প্রথম পাতা

রমজানুল মোবারক আস-সালাম

শাহ নজরুল ইসলাম প্রকাশিত হয়েছে: ২২-০৫-২০১৯ ইং ০২:২৬:১১ | সংবাদটি ৭৯ বার পঠিত



কুরআন নাযিল হলো
রমযান মাসে
হিদায়াত নিয়ে এলো
মানুষের পাশে।

আজ ১৬ রমযান, বুধবার, ১৪৪০ হিজরি। মাগফিরাতের দশকের আজ ষষ্ঠ দিন। আমাদের সিয়াম সাধনা কিয়ামুল লাইল সেহরি ইফতার এ সবই তাকওয়া অর্জনের প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মানুষ তার ঐকান্তিকতা, নিষ্ঠা আর আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে নিজেকে তাকওয়ার মানে উন্নীত করতে পারে। আমরা রোযা রাখি ইফতার ও সেহরি খাই সকলেই; কিন্তু সবাই একই মানে উন্নীত হতে পারি না। এটা অনেকটা এরকম যে এস এস সি লেভেলে যারা পড়ে তারা একই সিলেবাসে একই পরীক্ষায় অংশ নেয়, কিন্তু সকলে একই গ্রেডে উন্নীত হতে পারে না। কারণ সকলের প্রস্তুতি প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা সমান থাকে না। তেমনিভাবে সিয়াম সাধনায় রত রোযাদারগণও সকলে সমান পর্যায়ে ও তাকওয়ার মানে উন্নীত হতে পারে না। বিশেষজ্ঞ আলেমগণ বলেছেন রোযাদার তিন প্রকার।
১. যারা রোযার নিয়তে মহান আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌনাচার থেকে বিরত থাকে। সাথে সাথে শরীয়ত বিরোধী সকল হারাম কাজ ও আচরণ থেকে বিরত থাকে। একইভাবে যে সব বৈধ কাজ মহান আল্লাহর স্মরণ ও নিরন্তর ইবাদত থেকে বিমুখ করে সেসব কথা কাজ আচরণ থেকেও তারা বিরত থাকে এবং সদা সর্বদা মহান আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকে।
২. যারা রোযার নিয়তে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌনাচার থেকে বিরত থাকে। সাথে সাথে শরীয়ত বিরোধী সকল হারাম কাজ ও আচরণ থেকে বিরত থাকে।
৩. যারা কেবল রোযার নিয়তে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌনাচার থেকে বিরত থাকে।
প্রেক্ষিতে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে নিজেদের মানোন্নয়নে মনোনিবেশ করা এবং তৃতীয় শ্রেণি থেকে ক্রমশঃ দ্বিতীয় এরপর প্রথম শ্রেণির রোযাদার হিসেবে নিজেকে উন্নীত করার জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। সে শিক্ষা আমরা রাসূলুল্লাহ (সা.) থেকে পাই। হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রমযান মাস শুরু হওয়ার সাথে সাথেই রাসূলুল্লাহ (সা.) কোমর বেঁেধ প্রস্তুতি নিতেন এবং রমযান মাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিছানায় তাশরীফ নিতেন না। বায়হাকী ২/২৩০
অন্য এক হাদীসে হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রমযান মাস এলে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে যেত, বেশি বেশি নফল নামায পড়তেন, খুব আহাজারী করে দু‘আ করতেন এবং মহান আল্লাহর ভয়ে কাদঁতেন। ই‘লাউস সুনান ৭/৭০।
অপর এক হাদীসে হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, রমযান মাসের শেষ দশকে রাসূলুল্লাহ (সা.) ইযার বেঁেধ নিতেন, অর্থাৎ ইবাদতের জন্য পরিপূর্ণ হুঁশিয়ার হয়ে যেতেন। সারারাত ইবাদতে কাটাতেন এবং স্ত্রীদেরকে জাগিয়ে রাখতেন। সহীহ মুসলিম ১/৩৭২
আসুন! নবীজীর অনুসরণে আমরা রমজানের গুরুত্ব উপলব্ধি করি এবং আমল জিন্দা করি। মহান আল্লাহ আমাদের তাওফীক দিন। আমীন।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ছাত্রলীগের নেতৃত্বে জয়-লেখক
  • সিলেট বিভাগে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে
  • জনগণের আস্থা সমুন্নত রাখুন
  • আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন ডিসেম্বরে
  • নবম ওয়েজ বোর্ডের গেজেট প্রকাশ
  • বরমচাল রেল দুর্ঘটনায় হাইকোর্টের রুল জারি
  • সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান -----------উপাচার্য ডা. মোর্শেদ আহমেদ
  • মৌলভীবাজারে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সৈয়দ মহসিন আলীকে স্মরণ
  • সিলেটে মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করলেন সাদ এরশাদ
  • ষড়যন্ত্রকারীদের রুখতে স্বেচ্ছাসেবক লীগকে সোচ্চার হতে হবে: নির্মল চন্দ্র গুহ
  • কোম্পানীগঞ্জের উৎমা সীমান্তে খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশির মৃত্যু
  • তালতলায় নির্মাণাধীন ভবনের ইট পড়ে শ্রমিকের মৃত্যুর অভিযোগ
  • আফিফের ব্যাটে হারের বৃত্ত ভাঙল বাংলাদেশ
  • ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ বিভিন্ন উন্নয়নে সহায়তা দেবে এডিবি
  • ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ আজ আসছে
  • একমাস ধরে সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম চড়া
  • সৈয়দ মহসিন আলীর ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • আগামী তিনদিন থাকতে পারে বৃষ্টিপাত
  • স্লোভাকিয়ার জঙ্গল থেকে উদ্ধার বিশ্বনাথের ফরিদের লাশ
  • বিএনপি নয়, ছাত্রদলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারেক: ফখরুল
  • Developed by: Sparkle IT