উপ সম্পাদকীয়

সীমিত পরিসরে অগুনতি কথামালা

ইনাম চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০৫-২০১৯ ইং ০২:৩৭:৩৫ | সংবাদটি ১৮০ বার পঠিত

আমাদের দেশটি সর্বতোভাবে অগ্রগতির মহাসড়ক ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। অদম্য গতিতে এই পথচলায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে সব উন্নয়ন কর্মকান্ড নিরীক্ষণ করছেন সার্বক্ষণিকভাবে। অদূর ভবিষ্যতে যে সকল উন্নয়ন কর্ম সুফল বয়ে আনবে সেগুলি যেমন বাস্তবায়িত হচ্ছে তেমনি বাস্তবায়িত হচ্ছে নিকট ভবিষ্যতে ফলদায়িনী প্রকল্পসমূহ। আশা করা যায় সবকিছুরই ভালোটা আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রাণসঞ্চার করবে। শিল্পখাতে যেমন পর্যটন খাতেও তেমন মাত্রার উন্নয়ন কর্মসাধিত হচ্ছে খুবই দ্রুতলয়ে। আশা করা যায় শীঘ্রই বাস্তবতার আলোকে জাতীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে উঠবে আর জাতীয় প্রবৃদ্ধি আরেক ধাপ অগ্রগতির সোপান পাড়ি দেবে।
আমাদের জাতীয় উন্নয়ন কর্মসমূহ যেমন এগোচ্ছে তেমনি মানুষের কর্মোদ্দীপনা আর সৃষ্টিশীলতার প্রকাশ ঘটছে সমানতালে। মানুষের আত্মবিশ্বাস ফিরে আসছে পুরোদমে। অমুক কর্মটি সম্পাদিত হবে আর আমরা চাকুরীর জন্য সারি বেধে দাঁড়াবো, সেই ভাবনা থেকে সরে এসেছে আমাদের উদ্যমী তরুণ সমাজ। আমরা নিজেরাই সবকিছু করবো, নিজের হাতই কর্মীর হাত এই ভাবনাটি মানুষকে বিশেষ করে তরুণদের উজ্জীবিত করছে সমধিক। আমরা আজ ভাবতেও পারছিনা কেমন করে গো দুগ্ধজাত পণ্যাদিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারলো আমাদের দেশের দুখী মানুষের পরিশ্রমের দ্বারা। আজ তরুণরা চাকুরী নেবোনা বরং আরো চাকুরীর ক্ষেত্র সৃষ্টি করবো এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছে। নিজ বাড়িটিকে তারা আপন কর্মক্ষেত্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তারা ক্ষুদ্র শিল্পজাত দ্রব্যাদি প্রস্তুত করছে। নানা ধরনের ফসল, রবি শস্যাদি উৎপাদন করছে ব্যাপকভাবে। বিস্ময়করভাবে এ সকল কার্যাদি সম্পন্ন হচ্ছে নিকট ভবিষ্যত এর চাহিদা নিরূপণ করে এবং ক্রমবর্ধিষ্ণু চাহিদা চিন্তায় রেখে বিস্তৃতি ঘটাচ্ছে আপন হাতে গড়া কর্মক্ষেত্রটির এবং সেটা আপন মেধা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে। সাধুবাদ জানাতে চাই এ সকল সূর্যতরুণ, দৃঢ়চেতা আর আত্মসচেতন যুবশ্রেণীকে।
বিস্ময় মানতে হয় যখন সরকারি পর্যায়ে ঘোষিত হয় বাংলাদেশকে কোন উপলক্ষেই গবাদি পশুর জন্য পরমুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না জাতীয় যে কোন ধর্মীয় উৎসব বা বিরাটাকার অনুষ্ঠানাদিতে। যেমন প্রয়োজন হবেনা প্রতিবেশী দেশসমূহের দিকে তাকিয়ে থাকতে অথর্ব গবাদি পশুর আগমন প্রত্যাশায়। সেটির আর এখন প্রয়োজন পড়বেনা বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারিভাবে। বলা হয়েছে যেকোন হালাল (পশু) মাংস আমাদের দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানি করার মতো অবস্থানে রয়েছে আমাদের দেশটি। বিদেশ থেকে আহরিত বীজ দ্বারা উৎপাদিত হচ্ছে নানা ধরনের উন্নত প্রজাতির গবাদি পশু। ছাগল, হাঁস-মুরগীসহ নানা ধরনের মাংস উৎপাদক প্রাণি। পত্র-পত্রিকায় সচিত্র প্রতিবেদন বেরুচ্ছে কিভাবে ব্যক্তিগত খামারে বেড়ে উঠছে