স্বাস্থ্য কুশল

ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়

মো. জহিরুল আলম শাহীন প্রকাশিত হয়েছে: ০৫-০৮-২০১৯ ইং ০৩:৪২:৫৭ | সংবাদটি ৫৭ বার পঠিত

সারা বাংলাদেশ ডেঙ্গু জ্বরে কাঁপছে। ভয়াবহ রূপে দেশের ৬১টি জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগির সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রথমে রাজধানী কেন্দ্রিক হলেও পরে ধাপে ধাপে বিস্তার ঘটিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। সর্বশেষ ৩১ শে জুলাই ২০১৯ইং পর্যন্ত ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৩ শত ৬৯ জন এবং মারা গেছে সাতচল্লিশ জন। যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বাধিক। যেভাবে ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে তা প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিলে মহামারি আকার ধারন করতে পারে। তবে এ অবস্থায় যাওয়ার পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয় নি। ৩১ জুলাই ২০১৯ইং পর্যন্ত দেশের ৮টি বিভাগে প্রায় সব কয়টি জেলাতে ডেঙ্গুর বিস্তার রয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায় দেশের ৬১টি জেলায় ১ হাজার ৮৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছে। ঢাকা বিভাগে রাজধানী ছাড়া আক্রান্ত হয়েছে ৫৩৪ জন। চট্টগ্রামে বিভাগে ৪৪৬ জন, খুলনা বিভাগে ৩১৯ জন। রাজশাহী বিভাগে ২৩৬ জন, রংপুর বিভাগে ১০২ জন, বরিশাল বিভাগে ৬৩ জন, সিলেট বিভাগে ১০৭ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৮ জন ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। বর্তমান সময়ে সারা দেশে ডেঙ্গুর আক্রমণে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। এটি যেন মহামারী আকারে ছড়িয়ে না পড়তে পারে এ জন্য সর্বমহলকে এবং জনসাধারণকে অত্যন্ত সতর্ক ও সচেতন ও সামাজিক আন্দোলন রূপে মোকাবেলা করতে হবে। আর এজন্য মশার বংশবৃদ্ধির স্থান ও মশার বসবাসের জায়গা ধ্বংস করাই হবে প্রতিরোধের উপায়।
বর্তমান সময়ে মশা হয়ে ওঠছে প্রাণঘাতী রোগের বাহক। আমাদের দেশে নানা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটলেও সম্প্রতি ৬টি রোগের ব্যাপকতার কারণে খুবই ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানত এডিস, এজিপিট, ফিউলেক্স ও অ্যানোফিলিস প্রজাতির মশার মাধ্যমেই ডেঙ্গু, জিকা, চিকন গুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, এনসেফালাইটিস রোগগুলো ব্যাপক বিস্তার লাভ করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে মশা বাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে সারা বিশ্বে বছরে প্রায় ১০ লাখের ও বেশী মানুষ মারা যাচ্ছে। কেবলমাত্র ডেঙ্গুর ঝুঁকিতেই ১০০টি দেশের প্রায় ২৫০ কোটি মানুষ। আর ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ একটি অন্যতম দেশ। তাই এ রোগগুলো প্রতিরোধে দেশে জনগণকে ব্যাপকভাবে সচেতন করে গড়ে তুলাই বড় কাজ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কেবল এডিস মশাই জিকা, ডেঙ্গু, চিকন গুনিয়ার বাহক হিসেবে কাজ করে। জনস্বাস্থের জন্য এখন যত ধরনের মশা হুমকি স্বরূপ এর সবই বাংলাদেশে রয়েছে। মশা নিধনের কাজ যত তাড়াতাড়ি শক্ত হাতে করা যাবে মানুষের প্রাণহানি তত তাড়াতাড়ি কমে আসবে। তা না হলে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে প্রাণঘাতি ডেঙ্গু হানা দিবে। কেড়ে নিবে মানুষের প্রাণ। বাংলাদেশে ২০০০ সাল হতে ডেঙ্গু রোগ বিস্তার লাভ করছে। সাধারণত বছরের জুন মাস হতে নভেম্বর মাস পর্যন্ত এডিস মশা বিচরণ করে বেশী এবং রোগ ছড়ায়। তবে শীতের মৌসুমে এ মশা বিচরণ করে না বিধায় মানুষকে কামড়ায় না। ফলে রোগও ছড়ায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে বছরের বর্ষার সময় ছাড়াও হঠাৎ বৃষ্টি হঠাৎ গরম এমন আবহাওয়ায় এডিস মশা ডিম ছাড়ে বেশী এবং মানুষদেরও কামড়ায় বেশি। বর্তমানে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারণে এরোগটি বেশী ছড়াচ্ছে।
যেভাবে ছড়ায় :
ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহনকারী স্ত্রী এডিস মশা মানুষকে কামড়ালে এ রোগ হয়। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কোন রোগীকে এডিস মশা কামড়ালে ডেঙ্গু ভাইরাস সেই মশার দেহে প্রবেশ করে। ভাইরাস বহনকারী সেই এডিস মশা কোনো সুস্থ মানুষকে কামড়ালে ডেঙ্গু ভাইরাস তার দেহে প্রকেশ করে এবং সে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এভাবে যতজন কে কামড়াবে তত জন আক্রান্ত হবে। এভাবেই ছড়িয়ে থাকে ডেঙ্গু জ্বর। এডিস মশা বিভিন্ন ধরনের হয়, তার মধ্যে এডিস এজিপ্টি (অবফবং ধবমুঢ়ঃর) ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকরে ও রোগ ছড়ায়। এ মশা ছোট ও কালো পায়ে সাদা ব্যান্ড শরীরে রূপালী সাদা দাগ থাকে। এ মশা মূলত ট্রপিক্যাল বা সাব ট্রপিক্যাল এলাকায় বসবাস করে বেশী। আমাদের দেশের মতো গরম দেশে বাস করতে পছন্দ করে বেশী। সবাই এ মশার কামড়ে আক্রান্ত হয় না। বিশেষজ্ঞদের মতে ডেঙ্গু ভাইরাসে চার ধরনের স্ট্রেইন আছে, এরা হলো ডেন ১, ২, ৩, ৪। বিশেষ করে ডেন ১, ২ এর কারণে ডেঙ্গু জ্বর হয়। সব মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এক রকম নয়। যাদের শরীরে এ স্ট্রেইনের বিপরীতে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে না, তারাই বেশী আক্রান্ত হয়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রমণে দুইধরনের সমস্যা হয়। ১। ডেঙ্গু হেমোয়েজিক ফিভার (ডিএইচএফ) ২। ডেঙ্গু শক সিনড্রোম (ডিএসএস) ডিএসএস রোগীর জন্য খুবই বিপজ্জনক। ডেঙ্গু শক হলে রোগীর নানা উপসর্গ দেখা দেয়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, রক্তচামড়া ভেদ করে চামড়ার উপরে চলে আসে। ফলে চামড়ার উপর কালো দাগ দেখা দেয়। কালো পায়খানা হয় হার্ট ও লিভারের কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। প্র¯্রাবের সাথে রক্ত যায়। রক্তের রস দেহ থেকে বের হয়ে যায়। দেহে পানির পরিমাণ কমে যায় ফলে হঠাৎ শকে মানুষ মারা যায়। ডেঙ্গু ভাইরাসের একটি ভ্যাক্সিন ২০১৫ সালে ফ্রান্সের ঔষধ কোম্পানী স্যানো প্রাস্তুর আবিস্কার করেছে। যা কার্যকর বলে বিভিন্ন সংস্থা অনুমোদন দিয়েছে। যা বাংলাদেশের স্যানোফি অ্যাভোন্টিস সরবরাহ করেছে। জানা যায় বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন তা অনুমোদন দিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডেঙ্গু ভাইরাসে প্রতিষেধক হিসেবে প্রয়োগের অনুমোদনও দিয়েছেন। ডেঙ্গু ভাইরাসের আক্রান্ত ফিলিপাইনের ৮ লাখ মানুষের উপর প্রয়োগ করে এর কার্যকারীতা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানা যায়। ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে এ ভ্যাক্সিনটি বাংলাদেশে প্রয়োগ করা যায় কিনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা ভেবে দেখা অতি প্রয়োজন।
লক্ষণ :
