উপ সম্পাদকীয়

ক্রিকেটের সফল সারথি সাকিব

বিশ্বজিত রায় প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-০৭-২০১৯ ইং ০০:৩৯:৪৮ | সংবাদটি ১১৮ বার পঠিত

স্বপ্নভঙ্গ সেমির ত্যিক্ততা বাঙালিকে করেছে নির্জীব আগ্রহহীন। ষোলো কোটি বাঙালি আবেগ-অনুভবে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেয়েছে। থেমে গেছে আইসিসির দ্বাদশতম চলতি বিশ্বকাপের উৎসুক উন্মাদনা। নেতিয়ে পড়া অনুভূতিগুলো আর চাইছে না বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোতে নজর রাখতে। বাংলাদেশের বিদায়ে বাঙালি মূর্ছাগত হলেও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের অনবদ্য কীর্তিগাথা ক্রিকেট খেলা বাঙালিকে দিয়েছে সজীবতার গর্বিত মহাষৌধ। সাকিবের স্মরণযোগ্য দুর্লভ অর্জন বিমোহিত করেছে বাঙালি ও বিশ্বক্রিকেকে। বলা যায়, অবিশ্বাস্য অতিমানবীয় কীর্তির সারথি সাকিব ক্রিকেটের মহানায়ক ম্যাজিশিয়ান। নবাব-রাজা যাই বলা হোক না কেন, তিনি নাম্বার ওয়ান সাকিব। দুর্দান্ত দুর্দমনীয় কাজ করেছেন বিশ্বকাপের অভিজাত মঞ্চে। তাই ভিনগ্রহের ক্রিকেটার কিংবা কিংবদন্তী বলতেও দ্বিধা করছেন না অনেকে।
কীর্তিতে অনন্য অনবদ্য সাকিব রূপকথার গল্পকেও হার মানিয়েছেন। একে একে অনেক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন টাইগার ক্রিকেটের এই বিস্ময়ান্বিত তারকা। খ্যাতির সর্বোচ্চ চূড়ায় অবস্থান করা সাকিব দলের জন্য নিজেকে নিংড়ে দিয়েছেন। বিশেষ করে ক্রিকেটের অভিজাত মঞ্চ এই বিশ্বকাপে যা দেখিয়েছেন তাতে মোহিত ক্রিকেট দুনিয়া। ৬০৬ রান আর ১১ উইকেট নিয়ে নজর কেড়েছেন বিশ্ব ক্রিকেটের। ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের দৌড়ে এগিয়ে থাকা সাকিব বিশ্বকাপে সর্বকালের সেরা দশের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। শচিন টেন্ডুলকার, রিকি পন্টিং, কুমার সাঙ্গাকারা, ব্রায়ান লারা, এবিডি ভিলিয়ার্স, ক্রিস গেইল, সনাথ জয়সুরিয়া, জ্যাক ক্যালিস ও তিলকারতেœ দিলশানের মতো গ্রেট ক্রিকেটারদের সঙ্গী হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে হাজার রানের রেকর্ড, দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যাক টু ব্যাক ম্যাচে সেঞ্চুরি, একই ম্যাচে পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস ও ৫ উইকেট শিকার, বিশ্বকাপের ইতিহাসে হাজার রান ও ৩০ উইকেট নেওয়ার বিরল কৃতিত্বসহ আরও কত কি নজির সৃষ্টি করেছেন সাকিব। এবারের বিশ্বকাপে নজরকাড়া পারফরমেন্সে বিশ্ব ক্রিকেটের অতীত ও বর্তমান সেরা অলরাউন্ডারদের পেছনে ফেলে তিনি দখল করতে যাচ্ছেন কিংবদন্তীতুল্য জায়গা। সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারের হাতছানি সাকিবের সামনে। ব্যাটে বলে সমান কৃতিত্বের গৌরবান্বিত গন্ডিতে অবস্থান করছেন অর্জনে অবিস্মরণীয় সাকিব।
বাংলাদেশ তো বটেই বিশ্ব ক্রিকেটের এক বড় বিজ্ঞাপন সাকিব আল হাসান। ব্যাটে বলে বিরল ক্রিকেটার তিনি। যিনি টেষ্ট, ওডিআই, টিটুয়েন্টি তিন ফরম্যাটেই র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি নিজের করে নিয়ে দুর্লভ ক্রিকেট সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়ার পর থেকে একের পর এক রেকর্ড ভেঙ্গে গড়ছেন নতুন রেকর্ড। তাই সাকিবকে রেকর্ডের বরপুত্র বলা হয়। ক্রিকেটে নন্দিত নজির সৃষ্টি করা সাকিব বাংলাদেশের হয়ে যে অবদান রেখে চলেছেন তা অনস্বীকার্য। বিশ্বে প্রতিযোগী ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় মঞ্চ আইসিসি বিশ্বকাপের চলমান আসরে বাঙালি বিস্ময় সাকিব খেলছেন অনবদ্য অনিন্দ্যসুন্দর ক্রিকেট। যাতে মন্ত্রমুগ্ধ সাবেকরা। অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার মাইক হাসি মনে করেন, ‘শিগগির সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের সারিতে বসছে সে। আর বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে ক্যারিয়ার শেষ করবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।’ বিশ্ব ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার হিসেবে স্বীকৃত ইমরান খান, ইয়ান বোথাম, কপিল দেব, রিচার্ড হ্যাডলি, গ্যারি সোবার্সদের কাতারে বসছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান, এটা নিঃসন্দেহে প্রমাণিত।
কৃতিত্বে অবিস্মরণীয় সাকিব বিশ্বের বড় বড় ক্রিকেটারদের ছাড়িয়ে গেলেও একটা পক্ষ আছে যারা সেটা মানতে নারাজ। ব্যাটে-বলে সাকিবের মতো ইতিহাসরাঙা ক্রিকেটার আর দ্বিতীয়টি নেই। এক দশকের ঝলমলে ধারাবাহিকতায় সময়ের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব। তবু বিদেশি ক্রিকেটপন্ডিতেরা সাকিবের শ্রেষ্ঠত্ব প্রশ্নে বরাবরই ছিলেন দ্বিধান্বিত। তাদের চোখে সাকিব ছিলেন ‘বাংলাদেশের সেরা।’ তবে সাকিব যে নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সেটা নিন্দুকেরা না মানলেও মানছেন সুস্থ চিন্তার ক্রিকেট পন্ডিতেরা। পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার লিখেছেন, ‘কেউই সাকিবকে তারকা মনে করে না। কিন্তু সাকিব যে পর্যায়ে যাচ্ছে, সেই পর্যায়ে খুব কম ক্রিকেটার গেছে।’ আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদে সাকিবের কোচ টম মুডি বলেন, ‘চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে; কিন্তু সাকিব ক্রিকেটবিশ্বকে বলে যাচ্ছে, সে সেরা অলরাউন্ডার। পরিসংখ্যান মিথ্যে বলে না।’ বিশ্বকাপটা হাতে তুলে উচিয়ে ধরার সৌভাগ্য হয়তো সাকিবের হবে না। তবে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে সাকিবের নাম। বাংলাদেশ দলের ভারতীয় স্পিন বোলিং কোচ সুনীল যোশি তো বলেই দিয়েছেন, ‘সাকিব একজন কিংবদন্তি। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশ দলে তার মতো একজন খেলোয়াড় থাকা গর্বের ব্যাপার। সে হচ্ছে মিস্টার ধারাবাহিক। সেটা ব্যাটে হোক, বলে হোক কিংবা ফিল্ডিংয়ে।’ সাকিবিমুখ ক্রিক পন্ডিতদের বলব, সাকিব সত্যিই কিংবদন্তিতুল্য ক্রিকেটার। ব্যাটে-বলে সাকিব যা করছে অতীত ও বর্তমানদের মধ্যে আর দ্বিতীয়টি নেই। তাই সাকিব অনন্য অবিস্মরণীয় ক্রিকেটার। কীর্তিতে অতুলনীয় তিনি।
২০১৯ ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ বাংলাদেশ যতটা না পেয়েছে তার চেয়ে অধিক অর্জন করে নিয়েছে সাকিব। আট ম্যাচ খেলে ৬০৬ রান ও ১১ উইকেট নিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে পাঁচশ’ রান ও ১০ উইকেট শিকার করা প্রথম অলরাউন্ডার তিনি। আট ইনিংসের সাতটিতেই পঞ্চাশছোঁয়া ইনিংস খেলেন, যেখানে দুটি সেঞ্চুরি লেখা হয় নামের পাশে। সাকিবের জন্য কীর্তির খাতা খোলে বসেছিলেন বিশ্বকাপ দেবতা। একেকটি কীর্তি স্পর্শ এবং অতিক্রম করে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে জোরালো আলোচনায় থাকলেন। লর্ডসে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাওয়া হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডটি সাকিবকে বসিয়েছে কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের পাশে। এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সাতটি পঞ্চাশছোঁয়া ইনিংস খেলার কৃতিত্ব কেবল এই দুই গ্রেটের।
রেকর্ডের বরপুত্র সাকিব ব্যাটে-বলে সব উল্টে-পাল্টে নতুন ইতিহাস রচনা করলেও বিশ্বকাপের মতো স্বর্ণে মুড়ানো অতি উজ্জ্বল দামি বস্তুটি উঁচিয়ে ধরার সৌভাগ্য ধরা দেয়নি তার ভাগ্যে। এই বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসান খেলেছেন ‘ওয়ান ম্যান আর্মি’র মতো। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও সাকিব বাংলাদেশকে সেমিতে তুলতে পারেননি। এটা তার জীবনে আশাহত বড় অঘটন হয়েই থাকবে। তারপরও বিশ্বকাপে বিশ্ব মাতানো কিছু গ্রেট ক্রিকেটারের ভাগ্য বিড়ম্বিত কীর্তিকথা সাকিব ও সাকিবভক্তদের সান্ত¦না দিতে পারে। সাকিবের মতো দুঃখাতীতভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন ১৯৯৬-এর বিশ্বকাপে খেলা অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড় মার্ক ওয়া। বিশ্বকাপটিতে মোট ৪৮৪ রান করা মার্ক ওয়া নিজের সেরাটা উজাড় করে দিলেও তিনি বিশ্বকাপহীন দুর্ভাগ্যের অতলে তলিয়ে গেছেন। ১৯৯৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ল্যান্স ক্লুজনার দুর্ভাগ্যক্রমে সেমিফাইনালে হারের পর হতাশায় মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে পড়ার দৃশ্যটি আজও অমলিন। ওই বিশ্বকাপে ১৭টি উইকেট ও মোট ২৩০ রান করে প্রোটিয়াদের বিশ্বকাপের শেষ চারে পৌঁছে দেন ক্লুজনার। তবুও ট্রফি না জিতে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় তাকে। ২০০৩ বিশ্বকাপে শচীন টেন্ডুলকারের চওড়া ব্যাট ভারতকে নিয়ে গিয়েছিল ফাইনালে। বিশ্বকাপজুড়েই রাজত্ব করেছিলেন এই ‘মাস্টার ব্লাস্টার’। সেই বিশ্বকাপে শচীনের করা ৬৭৩ রান এক বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি শচীন। ২০০৭ বিশ্বকাপে মুত্তিয়া মুরালিধরন অফস্পিনের জালে আটকে পড়ে বহু ব্যাটসম্যান। এছাড়া লাসিথ মালিঙ্গার নির্ভুল ইয়র্কার ছিল শ্রীলঙ্কার ফাইনালে যাওয়ার অন্যতম কারণ। মালিঙ্গা ৮ ম্যাচে ১৮টি উইকেট নেন। শেষে মুরালি ও মালিঙ্গা হয়ে রইলেন বিশ্বকাপের পরাজিত নায়ক। [সূত্র : কালের কণ্ঠ, ০৬.০৭.১৯] সাকিবও তেমনি একজন ট্রফিশূন্য দুর্ভাগা ক্রিকেটার। তবে নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার এদের সব থেকে আলাদা। সাকিব বিশ্বকাপহারা হলেও এমনসব ইতিহাস রচনা করেছেন যা ক্রিকেট বিশ্বে বিরল।
২০১৯ বিশ্বকাপের খেলায় সাকিবের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ তাকে সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় হিসেবে দাবি করে। বিশ্বকাপে ১০ দলের ১৫০ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে সাকিবকে বেছে নিয়ে দ্য টেলিগ্রাফ ঘোষণা করেছে ‘শুধু একজনকে আপাতদৃষ্টিতে তার দেশের সেরা ব্যাটসম্যান ও সেরা বোলার হিসেবে দাবি করা যায়। তার নাম সাকিব আল হাসান, নিঃসন্দেহে ২০১৯ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিনিই সেরা খেলোয়াড়।’ ক্রিকেটে কিভাবে অবমূল্যায়িত হচ্ছেন সাকিব ও বাংলাদেশের ক্রিকেট তা নিয়ে এই সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, ‘সাকিবকে তার প্রাপ্যটা না দেয়ার প্রবণতা আছে। এটা অদ্ভুত। ভক্তরা তার চমৎকার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার ও আইপিএল পারফরম্যান্স উপভোগ করে। আইসিসি খেলোয়াড় র‌্যাংকিংয়ে ২০১৫ সালে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে তিন ফরম্যাটের সবক’টিতে শীর্ষস্থানে ছিলেন। কিন্তু সাকিবকে নিয়ে এই অবমূল্যায়ন একটা অন্তর্নিহিত সত্য তুলে ধরেছে- তিনি এই খেলার কোনো ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করেন না। তাই তার বহুবিধ এই প্রতিভাকে অনেকে সহজে উপেক্ষা করে। এর একটা অন্যতম উদাহরণ হল- ২০১১ সালের পর থেকে অস্ট্রেলিয়া শুধু একটি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশের সঙ্গে।’
টাইগার ক্রিকেটের ধ্রুবতারা সাকিব বরাতে ক্রিকেট জনক ইংল্যান্ডের এই দৈনিকটি অন্ততঃ একটি চরম সত্য কথা তুলে ধরেছে। আর তা হলো টাইগার ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের উপেক্ষার বিষয়টি। বিগত অর্ধযুগেরও বেশি সময় ধরে টাইগাররা ক্রিকেটে সাবালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেও মোড়লীপনার শিকার হচ্ছে বারবার। বিভিন্নভাবে টাইগারদের দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। যে দলে সাকিবের মতো বিরল প্রতিভাবান খেলোয়াড় ছাড়াও তামিম, ম্যাশ-মুশি-মাহমুদুল্লাহ, মুস্তাফিজের মতো পরীক্ষিত ক্রিকেটার রয়েছে সেখানে বরাবরই অবজ্ঞা-অবহেলা ও প্রতারণার ফাঁদে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশকে। তারপরও থেমে নেই সাকিবদের অগ্রযাত্রা। বিশ্ব ক্রিকেটকে তাক লাগিয়ে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে যাওয়া সাকিব হতে পারেন সকলের অনুপ্রেরণা। সাকিবের হাত ধরেই বাংলাদেশ হয়তো জয় করবে ২০২৩ বিশ্বকাপ। সেই প্রত্যাশা রইলো।
লেখক : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • কিশোর-কিশোরীদের হালচাল
  • বলকানস : ইউরোপের যুদ্ধক্ষেত্র
  • সন্তানের প্রতি অভিভাবকের দায়িত্ব
  • শিক্ষার হার এবং কর্মসংস্থান প্রসঙ্গ
  • শিক্ষার রাজ্যে এক বিস্ময়
  • ডেঙ্গু ও বানভাসি মানুষ
  • শিল্প-সাহিত্যে ১৫ আগস্ট
  • ইমাম-মুয়াজ্জিন সার্ভিস রোলস-এর প্রয়োজনীয়তা
  • বাঙালির মুক্তিসনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা
  • শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে পরিবেশ
  • তিনি কোন দলের নয়, সমগ্র বাঙালির
  • ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম অধ্যায়
  • বঙ্গবন্ধুর ফিরে আসা
  • শিক্ষা ও নৈতিকতা
  • কুরবানির সূচনা
  • কুরবানি ও আমাদের করণীয়
  • উন্নয়নের মানবিকতা বনাম গতানুগতিকতা
  • বিশ্বাসের উপলব্ধি
  • নিরাপত্তাহীনতায় নারী
  • স্বাগতম ঈদুল আযহা
  • Developed by: Sparkle IT