উপ সম্পাদকীয়

১৯৭১-এর সেই ভয়াল রাত

এ এইচ এম ফিরোজ আলী প্রকাশিত হয়েছে: ২৬-০৩-২০১৯ ইং ০০:৩৭:৪৩ | সংবাদটি ৪২ বার পঠিত

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ছিল বৃহস্পতিবার। সেই দিন বাংলাদেশের মাটিতে ঘটেছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসের বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ। বিভীষিকাময় এ রাতে বর্বর পাক হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামে ঘুমন্ত নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হিং¯্র দানবের মত ঝাপিয়ে পড়েছিল। এই জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞের নায়ক ছিলেন, ইয়াহহিয়া খান, জুলফিকার আলী ভুট্টো, কসাই টিক্কা খান, জেনারেল পীরজাদা, জেনারেল ইফতেখার জানজুয়ার, রাও ফরমান আলী ও খাদিম রাজা নামে রক্তপিপাসু ঘাতক এবং তাদের এদেশীয় দোসররা।
ইংরেজি ‘জেনোসাইড, শব্দটি বাংলায়, গণহত্যা, হিসেবে স্বীকৃত, যার অর্থ বিশেষ কোন জাতি, জনগোষ্ঠি বা বর্ণ, ধর্ম বিশ্বাসের মানুষের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত পন্থায় পরিচালিত ব্যাপক হত্যাকান্ড, আক্রমণ, শারীরিক নির্যাতন, নিপীড়ন, ধর্ষণ-যা সেই জনগোষ্ঠিকে আংশিক অথবা সম্পূর্ণভাবে ধবংস করার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে জাতিসংঘের জেনোসাইডের সংজ্ঞায় এসব কথা স্বীকৃত। সে কারণে ১৯৭১ সালে (২৫ মার্চ-১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত) বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের হাতে নির্বিচারে যে হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন ঘটেছে তা সব অর্থেই হত্যা বা জেনোসাইড। এটা ছিল ২০ শতাব্দির অন্যতম জঘন্যতম নৃশংস, গণহত্যা। এ গণহত্যার স্বরূপ বা চিত্র ছিল ভয়ংকর।
২৫ মার্চ বর্বর পাক বাহিনীর ট্যাংক, কামানের গোলা, মর্টারসেল আর মেশিনগানের গর্জনে রাত ১২টায় বাঙালির নিধনে এক ভয়াবহ হত্যার যাত্রা শুরু করে পাকিস্তানিরা। রাতে সমগ্র ঢাকা শহর আগুনের লেলিহান শিখায় লাল হয়েছিল। ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের পর ওয়ারলেস সেলে জানিয়েছিল বড় মাছটিকে ধরা হয়েছে। জগন্নাথ হলে বর্বরোচিত হামলা করে কয়েক শত হিন্দুধর্মালম্বী ছাত্রকে হত্যা করে। নিহতদের সাথে জীবিতদেরও গর্তে ফেলে মাটিচাপা দেয়। এরপর ট্রাংক চালিয়ে মাটি সমান করে ছিল। সলিমুল্লাহ হলে ১১ জন ছাত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা, রোকেয়া হলে আগুন দেয়ার পর ছাত্রীরা দৌড়ে বের হলে মেশিনগান দিয়ে গুলিকরে হত্যা করে। ৬ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মৃতদেহ সিলিংফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে হায়েনার দল তাদের প্রভুকে খুশি করে এবং বাঙালির হৃদয়ে অনন্তকাল আগুন জালিয়ে দিয়ে যায়। ইকবাল হলে ২০০ ছাত্রকে হত্যা করে ২ দিন পর্যন্ত পোড়া ঘরগুলোর দরজা জানালায় মৃতদেহ ঝুলিয়ে রাখে। ইয়াহহিয়া খান ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ভুট্টোর লার্কানাস্থ বাগান বাড়িতে হরিণ শিকারের অজুহাতে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে মিলিত হয়ে গণহত্যার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। সে মোতাবেক ২৭ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র এবং সেনা বাহিনীর প্রথম চালান প্রেরণ করা হয় পূর্ববাংলায়। ইতিপূর্বে ভারতীয় বিমান হাইজ্যাকের কারণে ভারতের ওপর দিয়ে পাকিস্তানের বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় সমরাস্ত্র শ্রীলংকা হয়ে বাংলাদেশে আসে। গণহারে বাঙালিকে খুন, নারী শিশুদের ধর্ষণ দেশীয় সকল সম্পদ পুড়িয়ে এ বাংলাকে বিরান ভুমি করা হয়েছে। বাংলা শব্দটির প্রতি তাদের ছিল মারাত্মক হিংসা। পাকিস্তানি বর্বর বাহিনীর সঙ্গে শামিল হয়েছিল ধর্মের নামে কিছু বাঙালি অবাঙালি সদস্য সমন্বয়ে গঠিত রাজাকার, আলবদর, আলশামস এবং শান্তি কামিটির সদস্যরা। ২৬৬ দিনে ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন সাড়ে ৬ হাজার থেকে ১১ হাজার পর্যন্ত মানুষ খুন করা হয়েছে। কম্বোডিয়ায় গড়ে প্রতিদিন গণহত্যা ছিল ১ হাজার ২০০ জন। ঢাকায় ২৫ মার্চ রাতেই লক্ষাধিক লোককে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২ মে চুকন নগরে একদিনে ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ হত্যা করা হয়। এ গণহত্যার বিরুদ্ধে কিছু দেশ নীরব থাকলেও বিশ্ববাসী সরব হয়ে ওঠেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৩৯-১৯৪৫ পর্যন্ত ৬ বছর সময়ে ৬ লাখ ইহুদিকে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষিতা এবং উদ্বাস্তুর সংখ্যা ধরলে জেনেভাকনভেনশন সংজ্ঞার বর্ণনা মতে, বাংলাদেশের গণহত্যার সংখ্যা কম বেশি ১ কোটি ৩৫ লাখ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক বিশিষ্ট গবেষক মুনতাসির মামুুনের মতে ৫লাখ নারী ধর্ষিত হয়েছেন। যে দাবির সমর্থন অস্ট্রেলিয়ার ডাক্তার জেফর্রি ডেভিস সহ অন্যান্য গবেষকদের তথ্য থেকে পাওয়া যায়। টিক্কা খান নিজেই বলেছেন, অপারেশন সার্চলাইট কালে যে গণহত্যা হয়েছে তা চেঙ্গিস খানের হত্যাকান্ডকেও হার মানিয়েছে। পাস্তিানের জেনারেল কামাল উদ্দিন তার বই, Tragedy Of Error- এ বিভিন্ন জায়গায় লিখেছেন, বাংলাদেশে যে হত্যাযজ্ঞ হয়েছে, তার ফলে শকুনদের খাদ্যের সন্ধানে অন্যত্র যেতে হয়নি। ইয়াহিয়া বলেছিলেন, পাকিস্তান রক্ষার জন্য কয়েক হাজার লাশ ফেলা কোন ব্যাপার হবেনা। মুক্তিযুদ্ধের পর সোভিয়েত সংবাদ সংস্থা ‘তাস, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তদন্ত করে মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৩০ লাখ বলে রিপোর্ট করেছে। স্যামুয়েল টটেন সম্পাদিত ‘সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড, গ্রন্থে গণহত্যায় নিহতের সংখ্যা ৩০ লাখ বলা হয়েছে। ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিংক ২৫ মার্চ গণহত্যার যে চিত্র তিনি ঢাকায় দেখেছেন এবং পরে ৯ মাসে যা অব্যাহত ছিল তার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ৩০ লাখ কিংবা তার বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন। মার্কিন সিনেটর এ্যাডলাই স্টিভেনসন কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বৈধ্যভুমি দেখে বলেছিলেন পাক বাহিনীর নৃশংসতা ছিল ভয়াবহ এবং মানব জাতির ইতিহাসে তার কোন নজির নেই। বৃটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দক্ষিণ এশিয়া প্রধান মি: স্যান্ডার ল্যান্ড এর মতে ঢাকাতে নিযুক্ত বৃটিশ উপরাষ্ট্র দূত ২৬ মার্চ রাস্তায় বের হলে লাশের ঢলে রাস্তায় এগুতে পারেননি বলে উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তানের পরাজয় নির্ণয় করতে ১৯৭২ সালে হামুদুর রহমান কমিশন গঠন করে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু কমিশনের রির্পোট ২৮ বছর গোপন রাখার পর ২০০০ সালে গণমাধ্যমে তা প্রকাশিত হলে দেখা যায় কমিশনের স্বাক্ষ্য দিতে গিয়ে পাকিস্তানি সিনিয়র সেনা কর্মকর্তারা প্রায় সকলেই বাংলাদেশে ব্যাপক গণহত্যা ও নারী নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন। পাকিস্তানের সিভিল সমাজ বাংলাদেশের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনের জন্য পাকিস্তানকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি চেয়ে আসছেন বছরের পর বছর। ৭১ সালের পহেলা আগস্ট আমেরিকার সেন্টলুইস পোষ্ট যুক্তরাষ্টের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে লিখেছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পোলান্ডে নাৎসিদের গণহত্যার পর বাংলাদেশের গণহত্যা সবচেয়ে নৃশংস। সরকারি হিসাবানুযায়ি প্রথম ৪ মাসে দু’লাখ থেকে ৭ লাখ বাঙালি নিহত হয়েছেন ৬৫ লাখ লোক শরণার্থী হয়ে আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। ১৯৮১ সালে জাতি সংঘের এক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৭১ সালে প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ১২ হাজার লোককে হত্যা করা হয়েছে। ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বিষয়ক আর্কাইভ তাদের অবমুক্তকৃত দলিলে বাংলাদেশের হত্যাযজ্ঞকে Selective genocide হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
