উপ সম্পাদকীয়

উন্নয়ন ও জনপ্রত্যাশা পূরণের বাজেট চাই

মোহাম্মদ নজাবত আলী প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০৬-২০১৯ ইং ০০:০৫:৩০ | সংবাদটি ৯০ বার পঠিত



তৃণমূলপর্যায়ের মানুষের সুখ, দুঃখ আনন্দ-বেদনার কথা বাজেটে থাকতে হয়। তাদের চাহিদা ও দাবির প্রতিফলন ঘটিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হলে সত্যিকার অর্থে সে বাজেট হবে গণমুখী এবং বাস্তবায়নযোগ্য। বাজেট প্রণয়ন করা যতটা কঠিন, তার চেয়েও কঠিন বাজেটের বাস্তবায়ন ঘটানো।
একটি সরকার এক বছর রাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টরে বিভিন্ন খাতে রাষ্ট্রের উন্নয়নে অর্থ ব্যয় এবং যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করবে তার পরিকল্পনা অর্থাৎ রাষ্ট্র পরিচালনায় আয়-ব্যয়ের একটি কর্মপরিকল্পনায় সাধারণত বাজেট। তবে সাধারণ মানুষ মনে করে সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট যেন তাদের জীবনের মোড় ঘুরে দেয়, উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবনমান নিশ্চিত করে। তাদের প্রত্যাশা পূরণ করে।
আগামী জাতীয় সংসদ অধিবেসনে প্রথমবারের মতো অর্থমন্ত্রী হিসেবে বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট সমৃদ্ধ ‘আগামীর পদযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে অর্থমন্ত্রী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন। এ নতুন বাজেটে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী পালনের পাশাপাশি গ্রামকে শহরে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ, গ্যাস, গ্রামীণ অবকাঠামোসহ সব ধরনের নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রম্নতি থাকছে যা বিগত নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা ছিল। যা হোক, বিগত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের যে উন্নয়নের গতি দৃশ্যমান সেই গতিধারাকে আরও বেগবান করবে আগামী এ বাজেট এমন প্রত্যাশা রাজনীতিক, অর্থনীতি বিশ্লেষকদের। আমরা মনে করি আসন্ন বাজেট হবে উন্নয়নের জনপ্রত্যাশা পূরণের। সাধারণ মানুষকে যেন করের বোঝা টানতে না হয়। সার্বিক দিক থেকে বাজেট হবে দারিদ্র্যমুক্ত, ধনী-গরিবের মধ্যে বৈষম্য কমানোর বাজেট, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণের বাজেট। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করবে। শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি যোগাযোগ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। বেকারত্বের অবসান ঘটবে। জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, আয় ও গড় আয়ু বৃদ্ধি, অপুষ্টি দূরীকরণ, শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার কমানোসহ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জিত হবে। নিত্যপণ্যের মূল্য যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে সে বিষয়ে পদক্ষেপ থাকবে বাজেটে। বাজেট ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন, অর্থনীতিবিদ, বিজ্ঞ ও অভিজ্ঞ মহল বাজেটের চুলচেরা বিচার বিশ্লেষণ শুরু করেন। সরকারি দল স্বাভাবিকভাবে বাজেটের পক্ষেই কথা বলবেন, বিরোধী মহল কঠোর সমালোচনা করবেন, অন্যান্য সংগঠনের নেতা, অর্থনীতিবিদ, বিজ্ঞ মহল তাদের নিজ নিজ দৃষ্টিভঙ্গিতে সরকারি বাজেটের সমালোচনা করবেন। এ আলোচনা-সমালোচনা চলবে বেশ কিছুদিন। তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে। বাজেট এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে সারা বছর। তাই বাজেটে যে বিভিন্ন খাতে অর্থ বরাদ্দ করা হয় তার সুষ্ঠু ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। কারণ বাজেট হচ্ছে সরকারের এক বছরের মৌলিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়ক মহাব্যবস্থাপনা পথনিদর্শক। তাই বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের অপচয় বা নয়-ছয় হয় তাহলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য ঘরে উঠবে না। তাই বাজেট বাস্তবায়নে অত্যন্ত সতর্কতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রয়োজন রয়েছে।
