পাঁচ মিশালী

সৈয়দ মুর্তাজা আলী : জীবন ও কর্ম

শামসীর হারুনুর রশীদ প্রকাশিত হয়েছে: ১০-০৮-২০১৯ ইং ০০:৪৭:০৩ | সংবাদটি ১৫৫ বার পঠিত

উনবিংশ শতকের শক্তিমান এক বাঙালি, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত জাতীয় ইতিহাস বেত্তা, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক, এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ গ্র্যাজুয়েট অফিসার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক বিভাগীয় কমিশনার, পাকিস্তান সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারি, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, পাকিস্তান সরকারের সবোর্চ্চ রাষ্ট্রীয় পদক ‘সিতারায়ে কায়দে আজম’ ও ভারত সরকারের সবোর্চ্চ পদক, ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কার প্রাপ্ত, বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার কালজয়ী খ্যাতিমান মনীষাদের অন্যতম একজন সৈয়দ মুর্তাজা আলী। লেখক, গবেষক, ঐতিহাসিক, ভাষাবিদ, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সংগঠকসহ একসাথে বেশ কিছু পরিচয় আছে তাঁর। সিলেটের ইতিহাস বিষয়ে গবেষণা করেছেন দীর্ঘদিন, বলতে গেলে তিনি ছিলেন সিলেটের ইতিহাস বিষয়ক শীর্ষ এক গবেষক। যোগ্য কলমের খোঁচায় তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন আমাদের সামনে আসা দরকার। প-িত এই মণীষাকে নিয়ে আমার কাঁচা কলমের বিচ্ছুরণ এ যেন দুঃসাহসের অবতারণা। আসলে তাঁর জ্ঞানসমুদ্রে ডুবসাঁতারু হয়েছিলাম মণিমুক্তো কুড়াবো বলে; কিন্তু ফিরে এলাম শব্দের লাল গোলাপে মোড়ানো টুকরো অনুভূতি নিয়ে। সৈয়দ মুর্তাজা সামাজিক ও ধর্মীয় বিশ্লেষণ এবং প্রতিভার ব্যবহারে হয়ে ওঠেছিলেন জাতির সম্পদ।
মুর্তাজা আলীর জন্ম ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ১লা জুলাই দেশবিভাগ-পূর্ব সিলেটের অন্তর্গত করিমগঞ্জ শহরে। পৈত্রিক নিবাস অবশ্য হবিগঞ্জ জেলা, বাহুবল থানার উত্তরসুর গ্রামে। তিনি মৌলভীবাজারের সাব-রেজিস্ট্রার খান বাহাদুর সৈয়দ সিকান্দার আলীর তিন পুত্রের মধ্যে দ্বিতীয়। তাঁর দাদা সৈয়দ মুশাররফ আলী, পরদাদা সৈয়দ ওয়াজিদ আলী, লাক্কড়দাদা সৈয়দ মুরাদ। মুরাদের পিতা সৈয়দ ইসরাইল এবং তাদের উর্দ্ধতন পুরুষ পীর সৈয়দ মুতাওয়াক্কিল। যার মাজার বাহুবল থানার উত্তরসুর সংলগ্ন করাঙ্গী নদীর তীরে অবস্থিত। মুর্তাজা আলীর বড় ভাই সৈয়দ মোস্তাফা আলী ছিলেন পরিচিত এক লেখক এবং ছোট ভাই সৈয়দ মুজতবা আলীও ছিলেন বিখ্যাত রম্য সাহিত্যিক। সৈয়দ মুর্তাজা আলীদের বংশপরিচয় ছিল দুটি-পীর বংশ ও খোন্দকার বংশ।
সৈয়দ মুর্তাজা আলীর বাল্যশিক্ষার হাতেখড়ি স্বীয় মামা নূর মিয়া কাজী প্রতিষ্ঠিত ‘দুল্লবপুর মধ্যবঙ্গ বিদ্যালয়’ থেকে। বাল্যশিক্ষার বর্ণনায় তিনি নিজেই লিখেন-আমাদের পারিবারিক অবস্থা এমন ছিলনা যে গৃহশিক্ষক রেখে পড়াশোনা করব। এখনের মতো গৃহশিক্ষকের মাধ্যমে লেখাপড়া করলে হয়ত আরো ভালভাবে লেখাপড়া করতাম। তাঁর সময়ের লেখাপড়ার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, সেকালে আমাদের মাটিতে বাঁশের কঞ্চি ও আঙুল দিয়ে দাগা বুলাতে হতো। কলাপাতায় কালি দিয়ে লিখতে হতো। কালি প্রস্তুত করতে প্রথমে লোহার কড়াইয়ে হরতকি কেটে রাখা হতো। পরে হরতকির রস, লৌহমল (মরিচ) ও নানা বন-বৃক্ষের ফলের কষ দিয়ে কালি তৈরি করা হতো। কালি তৈরির সময় লোকেরা বলত-‘আগর খাহি ছিয়াহিরা বওযাকুল/ ঘুটুর কুনকুন ঘুটুর কুনকুন।’ অর্থাৎ কাষ্ঠখ- দিয়ে ঘনঘন সঞ্চালন করলে কালি ভাল হয়। কলম বলতে প্রথমে বাঁশের কঞ্চি-খাগড়ার কলম, পরে ওয়াস্তীরের কলম এবং সর্বশেষ হাঁসের পাখের তৈরি কলমের অনুমতি মিলত। আর কাগজ ছিল দেশীও ভূটিয়া কাগজ। (আমাদের কালের কথা-পৃষ্ঠা : ১২) সৈয়দ মুর্তাজা আলী ছাত্র হিসেবে খুব মেধাবী ছিলেন। সেকারণে সিলেট গভর্নমেন্ট স্কুলে শিক্ষালাভ করে সুরমা উপত্যকার মুসলমান ছাত্রদের মধ্যে ম্যাট্রিক (বর্তমান এসএসসি) পরীক্ষায় প্রথম হওয়ায় ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে ১৫ টাকার মাসিক বৃত্তি পেতেন। পরীক্ষায় ম্যাথমেটিক্স, এডিশনাল ম্যাথমেটিক্স ও মেকানিক্স-এ লেটারসহ (৮০% নম্বর) স্টারমার্ক পান। উচ্চ মাধ্যমিকে, মুরারিচাঁদ কলেজ থেকে, বিজ্ঞান বিভাগ, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও গণিতে লেটারসহ স্টারমার্ক পান (১৯২৩ খ্রি.)। ঐতিহ্যবাহী বেকার হোস্টেলে বাস করে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএসসি (পদার্থবিদ্যায় অনার্স) পরীক্ষায় ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় বিভাগে দ্বিতীয় হন। তারপর এমএসসি (হিট) ও ল’ বা আইনশাস্ত্রে এক বছর লেখাপড়া করেন।
সৈয়দ মুর্তাজা আলী প্রাইমারি পেরিয়েই সাহিত্যের দিকে ঝুঁকে পড়েন। তিনি বলেনÑ“মৌলভীবাজার স্কুলে ক্লাস সেভেনে অধ্যয়নকালে ছেলেদের পত্রিকা ‘মাসিক শিশু’ নিয়মিত পড়তাম। বুকসাইজের এ শিশুতোষ পত্রিকাটি বরদাকান্ত মজুমদার এর সম্পাদনায় ১৯১৩ সালে প্রথম প্রকাশ হয়। এসময় আরেকটি শিশুতোষ ‘মাসিক তোষিণী’ও পড়তাম। আমাদের সময়ে সবচেয়ে উচ্চাঙ্গের ছবি-ছাপা-চিত্তাকর্ষক শিশুতোষ সাহিত্যপত্রিকা ছিল ‘সন্দেস’। এটি উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরীর সম্পাদনায় নিয়মিত প্রকাশিত হতো। যদিও ১৯২০ সালে ডক্টর মুহম্মদ শহীদল্লাহ ‘আঙুর’ নামে ছেলেদের একটি উন্নতমানের মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন, কিন্তু এটি বেশিদিন টিকে নি। তখন থেকেই বড়ভাই সৈয়দ মোস্তাফা আলীর হাত ধরে লেখালেখি শুরু করি।” (আমাদের কালের কথা) মুর্তাজা আলী কিছুকাল সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন। চাকুরিতে যোগদানের আগে মৌলভীবাজার দৌড়ছড়া চা বাগান সংক্রান্ত নিউজ সংগ্রহ করে South Sylhet Notes শিরোনামে লিখতেন, যা ‘স্টেটসমেন’ কাগজে ছাপা হতো এবং বিনিময়ে তিনি ষোলো টাকা পারিশ্রমিক লাভ করতেন। এটি ছিল লেখক হিসেবে মুর্তাজা আলীর প্রথম পারিশ্রমিক লাভ।
শিক্ষাজীবনের মতো মেধার স্বাক্ষর রাখেন তাঁর কর্মজীবনেও। তৎকালীন আইসিএস পরীক্ষায় বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করলেও তাঁকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। পরে ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে আসাম প্রভিন্সিয়াল সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঐ বছরই তিনি মৌলভীবাজার মহকুমার ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন এবং আনুষ্ঠানিক শিক্ষাগ্রহণের সমাপ্তি ঘটে। তাঁর সুদীর্ঘ কর্মজীবনে কাজ করেছেন অনেক জায়গায়। তন্মধ্যে ১৯৪০-১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সুনামগঞ্জে সাবডিভিশনাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তিনি সুনামগঞ্জ কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে কাজ করেছেন শিলংয়ে শিক্ষা বিভাগের আন্ডার-সেক্রেটারি পদে। তেজপুরে এডিশনাল ডেপুটি কমিশনার হিসেবে কাজ করেছেন ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে। ভারত স্বাধীন হবার অব্যবহিত পূর্বে রেফারেন্ডামের সময় তিনি সিলেটের এ.ডি.এম ছিলেন। এরপর ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়ার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট হন। ঐ বছরের শেষাংশে ঢাকায় জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসেবে হোম ডিপার্টমেন্টে কাজ করেন। ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে বগুড়ায় ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট, পরে কিছুদিন চট্টগ্রামের ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট পদেও ছিলেন। করাচীতে কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি ছিলেন ১৯৫১-১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। অতপর ঢাকায় বদলি হয়ে প্রথমে জয়েন্ট সেক্রেটারি ও পরে সেক্রেটারি পদে কাজ করেন রেভেন্যু ডিপার্টমেন্টে। তারপর রাজশাহীর ডিভিশনাল কমিশনার হিসেবে ১৯৫৭-১৯৫৯ পর্যন্ত অধিষ্ঠিত থেকে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি অবসর গ্রহণ করেন। অবসর গ্রহণের পরেও তিনি কয়েকটি পদে দায়িত্ব পালন করেন। ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার উপদেষ্টা পরিষদে প্রথমে সদস্য ও পরে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দুই মেয়াদে, প্রথমে ১লা আগস্ট ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ আগস্ট এবং পরে পুনরায় মার্চ ১৯৭৫ থেকে মার্চ ১৯৭৭ পর্যন্ত। তিনি (১৯৬৯-৭১, ১৯৭৫-৭৭) দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে। তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে এবং মৃত্যুকালেও চেয়ারম্যান ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের।
চাকুরি জীবনের প্রথম দিক থেকেই সৈয়দ মুর্তাজা আলী বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, বাংলাদেশের মুসলমান আমলের ইতিহাস, আসামের ইতিহাস ও সাহিত্য বিষয়ে লেখালেখি শুরু করেন। শ্রীহট্ট সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা, আল ইসলাহ, মাসিক মোহাম্মদী, মাহে নও ইত্যাদি পত্র-পত্রিকায় এবং বাংলা ও ইংরেজি দৈনিকের বিশেষ সংখ্যায় প্রবন্ধ লিখতে থাকেন। এক পর্যায়ে শুরু করেন বই লেখা। তাঁর বই ‘পশ্চিম পাকিস্তান’ ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়। আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদের ‘ইসলামাবাদ’ তিনি সম্পাদনা করেন। বাংলা একাডেমি তার এই গ্রন্থ ১৯৬৪ সালে প্রকাশ করে। তার সর্বশেষ গ্রন্থ ‘আমাদের কালের কথা’।
একজন মানুষকে সর্বশেষ মূল্যায়ন করা হয় তাঁর সর্বশেষ সৃষ্টিকর্মের দ্বারা। সেই বিচারে কেমন ছিলেন মুর্তাজা আলী ও কী ছিল তাঁর সৃষ্টিকর্ম। আমরা দেখতে পাই মুর্তাজা আলীর সর্বশেষ গ্রন্থের নাম ‘আমাদের কালের কথা’। স্মৃতিচারণামূলক তাঁর এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়-১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দে। বিদগ্ধজনেরা তাঁর এ বইটিকে ‘বিখ্যাত আতœজীবনী গ্রন্থ’ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। কালোত্তীর্ণ গ্রন্থ ‘আমাদের কালের কথা’ ‘র