ইতিহাস ও ঐতিহ্য

প্রাচীন জনপদ রাজারগাঁওর ইতিবৃত্ত

সিরাজ উদ্দীন আল হুসাইনী প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০৪-২০১৯ ইং ০০:১৩:০৩ | সংবাদটি ২০৫ বার পঠিত

প্রাচীনকালে সমূদ্রপৃষ্ঠে হারিকেন জনপদে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্য বিস্তৃত ছিল। ক্রমান্নয়ে অধিক ব্যাপ্তি হতে থাকে। এরই অংশ বিশেষ সিলেটের লাউড়, গৌড়, জৈন্তা ও তরপের ন্যায় আরও কয়েকটি রাজ্য গড়ে উঠেছিল। যেগুলোর তথ্যানুসন্ধানে বেরিয়ে আসবে ধন, জন ও জ্ঞানগর্ভা সিলেটের জ্যোতির্ময় অতীত ঐতিহ্য। জৈন্তারাণী ও গৌড়গোবিন্দের নামানুসারে যেমন জৈন্তা ও গৌড় রাজ্যের নামকরণ ছিল, তেমনি মোগলরাণীর নামানুসারে ছিল মোগলরাজ্য। উত্তরে খাসিয়া পাহাড়, দক্ষিণে গৌড়রাজ্য, পূর্বে জৈন্তারাজ্য ও পশ্চিমে লাউড়রাজ্য ছিল এর সীমানা। সালুটিকর এলাকার মিত্রি মহল গ্রামে জৈন্তা ও মোগনাল রাজ্যের সীমান্ত পিলার এখনও দেখতে পাওয়া যায়।
রাজা প্রতাপশিং এর পুত্র গৌরি শিং এর রাজধানী ছিল রাজারগাঁও। রাজা গৌরি শিং এখানে বাস করতেন। তারই নামানুসারে নামকরণ হয় রাজারগাঁও। উমাই ও দলই নামে রাজার ছিল দুই মোড়ল (প্রশাসক)। তাদের নামানুসারে উমাইরগাঁও ও দলইরগাঁও বৃহৎ দুটি গ্রামের নামকরণ হয়। বর্তমান উত্তর সিলেটে সদর, কোম্পানীগঞ্জ, ছাতক ও গোয়াইন থানা সমূহে প্রধানত এ তিনটি গ্রামের লোক ছড়িয়ে আছেন। সে যুগে হাওর, বিল ও ডোবা জায়গা ছিল প্রচুর। জনসংখ্যা ছিল অপ্রতুল। লোক বসতি ছিল অল্প। রাজা ছিলেন অত্যন্ত প্রজাপ্রিয়। সর্বদা প্রজাদের সুখ-দুঃখের প্রতি লক্ষ রাখতেন। প্রজাগণও রাজার গুণকীর্তন করতেন। ‘গৌরি শিং রাজা মোদের বড় ভাগ্যবান/প্রজা সুখে রাজা সুখি, নাই অভিমান’। লোকমুখে এমনি আরো কতো প্রবচন ছিল।
হাওর-বাওর, খাল-বিল, নদী-নালা, মাঠ ঝিল বন জঙ্গল বিঠপি লতা, ধান মাছ কমলা আতা। পশুপাখি মুক্ত হাওয়া, রোদ বৃষ্টি ঝড়ের ধাওয়া। এসবের পরিবেষ্টিত ধর্ম, সমাজ, ভ্রাতৃত্ববোধ, শ্রান্ত ক্লান্ত ও আনন্দ সুখ দ্বারা রাজ্যের লোকজন স্বাচ্ছন্দে বাস করত। সে সময় যাতায়াত ব্যবস্থা ছিল জলপথ প্রধান। চেঙ্গের খাল নদী থেকে ভাদেশ্বর নদী পর্যন্ত খাল খনন করে দলইরগাঁও ও উমাইরগাঁও’র প্রজাদের যাতায়াত ব্যবস্থা রাজা সুগম করেন। আজও রাজার খাল নামে সে খালটি বিদ্যমান।
শিবের বাজার নামকরণ : শিবনাথ নামের জনৈক ব্যক্তির ছিল একটি কামার দোকান। সে দোকানের পাশে ক্রমান্বয়ে পান-শুপারি, কাপড় ও দর্জির দোকান বসে বাজারে পরিণত হয়। শিবনাথের নামানুসারে সে বাজারের নামকরণ হয়। উত্তর সিলেটে এটিই প্রসিদ্ধ ও বড় বাজার। রাজার খাল থেকে বাছাই গাং পর্যন্ত শিবের বাজার ভায়া শিবনাথ যে খাল খনন করেন আজও সে খাল শিবের খাল নামে বিদ্যমান।
