উপ সম্পাদকীয়

কিশোর অপরাধ বাড়ছে কেন

জিবলু রহমান প্রকাশিত হয়েছে: ০৮-০৬-২০১৯ ইং ০০:৩৬:৪০ | সংবাদটি ১৭৭ বার পঠিত

‘আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’, ‘আজকের শিশুরাই ভবিষ্যৎ জাতির কর্ণধার’, ‘ভবিষ্যতে আজকের শিশুরাই দেশ-জাতির নেতৃত্ব দেবে’-এমন সব কথাবার্তা বিভিন্ন সভা-সেমিনারসহ নানা জায়গায় বলা হলেও বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের সামগ্রিক চিত্র ভয়াবহ। পাড়া-মহল্লায় সংঘবদ্ধ শিশু-কিশোররা ক্রমেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। ‘মারতে চাই নাই, বাট একটারে দুই পার (ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত) দিছিলাম। বাঁইচা গেছে’-এ রকম মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছিল কয়েকমাস আগে। তখন এবং এখন সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, আমাদের সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে শিশু-কিশোররা প্রতিপক্ষকে হত্যা করছে? শিক্ষকেরা কী শেখাচ্ছেন? অভিভাবকেরা করছেন কী?
দেশে কিশোর অপরাধী কী হারে বাড়ছে, পুলিশের রেকর্ডকৃত পরিসংখ্যান দেখলেই সহজে অনুভব করা যাচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, ২০১২ সালে কিশোর অপরাধের ঘটনায় সারাদেশে মামলা রেকর্ড হয়েছে ৪৮৪ টি। মামলায় আসামির সংখ্যা ৭৫১ জন। ২০১৩ সালে কিশোর অপরাধের ৫৮৯ মামলায় আসামি ৮৪৮ জন। ২০১৪ সালে মামলা হয়েছে ৮১৮টি, আসামির সংখ্যা এক হাজার ২৬৩। ২০১৫ সালে এক হাজার ১৮৪টি। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল এক হাজার ৫৯৬টি। এ হিসাবে এক বছরে কিশোর অপরাধের মামলা বেড়েছে প্রায় ৩৪ শতাংশের বেশি।
২০১৭ ও ২০১৮ সালের বেশ কয়েকটি প্রকাশিত ঘটনায় জাতি আতঙ্কিততো হয়েছেন, সাথে সাথে জেনেছে এ দেশে কিশোর অপরাধীদের সংঘবদ্ধ গ্রুপের কথা। জাতি জেনেছে, কিশোররা জড়িয়ে পড়ছে খুন-অপহরণ-ছিনতাইসহ গুরুতর সকল অপরাধে। কেবল গত কয়েক মাসেই তাদের হাতে কয়েকটি নৃশংস হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে। পথভ্রষ্ট এসব কিশোরের বয়স ১৩ হতে ১৮ বৎসরের মধ্যে। তাদের অনেকেই সচ্ছল পরিবারের সন্তান।
২০১৭ সালে কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি প্রথম সকলের নজর কাড়ে নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান কবির খুন হলে। রাজধানীর উত্তরায় বখাটে কিশোরদের ‘ডিসকো বয়েজ’, ‘নাইনস্টার’, ‘বিগবস’ প্রভৃতি নামের গ্রুপের দ্বন্ধ-সংঘর্ষের পরিণামে আদনান কবির খুন হয়। বেপরোয়া এসব গ্রুপের কিশোররা নাইন স্টার গ্যাংয়ের আদনানকে হত্যার আগে অস্ত্র হাতে সেলফি দিয়েছিল। তার আগেও দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা হয়েছিল। আদনান হত্যায় জড়িতরা গ্রেফতার হলেও গ্যাংগুলো থেমে থাকেনি।
২০১৩ সালে কামরাঙ্গীরচরে দুই কিশোরের হাতে আলিফ নামের এক কিশোর এবং লালবাগে রবিন নামের এক কিশোরের ছুরিকাঘাতে আবু সালেহ রাব্বী নামের আরেক কিশোর খুন হয়। ২০১৪ সালে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশনে মাহিদুল ইসলাম ইমন নামে এক কিশোর গ্রুপদ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে খুন হয়।
২৪ আগস্ট ২০১৭ দারুস সালামের লালকুঠি এলাকায় ১৬ বৎসর বয়সী এক কিশোর খুন হয় সমবয়সী কিশোরদের হাতে। এর দুইদিন আগে উত্তর পীরেরবাগেও অনুরূপ খুনের ঘটনা ঘটে। মিরপুরের রূপনগরে আরও দুইটি খুনের ঘটনা ঘটে একই কায়দায়। ১৫ জানুয়ারি ২০১৮ রূপনগরে গ্যাংয়ের হামলায় খুন হয় কিশোর কামাল হোসেন। ১৮ জানুয়ারি তেজগাঁওয়ের তেজকুনিপাড়ায় হত্যা করা হয় কিশোর আবদুল আজিজকে। ৬ অক্টোবর ২০১৮ কদমতলীর রায়েরবাগের মুজাহিদনগর এলাকায় হত্যা করা হয় রফিকুল ইসলাম শিপনকে। এভাবেই একের পর এক রক্তের খেলায় বেপরোয়া ঢাকার কিশোর গ্যাং।
