উপ সম্পাদকীয়

অতি লোভের পরিণতি

গোলাম সারওয়ার প্রকাশিত হয়েছে: ১১-০৬-২০১৯ ইং ০০:৩৩:৪৯ | সংবাদটি ৬৯ বার পঠিত

বৃষ্টি এবং বর্ষা আমার প্রিয়, কখনো কখনো তাই বৃষ্টিতে ভিজি। না, বৃষ্টিতে ভিজে আমার কখনো জ্বর হয়নি। বৃষ্টির সাথে জ্বরের কোনো সম্পর্ক নেই। থাকলে তো এদেশের কৃষক, শ্রমিক, রিকশাওয়ালা বৃষ্টিতে কাজ করতে পারত না। বৃষ্টিতে ভিজে যারা প্রায় প্রতি বছর খোলা মাঠে বা ঈদগাহে নামাজ পড়েন তাহলে তো ভয়াবহ জ্বরের সংবাদে পত্রিকার পাতা ভরে যেত, নয় কি?
রিমঝিম বৃষ্টি, বর্ষণ আর চারদিকের আবহাওয়া আমাকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে। বর্ষার প্রতিটা রঙ, প্রতিটা রূপ আমার প্রিয়। এই ঋতুতে আমার আমিকে খুঁজে পাই। অসম্ভব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি আমি এই সময়ে। মেঘের গর্জনও আমার ভালো লাগে। মেঘের গর্জনে গুরু গাম্ভীর্যতার অনুভূতি পাই। রাতের আকাশে যখন বিদ্যুৎ চমকায় তখন সত্যি সত্যি চমকে যাই, যা অন্য কোনো চমকে এতোটা চমকাই না। তবে বজ্রধ্বনিকে ভীষণ ভয় পাই। ভয় হয় তার বিকট ধ্বনিতে। গগনবিদারী আর্তনাদ যাকে বলে সেই আর্তনাদ যেন শুনতে পাই বজ্র ধ্বনিতে। সর্বময় ক্ষমতার মালিক যিনি, তাঁর যে দাপট, সেই দাপটও যেন স্পষ্ট ফুটে ওঠে বজ্রধ্বনিতে। একি প্রশাসনিক হুঁশিয়ারী। প্রশাসনিক ক্ষমতার চূড়ান্ত দন্ড!
জন্ম থেকে টানা ৯ বৎসর বয়স পর্যন্ত গ্রামেই ছিলাম। বর্ষা অবলোকন বা বর্ষা অবগাহনের উপযুক্ত জায়গা হচ্ছে গ্রাম। বর্ষা অবলোকনের জন্য প্রায়ই স্কুল ফাঁকি দিতাম। বর্ষায় গ্রামীণ জনপদগুলো কখনো প্যাঁক-কাঁদা পিচ্ছিল থাকলেও গ্রামীণ জনপদগুলো ঘুরে দেখতে ভালো লাগত। গ্রামের পাশেই জাদুকাটা। প্রবল বর্ষণে ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে পাহাড়িয়া ঢল আশ্রয় নিত জাদুকাটায়। জাদুকাটা নদীকে তখন আমরা ‘বড়গাঙ’ নামেই জানতাম। দূর থেকে মেঘালয় পাহাড়ের গায়ে ছড়া বা ঝর্ণাধারা দেখলেই বুঝতে পারতাম পাহাড়িয়া ঢল আসছে জাদুকাটায়। প্রবল ঢল কখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে চলে গেলে জনজীবনে দুর্যোগ নেমে আসত। ঘরবাড়ি, গরু-ছাগল, মানুষসহ ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হত। ঢলে পর্যাপ্ত নূড়ি পাথর, বালু, বাঁশ, গাছ এবং গাছের প্রকান্ড গুড়ি ভেসে আসত। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কিছু লোভী ব্যবসায়ী বাঁশ-গাছ ধরার জন্য প্রবল ¯্রােতের মাঝেও নদীতে ঝাঁপ দিত। বর্ষণ থেমে গেলে পাহাড়ি ঢল থেমে যেত। ঢল থামলে গাঙের পানিও দ্রুত নেমে যেত। পর্যাপ্ত বালু পাথরের লেয়ার তখন নদীতে পড়ে থাকত।
পাহাড়িয়া ঢল যাতে জমিগুলোর ক্ষতি না করতে পারে সেজন্য খালের মুখে মাটির বাঁধ বেঁধে দেয়া হতো। এরপরও কখনো কখনো বাঁধ ভেঙ্গে যেত প্রচন্ড ঢল এবং ত্রুটিযুক্ত বাঁধ নির্মাণের কারণে। ধানের জমিগুলো তখন ঢল এবং মেঘের পানিতে সাদা হয়ে যেন বিশাল সাগরের রূপ নিত। ঢল এবং বর্ষণ থেমে গেলে জমির আইলগুলো জেগে উঠতো। ঢলের পানি কিছু জমিতে বালু তুলে ক্ষতি করলেও বেশির ভাগ জমির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি পেত ঢলের পানিতে পলি থাকার কারণে।
জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ার সময় গ্রামের কিছু উৎসাহী মানুষ মাছ ধরার জন্য দুই আইলের মাঝখানে বাঁশের তৈরি এক ধরনের প্রযুক্তি ‘গুই’ পাতাইত। তিন কোনা বিশিষ্ট ঠেলা জাল দিয়েও কেউ কেউ মাছ ধরার চেষ্টা করত। আবার কেউ কেউ জমির প্যাঁক-কাঁদায় একাকার হওয়ার জন্য মাছ ধরার ছলে ড্রাইভ দিত। বড় মাছ নয়, ছোট মাছই বেশি ধরা পড়ত। ছোট মাছেরও ছিল নানান জাত, যা আজ প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেখেছি বলে মনে হয় না। অনন্য ডিজাইনের জন্য রাণী মাছ ছিল আমার খুব প্রিয়। রাণী মাছ কি এখন দেশের কোথাও পাওয়া যায়? রাণী মাছের মত অনেক প্রজাতির মাছ কবেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে, শুধুমাত্র আমাদের লোভের কারণে। লোভের বশবর্তী হয়েই বংশকে নির্বংশ করে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছগুলোকে।
লোভ, ষড় রিপুর একটি। ব্যক্তি, দল এবং দেশ ধ্বংসের অন্যতম কারণ হচ্ছে এই লোভ। লোভ সামলাতে না পারলে দুঃখ-দুর্দশা, বিপদ, বিপর্যয় অনিবার্য। সত্যি বলতে কি, ভারতের মেঘালয় পাহাড় এবং পাহাড়িয়া ঢল আমাদের জন্য এক মহা আশীর্বাদ। পাহাড়িয়া ঢলে ভেসে আসা বালু-পাথর, কাঠ, বাঁশ, পলি মাটি যেমন আশীর্বাদ, তেমনি ভেসে আসা মরা হাতিও আমাদের আশীর্বাদ। ভেসে আসা পানিও আমাদের জন্য বড় আশীর্বাদ। জাদুকাটার পানির মত এতো স্বচ্ছ জলধারা, শীতল পানি দেশের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই। কিন্তু অতি লোভী কিছু অসাধু ব্যক্তি এবং কারবারীদের জন্য আমাদের আশীর্বাদগুলো ক্রমেই রূপান্তর হচ্ছে অভিশাপে। পাহাড়িয়া ঢল অতীতে ছিল, এখনো আছে, আশা করি ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু লোভ সামলাতে না পারলে এ জাতির বারোটা বাজতে আর বেশি সময় লাগবে না। জাদুকাটায় এখন আর কোনো মাছ নেই। এক সময় এ গাঙের মাছ ছিল খুবই সুস্বাদু। কোনো রকম বাজে গন্ধ এ নদীর মাছে ছিল না। হাজার হাজার বারকি শ্রমিকের লগি, বৈঠার আঘাতে মাছের আশ্রয়স্থল এখন আর এ গাঙে নেই। আগের মতো পানিও এখন স্বচ্ছ নয়। পাহাড়িয়া ঢলে যে পরিমাণ বালু-পাথর আসে তা আমাদের সারা বছরের জোগান। ঢাকাসহ সারা দেশে এর সাপ্লাই আছে। এখানকার পাথর ভোলাগঞ্জী পাথরের মত উৎকৃষ্ট নয়, তবে বালু হচ্ছে সেরাদের সেরা। সাদা ধবধবে, ঝরঝরা বালুর চরাতেই এক সময় অদ্বৈত মহাপ্রভুর পুণ্য¯œান বিজড়িত দেশের বৃহৎ পণ-তীর্থ বারণী মেলা অনুষ্ঠিত হত। চৈত্রের আগেই বালু-পাথর শেষ হয়ে যাওয়ায় এখন আর বালুর চরায় মেলা হওয়ার সুযোগ থাকে না। জাদুকাটার বালু দিয়েই ঢাকার সিংহ ভাগ বিল্ডিং নির্মিত হচ্ছে। এ বালু দিয়েই দেশের সেরা গ্লাস ফ্যাক্টরীগুলো চালু আছে।
ঢলের সময় গাঙ থাকে কানায় কানায় পূর্ণ। এ সময় নদীর গর্ভ থেকে বালু উত্তোলন করা যায় না। ঢল থামার পর ধীরে ধীরে চর জেগে ওঠে। তখন বালু ও পাথর খেকোদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। কার আগে কে প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। বড় বড় কার্গো এবং নৌকার ভিড়ে প্রতিযোগিতা কখনো সংঘর্ষেও রূপ নেয়? এখানে লোভ শুধু নয়, জীবন এবং জীবিকার চাহিদার প্রয়োজনে ছোট-বড়-মাঝারি সাইজের কারবারিও বেড়েছে প্রচুর। ফলে অল্প দিনেই নদী গর্ভের বালু-পাথর শেষ হয়ে যায়। সেই জন্য চৈত্র মাসের আগেই পণ-তীর্থ বারণী মেলার চরে প্যাঁক-কাঁদা ছাড়া কোনো বালুই থাকে না!