কেননা বাজেট হচ্ছে ব্যক্তি, সমাজ, দেশ ও জাতীয় উন্নয়নের দর্শন। বিশেষ করে আমাদের মতো পোড় খাওয়া অর্থনীতির দেশে। বাজেট যেহেতু সরকারের, রাষ্ট্র পরিচালনা, উন্নয়ন কর্মকান্ডের দিকনির্দেশন তাই এর গুরুত্ব সর্বাধিক। বাজেটের গতিপ্রকৃতি ভালো-মন্দ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। তবে এ আলোচনায় অংশ নেয় দেশের শিক্ষিত, উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠী অর্থনীতিবিদরা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরকারের মন্ত্রী-এমপি, নেতা, বিরোধী মহলের নেতা দেশের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা টক শোতে অংশ নেয়। তারা বাজেটের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন এবং তা দেশবাসী শোনেন এবং দেখেন। প্রতিটি শাসক দলই বাজেটকে দেশের উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি অর্জনের সহায়ক বলে প্রচার করে থাকেন। পক্ষান্তরে বিরোধী রাজনৈতিক দল বাজেটকে গরিব মারার লুটপাটের বলে অভিহিত করে থাকেন। প্রকৃত বাস্তবতা হচ্ছে কেউ কারও ভালো দেখতে পারে না এটা আমাদের রাজনীতির একটা সংস্কৃতি। যা হোক, যারা যেভাবেই যে নামেই বাজেটকে অভিহিত করুক না কেন প্রতিটি বাজেটের ভালো-মন্দ দুটি দিক থাকে। বাজেট শুধু সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাবই নয়- এর সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে, আর সে লক্ষ্য অর্জনের কৌশল ও কর্মপন্থা থাকে। আর সে লক্ষ্য হচ্ছে দেশের স্বার্থে দেশের কল্যাণ, জনস্বার্থ রক্ষা করা দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়া এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করাসহ বিভিন্ন ইতিবাচক দিক। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা, রাজনীতির অবকাঠামো উন্নয়ন সবকিছুই বাজেটে দৃশ্যমান থাকে। একটি রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নে সুষ্ঠু কর্মপরিকল্পনা দরকার। পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া কোনো কাজের শতভাগ সাফল্য আশা করা যায় না। আর বাজেট হচ্ছে রাষ্ট্রের সার্বিক উন্নয়নের দিকনির্দেশক ও কর্মপরিধি। রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয় সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়নের জন্য। তাই বাজেটে খাত ওয়ারি অর্থ বরাদ্দ থাকে। একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন হয় সরকারি-বেসরকারি প্রচেষ্টায়। শুধু সরকারি উদ্যোগে প্রত্যাশিত উন্নয়ন আশা করা যায় না। তাই সরকারি বাজেটে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হয়। একটি রাষ্ট্রের উন্নয়নে বিনিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ে উন্নীত করতে হলে সরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং একই সঙ্গে বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশকে আরও উন্নত করতে হবে।
প্রতিটি সরকারের আমলে বাজেট ঘোষিত হয়। তাই সাধারণভাবে সরকার যে বাজেট ঘোষণা করে থাকে তাকে বলা হয় সরকারি বাজেট। আর এ বাজেট একান্ত সরকারের চিন্তা-ভাবনার ফল। কিন্তু সাধারণ মানুষ মনে করে তাদের প্রয়োজন প্রত্যাশার বাজেট। যে বাজেটে তাদের সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখবে। কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ দেয়া হলো সেটা তারা বোঝে না, কত কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হলো সেটাও তাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। অর্থাৎ বাজেট সম্পর্কে তাদের ধারণা নেই বললেই চলে। তারা শুধু বুঝতে চায় সরকারি বাজেটে যেন তাদের কল্যাণ হয় মঙ্গল হয়। সমাজের বিভিন্ন পেশা শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা উন্নত হয়। বাজেট জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতার দলিল। আবহমান কাল থেকে বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষিই হচ্ছে অর্থনীতির মূল ভিত্তি। আর এ খাতের মূল কারিগর হচ্ছে কৃষক যারা পোড় খাওয়া মানুষ। রোদ, বৃষ্টি উপেক্ষা করে তারা সারা বছর কৃষিপণ্য উৎপাদন করে। সে কৃষক মনে করেন তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায়। সুদখোর, ঘুষখোর ফড়িয়া, মজুদদারের হাত থেকে তারা যেন রক্ষা পায়। ধান, গম, আলু, সরিষাসহ কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য পায়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাংলার কৃষকসমাজ চিরকালই অবহেলিত। তারা অধিকাংশ সময় কৃষিপণ্যের উপযুক্ত মূল্য পান না। তাদের লোকসান গুনতে হয়। উপরন্তু দ্রব্যমূল্য যেন সহনীয় পর্যায়ে থাকে। সাধারণ মানুষের যেন কষ্ট না হয় এ জন্য চাল-ডাল পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ভোজ্য তেল, মসলাসহ নিত্যপণ্যের বাজার যেন স্থিতিশীল থাকে। কোনোভাবেই দ্রব্যমূল্য যেন একজন ভ্যানচালক, রিকশাচালক, অটোচালক, কৃষকশ্রমিক, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ক্রয়ক্ষমতার বাইরে না যায়। সাধারণ মানুষের বাজার স্বস্থির বাজার হয়। বাজেট যেহেতু সাধারণ মানুষের দায়বদ্ধতার দলিল সে বাজেট যেন দায়িত্বহীনতার দলিলে পরিণত না হয়। বিভিন্ন পেশার মানুষ প্রস্তাবিত এ বাজেট থেকে উপকৃত হয়। তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেটের শৃঙ্খল থেকে জনগণকে মুক্ত করতে হবে।
শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাত যে কোনো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দিক। এ কথা অস্বীকার করা যাবে না যে, শিক্ষা ক্ষেত্রে আমাদের অর্জন অনেক। তথ্যপ্রযুক্তির সফলতাও রয়েছে। মাত্র কয়েক বছরে তথ্যপ্রযুক্তির খাতে যে সাফল্য তা চোখে পড়ার মতো। শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে, নারী শিক্ষার ক্ষমতায়ন, বাংলাদেশ উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে শিক্ষায় দেশ এগিয়ে গেলেও বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা আত্মকর্মসংস্থান ও বেকারত্বের অবসানের কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে একজন কৃষক বা শ্রমিকের সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে আজ তারা বেকার। তাদের কোনো কর্মসংস্থান হচ্ছে না। বাজেটে বেকার সমস্যার সমাধানের দিকনির্দেশনা থাকা উচিত। ননএমপিও শিক্ষকদের আশ্বস্ত করেছেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী ডা, দীপুমনি। বিগত ২০১০ সালের ১ হাজার ৬২৬টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়। তারপর এই প্রক্রিয়াটি বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে। আগামী জুন মাসে এমপিওভুক্ত শুরু হবে। আমরা আশা করব অতীতের মতো বারবার এই প্রতিশ্রম্নতি আর ভঙ্গ হবে না। বঞ্চিত শিক্ষকদের মুখে হাসি ফুটবে।
বাজেট নিয়ে আলোচনা চলবে। আলোচকরা কেউ বলবেন, উচ্চাভিলাষী বাজেট, জনগণের ভাগ্যোন্নয়ন হবে না, বাস্তবসম্মত নয়, বিনিয়োগবান্ধব ইত্যাদি। বাজেট নিয়ে নানা কথা, বক্তব্য, বিবৃতি, বিরোধিতা থাকবে।
তৃণমূলপর্যায়ের মানুষের সুখ, দুঃখ আনন্দ-বেদনার কথা বাজেটে থাকতে হয়। তাদের চাহিদা ও দাবির প্রতিফলন ঘটিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হলে সত্যিকার অর্থে সে বাজেট হবে গণমুখী এবং বাস্তবায়নযোগ্য। বাজেট প্রণয়ন করা যতটা কঠিন, তার চেয়েও কঠিন বাজেটের বাস্তবায়ন ঘটানো।
বাজেট নিয়ে বিভিন্ন মহল যে, মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবেন সে বিষয়গুলোর দিকে নজর দেয়া দরকার। মানুষের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য না হলে তা অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু ব্যয়বণ্টন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাতওয়ারি যে বরাদ্দ তা যদি স্বচ্ছতার ভিত্তিতে বণ্টন করা হয় তাহলে বাজেটে সাধারণ মানুষের ভাগ্যের দুয়ার অনেকাংশে খুলে যাবে। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যায়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় দুর্নীতি হয় তা রোধ করতে পারলে বাজেট বারবার সংশোধনের প্রয়োজন পড়ে না। বাজেট বারবার সংশোধন করা এতে বিরোধী মহল সুযোগ পায় সরকারের সমালোচনার। দলীয় নেতাকর্মীদের আরও সংযত হওয়া উচিত। বাজেটের সম্পূর্ণ অর্থ স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যয় করতে হবে যাতে করে হতদরিদ্র প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, অটো রিকশাচালক, ভ্যানচালক, নিম্নবিত্ত সাধারণ জনগণ উপকৃত হয়। তাদের ব্যয়ের চেয়ে আয় বেশি হয়, জীবনযাত্রা উন্নত হয় যা হবে তাদের প্রত্যাশা বাজেট।
তাই দুর্নীতি স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারলে প্রকৃত পক্ষে জনগণ ও দেশের উন্নয়ন হবে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয় ও ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি সমৃদ্ধি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসাবে পরিচিতি অর্জন করবে।
শিক্ষক ও কলাম লেখক

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ
  • জলবায়ু পরিবর্তনই আসল সমস্যা
  • কিশোর অপরাধ
  • আ.ন.ম শফিকুল হক
  • হোটেল শ্রমিকদের জীবন
  • বিশেষ মর্যাদা বাতিল ও কাশ্মীরের ভবিষ্যত
  • বাংলাদেশে অটিস্টিক স্কুল ও ডে কেয়ার সেন্টার
  • বেদে সম্প্রদায়
  • গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে সুপারিশমালা
  • ত্যাগই ফুল ফুটায় মনের বৃন্দাবনে
  • প্রকৃতির সঙ্গে বিরূপ আচরণ
  • ঈদের ছুটিতেও যারা ছিলেন ব্যস্ত
  • সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের বর্ষপূর্তি : প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা
  • আইনজীবী মনির উদ্দিন আহমদ
  • শিশুদের জীবন গঠনে সময়ানুবর্তিতা
  • শাহী ঈদগাহর ছায়াবীথিতলে
  • কিশোর-কিশোরীদের হালচাল
  • বলকানস : ইউরোপের যুদ্ধক্ষেত্র
  • সন্তানের প্রতি অভিভাবকের দায়িত্ব
  • শিক্ষার হার এবং কর্মসংস্থান প্রসঙ্গ
  • Developed by: Sparkle IT