ইতিহাস ও ঐতিহ্য

জাদুঘরে হরফের ফোয়ারা

লায়লা আরজুমান্দ প্রকাশিত হয়েছে: ১৭-০৭-২০১৯ ইং ০০:২১:৩২ | সংবাদটি ১০৯ বার পঠিত

মরুর গোলাপ আকৃতিতে তৈরি হয়েছে এটা শুনলেই ভাবতে পারেন এটা মরুভূমিতে ফোটা গোলাপ ফুল। আসলে কিন্তু এটি গাছে ফোটা কোনো ফুল নয়। মরুভূমিতে থাকা ক্রিস্টালের ওপর বালি, বাতাস আর বাষ্পের কারণে তৈরি হওয়া একটি ফুল আকৃতির জিনিস। দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো। তাই এর নাম মরুর গোলাপ বা ডেজার্ট রোজ। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি শিলা যা বেরাইট নামক খনিজ থেকে সৃষ্টি হয়। ধূলিঝড়ের দাপটে মরুভূমিতে সৃষ্টি হয় অনেক বালির পাহাড়। কোনো কোনো বালির পাহাড় ১০০ মিটার বা ৩০০ ফুটের বেশি উঁচু। পাহাড়গুলোকে আলাদা করেছে বালির সমতল রাস্তা। সমতল এই জায়গাগুলোতেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে ডেজার্ট রোজ। যা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক। ফুলের পাপড়ির মতো পরতে পরতে তৈরি হয় এই গোলাপ। বলা যায় এটা খনিজ ক্রিস্টালের একটা থোক যা প্রাকৃতিক কারণে প্রকৃতির প্রভাবে ফুলের আকৃতি পেয়েছে।
ফ্রান্সের বিখ্যাত স্থপতি জঁন ন্যুভেল এই জাদুঘরের ডিজাইন করেছেন। নিজ কাজের ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন আর্কিটেকচারের নোবেল-খ্যাত প্রিজকার প্রাইজ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির ল্যুভ জাদুঘর নির্মাণের ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা রয়েছে।
জাদুঘরের ডিজাইন হিসেবে দেশটির প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে মিল রেখে তিনি বেছে নিয়েছেন মরুর গোলাপ আকৃতিকে। একটির ওপর আরেকটি চাকতির মতো আকৃতিতে সাজানো হয়েছে জাদুঘরের বাইরের ডিজাইন। দূর থেকে যদি কেউ দেখে তবে গোলাপের মতোই মনে হবে। এই স্থাপনা সম্পর্কে বিখ্যাত এ স্থপতি টুইটে বলেন, এই স্থাপনা ঐতিহ্যেরই প্রতিফলন।
১১৪টি আরবি হরফের ফোয়ারা :
আরব উপদ্বীপের মতো কাতারও একটি উত্তপ্ত ও শুষ্ক মরু এলাকা। এখানে ভূপৃষ্ঠস্থ কোনো জলাশয় নেই এবং প্রাণী ও উদ্ভিদের সংখ্যাও যৎসামান্য। আর তাই প্রবেশ পথে বা জাদুঘরের সামনে তৈরি করা হয়েছে বিশালাকৃতির এক কৃত্রিম মিষ্টি পানির ঝরনা। যাতে রয়েছে ১১৪টি নানা রকমের আরবি হরফের ভাস্কর্য। এই হরফগুলো দিয়ে ফোয়ারার মতো ঝরে পড়ে সুপেয় পানি। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ৯০০ মিটার লম্বা হ্রদ। জাদুঘরে রয়েছে অসংখ্য বক্ররেখা। আর এই বক্ররেখাগুলো দর্শনার্থীদের ধাঁধায় ফেলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। জায়গায় জায়গায় রয়েছে পথের দিকনির্দেশনা। ঠিক মতো যদি সেটা মেনে না চলা হয় একই জায়গায় চক্রাকারে ঘুরতে থাকবে যে কেউ।
জাতীয় জাদুঘরটি অবস্থিত কাতারের রাজধানী দোহায়। সাগরের পাড় ঘেঁষে ৫২ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে এই জাদুঘরের অবস্থান। বিমানবন্দর থেকে শহরে আসা-যাওয়ার পথে এই জাদুঘরটি চোখে পড়বে। ভবনটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে মরুভূমির গরম এর ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে। ভবনের ভেতরে রয়েছে আলো-বাতাস চলাচলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা।
খরচ প্রায় চার হাজার কোটি টাকা :