অনেক পৃষ্ঠাজুরে আছে বাহুবল ও নিজ বাড়ি উত্তরসুরের নানান বর্ণনা। বইটিতে লেখকের শৈশব, বাবার স্মৃতি, বাল্যশিক্ষা, রুশ-তুরষ্ক যুদ্ধের স্মৃতি, পোস্টমাস্টার হিসেবে চাকুরীর স্মৃতি, সাব রেজিস্টার চাকুরীর স্মৃতি, লেখকের বাবার ব্যাক্তিগত জীবনের ঘটনাবহুল তথ্য, স্বদেশী আন্দোলনের ইতিহাস, কাবুলীওয়ালাদের ব্যাবসা, হাসন রাজাকে নিয়ে কথোপকথন, সেকালের খাওয়া দাওয়া, খেলাধুলা, শিশু সাহিত্যের বর্ণনা, ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস, লেখকের প্রথম প্রেমের স্মৃতি, তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাস, লেখকের ছাত্রজীবনের সিলেটের এম সি কলেজের ইতিহাস, লেখকের শান্তি নিকেতনের স্মৃতি, সেকালের খবরের কাগজের ধারণা, আই. সি. এস পরীক্ষার স্মৃতিচারণ, দেশ বিভাগের ইতিহাস সহ সত্তরের দশক পর্যন্ত অসংখ্য ঘটনা ও স্মৃতিচারণা রয়েছে বইটিতে। মুজতবা আলীর মতো তার ভাইও মুন্সীয়ানা দেখিয়েছেন তার এই স্মৃতি কথা মূলক জীবনী লেখায়। বইটি শুধু নিছক একটি আত্মজীবনী নয় তৎকালীন সময়কার বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ইতিহাসের দলিলও বটে। একমলাটে বর্ধিত কলেবরে বইটি প্রকাশ করেছে ‘বইঘর প্রকাশনী’ চট্টগ্রাম। প্রথম সংস্করণ ১৯৬৮। পৃষ্ঠা: ৩৩১। মূল্য: ৫০০ টাকা।
মুর্তাজা আলী ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দের ৯ আগস্ট রাত ২টার সময় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। তারপর তাঁকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সৈয়দ মুর্তাজা আলী সাহিত্য, গবেষণা, ইতিহাস এবং স্মৃতিচারণামূলক অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তম্মধ্যেÑগবেষণা ও ইতিহাস: ১. পশ্চিম পাকিস্তান (১৯৫২ খ্রিস্টাব্দ) ২. The History of Jaintia (১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ) ৩. History of Chittagong (১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ) ৪.Personality Profiles (১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ) ৫. হজরত শাহ্ জালাল ও সিলেটের ইতিহাস (১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ) প্রথম প্রকাশ ১৯৬৫; উৎস প্রকাশন; উৎস সংস্করণ: জুলাই ২০০৩। স্মৃতিচারণামূলক: ৬. আমাদের কালের কথা (১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ) ৭. মুজতবা-কথা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ (১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ) সাহিত্য বিষয়ক: ৮. প্রবন্ধ বিচিত্রা (১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ)
প্রবন্ধ গবেষণার জন্য তিনি ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও তাঁর মৃত্যুর পরে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে সাহিত্যে ‘মরণোত্তর স্বাধীনতা দিবস’ পুরস্কারে সম্মানিত করেন। তথ্যসূত্র : ১.আমাদের কালের কথা (১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ)। ২. সৈয়দ মুর্তাজা আলী (জীবনীগ্রন্থ) আবদুল মান্নান সৈয়দ। ৩. হজরত শাহ্ জালাল ও সিলেটের ইতিহাস (১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ)। ৪. সৈয়দ মুর্তাজা আলী, মো: হারুন-অর-রশীদ, বাংলাপিডিয়া (সিডি সংস্করণ)। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।

 

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT