ইতিহাস ও ঐতিহ্য

 পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন

প্রকাশিত হয়েছে: ১৭-০৪-২০১৯ ইং ০০:৩৬:৫৯ | সংবাদটি ১৯১ বার পঠিত

[পূর্ব প্রকাশের পর]
(তাং- সোমবার, ২০ পৌষ ১৪০৬ বাংলা, ৩ জানুয়ারি ২০০০ খ্রি./ দৈনিক গিরিদর্পণ, রাঙ্গামাটি)।
‘দফা নং-গ-১। পার্বত্য জেলা পরিষদ সমূহ অধিকতর শক্তিশালী ও কার্যকর করিবার লক্ষ্যে পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ আইন ১৯৮৯ (১৯৮৯ ইং সনের ১৯, ২০ ও ২১ আইন) এর বিভিন্ন ধারা সংশোধন ও সংযোজন সাপেক্ষে তিন পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদের সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হইবে।’
ইতোপূর্বেই বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম এখন মাত্র মৌখিক অঞ্চল, কোন প্রশাসনিক ইউনিট নয়। ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দু হলো প্রশাসনিক ইউনিট, যেটি ছাড়া কোন এখতিয়ার বা কর্তৃত্বই কার্যকর ও স্থিতিশীল হয় না। প্রশাসন আর প্রতিনিধিত্ব উভয় ক্ষেত্রেই এই শর্ত মান্য। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ নং ৫৯ জনপ্রতিনিধিত্ব মূলক কর্তৃপক্ষ গঠন ও ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সমূদয় স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষের উপর এই শর্ত পালন অত্যাবশ্যক করে দিয়েছে। সুতরাং সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা ও আঞ্চলিক পরিষদ আইন বলে, আঞ্চলিক পরিষদ গঠন সম্ভব হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি প্রশাসনিক ইউনিটে পরিণত না করা পর্যন্ত, এর এখতিয়ার ক্ষেত্র হবে শূণ্য। এমতাবস্থায় তিন পার্বত্য জেলা কর্তৃপক্ষ আর পরিষদগুলো প্রশাসনিক ইউনিট থেকে মুক্ত আঞ্চলিক পরিষদের কর্তৃত্বকে অমান্য করতে পারবে। প্রশাসনিক আইন ও বিন্যাস অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ স্বীকার্য্য কোন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নয়।
আঞ্চলিক পরিষদ গঠন নিয়ে আরো ফেকড়া হলো : চুক্তিতে আছে তিন পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদের সমন্বয়ে আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে। অথচ স্থানীয় সরকার পরিষদ এখন বিলুপ্ত। তদস্থলে গঠিত হয়েছে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ। এই স্থানীয় সরকার পরিষদ বা জেলা পরিষদের সমন্বয়ে, বর্তমান আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়নি। এর চেয়ারম্যান ও সদস্যরা জেলা পরিষদ সমূহের কেউ নন। সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে আঞ্চলিক পরিষদ। এটি সরকার মনোনীত ব্যক্তিদের দ্বারা গঠিত সংগঠন। তিন জেলা পরিষদের সমন্বয়ে আঞ্চলিক পরিষদ গঠন মানে স্বতন্ত্র ব্যক্তিদের ক্ষমতা লাভ নয়। এখানে চুক্তির সংশ্লিষ্ট দফাটি লঙ্ঘন করে, তিন জেলা পরিষদের বাহির থেকে স্বতন্ত্র ব্যক্তিদের নিয়ে আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়েছে। অথচ এ ব্যবস্থা চুক্তি বা আঞ্চলিক পরিষদ আইনের কোথাও নেই। তিন পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদের সমন্বয়ে আঞ্চলিক পরিষদ গঠনের কথা চুক্তিতে থাকলেও, আঞ্চলিক পরিষদ আইনে ভিন্ন কথা ব্যক্ত আছে, যথা :