পারস্য উপসাগরের এক কোনায় মাত্র ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটারের সামান্য বেশি আয়তনের রাষ্ট্র কাতার। বাংলাদেশের মতো কাতারও স্বাধীনতা লাভ করেছিল ১৯৭১ সালে, গ্রেট ব্রিটেনের কাছ থেকে। স্বাধীন হওয়ার সময় তৎকালীন সময়ের ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গরিব দেশগুলোর একটি ছিল কাতার। কিন্তু কাতার এখন পৃথিবী নামের এই গ্রহের সবচেয়ে ধনী দেশ। ছোট্ট এই দেশের মাথাপিছু বার্ষিক আয় প্রায় ১,৩৪,০০০ ডলার, যেটি কিনা ফ্রান্সের চেয়েও তিনগুণ বেশি। তাই এই দেশ জাদুঘর বানাতে কোনো কার্পণ্য করবে না এটাই স্বাভাবিক।
চোখ ধাঁধানো নজরকাড়া এই জাদুঘর দেখলে মুগ্ধ হয়ে যাবে যে কেউ। এর নকশা থেকে শুরু করে প্রতিটি ছোটখাটো জিনিসে রয়েছে ব্যতিক্রমী চিন্তাধারার প্রতিফলন। জাদুঘরের প্রতিটি ইঞ্চি সাক্ষ্য দেয় এর অসাধারণ নির্মাণ শৈলীর। এমনকি এর ক্যাফেটেরিয়ার ভেতরে গেলেও সেখানে গোলাপের আদল চোখে পড়বে।
বিশাল এলাকাজুড়ে ভিন্নধর্মী এই জাদুঘর তৈরির আয়োজনে অর্থ খরচে কোনো কার্পণ্য করেনি কাতার সরকার। এই জাদুঘর নির্মাণে খরচ হয়েছে ৪৩ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার সমান। ২০১১ সালে জাদুঘরটির নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। পুরো কাজ শেষ করতে সময় লাগে প্রায় ৮ বছর। যদিও আরও আগেই শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে তা নানা কারণে পিছিয়ে যায়। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং স্থপতি তাদের কাজ মনঃপূত না হওয়ায় এই কালক্ষেপণের কারণ।
বিশাল আয়তন :
জাদুঘরের মোট আয়তন ৫২ হাজার বর্গমিটার। তিন হাজার ৬০০ ভিন্ন আকৃতি এবং ৭৬ হাজার প্যানেলে নির্মিত ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মরুর গোলাপের নকশা। রয়েছে মোট ১১টি গ্যালারি। একেকটি গ্যালারি ১ হাজার ৫০০ মিটারেরও বেশি প্রশস্ত। দর্শকদের জন্য রাখা আছে উনিশ শতকের কার্পেট। ওই কার্পেটটি ১৫ লাখ উপসাগরীয় মুক্তাখচিত। রয়েছে ১৮ শতকেরও আগের প্রাচীন কুরআন শরিফ। তাছাড়া রয়েছে ২২০ জনের ধারণ ক্ষমতার একটি অডিটোরিয়াম। জাদুঘরের বাইরের বিশাল এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে বাগান। সেখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খেজুর গাছ, ডালিম গাছ, জলপাই গাছসহ নানা ধরনের গাছ। যেখানে পরিবারের সবাই এক সঙ্গে আনন্দ উপভোগের ব্যবস্থাও রয়েছে সেখানে। বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড যেমনÑপ্রতিযোগিতা, ওয়ার্কশপ, ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন ক্লাস সেখানেই পরিচালিত হয়।
তিন ধাপের ইতিহাস :
মোট ১১টি গ্যালারির একটিতে মাল্টিমিডিয়ার সহায়তায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মরু রাষ্ট্রের ইতিহাস। যা ভাগ করা হয়েছে তিন ভাগে Beginnings, Life in Qatar ’ এবং ‘The Modern History of Qatar’। পুরো ভ্রমণটা শেষ করতে হলে আপনাকে হাঁটতে হবে মোট দেড় কিলোমিটার পথ। যাযাবর বেদুইনদের একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপরাষ্ট্র থেকে ক্রমশ মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী এক উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার নানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে গ্যালারিতে। রয়েছে দেশটির ধনীদের বর্তমান অবস্থার চিত্রও। মৌখিকভাবে বর্ণনা করা ইতিহাস, সেই সঙ্গে নানা ধরনের ছবি, মানচিত্র, মডেল ইত্যাদি দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই ইতিহাস। একটা সময় ছিল যখন কাতার উপদ্বীপের সম্পদ বলতে মুক্তা ছাড়া কিছুই ছিল না। অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে দেশটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মুক্তা উৎপাদনকারীতে পরিণত হয়। তারপর পাওয়া শুরু হলো তেল, কাতারের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র। সেই সবই সেখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উনিশ শতকের ১৫ লাখ উপসাগরীয় মুক্তাখচিত এক কার্পেট রাখা আছে। কাতার প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। মরুভূমির বালির নিচে লুকিয়ে রয়েছে বিশাল জ্বালানি ভান্ডার। তবে শুধু তেলই নয়, আরও একটি সম্পদ প্রচুর পরিমাণে রয়েছে, আর তা হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। ১৯৯৫ সালে হামাদ বিন খলিফা আল-থানি ক্ষমতা গ্রহণের পর কাতারের পরিবর্তন হয়েছে ব্যাপক। তার শাসনামলে কাতারের জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৫ গুণ, একইসঙ্গে পরিণত হয়েছে গ্রহের সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্রে। আধুনিক কাতারের প্রতিষ্ঠাতার ছেলে শেখ আবদুল্লাহ বিন জসিম আল-থানির পুরনো যে রাজপ্রাসাদ ঠিক তার পাশেই জাতীয় জাদুঘরটি অবস্থিত। জাদুঘর প্রকল্পের অংশ হিসেবে প্রাসাদটিও মেরামত করা হয়েছে।
বিচিত্র সব নিদর্শনে সমৃদ্ধ :
এই জাদুঘরে রয়েছে প্রায় ৮ হাজার নানা ধরনের সংগ্রহ। রয়েছে নানা ধরনের পেইনটিং, ফটোগ্রাফ, ভাস্কর্য, টেক্সটাইল, জুয়েলারি, কয়েন, জীবাশ্মসহ নানা ধরনের বৈচিত্র্যময় জিনিস। রয়েছে প্রাচীন আমলের ঘোড়া, অশ্বারোহী সরঞ্জাম, ঢাল, প্রতিরক্ষামূলক পোশাক, ব্লেড, তলোয়ার, বর্শা, নানা ধরনের পোশাক, মূল্যবান ধাতু, ইসলামিক আর্টের নিদর্শন। তাছাড়াও রয়েছে ৪০ হাজার ইসলামিক নিদর্শনের মুদ্রা। যা সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে। রয়েছে ১৮ শতকেরও আগের প্রাচীন কুরআন শরিফ।
এই জাদুঘরে রয়েছে অভিনব এক ব্যবস্থা। ইসলামিক সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা মানুষ দেখতে চায়। কিন্তু সে-সব হয়তো রয়েছে বিশ্বের অন্য কোনো সংগ্রহশালায়। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ এমন গুরুত্বপূর্ণ সব নিদর্শনের ছবি সেখানে স্থাপন করেছে। আর মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের সাহায্যে সেগুলোর ইতিহাস তুলে ধরার ব্যবস্থা করেছে।
তাছাড়া রয়েছে গুগল আর্ট প্রজেক্ট নামে বিশেষ এক মোবাইল অ্যাপ। বিশ্বের সেরা চিত্রকর্মগুলোর অনলাইন সংগ্রহশালা হচ্ছে এটি। বিশ্বের বড় সব জাদুঘরের বিখ্যাত ছবিগুলোর হাই রেজ্যুলেশন ভারসন দেখা যাবে এই অ্যাপে। কেউ যদি শিল্প ভালোবাসে এবং সবকিছুকে শৈল্পিক রূপ দিতে পছন্দ করে তবে এই অ্যাপটি তার জন্য। এটি অসাধারণ সব শিল্পকর্ম খোঁজার এবং দেখার সুযোগ করে দেয়। আর এই অ্যাপে এখন পাওয়া যায় এই জাদুঘরের সেরা চিত্রকর্মগুলোও। জাদুঘরটি অনলাইনে ভারচুয়ালভাবে ঘুরিয়ে আনবে আপনাকে।
শিশুদের জন্য :
কাতারের ইতিহাস ও ইসলামিক সংস্কৃতির ইতিহাস সঠিকভাবে যাতে নতুন প্রজন্ম জানতে পারে তার জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। আর এর জন্য জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আয়োজন করে মোট ৩ ধরনের ট্যুরের।