পাকিস্তানিরা ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত প্রতিটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে তারা বিকৃত করেছে, না হয় আড়াল করার চেষ্টা করেছে। বিবেকবান নাগরিক ও খ্যাতনামা ইতিহাসবিদদের ভাষায় পাকিস্তান দেশটি ইতিহাসের ঘাতক বলে পরিচিতি লাভ করেছে। বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জেনারেল নিয়াজী সহ ১৯৫ জন পাকিস্তানি সেনা অফিসারকে বিচার করার ঘোষণা দেন। কিন্তু ১৯৭৪ সালের ত্রিপাক্ষিক চুক্তির পর ৯৩ হাজার পাকিস্তানি যুদ্ধবন্দি সহ এসব যুদ্ধাপরাধীরা দেশে ফিরে যায়। এর প্রধান কারণ যুদ্ধের ফলে ৪ লাখ বাঙালি পাকিস্তানে আটকা পড়ে যান এবং সুযোগে জুলফিকার আলী ভুট্টো পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে তাদের বিচারের ঘোষণা দেন এবং ২০০ বাঙালিকে বিচারের লক্ষ্যে কারারুদ্ধ করেন। পাকিস্তান বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের মাটিতে গণহত্যার স্বীকৃতিও দিয়েছে। জুলফিকার আলী ভুট্টো ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে সফরে এসে ১৯৭১ সালের ঘটনার জন্য ‘Regret, বা দু:খ প্রকাশ করেন। ২০০২ সালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ ঢাকায় এসে ১৯৭১ সালের যুদ্ধকে বাড়াবাড়ি বা Excesses বলে দু:খ প্রকাশ করেন। কিন্তু পাকিস্তান কখনো ক্ষমা চায়নি। ২০১৫ সালে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হলে পাকিস্তানের মায়া কান্না শুরু হয়ে যায়। এসময় নওয়াজ শরীফের সরকার আগের অবস্থান থেকে দুরে সরে আসে এবং সে ইতিহাসকে পুরোপুরি অস্বীকার করেন।
২০১৫ সালে ডিসেম্বর মাসে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের এক সমাবেশে গণহত্যায় নিহতদের সংখ্যা নিয়ে তার প্রশ্ন আছে এমন কথা উল্লেখ করার পর দেশ জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে যায়। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই প্রচারিত জনৈক জুনায়েদ আহমদ রচিত ‘ক্রিয়েশন অফ বাংলাদেশঃ মিথসএক্সক্লোডেড, নামক বই প্রকাশ করে। যে বইতে মুক্তিযোদ্ধাদের এই বলে দোষারোপ করা হয়েছে যে ২৫শে মার্চ গণহত্যার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা দায়ী। তারাই নিরীহ নিরপরাধ মানুষদের হত্যা করেছেন। বইতে গণহত্যার ছবিকে বাঙালির হাতে বিহারি হত্যার ক্যাপশন লেখে প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির এক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডাকসুর সাবেক ভিপি সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমদ। এ সভায় ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও অধ্যাপক মুনতাসির মামুন ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণার দাবি করলে এদিন সভা শেষে সংসদে এসে পয়েন্ট অব অডারে দাঁড়িয়ে তোফায়েল আহমদ গণহত্যা দিবস পালনে সংসদে প্রস্তাব পেশ করলে ১১ মার্চ আলোচনার দিন ধার্য করা হয়। জাসদের এমপি শিরিন আক্তারের নোটিশকে সামনে রেখে এদিন (১১ র্মাচ) ৫৬জন সংসদ সদস্য আলোচনা করে ২৫ শে মার্চকে গণহত্যা দিবস পালনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, ২০মার্চ মন্ত্রী পরিষদ প্রস্তাবটি অনুমোদন করলে ২১ মার্চ সরকার গণহত্যা দিবসের প্রজ্ঞাপন জারি করেন। স্বাধীনতা দিবসে সেই কালো রাতের এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি।
লেখক : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • শবে বরাত : আমাদের করণীয়
  • শিক্ষকের গায়ে কলঙ্কের দাগ
  • উন্নয়ন হোক দ্রুত : ফললাভ হোক মনমতো
  • হার না মানা জাতি
  • বাংলা বানান নিয়ে কথা
  • আলজেরিয়ার পর সুদানেও স্বৈরশাসকের পতন
  • দেশের সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার হাল-চাল
  • ইলিশ : অর্থনীতি উন্নয়নের বড় হাতিয়ার
  • নুসরাত ও আমাদের সমাজ
  • শিশুরাই আমাদের শিক্ষক
  • জ্ঞান বিকাশে সংবাদপত্রের ভূমিকা
  • প্রসঙ্গ : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ এবং আমাদের জাতীয় ঐক্য
  • বজ্রপাত আতঙ্ক ও আমাদের করণীয়
  • সুদান : গণবিপ্লবে স্বৈরশাসক বশিরের পতন
  • মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবনগর সরকার
  • বৈশাখের বিচিত্র রূপ
  • বিচার নয় অভিশাপ
  • আমাদের জীবনে মিডিয়ার প্রভাব
  • সার্বজনীন বৈশাখী উৎসব
  • ঐতিহ্যময় উৎসব পহেলা বৈশাখ
  • Developed by: Sparkle IT