প্রথম পাতা ব্রেক্সিটমুখী ব্রিটেন-৪(শেষ পর্ব)

কৃষি ভিসায় যাওয়া যাবে লন্ডন তবে, সুখবর নেই বাংলাদেশের

মুহাম্মদ তাজ উদ্দিন প্রকাশিত হয়েছে: ১২-০৬-২০১৯ ইং ০১:৩০:৪৪ | সংবাদটি ১৫১ বার পঠিত

‘সিজনাল ওয়ার্কার’ নামে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় কৃষিকাজে সংশ্লিষ্টদের যুক্তরাজ্যে যাবার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে, এখনো বাংলাদেশিদের জন্য এই ভিসা চালুর কোনো ঘোষণা আসেনি। কিন্তু, ঘোষণা না আসলেও ইতোমধ্যে সিলেটে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি ‘কৃষি ভিসা’ দেয়ার নামে লোকজনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
ব্রিটিশ সরকারের এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় যুক্তরাজ্যের কৃষি খামারে কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কোম্পানি এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র রাশিয়া, ইউক্রেন ও মলদোবা থেকে জনবল সংগ্রহের নোটিশ দিয়েছে। বিশ্বের অন্য কোনো দেশ থেকে ব্রিটেনে কৃষিকাজের লোক নেয়ার কোনো উদ্যোগ এখনো নেয়া হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
জানা গেছে, ব্রিটেন সরকার কৃষি ভিসা চালু করছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয় বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এর প্রভাব পড়েছে সিলেটে। ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি ইতোমধ্যে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকায় ভিসা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সিলেটের লোকজনের সাথে চুক্তি করতে শুরু করেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এ মুহূর্তে না হলেও বাংলাদেশিদের জন্য অদূর ভবিষ্যতে এই ভিসায় যুক্তরাজ্যে যাবার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, এ ভিসার জন্য কারো সাথে কোনো চুক্তিতে না যাবার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের ইমিগ্রেশন আইন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাজ্যের পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রী মাইকেল গোভ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (হোম সেক্রেটারি) সাজিদ জাবেদ গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর এক ঘোষণায় জানিয়েছিলেন, ব্রেক্সিট পরবর্তীতে অর্থাৎ যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেলে প্রাথমিকভাবে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের বিভিন্ন দেশ থেকে আড়াই হাজার চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক নেয়া হবে। সম্প্রতি ‘সিজনাল ওয়ার্কার্স পাইলট স্কিম’ নামের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দুটি বেসরকারি কোম্পানিকে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের অনুমাদন দেয়া হয়। ব্রিটেনে বিদ্যমান ভিসা পদ্ধতির আওতায় টিয়ার-৫ ক্যাটাগরিতে ভিসা ইস্যু করার অনুমতি দিয়েছে সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের কৃষিখাতে প্রটেক্টেড ভেজিটেবল অর্থাৎ যে সব শাক-সবজি গ্লাস হাউজে বা গ্রিণ হাউজে উৎপাদন করা হয় অথবা ফিল্ড ভেজিটেবল অর্থাৎ যেগুলো আউটডোরে উৎপাদন করা হয় অথবা ভেজিটেবল হার্বস, লিফি সালাদ, সফট ফ্রুট-যেগুলো আউটডোরে হয়- যেমন- স্ট্রবেরি, ব্লু বেরি, রাস বেরি, ব্ল্যাক কারেন্টসহ সব ধরনের বেরি জাতীয় ফল উত্তোলন বা সংগ্রহ করার কাজ, টপ ফ্রুট যেমন- প্লাম, আপেল, পিয়ার চেরি, এপ্রিকট, এগুলো চাষের জন্য এবং ভাইন্স, গ্রেপস ইন ভাইন্স, মাশরুম চাষাবাদ, আপেল, প্লাম, ইত্যাদি ফল সংগ্রহ বা উত্তোলনের জন্য কৃষি ভিসা ইস্যুর এই পাইলট প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এই সেক্টরে ব্রিটেনে বর্তমানে জনবলের সংকট রয়েছে। ব্রিটেনের বর্তমান নাগরিকরা এসব কাজে আগ্রহীও নন। ফলে, এই প্রকল্পে ব্রিটেনের বাইরে থেকে লোক নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ব্রিটেন সরকার। মোট ৬ প্রকারের ফ্রুট পিকআপের কাজের জন্য ইউরোপের বাইরে থেকে লোক নেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্যের হোম অফিস।
