উপ সম্পাদকীয়

সড়ক দুর্ঘটনার দায় ও দায়িত্ব

আবু আফজাল সালেহ প্রকাশিত হয়েছে: ২৫-০৩-২০১৯ ইং ০০:৫০:২১ | সংবাদটি ১১৩ বার পঠিত

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে গত বছর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যে ১৭ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, তা কি যথাযথভাবে মেনে চলা হচ্ছে? উত্তর অবশ্যই না। ফলে রাস্তায় বিশৃঙ্খলা দূর হয়নি। বেপরোয়াভাবে ভারী যান চালানো থামেনি। ট্রাফিক আইন অবজ্ঞা করার দৃশ্য আমরা অহরহ দেখতে পাই। সড়ক নিরাপদ রাখার জন্য নিয়ম মেনে চলার সরকারি নির্দেশ থাকার পরও সে নির্দেশ কী করে অমান্য করে, কীভাবে পার পেয়ে যায় অপরাধীরা তা বড় প্রশ্ন বটে। এ অবস্থা সৃষ্টির জন্য দায়ীদের অচিরেই শনাক্ত করতে হবে। আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তি দিতে হবে।
সাম্প্রতিক আলোচিত সড়ক দুর্ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাসের চালক দায়ী। নেশাগ্রস্ত চালকরা রাস্তায় গাড়ি নিয়ে দাপিয়ে বেড়ায়, দেখার কেউ নেই। ১৭টি মামলা নিয়ে সম্প্রতি রাজধানীতে শিক্ষার্থী হত্যা করা ঘাতক বাসটি কীভাবে রাস্তায় চলে! প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা সত্ত্বেও কারা সহযোগিতা করছে না তা দেখা দরকার।
সড়কে কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, এর ওপর একটি গবেষণা পরিচালনা করেছে বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউট (এআরআই)। গবেষণায় রাজধানীতে বেশির ভাগ সড়ক দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বেপরোয়া বাস। বুয়েটের এআরআই থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬৬৬টি দুর্ঘটনায় ৬৯৯ জন নিহত এবং এক হাজার ২২৭ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৫৪টি দুর্ঘটনাই বাসের কারণে ঘটেছে। এছাড়া ১৩০টি মোটরসাইকেল, ১১৩টি ট্রাক, ৭৩টি পিকআপ এবং ৫৬টি ব্যক্তিগত গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এআরআইর তথ্য।
২০১৬ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় ১২৩টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩৭ জন, আহত হয়েছেন ৩৩৭ জন। ২০১৭ সালে ঢাকায় ২৬৩টি দুর্ঘটনা ঘটার তথ্য দিচ্ছে এআরআই। তাতে ২৭৬ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ৩৫৮ জন আহত হয়েছিল। সে বছর ১৪৫টি দুর্ঘটনায় বাসের সম্পৃক্ততা ছিল। ২০১৮ সালে ঢাকায় ২৮০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮৬ জন নিহত হয়। আহত হয়েছিল ৫৩২ জন। সে বছর ১৩৪টি দুর্ঘটনার কারণ বাস।
ত্রুটিপূর্ণ বা ফিটনেসবিহীন যানবাহন দুর্ঘটনার জন্য অন্যতম দায়ী। অনেক ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্সও যথাযথভাবে দেওয়া হয় না বলে বিভিন্ন অনুসন্ধানে জানা যায়। ছানিপড়া বা অসুস্থ চালক গাড়ি চালাতে না পারার নির্দেশনা থাকলেও সেটা অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন হচ্ছে বলে মনে হয় না। ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্তিতে উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল সনদ (বিশেষ করে ভারী যানবাহনের ক্ষেত্রে) নেওয়ার শর্ত আরোপ করা যেতে পারে।
ফিটনেসহীন গাড়ি, রং বদলিয়ে নতুন গাড়িতে রূপান্তর ইত্যাদি যানবাহনে ত্রুটি রয়েছে। প্রশিক্ষণবিহীন চালক, অবৈধ (লাইসেন্সবিহীন) চালক, শিশুচালক ইত্যাদি দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। রাস্তায় ফিটনেসবিহীন ও ত্রুটিপূর্ণ গাড়ির ছড়াছড়ি। অন্যদিকে আছে লাইসেন্সবিহীন চালক। অনেক সময় হেলপার গাড়ি চালায়। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলায় এমনটা ঘটে। রাজধানী ও আশপাশের জেলার বেশির ভাগ ফুটপাত অবৈধ দখলে। রাস্তার অনেকাংশ এভাবেই দখল করে রেখেছে অনেক ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ী। ফলে রাস্তার প্রশস্ততা কমে গিয়ে গাড়ি চলাচলে নির্বিঘেœ ঘটে। এগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নজর দিতে হবে।
আধুনিক ও সময়োপযোগী আইন পাস করতে হবে। আধুনিক ট্রাফিক সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে। এ সেক্টরে জনবল বাড়াতে হবে। পেশাদার চালকদের লাইসেন্স পেতে প্রশিক্ষণ সনদ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা দরকার। সচেতনতা বাড়াতে অনেক কর্মসূচি হাতে নেওয়া যেতে পারে। মহাসড়কে অবৈধ নসিমন, করিমন, ভটভটি চলাচল করে, এগুলো বন্ধ করতে হবে। অনেক স্থানে রাস্তার দুই পাশে বাজার বসানো হয়ে থাকে।
ঢাকার রাস্তায় রিকশা, মোটরসাইকেল, ছোট গাড়ির কারণে বড় গাড়ি চলতে পারে না। এসব কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও গাড়ির ফিটনেস মালিক ও চালকের অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে।
ঢাকায় চালকের কাছে গাড়ি চুক্তিতে দেওয়া হয়। সঙ্গত কারণেই বেশি যাত্রী তুলে অল্প সময়ে গন্তব্যে যেতে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন চালক। এতে চালকরা রেষারেষি করে গাড়ি চালান। তাই মালিক ও চালক সবাই সচেতন হলেই দুর্ঘটনা কমে আসবে। বাস ও ট্রাক টার্মিনালে মাইকিং করে চালকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
পাবলিক প্লেসে সচেনতামূলক স্টিকার ও লিফলেট বিতরণ করা যেতে পারে। জানা গেছে, সম্প্রতি দুই গাড়ির সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে ব্র্যাকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভারী যানবাহনের ৯৬ দশমিক ৪ শতাংশ চালক ‘মূল চালকের’ সহকারী থেকে চালক হয়েছেন। তারা গাড়ি চালানোর কোনো নিয়ম জানে না। আর বুয়েটের হিসাব মতে, বাংলাদেশে যত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে তার মধ্যে ৬৮ দশমিক ৪১ শতাংশের জন্য বাস ও ট্রাক দায়ী। ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ দায়ী বাস এবং ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ দায়ী ট্রাক। আর চালকের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে ৩৭ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবরের সূত্র অনুযায়ী, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, বাস-মিনিবাস, লরি দিনে ১২-১৬ বা ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত চলে। এ ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রতিটি যানে অন্তত দুজন চালক থাকার নিয়ম। কিন্তু কখনো একটি গাড়িতে দুজন চালক থাকে না। একজন চালক থাকায় অনেক ক্ষেত্রে হেলপার গাড়ি চালায়। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে গাড়ি চালানোর ক্লান্তি দূর করতে চালক ও সহকারীরা মাদক সেবন করেন। সেক্ষেত্রে নেশার কারণেও দুর্ঘটনা ঘটছে। তাছাড়া দেশে দক্ষ চালকের সংকট রয়েছে।
১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বিআরটিএ-এর রেজিস্টার্ড গাড়ির সংখ্যা ছিল এক লাখ ৭৫ হাজার। ২০১৭ সালে এসে তা দাঁড়ায় ৩৩ লাখে। প্রতিবছর এ সংখ্যা বাড়ছে। ১৯৮৭ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল এক লাখ ৯০ হাজার, ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ২২ লাখ ৪২ হাজার ৪৬৫টিতে দাঁড়ায়। এরমধ্যে পেশাদার চালকের সংখ্যা ১০ লাখ ৪১ হাজার ৬৯৭। এ সংক্রান্ত কাপজপত্রে আরও দেখা গেছে, ভারী গাড়ি চালনার লাইসেন্স আছে এক লাখ ৩০ হাজার ৪৬৮টি।
