ইতিহাস ও ঐতিহ্য

সাংবাদিকদের কল্যাণে সিলেট প্রেসক্লাব

সেলিম আউয়াল প্রকাশিত হয়েছে: ০৭-০৮-২০১৯ ইং ০০:৪০:৫৩ | সংবাদটি ১৮৪ বার পঠিত

প্রতিষ্ঠার পর থেকে সিলেট প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নসহ সার্বিক উন্নয়নে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। প্রায় নিয়মিতভাবে সাংবাদিকদের জন্যে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজনের মাধ্যমে সাংবাদিকদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা হচ্ছে। সিলেট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন করা। সদস্যদের চিত্ত বিনোদনের জন্যে অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, ফ্যামিলি ডে, বৈশাখী মেলা সহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সিলেট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিকদের কল্যাণে একটি তহবিল গঠণ। এই তহবিল সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট প্রেসক্লাব আমীনূর রশীদ চৌধুরী স্বর্ণপদক প্রবর্তন করে। ক্লাবের সেই সময়ের প্রেসিডেন্ট বোরহান উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ‘সভায় প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আমীনূর রশীদ চৌধুরী স্মৃতি স্বর্ণপদকের ডিজাইন অনুমোদন করা হয়। সভায় পদক তৈরী বাবদ খরচ মরহুম আমীনূর রশীদ চৌধুরীর পরিবার স্বেচ্ছায় দিবেন বলে জানিয়েছেন।’ স্মৃতিস্বর্ণ পদকের ডিজাইন করেন আমীনূর রশীদ চৌধুরীর পুত্র নূরুর রশীদ চৌধুরী (হ্যারল্ড রশীদ চৌধুরী)। পরবর্তীতে একই বছরের (১৯৮৮) ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ‘সভায় অনুষ্ঠিতব্য ‘আমীনূর রশীদ চৌধুরী স্মৃতি স্বর্ণপদক’ অনুষ্ঠানে একই সাথে অর্থাৎ ‘৮৮-এর পদক জনাব এম.এ. বশীরকে এবং ‘৮৭-এর পদক মরহুম মো. নূরুল হকের পরিবারকে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।’ পরবর্তীতে ২৮ আগস্ট ১৯৮৯ অনুষ্ঠিত সভায় আমীনুর রশীদ স্বর্ণপদক ১৯৮৯-এর জন্যে অধ্যক্ষা বেগম হোসনে আরার নাম এবং ৩ অক্টোবর ১৯৯০ আমীনূর রশীদ স্বর্ণপদকের জন্যে ক্রীড়া সংগঠক সিরাজ উদ্দিনের নাম গৃহীত হয়। ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ সেপ্টেম্বর আয়োজিত অনুষ্ঠানে বশীর উদ্দিন (১৯৮৭) এবং মুহম্মদ নূরুল হকের (১৯৮৮) পক্ষে বেগম নূরুল হক ‘আমীনূর রশীদ চৌধুরী স্মৃতি স্বর্ণপদক’ গ্রহণ করেন। অধ্যক্ষা বেগম হোসনে আরা এবং সিরাজ উদ্দিনের নাম গৃহীত হলেও পরবর্তীতে আর ‘আমীনূর রশীদ চৌধুরী স্মৃতি স্বর্ণপদক’ দেয়া হয়নি।
১৯৯১ মেজর (অব.) মুত্তালিবের লেখা ‘মুক্তিযুদ্ধে উত্তর পূর্ব রণাঙ্গন’ প্রকাশের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং প্রকাশ করে। এ বছর প্রেসক্লাবের সংবিধান বাংলা অনুবাদ করেন ক্লাব সদস্য নিজাম উদ্দিন সালেহ।
১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন আবদুল মালিক চৌধুরী। উক্ত সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়Ñ: ‘৭। সিলেট প্রেসক্লাবে শুধুমাত্র ক্লাব সদস্যদের জন্য একটি লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়। উক্ত লাইব্রেরীর নামকরণ ‘মকবুল হোসেন চৌধুরী স্মৃতি পাঠাগার’ করারও সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।’ পরবর্তীতে ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ২০ ডিসেম্বর ‘মকবুল হোসেন চৌধুরী স্মৃতি পাঠাগার’ উদ্বোধন করা হয়।
২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের ২২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় ক্লাবের সদস্যদের সন্তান যারা পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি-তে জিপিএ-৫ পাবে, তাদেরকে সংবর্ধনা দেবার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ২ মে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সিলেট প্রেসক্লাব-মুহিবুন্নেছা সম্মাননা প্রদানের নীতিমালা প্রণয়নের উপর জোর দেয়া হয়।
২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ক্লাব ভবনের নীচে উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে প্রথমবারের মতো বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলার স্পনসর প্রতিষ্ঠান ছিলো মেসার্স মামুন এন্টারপ্রাইজ ও কিবরিয়া স্টিল কর্পোরেশন।
২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় ক্লাব সদস্যদের সন্তানদেরকে শিক্ষা সহায়তা দেবার জন্য একটি শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
২০১৮-২০১৯ সেশনে সিলেট প্রেসক্লাবে বেশ কিছু নতুন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়।

সিলেট প্রেসক্লাব ফেলোশিপ: ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাহী কমিটির সভায় ‘সিলেট প্রেসক্লাব ফেলোশিপ’ প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রথমবারের মত প্রবর্তিত এ ফেলোশিপ-এর নাম ‘সিলেট প্রেসক্লাব ফেলোশিপ ২০১৮’। ফেলোশিপের জন্য সাধারণ ও সহযোগী সদস্যদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহবানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ মে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী সভায় ‘সিলেট প্রেসক্লাব ফেলোশিপ ২০১৮’-এ অংশগ্রহণে আগ্রহী আবেদনকারীদের মধ্যে ফেলোশিপের জন্য আবদুল কাদের তাপাদার ও সেলিম আউয়ালকে নির্বাচিত করা হয়। পরবর্তীতে ফেলোশিপের শর্তাবলী পূরণ করে সিলেটের সাংবাদিকতা বিষয়ে ১৫টি প্রবন্ধ রচনা ও প্রকাশ এবং সিলেট প্রেসক্লাবের একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস প্রণয়ন করায় সিলেট প্রেসক্লাবের ৯ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত কার্যকরী পরিষদের সভায় সেলিম আউয়ালের ‘সিলেট প্রেসক্লাব ফেলোশিপ ২০১৮’ অনুমোদন করা হয়।
সিলেট প্রেসক্লাব-মুহিবুন্নেছা সম্মাননা: ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট প্রেসক্লাব-মুহিবুন্নেছা সম্মাননা প্রদানের জন্য ইকবাল কবিরকে মনোনীত করা হয়। এর আগে আবদুল ওয়াহেদ খান ও আতাউর রহমান আতাকে সিলেট প্রেসক্লাব-মুহিবুন্নেছা সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুভবে অনুরাগে: ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সভায় পেশাগত দক্ষতার জন্যে সিলেট প্রেসক্লাবের সদস্যদেরকে ৫ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া সিলেট প্রেসক্লাবের প্রয়াত সদস্যদের স্মৃতিতে স্মারক গ্রন্থ বের করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় এসব উদ্যোগের জন্যে ক্লাব সেক্রেটারি ইকবাল মাহমুদকে ধন্যবাদ জানানো হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সিলেট প্রেসক্লাবের প্রয়াত সদস্যদের (১৯৭৭-২০১৮) স্মরণে তাদের জীবন ও কর্ম নিয়ে ‘অনুভবে অনুরাগে’ স্মারক গ্রন্থের প্রকাশনা ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের এমিরেটাস প্রেসিডেন্ট হাসান শাহরিয়ার।