‘ধারা নং ৩। পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ স্থাপন। (১) এই আইন বলবত হইবার পর যথাশীঘ্র সম্ভব এই আইনের বিধান অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ নামে একটি পরিষদ স্থাপিত হইবে।’
দেখা যায় চুক্তি ও আইনে বিস্তর গরমিল বিদ্যমান। আইনে বিলুপ্ত, স্থানীয় সরকার পরিষদ বা রূপান্তরিত জেলা পরিষদের সমন্বয়ের কোন উল্লেখ নেই। তদুপরি চুক্তিতে উল্লেখিত স্থানীয় সরকার পরিষদ হলো বিলুপ্ত প্রতিষ্ঠান। তাতে জেলা পরিষদ উল্লেখিত নেই, এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম হলো একটি মৌখিক বায়বীয় অঞ্চল যা বাস্তবে কোন প্রশাসনিক ইউনিটও নয়। সুতরাং আঞ্চলিক পরিষদের স্থিতি শূণ্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। এটি বাস্তবে একটি সান্ত¡না মূলক অবাস্তব সংগঠন যার কোন ভিত্তি ভূমি নেই।
‘দফা নং-গ-২। পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যগণের দ্বারা পরোক্ষভাবে এই পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হইবেন। যাহার পদ মর্যাদা হইবে একজন প্রতিমন্ত্রীর সমকক্ষ এবং তিনি অবশ্যই উপজাতীয় হইবেন।’
এখানে স্থানীয় সরকার পরিষদের স্থলে জেলা পরিষদ ব্যবহৃত হয়েছে, যা পূর্বোক্ত দফার সাথে স্ববিরোধী। ধারা গ/১ মতে সমন্বয়ের পরিবর্তে পরোক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থায় উত্তরণ আরেক স্ববিরোধিতা। তাই সমন্বয় না নির্বাচন কোনটা গ্রহণীয়? এই আইনে সমন্বয়ের কথাটি অনুপস্থিত। অথচ এই যোগ বিয়োগের কোন ব্যাখ্যা নেই। পরোক্ষ নির্বাচন, আর অন্তর্র্বতী নিযুক্তি ব্যবস্থা ও সাংবিধানিক নয়।
আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যানের পদমর্যাদা একজন প্রতিমন্ত্রীর সমান, তবে তিনি মন্ত্রী নন। এটা ও সাত্বনামূলক ব্যবস্থা। গাড়ি বাড়ি বেতনভাতা, ভিআইপি মর্যাদা ভিন্ন, বাস্তবে তিনি এক নিধিরাম সর্দার। এ পদ উপজাতীয় বিদ্রোহী নেতার জন্য সংরক্ষিত। এটা বিদ্রোহের উপহার বা পুরষ্কার। স্থানীয় বাঙালিদের কারো পক্ষে এ পদ ও মর্যাদা নিষিদ্ধ। এটি আরেক বর্নাশ্রম। এই বৈষম্য সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ। তবে কর্তাদের ইচ্ছাই কীর্তনীয়। এই অবহেলার অর্থ হলো বাঙালিদের চ্যালেঞ্জের ফাক ফোকর বজায় রাখা। যাতে একদা এই বাড়াবাড়ি দায় থেকে বাঁচা যায়।
নড়বড়ে পার্বত্য চুক্তি আর পরিষদীয় বিধি বিধানের পক্ষে সাংবিধানিক সমন্বয় ও গেরান্টির দাবি খোদ জনসংহতি সমিতি ও পরিত্যাগ করেছে, আর এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে, এ জন্য তারা ও নির্দোষ নন। মনে হয়, তারাও চাইছিলেন নির্বাসন ও বিদ্রোহ থেকে একটি সম্মানজনক প্রত্যাবর্তন। যে জন্য তাদেরকে নমনীয় হতে হয়েছে। এরূপ মুখ রক্ষার জন্য চুক্তিতে কিছু সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যাতে জুমিয়া জনসাধারণ সাফল্যের সাত্বনা ও প্রবোধ লাভ করতে পারে। চুক্তির শেষ মেশ ভবিষ্যৎ যা হবার হোক, আপাততঃ এটাই সান্ত¡নার বিষয় যে, জনসংহতি সমিতি খালি হাতে আত্মসমর্পণ করেনি, এটাই বুঝা যায়।