মাঝারি গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ৪৬ হাজার ৫৫৩, হালকা যানের জন্য ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫০টি। থ্রি হুইলার লাইসেন্স আছে ৪৯ হাজার ১২টি, মোটরসাইকেলের লাইসেন্স রয়েছে ৭ লাখ ৬৮ হাজার ২৭৬টি এবং অন্য ক্যাটাগরিতে আছে ৮০৬টি লাইসেন্স।
দেশে সারা বছর যে রকম মর্মান্তিক ও ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে তার জন্য বৈধ যানবাহনের চেয়ে অবৈধ যানবাহনও কম দায়ী নয়। কারণ, বৈধ যানবাহনে তাও অনেক দক্ষ চালক থাকেন, কিন্তু অবৈধ যানবাহন মূলত অদক্ষ আনাড়ি চালকদের দ্বারাই পরিচালিত হয়। যে কারণে মুখোমুখি সংঘর্ষ বা অবিবেচকের মতো ওভারটেকের কারণে প্রায়ই বড় বড় সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে। সরকারি হিসাবেই দেশে বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৪ হাজার মানুষ মারা যান। আহত হন প্রায় ৫ হাজার মানুষ। এদের অধিকাংশই গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। তবে এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, সড়ক দুর্ঘটনার কারণে বাংলাদেশে জিডিপির ক্ষতির পরিমাণ শতকরা ১ দশমিক ৬ ভাগ।
সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে রুট পারমিটবিহীন, নিবন্ধনবিহীন এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন শনাক্ত ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালক দিয়ে গাড়ি চালানো নিশ্চিত করতে হবে। সারা দেশে হাজার হাজার অনুমোদনবিহীন স্থানীয়ভাবে নির্মিত ইঞ্জিনচালিত যানবাহন চলাচল করছে। যেমন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, টমটম, নসিমন, করিমনসহ নানা রকম যানবাহন হাইওয়ে বা আন্তঃজেলা সড়কগুলোতেও চলাচল করছে। এসব কারণেও অনেক সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। সড়কের পাশে অবৈধ হাট বা দোকানপাট উচ্ছেদ, অতিরিক্ত গতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং রোধ করার জন্যও সংশ্লিষ্ট মহলকে এগিয়ে আসতে হবে।
অনেক সময় অতিরিক্ত ট্রিপ মারতে গিয়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে এবং চলন্ত অবস্থায় চালক মোবাইল ফোনে কথা বলতে গিয়েও দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। তবে দুর্ঘটনার জন্য কেবল যানবাহন বা চালকই দায়ী নয়, এমনকি ত্রুটিপূর্ণ রাস্তার কারণেও দুর্ঘটনা ঘটে। রাস্তা প্রশস্তকরণ করতে হবে। বিশেষ করে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে। ট্রাফিক সিগনাল উন্নত করতে হবে। তবে উল্লিখিত ত্রিপক্ষের সচেতনতা সবচেয়ে বড় অস্ত্র। এটিই নিরাপদ সড়কের মূলমন্ত্র।
লন্ডন শহরের কেন্দ্রে গাড়ি চালাতে গেলে দিনে ১০ পাউন্ড বা প্রায় ১৪ ডলার কিংবা ১১ ইউরো মাশুল গুনতে হয়। ২০০৩ সাল থেকে এই ‘কনজেশ্চান চার্জ’ বসানো হয়েছে।
রাস্তায় লাগানো যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ির নাম্বারপ্লেট চিনে নিতে পারে অর্থাৎ ধরতে পারে, ‘ভিড়ের মাসুল’ দেওয়া হয়েছে কিনা। ব্যত্যয় হলে ২৪০ পাউন্ড অবধি জরিমানা! কোপেনহেগেনে ২০১৯ সাল থেকে ডিজেল গাড়ি ঢোকা বন্ধ করার কথা ভাবা হচ্ছে। ডেনমার্কের রাজধানীতে ৩০০ কিলোমিটারের বেশি রাস্তা শুধুমাত্র সাইকেল আরোহীদের জন্য রাখা; শহরের অর্ধেক বাসিন্দা সাইকেলে চড়ে অফিস যান। আমরা এভাবে চিন্তা করতে পারি। একটি লেন শুধু সাইকেল আরোহীদের জন্য রাখতে পারি। এতে যানজট কমবে, সাইকেলে চড়ে অফিস, কর্মস্থলে যেতে পারবে। খরচ কমে যাবে, পরিবেশ দূষণের মাত্রা অনেক কমে যাবে। আর রাজধানীতে যানবাহন ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে। সরকারি গাড়ি ব্যবহারে বা বরাদ্দে নতুন চিন্তা আনা যেতে পারে। যাতে করে একটি গাড়ি অনেকে ব্যবহার করতে পারে- সেটা চিন্তা করা যেতে পারে।
