স্বাস্থ্য কুশল

রমযানে সুস্থ থাকুন

ফাতেহা বিনতে মহসিন প্রকাশিত হয়েছে: ১৩-০৫-২০১৯ ইং ০২:০৫:৪৬ | সংবাদটি ৪৪৪ বার পঠিত
Image

রমযানে যেহেতু স্বাভাবিক ঘুম ও খাওয়ার সময়ে পরিবর্তন আসে,তাই এ দুটো বিষয়ের প্রতি একটু মনোনিবেশ করা প্রয়োজন। এ সময়ে যেন ঘুম পরিমিত মাত্রার থাকে, অতিরিক্ত কিংবা কম না হয়, কারণ উভয়টি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
এ বৎসর যেহেতু গরমকালে রোযা তাই সাহরী ও ইফতারি আইটেম সাজানো উচিত স্বস্তিকর ও পুষ্টিমানসম্পন্ন খাবার দিয়ে। যাতে সহজেই ক্লান্তি দূরীভূত হয় এবং সহজপাচ্য হতে হবেÑ কারণ দিনের শেষের দিকে এমনিতেই মানুষের হজম শক্তি কমে আসে।
রোযার মাসে যেহেতু দীর্ঘ সময় উপবাস থাকতে হয় তাই পানিশূন্যতা রোধে পরিমিত পানি পান করতে হবে। ইফতারে বিভিন্ন প্রকার মৌসুমী ফলের জুস, লেবুর শরবত কিংবা ইসবগুলের ভূষি পানিতে ভিজিয়ে পান করা যেতে পারে।
স্বাস্থ্য রক্ষায় ফলের তো আর জুড়ি নেই। ইফতার মেনু সাজানো যায় বিভিন্ন প্রকার ফল যেমন খেজুর, আপেল, কমলা কিংবা যেকোন দেশি ফল দিয়ে। ফলের কাস্টার্ড তৈরি করা যেতে পারেÑ দই বা দুধের সাথে মিশিয়ে। আর মিষ্টান্ন দিয়ে তো ইফতার করা সুন্নত। ডায়বেটিসের সমস্যা না হলে এটা সবার জন্যই উপকারী। তাই ফিরনী, পায়েশ কিংবা সুজির সন্দেশ প্রভৃতি মুখরোচক খাবার তৈরি করা যায়।
ইফতারিতে ভাজা জাতীয় খাবার একেবারেই বাদ দেওয়া যায় না। তাই সতর্কতার সাথে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তেল ব্যবহারে গ্যাস্ট্রিক, আলসার প্রভৃতির সমস্যা অনেকটা এড়ানো যায়। যেমন সয়াবিন তেলের পরিবর্তে অলিভ ওয়েল, তিলের তেল কিংবা রিফাইন ওয়েল ব্যবহার করতে পারি। অতিরিক্ত তেল টিস্যু পেপার কিংবা পরিষ্কার কাগজ দিয়ে শুষে নেয়া, যথাসম্ভব নতুন তেল ব্যবহার করা। কারণ পুরাতন তেলে খাবারের ছোট ছোট অংশ পুড়ে গিয়ে তেলের পুষ্টিমান নষ্ট হয়ে যায়।
ইফতার পরবর্তী সময়ে চা, কফি কিংবা হালকা গরম দুধ পান করা যেতে পারে। এতে সহজেই ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা তারা রঙ চা বা গ্রীন টি পান করতে পারেন।
সাহরীতে মাছ, মাংস, ডিম এর যেকোন একটি থাকতে পারে। অতিরিক্ত তেল-মশলা দিয়ে সবজি রান্না না করে যদি সালাদ তৈরি করা যায়, এটা বেশ উপকারী। তেলের কথা বারবার আসে কারণ অতিরিক্ত তেল শরীরে দ্রুত প্রোটিন ও ক্যালরী তৈরি করে। যা হৃদরোগ বা স্ট্রোকের কারণ। লো-ফ্যাটের জন্য সিদ্ধ চাল খাওয়া যেতে পারে।
ইফতারিতে সিদ্ধ ছোলা বা কাঁচা ছোলার চাটনি, বিভিন্ন ধরণের সবজি-সালাদ রাখা যেতে পারে। চিড়ার পোলাও বা সবজি খিচুড়ি রান্না করা যায়। এগুলো স্বাস্থ্যসম্মত এবং সুস্থ-অসুস্থ সবার জন্য উপকারী।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

স্বাস্থ্য কুশল এর আরো সংবাদ
  • জুতায় কতদিন বেঁচে থাকতে পারে করোনাভাইরাস?
  • হার্ট সুস্থ রাখা চাই
  • হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে প্রচারণা
  • গাজরের উপকারিতা
  • রোগ প্রতিরোধে ডুমুর
  • তরমুজ এক উপকারী ফল
  • সকালের নাস্তা যখন সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি
  • করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়
  • শাকসবজি ও ফলমূল কেন খাবেন
  • দৈনন্দিন জীবনে লেবুর চাহিদা
  • এ্যাপোলো হসপিটালে ভারতের প্রথম ইনভেসিভ ডবল কার্ভ কারেকশন সার্জারি
  • হাঁড়ের ক্ষয় রোগ : নীরব ঘাতক
  • আপনার সন্তানের চোখের যত্ন নিন
  • আয়োডিন স্বল্পতায় জটিল রোগ
  • শারীরিক শক্তি বাড়ায় যে খাবার
  • সুস্থতার জন্য পানি
  • রোগ প্রতিরোধে ডালিম
  • শীতে হাঁপানি এড়াতে কী করবেন
  • শীতে ঠোঁটের সুরক্ষা
  • এক জায়গায় বসে কাজ করার কুফল
  • Image

    Developed by:Sparkle IT