২০১৩ সালের শিশু আইন অনুযায়ী, ৯ থেকে অনূর্ধ্ব ১৮ বছরের কোনো ছেলেশিশু অপরাধে জড়ালে তাদের গাজীপুরের টঙ্গী ও যশোরের পুলেরহাটের কিশোর (বালক) উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়। বর্তমানে সেখানে থাকা কিশোরদের মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়েরকৃত মামলায় আটক আছে অনেকে। ২০১৬ সালে ভাষানটেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া এক শিশু ধর্ষণের শিকার হলে ১৪ বছরের এক কিশোরকে আটক করে পুলিশ। ২০ মার্চ ২০১৬ ফেনীতে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মেহেদী হাসান (১৬) নামে এক কিশোরকে আটক করে পুলিশ। বিকেলে ফেনী শহরের পুরাতন পুলিশ কোয়ার্টার এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে দিবাগত রাত ৯টার দিকে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশ। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত-এর সংখ্যাও কম নয়।
ঢাকার বাইরের বিভিন্ন শহরেও গড়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। প্রায়ই ঘটছে হত্যাকা-। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনায় রয়েছে ২০-২৫ কিশোর গ্যাং। এসব কিশোর প্রায়ই হিংস্রতায় মেতে উঠছে। রক্ত ঝরাচ্ছে। ফিল্মি স্টাইলে চলছে তাদের কার্যক্রম।
ফিল্মি স্টাইল তারা ফলো করবে না কেন? শিশু-কিশোরদের একটা বিশাল অংশ, যারা ছোট্টবেলা থেকেই স্মার্টফোনে আসক্ত, তারা বাবা মায়ের ফোন নিয়ে গেম ডাউনলোড করে খেলছে-সেখানে কাকে কীভাবে দমন করতে হবে, শক্র কীভাবে নির্মূল করতে হবে তার পরিষ্কার শিক্ষা রয়েছে। বাবা-মা সন্তানের এক্সটা আইকিউ দেখে ভীষণ গর্বিত। সেই বাচ্চারা নিজের বাসায় সারাক্ষণ ফোনে মুখ গুঁজে পড়ে থাকে। এমনকি আত্মীয় বন্ধুর বাড়িতে গিয়েও ফোনখানা নিয়ে নিঃশ্বাস বন্ধ করে খেলতে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। তার বদলে বাবা মা কী পায়? পায় নিরবচ্ছিন্ন আড্ডার সুযোগ। সন্তান তাদের বিরক্ত করে না।
তার বদলে ভবিষ্যতে বাবা মা এমন একটি ছেলে বা মেয়ে পায় যে প্রযুক্তি ও পণ্য আসক্ত, কল্পনাশক্তিহীন এবং বইপাঠে অনিচ্ছুক। আজ যে স্মার্টফোনটা সে ব্যবহার করে, কাল নতুন ফোনের জন্য তার বায়না খুব স্বাভাবিক। আজ যে বাচ্চাটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করার কোনো কারণ নেই, তারই একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকে ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রামে। অথচ যে বয়সে সন্তানের হাতে তুলে দেয়ার কথা রঙবেরঙের বই, রঙিন পেন্সিল, সেই বয়সে তারা তুলে দেন স্মার্টফোন আর ওয়াইফাই কানেকশন। এখানে অসুবিধা একটাই রঙিন বই, খাতা আর রং পেন্সিল দিয়ে বসিয়ে সেগুলো ব্যবহারের সময় সন্তানের পাশে থেকে তাকে সময় দিতে হয়। কিন্তু স্মার্টফোনে তো তা না করলেও চলে। ফলে ফোনটি তার হাতে দিয়ে নিজেদের জগতে চলে যাওয়া খুব সহজ। কিন্তু তারা জানেনও না, কত বড় ক্ষতি তারা সন্তানের করেন। মূলত পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় না হওয়ায় কিশোরদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। অনেক অভিভাবক সস্তানের আচরণ পরিবর্তনের ব্যাপারে খেয়াল রাখছেন না। আবার অনেক ক্ষেত্রে কিশোররা তাদের বেড়ে ওঠার স্বাভাবিক পরিবেশ পাচ্ছে না।
আমাদের শান্তিপ্রিয় সিলেট শহরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে কিশোরদের সাত-আটটি গ্যাং। উপ-শহর, টিলাগড়, মদিনা মার্কেট, তালতলা, টুকেরবাজার, দক্ষিণ সুরমার কদমতলি বিয়ানীবাজার এলাকায় রয়েছে তাদের আধিপত্য। গ্যাংয়ের সদস্যদের কারও সঙ্গে ঝগড়া হলে পুরো গ্যাং একত্রিত হয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। হামলায় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করতেও দেখা গেছে বিভিন্ন সময়ে। এই গ্যাং সদস্যদের একাংশ বিত্তশালী পরিবারের সন্তান। দামি মোটরসাইকেলে করে শহরে ঘুরে বেড়ানো, মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা, মাদকসেবনসহ নানা অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। একইভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদক বিক্রি, মোটরসাইকেল চুরি, বিক্রিতে জড়িত। প্রায়ই রাজনৈতিক দলের হয়ে বিভিন্ন সংঘর্ষে অংশ নেয় তারা।