‘সিলেট প্রেসক্লাব-এমসি ফাউন্ডেশন সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০১৮’: সাংবাদিকতায় পেশাগত দক্ষতার জন্যে ৫ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদানের জন্যে প্রবর্তন করা হয়Ñ‘সিলেট প্রেসক্লাব-এমসি ফাউন্ডেশন সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০১৮’। ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের জন্যে দৈনিক সিলেটের ডাক-এর রিপোর্টার ইউনুছ চৌধুরী, জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের জন্যে দৈনিক প্রথম আলো সিলেট অফিসের জুনিয়র রিপোর্টার মানাউবি সিংহ শুভ, আলোকচিত্রে দি ডেইলি স্টার-এর ফটো সাংবাদিক শেখ আশরাফুল আলম নাসির, টেলিভিশন প্রতিবেদনে চ্যানেল-২৪’র প্রতিবেদক গোলজার আহমদ এবং সময় টেলিভিশনের রিপোর্টার আব্দুল আহাদ এবং টেলিভিশন ভিডিও চিত্র ক্যাটাগরিতে সময় টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিক দিগেন সিংহকে ‘সিলেট প্রেসক্লাব-এমসি ফাউন্ডেশন সাংবাদিকতা পুরস্কার ২০১৮’ প্রদান করা হয়।
অগ্রজ সাংবাদিক সম্মাননা: ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে সিলেট প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সিনিয়র সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়। ‘অগ্রজের সঙ্গে একদিন’ শিরোনামে ৩ মে ২০১৮ দুপুরে সিলেট প্রেসক্লাব ভবনে সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল মালিক চৌধুরীকে এবং ৩ মে ২০১৯ দুপুরে সিলেট প্রেসক্লাব ভবনে অপর একটি অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল হামিদ মানিককে সম্মাননা প্রদান করা হয়। দুটো অনুষ্ঠানেই সংবর্ধিত ব্যক্তিকে ‘অগ্রজ সাংবাদিক সম্মাননা’ প্রদান করা হয়। দুটো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে ‘বাতিঘর’ নামে চমৎকার দুটো স্যূভেনির প্রকাশ করা হয়।
সিলেট প্রেসক্লাব লুৎফুর-লায়লা ফাউন্ডেশন সাংবাদিক সম্মাননা: মার্চ ২০১৯ সাংবাদিকতায় অবদানের জন্যে সাংবাদিক মুহাম্মদ আমজাদ হোসাইনকে সিলেট প্রেসক্লাব লুৎফুর-লায়লা ফাউন্ডেশন সাংবাদিক সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সিলেট প্রেসক্লাব ডে: সিলেট প্রেসক্লাবের ২০১৮-২০১৯ সেশনের কার্যকরী কমিটির উদ্যোগে প্রথমবারের মতো প্রতি বছর ১৩ জুলাই ‘সিলেট প্রেসক্লাব ডে’ পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিলেট প্রেসক্লাব ফেলোশিপ-২০১৮-এর তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ১৩ জুলাই ১৯৬৩ সিলেট প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে অনুমোদন করা হয়। বিগত ১৩ জুলাই ২০১৯ তারিখে প্রথমবারের মত ‘সিলেট প্রেসক্লাব ডে’ পালিত হয়। দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিলো র‌্যালি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেক কাটা, আলোচনা সভা ও ‘জয়ন্তী’ নামে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী স্মারক প্রকাশ। ক্লাব প্রেসিডেন্ট ইকরামুল কবিরের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার এল. মূর্তি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাব সেক্রেটারি ইকবাল মাহমুদ এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রফিকুর রহমান লজু, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির, ক্লাবের সহ-সভাপতি এনামুল হক জুবের, সহ-সভাপতি এম.এ. হান্নান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক।