হাইলাইট ট্যুর : এই ট্যুর মূলত দেশটির প্রাকৃতিক ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ইতিহাস, আধুনিক কাতার ও ভবিষ্যতের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে।
গ্রিন ট্যুর : এটা মূলত জাদুঘরের বাইরের বাগানের জন্য। এখানে শিশুদের বিভিন্ন গাছপালার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। ঔষধি গাছ ও ভেষজ ব্যবহারে উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ইসলামিক আর্ট ট্যুর : মুসলিম বিশ্বে ইসলামি সভ্যতার সমৃদ্ধি এবং কীভাবে সেগুলো দীর্ঘদিনে বিস্তৃত হয়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে এই ট্যুরে। তবে বিশেষ এই ট্যুরগুলোর জন্য আগে থেকেই জাদুঘর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে নিতে হয়। ছাত্র-শিক্ষকদের সঙ্গে দেওয়া হয় দক্ষ একজন গাইড।
আধুনিক সময়ের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা সংবলিত, চোখ ধাঁধানো, নজরকাড়া এই জাদুঘর দেখতে ভিড় লেগেই থাকে সব সময়। উদ্বোধনের পর থেকেই এই জাদুঘরটি এত জনপ্রিয় যে এটি কাতারের সব থেকে বেশি দর্শনীয় স্থানের তালিকায় লিখিয়েছে নাম।
ক্লান্ত হলে :
জাদুঘর দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে তার জন্য রয়েছে বিশ্রামের ব্যবস্থা। ঠিক জাদুঘরে মাঝখানে সাগরমুখী করে তৈরি করা হয়েছে বিশাল এক ক্যাফেটেরিয়া। এখানে পাওয়া যাবে বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবার। আরবি, ফারসি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের মজাদার খাবারের বিশাল সম্ভার রয়েছে এখানে। রয়েছে গিফটশপ। এখানে জুয়েলারি, বই, ঘর সজ্জার নানা জিনিস, মোমবাতি, শো পিসসহ নানা ধরনের জিনিস কেনাকাটা করতে পারবেন। তাছাড়া জাদুঘরের পাশেই রয়েছে বিশাল এক অডিটরিয়াম। প্রায় আড়াইশ মানুষ এক সঙ্গে এখানে উপভোগ করতে পারবেন বিভিন্ন জিনিস। মিউজিয়ামটিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে আর্থিক লেনদেনের জন্য এটিএম বুথ, যোগাযোগের জন্য ফ্রি ওয়াইফাই কানেকশন, ফ্রি গাইড লাইন এবং অভ্যর্থনা ও তথ্য অনুসন্ধান কেন্দ্রও রয়েছে।

 

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • বাঙালির ইতিহাসে দুঃখের দিন
  • ঐতিহ্যবাহী নকশিকাঁথা
  • সাংবাদিকদের কল্যাণে সিলেট প্রেসক্লাব
  • প্রাকৃতিক মমিতে নির্মমতার ইতিহাস
  • গৌড়-বঙ্গে মুসলিম বিজয় ও সুফি-সাধকদের কথা
  • ঐতিহ্যের তাঁত শিল্প
  • সিলেট প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে ভাবনা
  • খাপড়া ওয়ার্ড ট্রাজেডি
  • জাদুঘরে হরফের ফোয়ারা
  • ইতিহাস গড়া সাত শক্তিমান
  • ভেজাল খাবার প্রতিরোধের ইতিহাস
  • বর্ষাযাপন : শহর বনাম গ্রামগঞ্জ
  • বর্ষা এলো বর্ষা
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • নবীদের স্মৃতিচিহ্নে ধন্য যে জাদুঘর
  • দর্শনীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র
  • ঐতিহ্যে অম্লান গোবিন্দগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়
  • বিলুপ্তির পথে গরীবের ‘শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত’ মাটির ঘর
  • হারিয়ে যাচ্ছে হিজল গাছ
  • তালের পাখা প্রাণের সখা
  • Developed by: Sparkle IT