বিভিন্ন প্রজাতির ছাগল যেগুলির দেখা আমরা পাই নাই কোনদিনও। ছোটখাট গরুর সমান আকৃতির ছাগলের পালন, উৎপাদন আর খাদ্য জোগান প্রক্রিয়া এখন সবকিছুই হাতের মুঠোয় চলে এসেছে আমাদের উদ্যমী তরুণদের। সেদিন জানলাম বাংলাদেশের কয়েকটি জায়গায় ব্রহ্মা নামীয় বিশেষ ধরনের গরু প্রতিপালিত হচ্ছে যেগুলি আকারে যেমন বিরাট তেমনি মাংস উৎপাদন এর ক্ষেত্রে কল্পনাতীতভাবে ফলোৎপাদক। একেকটি ব্রহ্মা নামক গরু আমাদের দেশীয় (প্রচলিত) প্রজাতির গরুর চেয়ে প্রায় তিনগুণ মাংস প্রদানকারী বা উৎপাদনকারী হিসাবে পরিগণিত হচ্ছে। সরকারিভাবে বলা হয়েছে ঈদুল আজহায় কোন ধরনের পশুই আমদানী করার প্রয়োজন পড়বেনা। দেশের আভ্যন্তরীন উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় দেশের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট পরিমাণ গবাদি পশু, ছাগল বা এতদজাতীয় প্রাণিকূল আমাদের হাতে মওজুদ রয়েছে। মানুষকে আতংকিত না হতেই বলা হয়েছে কারণ আভ্যন্তরীণ বাজার যদি স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকে তাহলে প্রাণিসম্পদের সরবরাহও থাকবে স্বাভাবিক আর সমন্বিত। সামগ্রিক সতর্কতা কোন ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিতে তৎপর অপশক্তিকে রুখে দেবে তাৎক্ষণিকভাবে।
দুগ্ধ উৎপাদনে আমাদের দেশের খামারীরা বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধন করেছেন বলা যায়। কিছুকাল আগেও নিছক প্রয়োজনেও দুধের সংস্থান করা ছিলো কষ্টের ব্যাপার। আজ চাইলেই দুধ পাওয়া যাচ্ছে হাতের নাগালের মধ্যেই। আগে অনেক কষ্টে সংগৃহিত দুধ পানি মিশ্রিত কিনা সেটা নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বের কবলে পড়তে হতো। আজকাল আর তা হচ্ছে না। কারণ যে কেউ চাইলেই যেকোন দুধের খামারে গিয়ে নিজে দাড়িয়ে থেকে দুধ সংগ্রহ করতে পারেন। অনেক ভোক্তা আপন ঘরেই Lactometer নামক দুগ্ধ পরীক্ষণ যন্ত্র রেখে থাকেন। অন্যদিকে উদ্যমী, শিক্ষিত তরুণ উদ্যোক্তরা আপন প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত হয়ে একটি উৎপাদিকা শক্তিতে আবির্ভুত হয়েছেন। আজ তারা প্রতিযোগিতাপূর্ণ মনোভাব নিয়ে এগিয়ে এসেছেন ভোক্তাদেরকে খাঁটি আর নির্ভেজাল দুধ সরবরাহ করতে। আজ দেশের আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে দুগ্ধ খামার। বেশির ভাগই হয়েছে উদ্যোক্তাদের আপন আলয়ে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি বাড়ি একটি খামার এর ব্যাপারে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন অন্যদিকে নানা বয়সী উদ্যোক্তরা সেই উদ্যোগের বাস্তবায়ন করছেন আপন গন্ডীতে। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে বা অনতিদূরে জেগে উঠেছে বেশ কয়েকটি ছোটবড় চর। সেগুলিতে বনায়ন সৃষ্টির পাশাপাশি নানা ধরনের ভূমি রক্ষণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। সাধারণ কৃষক পর্যায়ের মানুষেরা সেগুলির কয়েকটিতে গড়ে তুলেছে পশু পালন খামার। মহিষ এর জন্য পরিবেশ আর আবহাওয়াগত অবস্থা অনুকূল থাকায় সেখানে পালিত হচ্ছে অসংখ্য মহিষ। সেই মহিষ দ্বারা তারা উৎপাদন করছেন অপরিমেয় দুগ্ধ ও তদীয় উপজাত দ্রব্যাদি কিন্তু নিছক বাস্তবতার কারণে এ জাতীয় দ্রব্যাদি মূল ভূখন্ডে এসে পৌঁছাতে বেশ প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছে। যদি সমুদ্রগামী দুগ্ধ পরিবহন সুবিধা সম্বলিত জলযান দ্বারা সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে উৎপাদিত পণ্যাদি সংগৃহিত হয়ে মূল ভূখন্ডে আসতে পারে উপকৃত হবে সকলেই। এর ফলে দেশে যেমন দুধের সরবরাহ স্থিতিশীল হবে আভ্যন্তরীণ বাজারে তেমনি উদোম গায়ের চরাঞ্চলের কৃষককুল পাবে নতুন জীবনের দিশা। এ সকল কৃষকদের আপৎকালীন সময়ে আপন জীবন আর পালিত পশুসম্পদ রক্ষার্থে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরকারি তরফ থেকে গড়ে দেয়া এখনই প্রয়োজন। তাদের কাছে পরিচিত গড় আর সরকারিভাবে ঘূর্ণি দুর্গতদের আশ্রয়স্থল হিসাবে পরিচিত বিশেষ সুরক্ষিত স্থান নির্মাণ করা একান্ত প্রয়োজন। এদের জন্য কৃষি, পশুসম্পদ এবং চিকিৎসা বিষয়ক শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এদেরকে পরিকল্পিতভাবে পরিবার গঠনে যেমন উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন তেমনি বিদ্যালয়গামি শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি তাদের আবাল্য পরিচিত পরিবেশের সাথে মানানসই উৎপাদিকাসূত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের আহবান জানাতে চাই।
পরিশেষে, বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল সম্বন্ধে কিছু কথা না বললেই নয়। পর্দার অন্তরাল থেকে কেউ যেন অগ্রসরমান বৃহত্তর সিলেটবাসীকে ঠেকিয়ে রাখতে চাইছে। প্রায় বারো লক্ষ প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকার বিমানবন্দরকে এখনও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানোন্নিত করা হয় নই। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে গাটকাটার দল অবস্থান নিয়েছে। নিরাপত্তা রক্ষীরা যাত্রিদের হরদম অপদস্থ করছে, নানা উছিলায় তাদেরকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করছে। অভিযোগ করেও নিদান পাচ্ছেন না কেউ! বৃহত্তর সিলেটের প্রবাসীরা অত্র এলাকায় স্থাপিত শিল্পনগরীতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জায়গা বরাদ্দ চান উৎপাদন প্রক্রিয়ায় শরিক হতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিয়োগ ঘটাতে। সেখানেও ফ্যাকড়া তৈরী করা হচ্ছে। অনেককে মামলা মোকদ্দমায় জড়ানো হচ্ছে, নানা ধরনের করারোপ করে বিষিয়ে তোলা হচ্ছে তাদের মন মানসিকতাকে। অবিলম্বে তাদেরকে কর মওকুফ সুবিধা দেয়া হোক। হেল্প লাইন প্রতিষ্ঠা করা হোক। প্রবাসী উদ্যোক্তাদের জন্য। তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনবোধে ঋণ সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করা হোক। আমার একজন নিকটাত্মীয় আপন পুত্রের (প্রবাসী) জন্য একটি প্লট বরাদ্দ চেয়ে উচ্চতর আদালত পর্যন্ত দৌড়াদৌড়ি করে সেটি নিশ্চিত করেছেন। এখন তিনি নানা ফ্যাকড়া মোকাবিলা করতে করতে বৃদ্ধ বয়সে পেরেশান হয়ে উঠেছেন। সোনার ডিম পাড়া বৃহত্তর সিলেট এর প্রবাসীদের সর্বপ্রকার সহায়তা সুনিশ্চিত করতে এখনই সরকারি তরফে বিশেষ সেল গঠন করা হোক। এ জাতীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে অবশ্যই সোনার ডিমপাড়া হাঁসটি সোনার মতোই ক্রিয়াশীল ও স্থায়ী হয়ে থাকবে। জল, স্থল, রেল ও আকাশপথে যোগাযোগ সুবিধা নিশ্চিত করলে সবধরনের ব্যবস্থাবলী গ্রহণ করতে হবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে। বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে চা নিলাম কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে প্রচার করা হয়েছে শুনতে পাই। সীমিত পরিসরে সেখানে চা এর নিলাম হচ্ছে বলে জানা যায়। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও রেল পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করণের মাধ্যমে সেটিকে আরো বেগবান করা জরুরি বলে মনে করি।
বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল অবশ্যই একটি বৃষ্টিবহুল এলাকা। সেই হিসাবে অত্র অঞ্চলের নদীনালা সমূহ অবশ্যই নির্দিষ্ট গভীরতা সমৃদ্ধ হতে হবে কিন্তু বাস্তবে সেগুলির প্রায় প্রত্যেকটি ভরাট হয়ে রয়েছে বৃষ্টি ও ঢল এর পানিবাহিত পলিমাটির দ্বারা। ছোটবড় হাওর অঞ্চলগুলির অবস্থাও তথৈবচ। জরুরি ভিত্তিতে বড় ধরনের ঋণ প্রক্রিয়া হাতে নিয়ে নদীগুলি ও সংযুক্ত খালগুলির পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি না ঘটাতে পারলে সমূহ সংকটের আশংকা থেকে যায়। নদী ও হাওর অঞ্চলকে খনন ও চাষাবাদ প্রক্রিয়ায় উন্নত সেচ ব্যবস্থার আওতায় আনতে পারলে শুষ্ক মৌসুমের জন্য আর কোন দুশ্চিন্তায় পড়তে হবেনা কৃষককুলকে। নদী সমূহের নাব্যতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জলপরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের প্রক্রিয়া কার্যকর হবে তাৎক্ষণিকভাবে।
বৃহত্তর সিলেটের কয়েকটি জায়গায় স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অবশ্যই এটি আনন্দের সংবাদ। অনুরূপভাবে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে আর সিলেট জেলার বালাগঞ্জে দুটো নৌবন্দর স্থাপন করা হলে ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন দ্বার খুলবে বলে মনে হয়। আজকাল মানুষ নিজ উদ্যোগে এ সকল বন্দরগুলি ব্যবহার করছে সরকারি সুবিধাবলীর অপ্রতুলতা সত্ত্বেও। আশা করা যায় অচিরেই বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলটির ব্যবসা বাণিজ্যে অগ্রসর ভূমিকা পালনে সমর্থ হবে এবং সত্যিকার অর্থেই সোনার ডিম পাড়া হাঁস রূপে প্রতিভাত হবে। রাজা পূজ্যতে রাজ্যে।
লেখক : অধ্যক্ষ, কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • সড়ক দুর্ঘটনা এবং সড়ক আইন-২০১৮
  • বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গ
  • বাঙালির ধৈর্য্য
  • সামাজিক অবক্ষয় ও জননিরাপত্তার অবকাঠামো
  • শিক্ষকদের অবদান ও মর্যাদা
  • ১৯৭০ এর নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধ
  • একাত্তর :আমার গৌরবের ঠিকানা
  • সড়ক দুর্ঘটনা কি থামানো যায় না?
  • চিকিৎসা সেবা বনাম ব্যবসা
  • নীরব ঘাতক প্লাস্টিক
  • সার্থক জীবন মহত্তর অবদান
  • প্রযুক্তির বিশ্বায়ন বনাম তরুণ সমাজ
  • মানবিক মূল্যবোধ ও বাংলাদেশ
  • খাদ্য চাহিদা পূরণে উৎপাদন বৃদ্ধি অপরিহার্য
  • শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে কিছু কথা
  • সাংস্কৃতিক আগ্রাসন
  • বৃটিশ সাধারণ নির্বাচন-২০১৯
  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অগ্রযাত্রা সফল হোক
  • লক্ষ্য হোক সুষম সামাজিক উন্নয়ন
  • জননী ও জন্মভূমি
  • Developed by: Sparkle IT