মুসলমানদের আগমন : ইতিহাস পর্যালোচনা দ্বারা জানা যায়, ৫৭০ হিজরি সনে হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহ.) ভারতবর্ষে শুভাগমন করেন। তারই প্রচেষ্টায় ভারতে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে পবিত্র ইসলাম ধর্ম প্রসার লাভ করে। সম্ভবত সেই সূত্রে সিলেটের পবিত্র ভূমিতে ১৩ জন মতান্তরে ১৩ পরিবার মুসলমান শহরতলী টুলটিকর মহল্লায় বাস করতেন। ইসলামি বিধান অনুসারে তাঁদের একজন শেখ বুরহান উদ্দিন (রহ.) গরু জবাই করে স্বীয় পুত্রের আকীকা সম্পাদন করেন। গো হত্যার অপরাধে রাজা গৌড়গোবিন্দ শেখ বুরহান উদ্দিনের হস্ত কর্তন ও পুত্রহত্যা করে নিষ্ঠুর শাস্তি দেন। বিরহ বেদনা, মানসিক যাতনা ও দৈহিক যন্ত্রণায় তিনি সর্ব শক্তিমান ও সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারপতি মহান আল্লাহ তা’আলার দরবারে এহেন অন্যায় অত্যাচার ও অমানবিক শাস্তির প্রতিকারের লক্ষ্যে পবিত্র মক্কা নগরীর মহান কা’বা গৃহের উদ্দেশ্যে যাত্রারম্ভ করলেন। পথিমধ্যে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর সাথে তার সাক্ষাৎ হল। তাকে নিজ অবস্থা জ্ঞাত করলেন। শাহজালাল তাকে শান্তনা দিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে এলেন। ৭০৩ হিজরি সনে তিনি ৩১৩ জন সঙ্গী নিয়ে গৌড়রাজ্য অধিকার করলেন। প্রবাদ প্রবচন আছে ‘সঙ্গ গুণে লোহাও জলে ভাসে’ এর যথার্থ জালালী সাথীগণ। তারা সকলেই জালালী সান্নিধ্য ও দীক্ষা দ্বারা আল্লাহর প্রিয় পাত্র হয়ে ছিলেন। তারা দ্বীনের তাবলিগে আত্মনিয়োগ করলেন। ইসলামের অমিয় বাণী প্রচার করতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়লেন। ঝাকে ঝাকে মধুমক্ষীরা নিকুঞ্জ নিকেতনে সাশ্রয় গ্রহণ করতে লাগলেন।
হযরত শাহজালালের সহগামী কাবুলের পাঠান বীর আব্দুল গফফার খান সিলেট শহরের বনকলাপাড়ায় আস্তানা নির্মাণ করেন। আলম খাঁ, সানম খাঁ, আসিম খা, কাসিম খাঁ ও নাসির খাঁ নামে ছিল তার পাঁচ সন্তান। প্রথম সন্তানের নামানুসারে তথায় আজও আলম খার দিঘী বিদ্যমান। সেই পাঠান বীরের ১৭ জন সন্তান সন্ততি সিলেট শহরের পশ্চিম উত্তর কোণে প্রায় ১২/১৪ কিলোমিটার দূরে ইসলাম প্রচারের জন্য বসতি স্থাপন করেন। তাদের সাথে ছিলেন একজন কাযী। তাই গ্রামটির নাম সতর কাযীরগাঁও হিসেবে খ্যাত হয়। এর উত্তরে চেঙ্গের খাল নদী। নদীর উত্তরে রাজা প্রতাপ শিং এর বাড়ি। এখনও সে বাড়িকে রাজার বাড়ি ডাকা হয়। একদা ইস্তেখারার মাধ্যমে সতর কাযীরগাঁও থেকে পাঠান বীরের ১৭ জন অনুসারী ও সন্তান