জানা গেছে, উপরোক্ত ৬ প্রকার ফলের উৎপাদন ও সংগ্রহ খাতে সাধারণভাবে ব্রিটেনে প্রায় দেড় বিলিয়ন পাউন্ডের বাজার রয়েছে। আর এই উৎপাদন ও সংগ্রহের কাজে জড়িত রয়েছেন কমপক্ষে ৮০ হাজার জনশক্তি। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর বেশির ভাগই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা খন্ডকালীন শ্রমিক, যারা অস্থায়ী ভিত্তিতে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে এ খাতের যে উৎপাদন গতি রয়েছে তা অব্যাহত রাখতে হলে ২০২১ সালের মধ্যে কমপক্ষে ১২ হাজার খন্ডকালীন শ্রমিক নিয়োগ করা প্রয়োজন বলে এক তথ্যে জানিয়েছে ব্রিটিশ সামার ফ্রুট নামের একটি সংগঠন। তারা জানায়, ইউরোপে বাজার ধরে রাখতে এবং উৎপাদন অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় ৬০ হাজার শ্রমিক ইউক্রেন থেকে জার্মানীতে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে এ খাতে ব্রিটেনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী জার্মানী। ফলে, নিজেদের কৃষিখাত রক্ষায় নড়ে চড়ে বসেছে ব্রিটেন।
যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিটের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে গেলে হঠাৎ করেই এই বিশাল শ্রম বাজারে সংকট দেখা দিতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই ব্রিটিশ সরকার সংকট মোকাবেলার প্রাক প্রস্তুতি হিসেবে এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি ইউরোপের বাইরের দেশগুলো থেকেও জনবল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
‘সিজনাল ওয়ার্কার পাইলট প্রকল্প’ নামের এই প্রকল্পের আওতায় ব্রিটেনের বাইরে থেকে কাজ করতে আসা দক্ষ এবং অভিজ্ঞ শ্রমিকদেরকে প্রাথমিকভাবে ৬ মাসের ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট দেয়া হবে। তবে, প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পের আওতায় মাত্র আড়াই হাজার ভিসা ইস্যু করা হবে বলে জানিয়েছে ব্রিটেনের হোম অফিসের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
পরীক্ষামূলক এই প্রকল্পে ব্রিটেনের বাইরে থেকেও লোক নেয়া হবে- এমন ঘোষণা থাকলেও এখন পর্যন্ত দেশওয়ারী বিভক্ত করে কোন ঘোষণা দেয়া হয়নি। কিন্তু, তা সত্ত্বেও এই ভিসা স্কিম নিয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ব্রিটেন সরকারের পক্ষ থেকে যে সব ঘোষণা এসেছে সেখানে সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশ সম্পর্কে কোনো কিছু বলা হয়নি। অথচ, বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্ট এই ভিসার ফি, ক্রাইটেরিয়া, কন্ডিশন ইত্যাদি ঘোষণা করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ব্রিটেনের ইমিগ্রেশন আইনের বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরে পরীক্ষামূলকভাবে মাত্র আড়াই হাজার লোক আনার জন্য এখন পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে। বিষয়টি এখন পর্যন্ত প্রস্তাবনার পর্যায়েই রয়েছে। কোন দেশ থেকে কি খাতের দক্ষ শ্রমিক নেয়া হবে এবং তাদের বেতন কাঠামোসহ বিভিন্ন বিষয় নির্ধারণের জন্য ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে জনশক্তি রপ্তানি কাজে নিয়োজিত দুটি বেসরকারি কোম্পানিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ দুটি কোম্পানী হলো- কনকর্ডিয়া ও প্রো-ফোর্স। এরাই সিজনাল ওয়ার্কার্স পাইলট স্কিমের জন্য ব্রিটেনে জনশক্তি আমদানির অনুমোদন পেয়েছে।