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে দেহের তাপমাত্রা ১০১ থেকে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইড হতে পারে। সঙ্গে প্রচন্ড মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, কোমরে ব্যথা সহ সাড়া শরীরে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব হয়। বমি ও পাতলা পায়খানা হতে পারে। দাঁেতর মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে। শরীরে লাল লাল র‌্যাশ উঠতে পারে। রোগী দুর্বল হয়ে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। এসময় রক্তের প্লাটিলেট ও অণুচক্রিকা কমে যায়। ১ লাখের নিচে নেমে যায়। মেয়েদের ক্ষেত্রে হঠাৎ মাসিক শুরু হয় বা মাসিক চলাকালে জ্বর হয়ে বেশি রক্ত যায়। এসব লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ভালো মানের হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মতে ঔষধ খেতে হবে ও চলতে হবে।
কী করা উচিত :
বর্ষার মৌসুমে জ্বর দেখা দিলেই চিকিৎসকের নিকট যেতে হবে। হাসপাতালে সিট পাওয়া না গেলে আতঙ্কিত না হয়ে বাড়িতে থেকেও ডেঙ্গু মুক্ত হওয়া যায়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে থাকবেন। বিশ্রাম নিবেন ডাক্তারের দেওয়া ঔষধ খাবেন। তবে কোনো ব্যথানাশক ঔষধ খাওয়া যাবে না। এতে মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। প্রচুর তরল জাতীয় খাবার খেতে হবে। পেঁপের জুস, আমের জুস, কলার জুস, কমলা বা লেবুর সরবত, ডাবের পানি, খাবার স্যালাইন ও প্রচুর পানি পান করতে হবে। দিনে ২/৩ কাপ কঁচি পেপে পাতার জুস মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন। এতে রক্তের প্লাটিনেট জনিত সমস্যা কমে আসবে।
বংশ বিস্তার :
এডিস পুরুষ মশা রক্ত খায় না। তাই পুরুষ মশা সাধারণত মানুষকে কামড়ায় না। স্ত্রী মশারা ডিম পাড়ার জন্য রক্ত খায়। রক্তে এমন ধরনের প্রোটিন আছে যা স্ত্রী মশার ডিম পরিপক্ক হতে খুবই প্রয়োজন। তাই এডিস স্ত্রী মশা মানুষকে বেশি কামড়ায়। তবে এ মশা সূর্য ওঠার আধা ঘন্টা আঘে ও সূর্য ডুবার আধা ঘন্টা আগে মানুষকে বেশি কামড়ায় রাতে মশা কামড়ায় না। এ মশা কোন বনজঙ্গলে বা ময়লা যুক্ত স্থানে বাস করে না। পরিস্কার পানিতে বা ঠান্ডা জায়গায় এরা বাস করে। মশার প্রজনন বাড়ানোর জন্য বৃষ্টির পানি খুবই কার্যকরী। এ জন্য থেমে থেমে বৃষ্টি হলে আমাদের বাড়ি ঘরের আশপাশে অব্যবহৃত জিনিস পত্রে পানি জমে থাকলে তাতে এডিস মশা ডিম পাড়ে আর এখান থেকে বংশবিস্তার হয়। সাধারণ ফুলের টব, স্থির জলের চৌবাচ্চা, নিচু জায়গায় জমে থাকা পরিস্কার পানি, গাড়ির টায়ার, ডাবের খোসা, বালতি বা বোতল ইত্যাদি বৃষ্টির পরিস্কার পানি জমে থাকে এতে এডিস মশা ডিম দেয়। তা ছাড়া ঘরের ফ্রিজের নিচে এসির নিচে পানি তিন দিনের বেশি জমা করে রাখা যাবে না। গৃহপালিত এ মশা ঘরের কোনায় পালংকের নিচে, পর্দার ভাজে, ভেসিনের নিচে, চৌকির নিচে ঠান্ডা জায়গায় লুকিয়ে থাকে। এগুলো প্রতিদিন পরিস্কার রাখতে হবে।
গ্রামে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা :
আমরা দেখছি যেসব ডেঙ্গু রোগী আক্রান্ত হয়েছে তা রাজধানী, বা বিভাগীয় শহরের বসবাসকারী। তারা চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা রয়েছে বা পাচ্ছেও। যদি ডেঙ্গু ভাইরাস গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে উপযুক্ত চিকিৎসা বা ডাক্তারের পরামর্শের অভাবে অনেক রোগী ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শকে মারা যেতে পারে। আসন্ন কোরবানী উপলক্ষে রাজধানীর প্রায় এক কোটিরও বেশি মানুষ নিজের জন্ম স্থানে গ্রামের বাড়িতে ঈদ পালনের জন্য গ্রামে চলে যায়। ফলে যারা আক্রান্ত আছে যদি গ্রামে আসে ডেঙ্গু বহনকারী ব্যক্তির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়ে রাজধানীর মত গ্রামেও এ রোগের ভয়াবহতা দেখা দিতে পারে। ডেঙ্গু বহনকারী এডিস মশার কামড় খেয়ে জ্বর নিয়ে কেউ গ্রামে গেলে ঔ আক্রান্ত ব্যক্তিকে গ্রামের মশা কামড়ালে সেই মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়ে অন্যরাও ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে। এবারের ঈদে গ্রামে এমন বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন আক্রান্তরা গ্রামে না আসাই ভালো।