মাদ্রিদের রয়্যাল থিয়েটারের সামনের চত্বরটিতে ইতিমধ্যেই গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ, অন্যান্য এলাকাও ‘পেডেস্ট্রিয়ান জোন’ ঘোষণা করার প্রচেষ্টা চলেছে। লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে স্পেনের রাজধানীর গোটা কেন্দ্রীয় অংশটি শুধুমাত্র পথচারীদের জন্য খোলা রাখা। এর কারণ হলো, মাদ্রিদের চারপাশে পাহাড় থাকার ফলে দূষিত বায়ু শহরেই আটকা পড়ে ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। রাজধানীতে আমরা পথচারীদের জন্য আরও রাস্তা তৈরি করতে পারি। অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে হবে।
আমাদের রাজধানী ঢাকাতে ফুটপাত বেশির ভাগই অবৈধ দখলে। বাণিজ্যিক কাজে বা দোকান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটা দখল করে পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে। এতে শহরের যানজট অনেক কমে যাবে। দুর্ঘটনাও কমে যাবে। সংকীর্ণ রাস্তা প্রশস্ত হবে।
ভবিষ্যতে হেলসিংকিতে সরকারি পরিবহন আরো ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠবে। কেননা, আগামী দশ বছরের মধ্যে সব ধরনের সরকারি পরিবহনকে একটি অ্যাপ-এ অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বাস, স্বয়ংক্রিয় গাড়ি মিনিবাসগুলোর কোনো নির্দিষ্ট রুট থাকবে না। তারা অ্যাপ অনুযায়ী যাত্রী তুলে নিতে পারবে। এতে গাড়ির ব্যবহার কমে যাবে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, এখানে তিনটি পক্ষ জড়িত।
পরিবহন কর্তৃপক্ষ (মালিক-শ্রমিক), সরকার (বিআরটিএ-প্রশাসনসহ) ও পথচারী (জনগণ)। তিনপক্ষকেই এগিয়ে আসতে হবে নিরাপদ সড়কের জন্য। এই তিন পক্ষের পারস্পরিক সচেতনতা, সহযোগিতার মাধ্যমে নিরাপদ সড়কের চিন্তা-ভাবনাকে এগিয়ে নিতে হবে- এক কাতারে দাঁড়িয়ে-কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে। যে কোনো একপক্ষ নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে পারে না।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • শব্দদূষণ রোধে এগিয়ে আসুন
  • খাদ্যে ভেজালকারীদের নির্মূল করতেই হবে
  • বাংলাদেশের গৃহায়ন সমস্যা
  • বৃদ্ধাশ্রম নয় বৃদ্ধালয়
  • ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি
  • বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা
  • ভারতের জাতীয় উন্নয়ন ও ভারত মহাসাগর
  • জীবনে শৃঙ্খলাবোধের প্রয়োজনীয়তা
  • চলুক গাড়ি বিআরটিসি
  • জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবেলায় আমাদের করণীয়
  • নির্ধারিত রিক্সাভাড়া কার্যকর হোক
  • নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা
  • খাদ্যে ভেজাল রোধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে
  • মুর্তাজা তুমি জেগে রও!
  • সন্তানের জীবনে বাবার অবদান
  • এবার কুম্ভকর্ণের নিদ্রা ভংগ হোক
  • বন উন্নয়নে মনোযোগ বাড়ুক
  • একজন অধ্যক্ষের কিছু অবিস্মরণীয় প্রসঙ্গ
  • গ্রামাঞ্চলে বৃক্ষ রোপণ
  • শান্তির জন্য চাই মনুষ্যত্বের জাগরণ
  • Developed by: Sparkle IT