মহিলা সমাজ

পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং

সিন্থিয়া শারমিন প্রকাশিত হয়েছে: ০৭-০৫-২০১৯ ইং ০১:১০:০৩ | সংবাদটি ৫৩ বার পঠিত

আমরা সবাই জানি যে, ‘প্রচারেই প্রসার’। তবে এমন নীতি আগে মানুষ ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিলেও এখন এ ভাবনা থেকে একটু নড়েচড়ে বসছেন সবাই। পার্সোনাল ব্র্যান্ডিংটা হওয়া দরকার স্মার্ট এবং আধুনিক। চলুন, পার্সোনাল ব্র্যান্ডিংয়ের রুটে পা বাড়াই-
জাঁকজমক ব্র্যান্ড : জাঁকজমক বা চাকচিক্য বলতে যা ইচ্ছা তা কিন্তু নয়। আপনার ব্র্যান্ডের ডিজাইনটি হতে হবে আধুনিক এবং রুচিশীল। আপনি প্রচারণায় সব সময় ভালো কথা বলুন এবং সিভি, কভার লেটার, টুইটার, ব্লগ এবং ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত রঙ ও ফ্রন্টের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। সব কিছুতে আধুনিক ও পরিমিতির ছোঁয়া যেন থাকে।
সেলফি ঝুঁকি : লিঙ্কডিন, ফেসবুক থেকে শুরু করে যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইলে একটি প্রফেশনাল ছবি আপনার পুরো ব্যক্তিত্বকে অন্যরকম মাত্রা প্রদান করবে। এ ক্ষেত্রে কাউকে দিয়ে আলাদা ছবি তুলিয়ে নিন। সেলফি অথবা ক্রপ করা ছবি থেকে দূরে থাকুন। দেখা গেল আপনি এমন একটি ক্রপ করা ছবি ব্যবহার করলেন যেখানে আপনার কাঁধে রাখা বন্ধুর হাতটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এমন ছোটখাটো ভুল আপনাকে কিন্তু মূল লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে সরিয়ে দেবে। অন্যরা এর মাধ্যমেই কিন্তু আপনাকে যাচাই করবে। ছবিটা দেখেই প্রাথমিকভাবে তারা আপনার সম্পর্কে একটা ধারণা নিয়ে নেবে মনে মনে। তাই এসব ছোটখাটো ভুল মাথায় রাখবেন। আর ছবি তোলার সময় হাসি মুখে ছবি তুলুন। পারলে পাঁচটা ছবি থেকে বাছাই করে ভালো এবং হাসিমাখা ছবিটা ব্যবহার করুন।
ট্যাগলাইন : আপনার ব্র্যান্ডের জন্য তিন শব্দের একটি ট্যাগলাইন তৈরি করুন। ট্যাগলাইনটি আপনার লিঙ্কডিন, টুইটার, ওয়েবসাইট এমনকি ব্যক্তিগত সিভির ছবির অংশেও ব্যবহার করতে পারেন। তবে অবশ্যই প্রফেশনের কথা মাথায় রাখবেন। এসব করতে গিয়ে প্রফেশনাল আচরণের কথা আবার ভুললে চলবে না। আপনার সব আচরণই যেন হয় প্রফেশনাল।
কাজের সাফল্য উপস্থাপন : লিঙ্কডিন আপনাকে কোনো স্পোল প্রজেক্ট যোগ করার সুযোগ দেবে না; কিন্তু আপনি আপনার কাজ এবং অর্জনগুলো প্রদর্শনের জন্য অন্য কোনো মাধ্যম ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আপনার নিজের ওয়েবসাইট, ব্লগ এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের সব সাইটই আপনাকে অনেক সহায়তা করবে।
সত্যিকারের আপনি : দিন শেষে আপনার ব্র্যান্ডটি মূল্যহীন, যদি তা সত্যিকারের আপনাকে প্রকাশ না করে। আপনার ব্র্যান্ড তৈরি করার আগে সময় বের করে নিয়ে আপনার নীতি, দক্ষতা, প্যাশন, বৈশিষ্ট্যগুলো ভালোভাবে পর্যালোচনা করুন। সবসময় ভুল তথ্য প্রদান থেকে দূরে থাকুন। কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন অথবা একজন নিয়োগকর্তা এবং আপনার সহকর্মীরা আপনার সম্পর্কে কী জানতে চান তা নিয়ে চিন্তা করুন এবং প্রকাশ করুন। এভাবেই সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান আপনার নিজস্ব ব্র্যান্ড।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT