত ব্যক্তিদের (মুর্দাদের) সংখ্যার সমান সওয়াব দেবেন’। (হাশিয়াতুত তাহাবী, পৃষ্ঠা ৬২১)
যদি কেহ উপরে বর্ণিত সুরা বা দু’আ না জানে তাহলে যে সব সুরা বা দু’আ জানে তা পড়ে সওয়াব বখশে দেবেন। যদি একেবারে মুর্খ হয় তাহলে জবান দিয়ে মৃত ব্যক্তিদের মাগফেরাতের জন্য এবং দরজা বুলন্দ করার জন্য দু’আ করবেন। অথবা সদকা খয়রাত করে তাদের জন্য সওয়াব পৌঁছাবেন। কারণ হাদিসে বর্ণিত আছে ‘মৃত ব্যক্তি কবরে পানিতে ডুবে যাচ্ছে এমন অসহায় মানুষের মতো সাহায্যপ্রার্থী থাকে এবং পিতা, ভাই, বন্ধুদের কাছ থেকে দু’আ পাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। যখন তাদের পক্ষ থেকে দু’আ পৌঁছে তখন এই দু’আ তাদের কাছে দুনিয়া ও এর সমুদয় বস্তু থেকে অধিক প্রিয় মনে হয়। আর মৃতদের জন্য জীবিতদের হাদিয়া ও উপহার হচ্ছে দু’আ ও ইস্তেগফার। (মাওলানা রাফআত কাসেমী কৃত মাসাইলে শবে বরাত, পৃষ্ঠা ৮০, ইহইয়াউল উলুম)
রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেনÑ ‘যে ব্যক্তি প্রতি শুক্রবারে তার পিতামাতার অথবা তাদের দু’জনের যে কোনো একজনের কবর জিয়ারত করবে তাকে মাফ করে দেয়া হবে এবং নেককার বান্দাদের দপ্তরে তার নাম লিখা হবে। (ইহইয়াউল উলূম, খন্ড ৬, পৃষ্ঠা ১২৭, মিশকাত শরীফ, পৃষ্ঠা ১৫৪)
ইবনে সিরীন থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেনÑ ‘একজন ব্যক্তি যদি তার পিতামাতার অবাধ্য সন্তান হয় আর এ অবস্থায় যদি তার মাতাপিতা মারা যান এবং তাদের মৃত্যুর পর সে যদি তাদের জন্য দু’আ করে তাহলে আল্লাহ তা’আলা পিতামাতার বাধ্য সন্তানদের তালিকায় তার নাম লিখবেন। (ইহইয়াউল উলূম, খন্ড ৬, পৃষ্ঠা ১২৭)
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেনÑ ‘তোমরা তোমাদের কুকর্ম ও খারাপ কাজ দিয়ে তোমাদের মৃত ব্যক্তিদের লজ্জিত ও অপমানিত করো না। কেননা তোমাদের এসব কুকর্ম কবরবাসী তোমাদের অভিভাবকদের সামনে পেশ করা হয়। (ইহইয়াউল উলূম, খন্ড ৬, পৃষ্ঠা ১৩৫)
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন ‘মানুষ যখন মরে যায় তখন তার আমলের সওয়াব শেষ হয়ে যায়। কিন্তু তিনটি জিনিসের সওয়াব মৃত্যুর পরও সে পেতে থাকবে। প্রথমটি সদকায়ে জারিয়া, দ্বিতীয়টি এ ইলম যা দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়। আর তৃতীয়টি হচ্ছে নেক সন্তান, যে মৃত্যুর পরও তার জন্য দু’আ করতে থাকে। (মুসলিম শরীফ)
উপরোক্ত হাদিসে বর্ণিত তৃতীয় বস্তুটি হল নেক সন্তান। যারা পিতামাতার মৃত্যুর পরও তাদের জন্য দু’আ করতে থাকে।
সন্তানদের সুশিক্ষা দিয়ে, দ্বীনি শিক্ষা দিয়ে আলেম, হাফেজ, আলেমা, হাফেজা আদর্শবান, চরিত্রবান, সুসন্তান বানানো একটি বিশেষ সদকায়ে জারিয়া। যতোদিন তারা যে কোনো ভালো কাজ করতে থাকবে মৃত পিতামাতা এর সওয়াব পেতে থাকবেন। আর নেক সন্তানেরা যদি পিতামাতার জন্য দু’আ করতে থাকে তাহলে এটা হবে মা বাবার জন্য একটি অতিরিক্ত সঞ্চয়।
মূলকথা হলো কেউ যদি চায় যে মৃত্যুর পরও তার সন্তান তার কাজে আসুক তাহলে সাধ্যমতো সন্তানকে নেক বানানোর চেষ্টা করতে হবে। আর যদি সন্তানকে সুশিক্ষা না দিয়ে যায় বরং সন্তান চরিত্রহীন, মদ বা গাঁজাখুর হয়, গান-বাদ্য করে। পিতার কবরের পাশে ওরশ করে তাহলে পিতাকে আযাব দেওয়া হবে, জাহান্নামে যেতে হবে। সন্তানরাও জাহান্নামে যাবে। তাই আসুন প্রিয় পাঠক মন্ডলী! নিজের সন্তানদেরকে সুশিক্ষা দিয়ে আদর্শবান সন্তান গড়ে তুলি। কুশিক্ষা দিয়ে বা শিক্ষা না দিয়ে চরিত্রহীন, আদর্শহীন, নৈতিকতাহীন করে সমাজে না ছেড়ে যাই। যা দুনিয়া আখেরাতে উভয় জগতে অসম্মানের পাত্র।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT