প্রথম পাতা

‘পুচকে’ আফগানদের পাত্তাই দিলো না বাংলাদেশ

আহমদ ইয়াসিন খান প্রকাশিত হয়েছে: ২৫-০৬-২০১৯ ইং ০৩:১২:০৬ | সংবাদটি ১২৮ বার পঠিত

কাগজে কলমে হিসেব নিকেশ হচ্ছে অনেক। ‘কিন্তু’, ‘যদি’, ‘তবে’, ‘হয়তো’....এমন নানান কাঁটা ছেঁড়া হিসেব চলছে টাইগারদের সেমির জায়গা নিশ্চিতের ব্যাপারে। সবকিছুকে ছাপিয়ে এখন পর্যন্ত সহজ সমাধান- সবগুলো ম্যাচে জয়। আর এ পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ‘পুচকে’ আফগানিস্তানকে সহজেই হারিয়ে আবারো ৫ম স্থানে ফিরে এসেছে চলমান আসরেই ‘রেকর্ড আল হাসান’-খ্যাতি পাওয়া সাকিবের দল। সাউদাম্পটনে গতকাল সোমবার টাইগাররা জয় পেয়েছে ৬২ রানে। এদিনও টাইগার সাকিব নাম লিখিয়েছেন অনেক রেকর্ডে, পেছনে ফেলেছেন ভিভ রিচার্ডস, জয়সুরিয়া, স্টিভ ওয়াহসহ অনেক কিংবদন্তিকে। পুনরুদ্ধার করেছেন চলমান আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের জায়গা।
এই বিশ^কাপে ‘রেকর্ড আল হাসান’ খ্যাতি অর্জন করা বিশ^সেরা অলরাউন্ডার সাকিব চলছেন নিজের মতো। চলমান আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের জায়গাটি গতকাল সোমবার আবারো পুনরুদ্ধার করলেন সাকিব। ৪৭৬ রান নিয়ে আছেন তালিকার প্রথমে। দ্বিতীয় স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার, তার সংগ্রহ ৪৪৭।
ব্যাট হাতে ৫১ রান করার পাশপাশি ২৯ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। বাংলাদেশকে উপহার দিয়েছেন বিশ্বকাপে প্রথম ৫ উইকেট। এবারের আসরে সব দল মিলিয়েই এখনও পর্যন্ত সেরা বোলিং পারফরম্যান্স। আর ফিফটি ও ৫ উইকেট মিলিয়ে নাম লিখিয়েছেন রেকর্ড বইয়ে। বিশ্বকাপে একই ম্যাচে ফিফটি ও ৫ উইকেট ছিল আগে কেবল যুবরাজ সিংয়ের।
শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১ম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০০ রান ও ৩০ উইকেট শিকারির তালিকায় স্থায়ীভাবে প্রথম নামটায় উঠে গেল সাকিব আল হাসানের। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে হাজার থেকে ৩৫ রান দূরে ছিলেন সাকিব। ম্যাচের ২১তম ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছুঁয়ে ফেলেন কাক্সিক্ষত সেই রান। এই রেকর্ডের খুব কাছে গিয়ে থেমেছেন অজি অলরাউন্ডার স্টিভ ওয়াহ ও লঙ্কান অলরাউন্ডার সনৎ জয়সুরিয়া। ৩টি বিশ্বকাপে ৩৩ ম্যাচে ৯৭৮ রানের সাথে ২৭টি উইকেট শিকার করেছিলেন ওয়াহ। ৫টি বিশ্বকাপে মোট ৩৮টি ম্যাচ খেলা জয়সুরিয়া ব্যাট হাতে হাজার রান পেরোলেও (১১৬৫ রান) বল হাতে রেকর্ডটি ছুঁতে পারেননি। থেমেছিলেন ২৭ উইকেটে। বাংলাদেশের জন্য প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে স্পর্শ করলেন বিশ্বকাপে ১ হাজার রানের মাইলফলক। তার পেছনে রয়েছেন মুশফিকুর রহিম।
সাকিবের কীর্তি এখানেই শেষ নয়। বিশ্বকাপ ইতিহাসে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো আসরে ৪০০ বা এর চেয়ে বেশি রান ও ১০ বা এর চেয়ে বেশি উইকেট প্রাপ্তির ডাবলের অনন্য নজীর স্থাপন করেছেন। তিনিই একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতলেন। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সাকিব দ্বিতীয় ক্রিকেটার যিনি একই আসরে দুটি শতক হাঁকানোর পাশাপাশি নিয়েছেন দুটি ম্যাচে চারটি করে উইকেট। প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে বিশ্বকাপে আজ ৫ উইকেট শিকারের দেখা পেলেন সাকিব। এর আগে আর কোনো বাংলাদেশি বোলার এ কীর্তি গড়তে সক্ষম হননি।
গতকাল সাউদাম্পটনে সাকিব বীরত্বগাঁথার দিনে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় আফগানিস্তান। নিয়মিত ওপেনার সৌম্যকে সরিয়ে লিটন দাসকে ইনিংসের শুরুতে পাঠায় বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। সাথে ছিলেন দেশসেরা ওপেনার তামিম। দু’টি চারে ভালো কিছু করার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাঁচ নম্বরে নেমে অপরাজিত ৯৪ রান করা লিটন। কিন্তু এবার আর বেশি দূর যেতে পারেননি তিনি। ১৭ বলে ১৬ রান করে আফগানিস্তানের অফ-স্পিনার মুজিব উর রহমানের শিকার হন লিটন।
পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে লিটনকে হারানোর পর ক্রিজে তামিমের সঙ্গী হন ফর্মের তুঙ্গে থাকা সাকিব। লিটন যে ওভারে ফিরেন, পরের ওভারেই পেসার দৌলত জাদরানকে সরিয়ে দলের আরেক স্পিনার মোহাম্মদ নবীকে আক্রমণে আনেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব। প্রতিপক্ষের এমন পরিকল্পনার ফাঁদে পা দেননি তামিম-সাকিব। উইকেটের সাথে মানিয়ে নিয়ে দলের রানের চাকা বুঝেশুনে ঘুরাচ্ছিলেন তারা। জুটিতে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করায় তাদের ওপর ভর করে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ার স্বপ্ন দেখছিলো বাংলাদেশ।
কিন্তু বাংলাদেশের স্বপ্নে বাঁধ সাধেন নবী। শুরুতে না পারলেও নিজের ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে তামিম-সাকিবের জুটি ভাঙেন তিনি। ৪ বাউন্ডারিতে ৫৩ বলে ৩৬ রান করে নবীর ঘূর্ণিতে বোল্ড হন তামিম। বিচ্ছিন্ন হয় সাকিব-তামিমের ৫৯ রানের জুটি।
তামিমের ফিরে যাবার পরের বলে আউটের ফাঁদে পড়েছিলেন সাকিব। রশিদ খানের করা ১৮তম ওভারের প্রথম বলে আম্পায়ার তাকে আউট দেন। কিন্তু রিভিউ নিয়ে জীবন পান ২৬ রানে থাকা সাকিব।
জীবন পেয়ে এবারের বিশ্বকাপে তৃতীয় হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন সাকিব। তৃতীয় উইকেটে মুশফিকুর রহিমের সাথে ভালো জুটির ইঙ্গিত দিয়েও বেশি দূর এগোতে পারেননি সাকিব। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিজের ৪৪তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে আউট হন তিনি। ১টি চারে ৬৯ বলে ৫১ রান করেন সাকিব। মুশফিকের সাথে তার জুটির রান ছিলো ৬১। এই রানের মাধ্যমে বাংলাদেশের পক্ষে একত্রে জুটিবদ্ধ হয়ে তিন হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন সাকিব-মুশফিক। সাকিবকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান মুজিব।
সাকিবকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের রানের লাগাম টেনে ধরার চেষ্টা করেন মুজিব। দ্রুতই বাংলাদেশ শিবিরে আরও একবার আঘাত হানেন মুজিব। দলীয় ১৪৩ রানে সাকিব ও ১৫১ রানে আউট হন সৌম্য সরকার। লিটনকে ওপেনার হিসেবে সুযোগ করে দিয়ে সৌম্যকে পাঁচ নম্বরে খেলায় বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি ১০ বলে ৩ রান করা সৌম্য। লেগ বিফোর ফাঁদে পড়েন তিনি। রিভিউ নিয়েও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি সৌম্য।
৩২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। এ অবস্থায় দলকে চাপমুক্ত করার চেষ্টা করেন মুশফিক ও মাহমুদুল্লাহ। আগের ম্যাচে নটিংহামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পঞ্চম উইকেটে ৯৭ বলের জুটিতে ১২৭ রান করেছিলেন মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ। তাই এবারও তাদের কাছ থেকে বড় একটি জুটি আশা করেছিলো বাংলাদেশ। যাতে আফগানিস্তানের সামনে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারে টাইগাররা।
দলের আশা পূরণের পথেই ছিলেন মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৫তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে বাংলাদেশের রানের চাকা সচল রাখেন মুশফিক। তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন মাহমুদুল্লাহ। জুটিতে তাদের অর্ধশতকে দলের স্কোর ২শ পেরোয়। তবে এরপরই মাহমুদুল্লাহকে থামিয়ে দিয়ে প্রয়োজনীয় সময়ে আফগানিস্তানকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক নাইব। ২টি চারে ৩৮ বলে ২৭ রান করে ফিরেন মাহমুদুল্লাহ।
দলীয় ২০৭ রানে মাহমুদুল্লাহ বিদায়ের পর মুশফিক-মোসাদ্দেক হোসেন বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়ার দায়িত্ব পান। দ্রুত গতিতে রান তুলতে থাকেন তারা। ৪৮তম ওভারের প্রথম বলে আড়াইশ রানের কোটা স্পর্শ করে বাংলাদেশ। কিন্তু তখনও এই রান কম ছিলো বাংলাদেশের জন্য। কারণ আগের ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩৩৩ রান করেছিলো বাংলাদেশ।
আড়াইশ পেরোনোর ওভারেই আউট হন মুশফিক। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ৮৭ বলে ৮৩ রানে জাদরানের বলে আউট হন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত ১০২ রান করা মুশফিক। এরপর মোসাদ্দেকের ৪টি চারে ২৪ বলে ৩৫ রানের সুবাদে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৬২ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের মুজিব উর রহমান ১০ ওভারে ৩৯ রানে ৩ উইকেট নেন। অধিনায়ক গুলবাদিন নাইব ১০ ওভারে ৫৬ রানে ২ উইকেট শিকার করেন।
জয়ের জন্য ২৬৩ রানের টার্গেট স্পর্শ করার লক্ষ্যে শুরুটা দারুণ ছিলো আফগানদের। ১০ ওভারেই ৪৮ রান তুলে ফেলেন আফগানিস্তানের দুই ওপেনার অধিনায়ক নাইব ও রহমত শাহ। এই ১০ ওভারের মধ্যে তিন বোলার ব্যবহার করেছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি। তারপরও আফগানদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশের তিন বোলার মাশরাফি-মুস্তাফিজুর-সাইফউদ্দিন। তাই বাধ্য হয়ে ১১তম ওভারেই সাকিবকে আক্রমণে নিয়ে আসেন টাইগার নেতা।
বল হাতে নিয়ে অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন সাকিব। নিজের পঞ্চম ডেলিভারিতেই রহমতকে বিদায় দেন সাকিব। ৩৫ বলে ২৪ রান করেন রহমত। দ্বিতীয় সাফল্য পেতে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি বাংলাদেশকে। গেল ম্যাচে ইনজুরির কারণে খেলতে না পারার মোসাদ্দেক বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন। উইকেটের পেছনে থাকা মুশফিক দুর্দান্তভাবে স্টাম্প করেন তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নামা ৩১ বলে ১১ রান করা হাসমতউল্লাহ শাহিদিকে।
৭৯ রানে ২ উইকেট পড়ে যাওয়ায় পথ হারানোর অবস্থায় চলে যায় আফগানিস্তান। এ অবস্থায় দলকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেন নাইব ও সাবেক অধিনায়ক আসগর আফগান। উইকেটের সাথে মানিয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে দলের রানের চাকা সচল রেখেছিলেন তারা। তাতে দলের স্কোর ১শ ছাড়িয়ে যায়। এ অবস্থায় আবারো বাংলাদেশের ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন সাকিব। নিজের পঞ্চম ওভারের প্রথম ও তৃতীয় বলে ডাবল উইকেট শিকার করেন সাকিব। নাইব ৩টি চারে ৭৫ বলে ৪৭ ও মোহাম্মদ নবী শূণ্য রান করে সাকিবের শিকার হন। এতে ১০৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় আফগানিস্তান।
তৃতীয় উইকেট শিকারের পর আরো বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন সাকিব। এটি আরও একবার প্রমাণ দেন তিনি। ২৯তম ওভারে ২০ রান করা আফগানকে আউট করে নিজের চতুর্থ উইকেট নেন তিনি। ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো পাঁচ বা ততোধিক উইকেট নিতে মুখিয়ে ছিলেন সাকিব। অবশেষে সপ্তম ওভারে সাকিবের মনের আশা পূরণ হয়। আট নম্বরে নামা নাজিবুল্লাহ জাদরানকে ২৩ রানে শিকার করেন তিনি। এ মাধ্যমেই ২০৪ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মত পাঁচ বা ততোধিক উইকেট শিকার করেন সাকিব। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে ঢাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০ ওভারে ৪৭ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
সাকিবের বিধ্বংসী বোলিং তোপে ১৮৮ রানেই ৭ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। তাই ম্যাচ জয়ের পথ সহজ হয়ে যায় বাংলাদেশের। এরপরও লড়াই করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় আফগানিস্তানের লোয়ার-অর্ডার ব্যাটসম্যানরা। শেষদিকে মুস্তাফিজ দু’টি ও সাইফউদ্দিন ১টি উইকেট শিকার করেন। সাইফউদ্দিন শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মুজিবকে ফিরিয়ে দেন, ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন সামিউল্লাহ শিনয়ারি। ৪৭ ওভারে ২০০ রানে থামে আফগান ইনিংস। সাকিব ১০ ওভারে ২৯ রানে ৫ উইকেট নেন। এটি তার ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার। তাই ম্যাচ সেরাও হন তিনি। মুস্তাফিজ ২টি ও সাইফউদ্দিন-মোসাদ্দেক ১টি করে উইকেট নেন।
কথায় আছে- ‘স্বাধীনতা পাওয়ার চেয়ে রক্ষা করাই কঠিন’। বড় দল হয়ে ওঠা বাংলাদেশের জন্যও হয়েছে তেমন কঠিন বিষয়। ‘বড় দল’ তকমা গায়ে নিয়ে আফগানিস্তানের মতো ‘ছোট দলের’ বিপক্ষে জয় ছাড়া চিন্তাই করা যায় না। তার ওপর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য। এমনিতেই ‘লাগামহীন মন্তব্যে’ আফগান ক্রিকেটাররা রয়েছেন সমালোচনার মধ্যে। মাত্র ১ দিন আগেই আফগান দলের অলরাউন্ডার মোহাম্মাদ নবী মন্তব্য করেছিলেন যে, বাংলাদেশের বিপক্ষে তারাই ফেভারিট। কয়েকটি দলকে হারানোর ব্যাপারে তাদের আত্মবিশ^াস রয়েছে। তবে, বাংলাদেশকে তারা হালকাভাবে নিচ্ছে না। বিশ^কাপ শুরুর আগে থেকেই এমন অনেক মন্তব্য করেছেন আফগান ক্রিকেট বোর্ড কর্তা ব্যক্তিসহ খেলোয়াড়েরাও। তাদের এই লাগামহীন মন্তব্যে অনেক ক্রিকেটবোদ্ধাই ‘অপরিপক্কতা’র কথা বলেন। তবে যাই হোক, দিন শেষে টাইগারদের ‘বড় দলের’র তকমা টিকে রইলো দাপটের সঙ্গেই।
‘বড় দল’ বাংলাদেশকে নিয়ে আশা করাও যায় একটি সমীকরণে- ১৯৮৩ সালে কপিল দেব একটি সেঞ্চুরির পাশপাশি এক ম্যাচে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। সেবার ভারত বিশ^চ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১১ বিশ^কাপ আসরে যুবরাজ সিং সেঞ্চুরির পাশপাশি নিয়েছিলেন এক ম্যাচে ৫ উইকেট। সেবারও চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এবার এমন কীর্তি গড়লেন সাকিব। লাল-সবুজের বাংলাদেশ তাই আশা করতেই পারে এমন কিছু সমাপ্তির!

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • হবিগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন
  • সব অনিয়মে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে: টিআইবি
  • টমটম গাড়ির জন্য জগন্নাথপুরের কিশোর চালককে রশিদপুরে নিয়ে খুন
  • পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে মোমেন সিলেট আসছেন আজ
  • দক্ষিণ সুনামগঞ্জের কালনী নদী থেকে ভাসমান লাশ উদ্ধার
  • মাধবপুরে ট্রাকের ধাক্কায় ২ মোটর সাইকেল আরোহী নিহত
  • ফিরতে রাজি হয়নি কেউ, শুরু হয়নি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন
  •     রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহ দুঃখজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  •   সড়ক দুর্ঘটনা রোধে শিগগিরই টাস্কফোর্স গঠন করা হবে
  • বিমান বহরে তৃতীয় ড্রিমলাইনার গাংচিল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • গ্রন্থটি সমাজ বিনির্মাণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে
  • কদমতলীতে এডিস মশার লার্ভা ও পূর্ণাঙ্গ মশার অস্তিত্ব সন্ধান দুটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড
  • দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করছে কমিশন : দুদক চেয়ারম্যান
  • ২৮ আগস্টের মধ্যে শাপলা ফিলিং স্টেশনে ডাকাতির টাকা উদ্ধার না হলে কঠোর কর্মসূচি
  • সংসদ অধিবেশন বসবে ৮ সেপ্টেম্বর
  • ২১ আগস্টের হামলায় আ. লীগ জড়িত কি না : প্রশ্ন রিজভীর
  • বাহুবলে দিনে দুপুরে চা শ্রমিকদের ভাতার ১২ লাখ টাকা ছিনতাই
  • কুলাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইউরো ফার্মা’র এরিয়া ম্যানেজার নিহত
  • প্রধানমন্ত্রী বিমানের ‘গাংচিল’ উদ্বোধন করবেন আজ
  • সিলেটে আরো কমেছে ডেঙ্গু রোগী
  • Developed by: Sparkle IT