প্রতিরোধ :
এডিস মশার প্রজনন স্থান ধ্বংস করার মাধ্যমে এ রোগের ভয়াবহতা কমানো সম্ভব। তার সাথে এ রোগ প্রতিরোধে সতর্কতা, সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন। তাই সামাজিক আন্দোলন হিসেবে বাসাবাড়ি, দোকানপাট, হাট বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত ইত্যাদি স্থানের আশপাশ ডোবা নালা খুবই সতর্কতার সাথে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। শহরের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধিরা বা নিজ দায়িত্বে নানা সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন সবাই মিলে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করতে হবে। আর সরকার দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে মশা নিধনের কার্যকরী ঔষধ ছিটানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা যত তাড়াতাড়ি গ্রহণ করা হবে ততই তাড়াতাড়ি এ ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। এবং মানুষের মৃত্যুর সংখ্যাও কমে আসবে। তা ছাড়াও কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। ঘুমাবার সময় অবশ্যই ভালো মশারী ব্যবহার করতে হবে। হাত পা সবসময় ঢেকে থাকে এমন কাপড় পড়তে হবে। ছেলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে যাবার সময় পুরো শরীর ঢেকে রাখে এমন কাপড় পরিয়ে দিতে হবে। ঘরের ভিতরে ধুপ জ্বালালে বা কয়েল জ্বালালে মশা ঘরে থাকে না তার ব্যবস্থা নিতে হবে। তা সকালে ও সন্ধ্যায় করতে হবে। পাড়া মহল্লায় যুবকরা মিলে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হবে। উন্মুক্ত ড্রেনে যেখানে পানি জমে আছে তাতে কীটনাশক ব্লিচিং পাউডার বা লবণ ছড়িয়ে দিতে হবে। যাতে মশার লার্ভা নষ্ট হয়। বাড়ির আশপাশ পরিস্কার করে মশা নিধন কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে ফেলা বন্ধ করতে হবে। যেকোনো স্থানে তিনদিনের বেশি পানি জমে না থাকে তা অবশ্যই খেয়াল করতে হবে। মনে রাখবেন নিজের জীবনকে বাঁচাতে নিজেই প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে। তাই নিজের বাসাবাড়ির আশপাশ নিজ দায়িত্বে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। যে কোনো সমস্যা মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি সর্বস্থরের জনগণ এগিয়ে না এলে সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা বড় কঠিন। সুতরাং সর্বস্তরের জনগণ ও সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় ডেঙ্গুর মত সমস্যা দূর করতে পারবো এই প্রত্যাশাই করি। আল্লাহ আমাদের সাহায্য করুন।

শেয়ার করুন
স্বাস্থ্য কুশল এর আরো সংবাদ
  • এডিস মশা ডেঙ্গু ছড়ায়
  • রোগ প্রতিরোধে আনারস
  • স্থূলতা : এখনই ব্যবস্থা জরুরি
  • মেহেদীর কতো গুণ
  • যে সব খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
  • শিশুকে ওষুধ দিন বয়স ও ওজন অনুযায়ী
  • জ্বর কমার পরের সময়টা ঝুঁকিপূর্ণ
  • কম্পিউটারজনিত চক্ষু সমস্যা
  • ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া জ্বরের লক্ষণ
  • ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়
  • সুস্থ থাকতে ওজন নিয়ন্ত্রণ
  • স্মার্টফোনের প্রতি শিশুদের আসক্তিতে ভয়ানক ঝুঁকি!
  • বন্যায় স্বাস্থ্য সমস্যা : করণীয়
  • কম বয়সেও স্ট্রোক হতে পারে
  • থানকুনির রোগ নিরাময় গুণ
  • সাপের কামড় : জরুরী স্বাস্থ্য সমস্যা
  • প্রাকৃতিক মহৌষধ মধু
  • চোখ দিয়ে পানি পড়া
  •   তরুণদের মনোরোগ ও পরিবার
  • ঘাড় ব্যথায় করণীয়
  • Developed by: Sparkle IT