আল্লাহর আদেশপ্রাপ্ত হয়ে নদী পাড়ী দিয়ে জঙ্গলে আগুণ ধরিয়ে দেন। অনল শিখা দর্শন করে রাজা অনুসন্ধান নিতে পাইক পেয়াদা পাঠালেন। তারা তথায় গিয়ে দেখলেন কয়েকজন লোক অনল অদূরে বসে আছেন। ব্যাপারটি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বললেন, আল্লাহর আদিষ্ট হয়ে আমরা আগুন ধরিয়েছি। তাদেরকে রাজার দরবারে নেয়া হলো। জিজ্ঞাসিত হলে তারা রাজাকেও সে কথা জানালেন। গৌড় গোবিন্দের পরিণতি স্মরণ করে রাজা আদর করে তাদেরকে পাশের বাড়িতে অবস্থান করার ব্যবস্থা করে দিলেন। তখন আদূরে ডাক শব্দ ছিল ‘হষ্টি’। তাই এ বাড়িটি হষ্টি বাড়ি বলে অদ্যাবদী প্রচলিত। রাজা গৌরি শিং রাজ্য ছেড়ে উত্তরের খাসিয়া পাহাড়ের চেরাপুঞ্জিতে চলে যান। সেখানে আজও তার বংশধর বিদ্যমান। এদিকে ১৭ জন মুসলমানের স্মৃতি ধারণ করে নামকরণ হয় ‘সতর রাজারগাঁও’। তাদের বংশের লোকজন এখনও সে গ্রামে বিদ্যমান। আলম খার একটি বংশ তালিকায় জানা যায় দৌলত খা মহালজী পুত্র মহিব উল্লাহ খা, পুত্র মামন্দ আসিম, পুত্র আব্দুর রাজ্জাক, (রাজা মিয়া) পুত্র হাফিয হরমুজ আলী, পুত্র ফখরুল ইসলাম।
শিক্ষার আলো : সুলতানী আমলে প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনার গায়ে বাংলাদেশের প্রথম প্রমান্য পবিত্র হাদিস বেত্তা শাইখ শরফ উদ্দিন আবু তাওয়ামা (রহ.) প্রতিষ্ঠিত মাদরাসার উত্তীর্ণ কৃতি ছাত্র দলইরগাঁও নিবাসী মাওলানা ইউসুফ আলী (রহ.) জাঙ্গাইল নিবাসী প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী হাজী আসাদুল্লাহর বাড়িতে শিক্ষার আলো বিতরণে রত ছিলেন। হাজী আসাদুল্লাহর পূর্ব পুরুষ বিশ্বনাথ থানার শিঙ্গেরকাছ গ্রাম থেকে আগত। ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারের অত্যন্ত ধার্মিক লাল মামন্দ রাজারগাঁও জাঙ্গাইল গ্রামে এসে বসতি স্থাপন করেন। বাড়ির পাশে মসজিদ নির্মাণ করে নিজ অর্থানূকুল্যে তা পরিচালনা করেন। বাড়ির বৈঠকখানায় ধর্মীয় শিক্ষাদানের জন্য মক্তব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার পুত্র মেঘা মোল্লা পিতৃ পদাঙ্ক অনুসরণ করেন। তার পুত্র বেলদার মোল্লা তার পুত্র আরকান উল্লাহ ছিলেন বিশেষ প্রভাব প্রতিপত্তি শক্তিশালী ব্যক্তি। ধর্মীয় কাজ ও সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা বিধানে তিনি গ্রাম্য পঞ্চাইত গঠন করেন। তার পুত্র হাজী আসাদ উল্লাহ ও হাজী মুহিব উল্লাহ ভ্রাতৃদ্বয় ছিলেন অত্যন্ত সমাজ হিতৈষী ও শিক্ষা সেবক। হাজী আসাদ উল্লাহর পুত্র হামীদ উল্লাহ ছিলেন রাজ্যের প্রধান মুরুব্বি। তার পুত্র মাওলানা ইসহাক আলী ছিলেন একজন খ্যাতিমান শিক্ষক। মাওলানা ইউসুফ আলীর প্রেরণায় উত্তর সিলেটের শিবের বাজারে ১৯১০ ঈসায়ী সনে সর্ব প্রথম ইমদাদুল ইসলাম কওমী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। এ প্রতিষ্ঠানের জন্য পারিবারিক ঐতিহ্যকে সমুন্নত করে হাজী ভ্রাতৃদ্বয় অক্লান্ত পরিশ্রম ও জায়গা দান করেন। এটিকে ১৯৩০ সালে আসাম শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্গত এমই মাদ্রাসা ও ১৯৬২ সালে মাস্টার আলা উদ্দিন পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় শিক্ষাবোর্ডের অধীনে জুনিয়র হাইস্কুল করেন। মাস্টার আব্দুর রাজ্জাক ও চেয়ারম্যান আব্দুস সুবহান (কালার বাপ) পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত পূর্ণাঙ্গ হাইস্কুলে রুপান্তরিত করে স্থানান্তরিত করেন। বর্তমানে সে স্থানটি তাহফিযুল কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি জন্ম দিয়েছে অনেক শিক্ষক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, ম্যাজিস্ট্রেট, উকিল, ডাক্তারসহ বিভিন্ন স্তরের চাকুরিজীবী, আযাদী আন্দোলন ও স্বাধীনতা আন্দোলনের কর্মী ও সৈনিকবৃন্দ।
১৯৫৪ সালে বাবুরাগাঁও নিবাসী মাওলানা মুসদ্দর আলী ও নওয়াপাড়া নিবাসী হাজী ইসমাইল প্রমুখ একটি মক্তব প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু আর্থিক কারণে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৫৫ সালে রাজ্যের আলিম সমাজ ও মুরুব্বিগণ রাজারগাঁও মখানুল উলুম দারুল হাদিস টাইটেল মাদরাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন। হাজী তৈয়বুল্লাহ ও হাজী আমজদ আলী প্রমুখ মাদরাসার জন্য জমি দান করেন। আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল গণী (রহ.) কে ২০ টাকা মাসিক বেতনে পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক এবং মাওলানা শাইখ আব্দুল মতিন (রহ.) কে ১৫ টাকা মাসিক বেতনে সহকারি শিক্ষক নিযুক্ত করা হয়। এ মাদরাসাটিও জন্ম দিয়েছে অনেক আলিম, মুফাসসির, মুহাদ্দিস, মুবাল্লিগ ও মুফাক্কির। এতে মাওলানা শাইখ আব্দুল ওয়াহিদ (রহ.), শহীদ মাওলানা শামসুল ইসলাম শেরপুরী (রহ.), মাওলানা শরাফত আলী (রহ.), মাওলানা যৈনুদ্দীন (রহ.), মাওলানা মৈনুদ্দীন (রহ.), মাওলানা শামসুদ্দীন (রহ.), মাওলানা ইসহাক আলী বিন হামীদুল্লাহ (রহ.), মাওলানা নযাফত আলী (রহ.), মাওলানা আযীযুর রহমান (রহ.), হাজী মুবাশ্বির আলী (রহ.), দর্জি সিকন্দর আলী (রহ.), দানা ইদ্রিস আলী হাজী সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা মকদ্দস আলী প্রমুখের বিশেষ অবদান রয়েছে।