(তাং-মঙ্গলবার, ২১ পৌষ ১৪০৬ বাংলা, ৪ জানুয়ারি ২০০০ খ্রি./ দৈনিক গিরিদর্পণ, রাঙ্গামাটি)।
‘দফা নং-গ ৩। চেয়ারম্যানসহ আঞ্চলিক পরিষদ ২২ (বাইশ) জন সদস্য লইয়া গঠন করা হইবে। পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য উপজাতীয়দের মধ্য হইতে নির্বাচিত হইবেন। পরিষদ ইহার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিবেন। পরিষদের গঠন নিম্নরূপ হইবে :
চেয়ারম্যান ১ জন। সদস্য উপজাতীয় পুরুষ ১২ জন। সদস্য উপজাতীয় মহিলা ২ জন। সদস্য অউপজাতীয় পুরুষ ৬ জন। সদস্য অউপজাতীয় মহিলা ১ জন।
উপজাতীয় পুরুষ সদস্যদের মধ্যে ৫ জন নির্বাচিত হইবেন চাকমা উপজাতি হইতে, ৩ জন মারমা উপজাতি হইতে, ২ জন ত্রিপুরা উপজাতি হইতে ১ জন মুরং ও তঞ্চঙ্গ্যা উপজাতি হইতে এবং ১ জন লুসাই বোম পাংখো খুমি চাক ও খিয়াং উপজাতি হইতে। অউপজাতীয় পুরুষ সদস্যদের মধ্য হইতে, প্রত্যেক জেলা হইতে ২ জন করিয়া নির্বাচিত হইবেন।
উপজাতীয় মহিলা সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে চাকমা উপজাতি হইতে ১ জন এবং অন্যান্য উপজাতি হইতে ১ জন নির্বাচিত হইবেন।'
সিদ্ধান্ত হলো : মোট ২২ জন সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ হবেন উপজাতীয়। সে হিসাবে তাদের সংখ্যা হয় ১৫ জন এবং অবশিষ্ট এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অউপজাতীয় যাদের সংখ্যা হয় ৭ জন।
এই সংখ্যা ভাগ বিস্ময়কর। এটা উপজাতীয় আর অউপজাতীয় জনসংখ্যার সাথে সঙ্গতিশীল নয়। এখানে উপজাতীয়দের অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শাসক শ্রেণিতে পরিণত করা হয়েছে, আর অউপজাতীয়দের করা হয়েছে নিম্ন শ্রেণীভুক্ত অধীন, অধিকার বঞ্চিত, বৈষম্যের শিকার, শাসিত লোক। এটি গণতন্ত্র ও সাংবিধানিক সমানাধিকারের পরিপন্থী। উপজাতিদের জন্য চেয়ারম্যানের পদ সংরক্ষণ আরেক পক্ষপাতমূলক জঘন্য অন্যায়। তদুপরি অউপজাতীয় অর্থ পরিষ্কার বাঙালি নয়। বাঙালি স্বার্থ এখানেও লঙ্ঘিত। বাঙালি ও উপজাতি বহির্ভূত অনেক স্থানীয় অধিবাসী, অউপজাতি সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত, যাদের অস্বীকার করা যাবে না। এর অর্থ হলো বাঙালিদের জন্য চেয়ারম্যান পদ নিষিদ্ধ। তারা সংখ্যানুপাতিক সদস্য পদ ও পাবে না। সার্বোপতি উপজাতি বহির্ভুত অবাঙালি স্থানীয় অধিবাসীদের জন্য অউপজাতীয় কোটাভুক্ত আসনও ছাড়তে হবে। কারণ অউপজাতি মানে ১০০% বাঙালি নয়।
চুক্তি ও আইনে এখানেও ফারাক বিদ্যমান। উপজাতীয়ভূক্ত ১টি আসনে মুরুং জনগোষ্ঠিকে তঞ্চঙ্গ্যাদের সাথে শরিক দেখান হয়েছে। অথচ আঞ্চলিক পরিষদ আইনের ধারা নং ৫ (৩-ঘ) তে মুরং নয় ম্রো নাম অন্তর্ভুক্ত আছে। আগে স্থানীয় সরকার পরিষদ আইন ও জেলা পরিষদ আইনে মুরুংরা ব্রেকেট ভুক্ত ছিলো, এখন তা বিলুপ্ত। অথচ ১৯৯১ সালের আদম শুমারীর হিসাবে ম্রোদের সংখ্যা হলো ১২৬ আর মুরুদের সংখ্যা ২২১৭৮ জন। এটা অবিচার ও চুক্তি বদলের আরেক নমুনা।