সিলেট প্রেসক্লাবের কার্যকরী পরিষদ: সাপ্তাহিক জনশক্তি পত্রিকায় ১৪ জুলাই ১৯৬৫ প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী সিলেট প্রেসক্লাবের ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম কমিটিতে ছিলেন: সভাপতি আমীনূর রশীদ চৌধুরী (যুগভেরী, ইস্টার্ন হেরাল্ড); সহ-সভাপতি নিকুঞ্জবিহারী গোস্বামী (জনশক্তি) ও মুহম্মদ নূরুল হক্ (আল ইসলাহ); যুগ্ম-সম্পাদক হিমাংশু শেখর ধর (যুগভেরী) ও আবদুল মন্নান (আওয়াজ); কোষাধ্যক্ষ এম.এ. নূর (ইউনিটি); সদস্য সুলতান আলী, শামসুজ্জামান সুফী, রফিকুর রহমান লজু, আর তালুকদার, এ.জি. শামসুল আলম, সি এম হায়দর, এম শহীদ লোহানী, সুধীন্দ্রবিজয় দাস, নন্দগোপাল চৌধুরী ও রজিউর রহমান।
সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবারক হোসাইনের তথ্যানুযায়ী স্বাধীনতা পরবর্তীকালে আমীনূর রশীদ চৌধুরীকে সভাপতি, শ্রী নিকুঞ্জ বিহারী গোস্বামী ও হিমাংশু শেখর ধরকে সহ সভাপতি, তবারক হোসাইনকে সাধারণ সম্পাদক করে সিলেট প্রেসক্লাব পূণর্গঠিত হয়। আবু সাঈদ মো. নোমান কর্তৃক সম্পাদিত ও সিলেট প্রেসক্লাব কর্তৃক প্রকাশিত অভিষেক ২০১৬ ও ফ্যামেলি নাইট স্মারক অনুযায়ী ১৯৭৭-৭৮ সেশনে সভাপতি-বোরহান উদ্দীন খান, সাধারণ সম্পাদক-মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, (সিলেট প্রেসক্লাবের সভার কার্যবিবরণীতে দেখা যায় ১৭.০১.১৯৭৮ তারিখে মাহবুবুর রহমান সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করলে তার আবেদন মঞ্জুর করে ক্লাবের তৎকালীন দফতর সম্পাদক এহিয়া রেজা চৌধুরী ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একই বছরের ১৭.১১.১৯৭৮ তারিখে এহিয়া রেজা চৌধুরী পদত্যাগ করলে সহ-সম্পাদক ফজলুল করিম চৌধুরী অপু সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এর পূর্বে সহ-সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির পড়াশোনার জন্যে ঢাকা চলে যান, তখন ফজলুল করিম অপুকে সহ-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়।) ১৯৭৯-৮০: সভাপতি-বোরহান উদ্দীন খান, সাধারণ সম্পাদক-আব্দুল মালিক চৌধুরী, ১৯৮১-৮২: সভাপতি- আমীনূর রশীদ চৌধূরী, সাধারণ সম্পাদক- আব্দুল মালিক চৌধুরী, ১৯৮৩-৮৪: সভাপতি-আমীনূর রশীদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক-মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ১৯৮৫-৮৬: সভাপতি-বোরহান উদ্দীন খান, সাধারণ সম্পাদক-মুকতাবিস-উন-নূর, ১৯৮৭-৮৮: সভাপতি-বোরহান উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক- আব্দুল মালিক চৌধুরী, ১৯৮৯-৯০: সভাপতি-হারুনুজ্জামান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক-মহিউদ্দিন শীরু, ১৯৯১-৯২: সভাপতি-বোরহান উদ্দীন খান, সাধারণ সম্পাদক- মহিউদ্দিন শীরু, ১৯৯৩-৯৪: সভাপতি- মুকতাবিস-উন-নূর, সাধারণ সম্পাদক-আজিজ আহমদ সেলিম, ১৯৯৫-৯৬: সভাপতি- মুকতাবিস-উন-নূর, সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, ১৯৯৭-৯৮: সভাপতি-আব্দুল মালিক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক-মুহম্মদ বশিরুদ্দিন, ১৯৯৯-২০০০: সভাপতি-মুকতাবিস-উন-নূর, সাধারণ সম্পাদক-ইকবাল সিদ্দিকী, ২০০১-০২: সভাপতি- মুকতাবিস-উন-নূর, সাধারণ সম্পাদক- আজিজ আহমদ সেলিম, ২০০৩-০৪: সভাপতি- ইকবাল সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক-লিয়াকত শাহ ফরিদী, ২০০৫-০৬: সভাপতি-মুকতাবিস-উন-নূর, সাধারণ সম্পাদক- আহমেদ নূর, ২০০৭-১০: সভাপতি- মুকতাবিস-উন-নূর, সাধারণ সম্পাদক-আহমেদ নূর, ২০১০-১১: সভাপতি-আহমেদ নূর, সাধারণ সম্পাদক- সমরেন্দ্র বিশ্বাস সমর, ২০১২-১৩: সভাপতি-আহমেদ নূর, সাধারণ সম্পাদক- সমরেন্দ্র বিশ্বাস সমর, ২০১৪-১৫: সভাপতি- ইকবাল সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ২০১৬-১৭: সভাপতি-ইকরামুল কবির, সাধারণ সম্পাদক-আব্দুর রশিদ মো. রেনু, ২০১৮-১৯: সভাপতি-ইকরামুল কবির, সহ-সভাপতি-এনামুল হক জুবের, সহ-সভাপতি-এম.এ.হান্নান, সাধারণ সম্পাদক-ইকবাল মাহমুদ, সহ সাধারণ সম্পাদক-ইয়াহইয়া ফজল, কোষাধ্যক্ষ:শাহাব উদ্দিন শিহাব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক- নূর আহমদ, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক-খালেদ আহমদ, সদস্য- আবদুর রশীদ মো. রেনু, সদস্য-মো. ফয়সল আলম, সদস্য- শুয়াইবুল ইসলাম, সদস্য-দিগেন সিংহ (সিলেট প্রেসক্লাব ফেলোশিপ-২০১৮ প্রবন্ধ)
সূত্র: ১. সাপ্তাহিক জনশক্তি, ১৪ জুলাই ১৯৬৫; ২.সিলেট প্রেসক্লাবের প্রবীণ সদস্যদের সাক্ষাতকার; ৩. সিলেট প্রেসক্লাবের সভার কার্যবিবরণী খাতা (১৯৭৭ থেকে ২০১৯); ৪. অভিষেক ২০১৬ ও ফ্যামেলি নাইট স্মারক, সম্পাদক আবু সাঈদ মো. নোমান ৫. সিলেট প্রেসক্লাব কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন স্মারক; ৬.মহিউদ্দিন শীরু, সিলেটের শতবর্ষের সাংবাদিকতা, হাসিনা বেগম চৌধুরী, ধোপাদীঘির পূর্বপার, সিলেট কতৃক প্রকাশিত মে ১৯৯৮; ৭. ইসহাক কাজল, বাঙ্গালী ও বাংলাদেশ; ৮.রফিকুর রহমান লজু, সিলেট প্রেসক্লাব গঠনের কিছু স্মৃতি, জয়ন্তী, সিলেট প্রেসক্লাব ডে স্মারক ২০১৯; ৯. তবারক হোসাইন, স্মৃতিতে সিলেট প্রেসক্লাব, জয়ন্তী, সিলেট প্রেসক্লাব ডে স্মারক ২০১৯

 

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • হবিগঞ্জের লোকসাহিত্যে অধুয়া সুন্দরীর উপখ্যান
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • ঢাকা উত্তর মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয়
  • সিলেটে ফারসি চর্চা
  • সিলেটের গণভোটের অগ্রনায়ক মৌলানা ছহুল উসমানী
  • আদিত্যপুরের গণহত্যা
  • জালালাবাদের ইতিহাস ঐতিহ্য
  • বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ
  • সিলেটে আরবি ভাষাচর্চা
  • গৌড়-বঙ্গে মুসলিম বিজয় এবং সুফি-সাধকদের কথা
  • ঐতিহ্যবাহী গ্রাম আজিজপুর
  • সিলেটের গণভোটের অগ্রনায়ক মৌলানা ছহুল উসমানী
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আরেক অধ্যায়
  • কোচিংনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার প্রভাব
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • ঐতিহাসিক নানকার আন্দোলন
  • গৌড়-বঙ্গে মুসলিম বিজয়
  • শত বছরের ঐতিহ্যের ধারক দাউদিয়া মাদরাসা
  • পৃথিবীর প্রাচীন লাইব্রেরিগুলো
  • আল হামরা : ইতিহাসের অনন্য কীর্তি
  • Developed by: Sparkle IT