সমাজ সংস্কার ঃ কালারুকা, জাঙ্গাইল, বাছাইপাড়, রায়েরগাঁও, মানসীনগর, বাগজুর, পুঠামারা, কালিরগাঁও, নোয়াগাঁও, নন্দিরগাঁও, বড়কাপন, দখড়ি, উমাইরগাঁও, বড়পৌদ, মেঘারগাঁও, পাগইল, পাইকরাজ, ফকিরেরগাঁও, দিঘিরপার, নোয়াপাড়া, বাবুরাগাঁও, মাঝপাড়া, সতর, হাটখোলা, কুড়িগাঁও, দিগলবাক, নয়াগাঁও সহ ২৭টি গ্রামের সমন্নয়ে গঠিত হয়েছিল একটি পঞ্চাইত বা রাজ। ধর্মানুষ্ঠান, ভ্রাতৃত্ববোধ, শান্তি শৃঙ্খলা ও শিক্ষাদীক্ষা রাজের বিশিষ্ট মুরুব্বিগণ পরিচালনা করতেন। হাজী ভ্রতৃদ্বয়, জাকির মামন্দ (কালার বাপ) লিলু মিয়া চৌধুরী, ইজ্জত উল্লাহ, উমর খা, মাওলানা মছদ্দর আলী (কালারুকা) ও আযমাতুল্লাহ প্রমুখ ছিলেন রাজের প্রধান মুরুব্বি। তারা ঐতিহ্যবাহী রাজারগাঁওকে একটি আদর্শ রাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৩ সালে প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ শাইখুল ইসলাম মাওলানা সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী (রহ.) সিলেট শুভাগমন করে ৬ বছর অবস্থান করেন। ফলে তার প্রভাব দ্রড়িষ্ট হয়ে উঠে। সেই প্রভাবের প্লাবন প্রবাহিত হয় রাজারগাঁও জুড়ে। মাওলানা শাইখ আব্দুল ওয়াহিদ, হাফিজ আব্দুর রহিম, হাফিজ আব্দুল মান্নান, আব্দুল জলিল, মাস্টার ইলয়াসুর রাহমান, মাওলানা তৈয়বুর রহমান, আব্দুল মান্নান চেয়ারম্যান প্রমুখ আলিম সমাজ ও মুরুব্বিয়ান রাজ পঞ্চাইত কে ‘জমিয়ত’ নামে অবিহিত করেন। ধর্ম, সমাজ, শিক্ষা সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক কার্যক্রম জমিয়তই পরিচালনা করতো। যুব সমাজ অশ্লীল বা অনৈতিক কোন কাজ করতে জমিয়তকে ভয় পেতো।

 

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • সিলেট প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে ভাবনা
  • খাপড়া ওয়ার্ড ট্রাজেডি
  • জাদুঘরে হরফের ফোয়ারা
  • ইতিহাস গড়া সাত শক্তিমান
  • ভেজাল খাবার প্রতিরোধের ইতিহাস
  • বর্ষাযাপন : শহর বনাম গ্রামগঞ্জ
  • বর্ষা এলো বর্ষা
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • নবীদের স্মৃতিচিহ্নে ধন্য যে জাদুঘর
  • দর্শনীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র
  • ঐতিহ্যে অম্লান গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়
  • বিলুপ্তির পথে গরীবের ‘শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত’ মাটির ঘর
  • হারিয়ে যাচ্ছে হিজল গাছ
  • তালের পাখা প্রাণের সখা
  • জামাই ষষ্ঠী
  • বাঙালির অলংকার
  • জল-পাহাড়ের ’কাঁঠালবাড়ি’
  • সাগরের বুকে ইসলামি স্থাপত্য জাদুঘর
  • বাঙালির আম-কাঁঠাল
  • ঐতিহ্যের সিলেট
  • Developed by: Sparkle IT