ইদানিং ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। দেশের পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে প্রতিমাসে গড়ে ২৫ থেকে ৩০টি পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটে। ট্রেনে পাথর ছোড়ার সব ঘটনা আবার পরিসংখ্যানেও আসে না। ৫ মে ২০১৯ রাতে সিরাজগঞ্জের জামতৈল ও মনসুর আলী স্টেশনের মাঝামাঝি জায়গায় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা আন্তঃনগর ট্রেনে পাথর ছোড়ায় গুরুতর আহত হয় জিসান নামের চার বছরের এক শিশু। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সে। একই হাসপাতালে জুঁথি (১২) নামে আরেক শিশু অন্য একটি ট্রেনে ছোড়া পাথরের আঘাত পেয়ে ভর্তি আছে। ৫ মে চিকিৎসার জন্য রকেট মেইলে ভেড়ামারা থেকে রাজশাহী যাচ্ছিলেন তারা। পথে পাকশী ও ঈশ্বরদীর মাঝামাঝি স্থানে একটি পাথর এসে জুঁথির মাথায় লাগে।
গত এক মাসে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনে এ রকম ১৭টি ঘটনা ঘটেছে। যা বাংলাদেশ রেলওয়ে রেকর্ড রেখেছে। তবে এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ, কেবল কেউ আহত হলে এবং ট্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হলেই তা রেকর্ড রাখা হয়। অন্যসব ঘটনার রেকর্ড রাখা হয় না।
পশ্চিমাঞ্চলে বছরে প্রায় সাত-আটশ’র মতো ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় রেলের একজন কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেয় রেল কর্তৃপক্ষ। কিছুদিন বন্ধ থাকার পর এ বছর ফের এই পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে। পশ্চিমাঞ্চলের যেসব এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ জেলা গুলো হলো খুলনার দৌলতপুর, ফুলতলা, নোয়াপাড়া, যশোর, দর্শনা হল্ট, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা, পোড়াদহ জং, মিরপুর, ভেড়ামারা, পাকশী, ঈশ্বরদী বাইপাস, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, আক্কেলপুর, জয়পুরহাট, পাঁচবিবি, ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর, পঞ্চগড়, ডোমার, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও চাটমোহর এলাকায় পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পূর্বাঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হলো ঢাকার কাওরানবাজার, ঢাকার বিমানবন্দর, গাজীপুরের টঙ্গী, জয়দেবপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, জগন্নাথগঞ্জ ঘাট, দেওয়ানগঞ্জ, বাহাদুরাবাদ, কিশোরগঞ্জ, মোহনগঞ্জ, চট্টগ্রাম, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সীতাকুন্ড, পাহাড়তলী, বটতলী ও নরসিংদীতে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে বলে প্রায়ই খবর আসে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দাবি, পাথর ছোড়া প্রতিরোধে তারা নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে। শিশু-কিশোরদের সচেতন করার চেষ্টা চলছে। রেলের কাছে পাথর নিক্ষেপকারীদের চিহ্নিত করাও চ্যালেঞ্জ। তাদের প্রায়ই চিহ্নিত করা যায় না। তাই তাদের আইনের আওতায়ও আনা যায় না। পূর্বাঞ্চলের চিহ্নিত এলাকায় পুলিশের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। পুলিশ আগের চেয়ে বেশি টহল দিচ্ছে। এলাকার জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, মসজিদের ইমামরাও এ বিষয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের এই ভয়াবহতা সম্পর্কে বলা হচ্ছে।
লেখক : প্রাবন্ধিক।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • প্রানের শহর সিলেট
  • সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার
  • আশঙ্কার মধ্যে মার্কিন-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ
  • ভিমরুলের চাকে অমিতের খোঁচা
  • মানবপাচার, অর্থপাচার সমাচার
  • আত্মনির্ভরতা
  • খাদ্যে ভেজাল : দরকার কঠোর পদক্ষেপ
  • নগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গ
  • এম.সি কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ চাই
  • টেকনিক্যাল রোডে স্টিলের রেলিংসহ ফুটপাত চাই
  • জৈনপুর এলাকায় ড্রেন সংস্কার হোক
  • বানরের উৎপাত প্রসঙ্গ
  • শাবিতে বিবিএ অনুষদের আসন বৃদ্ধি হোক
  • প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র : স্বপ্ন ও বাস্তবতা
  • সাক্ষরতা আন্দোলন : একটি পর্যালোচনা
  • অশান্ত বিশ্বে শান্তির সন্ধান
  • আমার পাহাড়, আমার সিলেট
  • যৌবন ফিরে পাক বিবিয়ানা নদী
  • সড়ক দুর্ঘটনা : এ শোকের শেষ কোথায়?
  • সামাজিক ব্যাধি
  • Developed by: Sparkle IT