উপজাতীয় আসনে চাকমাদের প্রাধান্য আরেক বিসদৃশ ব্যাপার। ৭টি তাদের দলখিভুত। ম্রোদের সাথে ১টি আসনে তঞ্চঙ্গ্যাদের টাই। সুতরাং এটিও যোগ হলে ৮টি আসনই তাদের দখলাধীন হয়। অবশিষ্ট উপজাতীয়রা তাতে সংখ্যানুপাতিক প্রাপ্য আসন পায়নি। লোক সংখ্যানুপাতে চাকমাদের প্রাপ্য আসন সংখ্যা হলো ৫ এবং তঞ্চঙ্গ্যাদের সাথে ১টিতে টাই। চেয়ারম্যান পদটিও বাস্তবে চাকমাতে অন্তর্ভুক্ত। উপজাতি আর অউপজাতীয় জনসংখ্যার অনুপাত (আদম শুমারী ১৯৯১ খ্রীঃ)। নিম্নরূপ :
ক) উপজাতীয় মোট ৪৮১৯১৭ জন = ৪৯.৩২%।
১. চাকমা ২৩৯৪১৭ জন। ২. মারমা ১৪২৩৩৪ জন। ৩. ত্রিপুরা ৬১১২৯ জন। ৪. তঞ্চঙ্গ্যা ২২০৪১ জন। ৫. বোম ৬৯৭৮ জন। ৬. চাক ২০০০ জন। ৭. খুমি ১২৪১ জন। ৮. খিয়াং ১৯৫০ জন। ৯. লুসাই ৬৬২ জন। ১০. ম্রো ১২৬ জন। ১১. পাংখো ৩২২৭ জন। ১২. উসাই ৭৬২ জন।
খ) অউপজাতীয় মোট (বাঙালি ও অবাঙালিসহ) ৪৯৪৯৬৭, ৫০.৬৮%।
১. মুরুং ২২১৭৮ জন। ২. অন্যান্য অবাঙালি ৬৮৮ জন। ৩. বাঙালি ৪৭২১০১ জন। মোট জনসংখ্যা ৯৭৬৮৮৪ জন ১০০%।
এই জনসংখ্যার অনুপাতে মোট আসন সংখ্যার প্রায় ৫০/৫০ উপজাতি আর অউপজাতিদের ভাগে পড়ে। গণতান্ত্রিত নিয়মেও বটে, সংখ্যানুপাতিক আসন ভাগ সঙ্গত এবং চেয়ারম্যান পদটিও অবাধ প্রতিযোগিতামূলক রাখাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু এখানে গণতন্ত্রকে অমান্য করা হয়েছে। এটি স্বৈরাচার। এর বিরোধিতা অবশ্যই ন্যায় সঙ্গত।
উপজাতি নামে অগ্রাধিকার ও প্রাধান্য প্রাপ্য। এর পক্ষে কোন যুক্তি নেই।
পশ্চাদপদতা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে অন্য পশ্চাদপদদের ভাগ্য ও অধিকারকে জিম্মি করা অনুচিত? জাতীয়ভাবে সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দিলেই পশ্চাদপদতা কেটে যাবে। প্রদেয় সুযোগ-সুবিধার পক্ষে সময় ও মাত্রাগত নির্দেশ থাকা ও দরকার। এটা অনির্দিষ্ট দীর্ঘস্থায়ী আর মাত্রাতিরিক্ত হলে তাতে বৈষম্য সৃষ্টি হবে। বাঙালিরা উপজাতীয় প্রাপ্য অংশ গ্রাস করছে না বলেই তাদের অধিকার হ্রাস করা সঠিক নয়। যদি বিজাতীয় শোষণ ও বঞ্চনার প্রতিকার লক্ষ্য হয়ে থাকে, তা হলে সে আনুমানিক দোষে দোষী কি একা পার্বত্য বাঙালি জনগোষ্ঠি? যদি অভিযোগটি রাজনৈতিক হয়ে থাকে, তাহলে তাতেও পার্বত্য বাঙালিদের দায়ভার বহন ন্যায্য নয়? তাদের প্রতি এটি অবিচার। এর পক্ষে ও বিক্ষোভ বিদ্রোহ ঘটা যুক্তিসঙ্গত।
[চলবে]

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • সিলেট প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে ভাবনা
  • খাপড়া ওয়ার্ড ট্রাজেডি
  • জাদুঘরে হরফের ফোয়ারা
  • ইতিহাস গড়া সাত শক্তিমান
  • ভেজাল খাবার প্রতিরোধের ইতিহাস
  • বর্ষাযাপন : শহর বনাম গ্রামগঞ্জ
  • বর্ষা এলো বর্ষা
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • নবীদের স্মৃতিচিহ্নে ধন্য যে জাদুঘর
  • দর্শনীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র
  • ঐতিহ্যে অম্লান গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়
  • বিলুপ্তির পথে গরীবের ‘শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত’ মাটির ঘর
  • হারিয়ে যাচ্ছে হিজল গাছ
  • তালের পাখা প্রাণের সখা
  • জামাই ষষ্ঠী
  • বাঙালির অলংকার
  • জল-পাহাড়ের ’কাঁঠালবাড়ি’
  • সাগরের বুকে ইসলামি স্থাপত্য জাদুঘর
  • বাঙালির আম-কাঁঠাল
  • ঐতিহ্যের সিলেট
  • Developed by: Sparkle IT