জানা গেছে, কনকর্ডিয়া ও প্রো-ফোর্স ইতোমধ্যে তাদের ওয়েব সাইটে এই ভিসায় যুক্তরাজ্য যেতে আগ্রহী লোকদেরকে যোগাযোগ করার জন্য বলেছে।
কনকর্ডিয়ার ওয়েব সাইটে বলা হয়েছে, তারা এ মুহূর্তে যে সব দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে জনশক্তি আমদানির জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে- মলদোবা, ইউক্রেন এবং রাশিয়া। কনকর্ডিয়া জানিয়েছে, কৃষিখাতের দক্ষ জনশক্তি ব্রিটেনে চুক্তিভিত্তিক আমদানির জন্য ইতোমধ্যে ঐ সব দেশে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে। আগ্রহীরা এই দেশগুলোতে তাদের এজেন্টদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন বলে ঐ কোম্পানির ওয়েব সাইটে বলা হয়েছে।
কোম্পানিটি বাংলাদেশ, ভারত বা পাকিস্তানের নাম এখানে উল্লেখ করেনি। তবে, যেহেতু ইউরোপের বাইরে থেকেও এ ভিসায় লোক নেয়া হবে, সেহেতু তারা বাংলাদেশসহ বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকেই জনশক্তি আমদানীর ঘোষণা দিতে পারে।
বাংলাদেশে ইতোমধ্যে একটি চক্র ‘কৃষিকাজের জন্য লন্ডনে যাবার ‘লোভের ফাঁদ’ পাতার চেষ্টা করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তারা এই ভিসার ফি কি হবে, নীতিমালা কি হবে- ইত্যাদি পর্যন্ত ঘোষণা করে দিয়েছেন। অনলাইনে এ বিষয়ে লোভনীয় প্রচারণাও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এমনকি, কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান নিজেদেরকে এ কাজের অনুমোদিত এজেন্ট দাবি করে আগ্রহীদেরকে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত ‘কৃষক পরিচয়পত্র’ সংগ্রহের জন্যও পরামর্শ দিতে শুরু করেছে।
লন্ডনের খ্যাতনামা কিংডম সলিসির্টস্-এর পরিচালক ও ইমিগ্রেশন আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী সিলেটের ডাককে বলেন, যেভাবে বাংলাদেশ থেকে লোক নেয়া হবে বলে অনলাইনে প্রচারণা চলছে, কিভাবে যেতে হবে, কত লাখ টাকা দিতে হবে, ক্রাইটেরিয়া কি হবে বলে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা সঠিক নয়। এ মুহূর্তে এসবে বিশ্বাস করলে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।
তিনি বলেন, এ ভিসার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো বিস্তারিত কোনো ঘোষণা ব্রিটেনের হোম অফিসের পক্ষ থেকে আসেনি। অথচ খবর পাওয়া যাচ্ছে, ইতোমধ্যে সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যুক্তরাজ্যের কৃষি ভিসা পাইয়ে দেবার নাম করে লোকজনের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিতে শুরু করেছে। যারা এক্ষেত্রে টাকা প্রদান করছেন, তাদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। যদি আমরা সতর্ক না থাকি, তাহলে দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকে লোক নেয়াই হবে না বা যে নীতিমালা বা যোগ্যতা ঘোষণা করা হবে, বাংলাদেশের লোক সেই ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করতে পারছেন না। সে জন্য সবার প্রতি অনুরোধ কৃষি ভিসা পাওয়ার আশায় এখনই কারো কাছে বড় অঙ্কের টাকা দেবেন না। কারো কথায় প্রতারিত হবেন না। কারণ, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য কোনো ঘোষণা আসেনি। একমাত্র আশার বিষয়- যেহেতু ইউরোপের বাইরে থেকে লোক নেয়া হবে, সেহেতু বাংলাদেশিরা এই ভিসায় আবেদনের সুযোগ পেলেও পেতে পারেন। যে দুটি কোম্পানির দায়িত্ব পেয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত মাত্র ৩টি দেশের লোকজনকে যোগাযোগ করতে বলেছে। বিশ্বের অন্য কোন দেশ থেকে তারা এ মুহূর্তে লোক নিচ্ছে না।
ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরী জানান, ‘সিজনাল ওয়ার্কার পাইলট প্রকল্প’ সম্পর্কে এ মাসেই ব্রিটেন সরকারের পক্ষ থেকে নীতিমালা ঘোষণা করা হতে পারে। এটি করা হলেই এ প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
তিনি বলেন, ব্রেক্সিটের কি হয় সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা উচিৎ। কারণ নো-ডিল বা ডিলের মাধ্যমে ব্রেক্সিট হবে কি-না তার উপর ব্রিটেনের ভিসা নীতিমালা অনেকাংশে নির্ভর করছে। এছাড়া, ব্রেক্সিট পিছিয়ে যাওয়ারও একটা সম্ভাবনা রয়েছে। ব্রেক্সিট পিছিয়ে গেলে এ পাইলট স্কিমও পিছিয়ে যেতে পারে। তাই, সবকিছু জেনে বুঝে পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ। না হলে পরবর্তীতে তা আফসোসের কারণ হতে পারে।
এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন এডভাইজারি সার্ভিসেস (আইএএস), সিলেট অফিসের সাবেক প্রধান ও বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী, ইমিগ্রেশন আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার মোজাক্কির হোসাইন বলেন, ব্রিটেনের কোন কৃষিখাতের কোন ক্ষেত্রে জনবলের সংকট রয়েছে, তার উপরই লোক নিয়োগের প্রক্রিয়া নির্ভর করছে। শীত প্রধান দেশ হওয়ায় ব্রিটেনের কৃষি ব্যবস্থাপনা ও কৃষিকাজ বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাংলাদেশের কৃষি সংশ্লিষ্টরা এই খাতে কতটা দক্ষতা দেখাতে পারবেন সেটি অনেকটা প্রশ্ন সাপেক্ষ। ‘সিজনাল ওয়ার্কার পাইলট প্রকল্প’-এর জন্য যে সব শর্ত নির্ধারণ করা হবে, সে সব শর্ত পূরণ করলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকেও এই খাতের জনশক্তি রপ্তানি সম্ভব হতে পারে।
ব্রেক্সিট ইস্যুতে বর্তমানে যুক্তরাজ্যের রাজনীতির পাশাপাশি তাদের শ্রমবাজার এবং শিল্প খাতও টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গত ২৯ এপ্রিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাবার অর্থাৎ ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের কথা ছিল ব্রিটেনের। কিন্তু, অভ্যন্তরীণভাবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে মতভিন্নতা থাকায় ব্রেক্সিট কার্যকর আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পিছিয়েছে। ব্রেক্সিট পিছিয়ে গেলে ‘সিজনাল ওয়ার্কার পাইলট প্রকল্প’ও পিছিয়ে যেতে পারে-এমনটাই অভিমত বিশ্লেষকদের।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • জামালগঞ্জে ইউসুফ ও শায়েস্তাগঞ্জে ইকবাল উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত
  • আফগানিস্তানকে বিধ্বস্ত করে শীর্ষে ইংল্যান্ড
  • নাসায় আমন্ত্রণ পেয়েছে শাবি’র অলিক টিম
  • দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নেই: ফখরুল
  • দিনাজপুরে প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার
  • জগন্নাথপুরে গাছের সঙ্গে পাওয়ার টিলারের ধাক্কায় প্রাণ গেল চালকের
  • বিয়ানীবাজারে ইভটিজিংয়ের দায়ে তরুণের ৬ মাসের কারাদ-
  • সিলেট চেম্বারের আপীল বোর্ডও গঠিত
  • সিলেট-সুনামগঞ্জ রুটে বিআরটিসি’র বাস চালু রাখা’সহ ৪ দফা দাবি
  • বিমানবন্দরগুলোতে ‘ডগ স্কোয়াড’ ইউনিট রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • খালেদা জিয়ার জামিন প্রমাণ করে বিচারবিভাগ স্বাধীন: কাদের
  • মহাপরিচালকের পদত্যাগ চান ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালকরা
  • দুই মামলায় খালেদাকে ৬ মাসের জামিন
  • ডিআইজি মিজানের শাস্তির ব্যবস্থা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • সব কিছুতে প্রধানমন্ত্রীকে লাগলে সচিবদের দরকার কী: হাইকোর্ট
  • ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহবাজপুর সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ
  • ‘সাকিবময়’ ম্যাচে টাইগারদের রেকর্ড গড়া জয়
  • পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘট আহ্বানের প্রতিবাদে আন্দোলনে সাধারণ যাত্রীরা
  • পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের দাবিতে পৃথক মানববন্ধন
  • সিলেটে ছাতক সমিতির গণ-অনাস্থা প্রাচীর
  • Developed by: Sparkle IT