পাহাড়ি প্লাবনে গাঙ যখন কানায় কানায় পূর্ণ থাকে তখনো অতি লোভী বালু খেকোরা সাময়িক সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে চায় না, বালু উত্তোলনে বিরত থাকে না। এরা তখন নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের উৎসব শুরু করে দেয়। ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে নদীর পাড় কাটার কারণে গাঙ পাড়ের বহু মানুষ, ঘর-বাড়ি এবং বহু গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। গাঙের পরিধিও অনেক বেড়েছে, ফলে পূর্বের স্মৃতির সাথে কোনো মতেই মেলানো যায় না।
আমরা মনে করি, নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের বিষয়টি স্পষ্টত দুর্বৃত্তায়ন। আর এসব দুর্বৃত্তায়ন নিশ্চয় প্রশাসনের অজানা নয়। মাঝে মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলা শহরের প্রশাসন এবং তাহিরপুরের স্থানীয় প্রশাসন স্পিডবোট যোগে নজরদারি করতে আসে। কিন্তু স্পিডবোটের শব্দে এসব দুর্বৃত্তরা কিছু সময়ের জন্য গা ঢাকা দেয়। ওরা চলে গেলে আবার যেই সেই। তবে লোকমুখে কথিত আছে, রেগুলার পার্সেনটেজ যাতে নিশ্চিত হয় সেই জন্য এই ডিউটি। কারবারিরা যাতে পার্সেনটেজ ফাঁকি না দিতে পারে এই জন্য কি ডিউটি? তাহলে তো বলার কিছুই নেই। বলতে হয় শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে এসব দুর্বৃত্তায়নই পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি হুমকি! দিনের পর দিন, যুগের পর যুগ এসব দুর্বৃত্তায়নের ফলে মানুষ তার জান-মালসহ আশ্রয়স্থল হারিয়ে মানববন্ধনের পর মানববন্ধন করেছে, প্রতিকার চেয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। অথচ প্রশাসন নির্বিকার! তাহলে কি দুর্বৃত্তায়নেরই জয় হবে?
বর্ষা নিয়ে লিখব বসেছিলাম। বর্ষার সঙ্গে আমাদের অনেক প্রাসঙ্গিকতা জড়িত। একটা প্রসঙ্গ যখন চলে আসে তখন একে উপেক্ষা করারও উপায় নেই। অন্য কোনোদিন না হয় বর্ষার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কোনো কথায় কথা বাড়াব। আষাঢ়-শ্রাবণ এই দুই মাসে আমাদের বর্ষার আগমন ঘটে। বিশ্বের অনেক দেশেই কিন্তু বর্ষা নেই! শুধু কি বর্ষা? বৃষ্টির ফোঁটাও নেই কোনো কোনো দেশে। প্রতি বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্যা আমাদের ওলট পালট করে দিলেও আমরা বৃষ্টি এবং বর্ষাকেই ভালোবাসি। বৃষ্টি-বর্ষা আমাদের সকল জঞ্জাল ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে দেয়। প্রকৃতিতে প্রাণ সঞ্চার করে। প্রকৃতি হয়ে ওঠে সজীব, প্রাণবন্ত। বর্ষার ফুল কদম, কদমের ঘ্রাণে অনেকেই মুগ্ধ হয়। লাল কৃষ্ণচূড়া, হলুদ রাধাচূড়াও আমাদের আকৃষ্ট করে, অসম্ভব ভালোলাগে কিংবা ভালোবাসার ছোঁয়া দেয়। বর্ষায় নৌকা ভ্রমণ অনেক আনন্দের। তবে ইঞ্জিন নৌকায় নয়, পাল তোলা নৌকায় ছইয়্যার নীচে ভাত খেতে খেতে নৌকা ভ্রমণ কী যে আনন্দের, ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।
মেঘ দেখে তুই করিস নে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে। কিন্তু আড়ালে যে চাঁদও হাসে সে কথাটি কবি বলে যাননি। এবার ঈদের চাঁদ নিয়ে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বড়ই বিপাকে পড়ে গিয়েছিল আকাশে মেঘ থাকার কারণে। রাত ৯ টায় সিদ্ধান্ত হলো চাঁদ দেখা যায় নি। রাত ১১ টায় খবর এলো মেঘ ভেঙ্গে চাঁদ উঁকি দিয়েছে- অতএব আগামীকাল ৫ জুন ঈদ। আমার মনে হয় এ নিয়ে একটা রীতি অথবা নীতি মেনে চলা উচিত। সৌদি আরবে চাঁদ দেখার সাথে মিল রেখেই আমাদের ঈদ করা উচিত। কারণ সৌদির সাথে সময়ের ব্যবধান মাত্র ৩ ঘন্টা। তিন ঘন্টা পরে আমাদের আকাশে তো চাঁদ আসবেই মেঘ থাকুক নাই থাকুক।
কবির কথাটিকে আমরা কৃতজ্ঞভরে স্মরণ করি। মেঘের পরে রোদ হাসে-সত্যি আমাদের সাহস যোগায়। বেঁচে থাকার প্রেরণা দেয়। এবার আসুন শেষ দৃশ্যে একটু চোখ রাখি। দূর দিগন্তে অথবা ভাটি অঞ্চলের হাওরের মাঝখানে দু’চারটে ঘর নিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ অনেকগুলো গ্রাম আমরা দেখতে পাই। চার দিকে পানি আর পানি। ঘাটে ডিঙি আছে কি নেই, তাতে কি! জীবন তো আর থেমে থাকে না। সবরকম ডিজিটাল সিস্টেমের বাইরে এদের জীবন। কখনো হাওরের উত্তাল তরঙ্গ প্রবল ঢেউ তুলে এদের শান্ত জীবনকে অশান্ত করে দিতে চায়, তছনছ করে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চায় দূরে কোথাও। তবু সেখানকার মানুষ কি জানি কিসেরও লাগি প্রাণ করে হায় হায়- এর মত সেখানকার জলজ জীবন আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চায়। তরল রূপে কী কঠিন বাস্তবতার ঝুঁকিপূর্ণ জীবন, তাই না?
লেখক : কলামিস্ট।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ভারতের জাতীয় উন্নয়ন ও ভারত মহাসাগর
  • জীবনে শৃঙ্খলাবোধের প্রয়োজনীয়তা
  • চলুক গাড়ি বিআরটিসি
  • জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবেলায় আমাদের করণীয়
  • নির্ধারিত রিক্সাভাড়া কার্যকর হোক
  • নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা
  • খাদ্যে ভেজাল রোধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে
  • মুর্তাজা তুমি জেগে রও!
  • সন্তানের জীবনে বাবার অবদান
  • এবার কুম্ভকর্ণের নিদ্রা ভংগ হোক
  • বন উন্নয়নে মনোযোগ বাড়ুক
  • একজন অধ্যক্ষের কিছু অবিস্মরণীয় প্রসঙ্গ
  • গ্রামাঞ্চলে বৃক্ষ রোপণ
  • শান্তির জন্য চাই মনুষ্যত্বের জাগরণ
  • উন্নয়ন ও জনপ্রত্যাশা পূরণের বাজেট চাই
  • মোদীর বিজয় : আমাদের ভাবনা
  • অধিক ফসলের স্বার্থে
  • টেকসই উন্নয়ন ও অভিবাসন সমস্যা ও সমাধানে করণীয়
  • সড়ক দুর্ঘটনা
  • চীনের বিশ্বশক্তির প্রত্যাশা ও ভারত মহাসাগর
  • Developed by: Sparkle IT