বিশেষ সংখ্যা

বাঙালির শোক ও বেদনার দিন

আবু সালেম হোসাইন প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-০৮-২০১৯ ইং ০০:৫৩:৫২ | সংবাদটি ৩১৬ বার পঠিত

শোক হোক শক্তি-আগস্ট মাস আসলেই এই স্লোগান ধ্বনিত হয় বাংলার আকাশে বাতাসে। তবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হারানোর যে শোক, এই শোক বহুমাত্রিক রূপধারণ করতে পারে। এই শোক হতে পারে মুজিব আদর্শের প্রকৃত সৈনিক হওয়ার দৃপ্ত শপথ, এই শোক হতে পারে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের অদম্য প্রত্যয়, এই শোক হতে পারে একাত্তরের পরাজিত শক্তিকে পরিপূর্ণভাবে পরাজিত করার মাধ্যম, এই শোকের মাস হোক বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শে দীক্ষিত হওয়ার মাস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি স্লোগান, যে স্লোগান গণজাগরণ সৃষ্টি করে। বঙ্গবন্ধু একটি মন্ত্র যা আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠা করে। বঙ্গবন্ধু একটি দর্শন যা পরাধীনতার শিকলে বন্দি জাতিকে স্বাধীনতার নব প্রভায় উদ্ভাসিত করে। বঙ্গবন্ধু একটি চেতনা যা ধারণ করতে পারলে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উৎকর্ষ অবধারিত। বঙ্গবন্ধু একটি প্রেরণা; যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শক্তি জোগায়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দর্শন ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন। এজন্য তার সংগ্রামী জীবনে জেল-জুলুম এবং অত্যাচার সহ্য করে তিনি বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত রাষ্ট্র বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু আজন্ম লড়াই-সংগ্রাম করে গেছেন। অন্যায়ের কাছে তিনি কখনও মাথা নত করেননি। বঙ্গবন্ধুর এই দর্শন থেকে তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
বঙ্গবন্ধুর মূল দর্শন ছিল মানুষকে ভালোবাসা। স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে তিনি চেয়েছিলেন, এ দেশের মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি। বঙ্গবন্ধু বলতেন, ঢাকা মানেই বাংলাদেশ নয়। তার চেতনায় আমরা এখন বলছি, আমার গ্রাম আমার শহর। এমন কিছু কর্মসূচি পালন করতে হবে যাতে বর্তমান প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে গড়ে উঠে।
বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শন ছিল এ দেশের গণমানুষের সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক গভীর মানবিক সংগ্রামী দর্শন। এ দর্শনের ভিত্তিমূলে ছিল ঐতিহাসিক বিশ্বাস, যা কেবল জনগণই ইতিহাস সৃষ্টি করে। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শন অনুযায়ী, গণমানুষের মুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শেষ পর্যন্ত মুক্তি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জন্ম হলো ‘গণপ্রজাতন্ত্রী’ বাংলাদেশ, যেখানে সাংবিধানিকভাবেই ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।’ এ দর্শনের স্পষ্ট প্রতিফলনÑতার সোনার বাংলার স্বপ্ন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন, শোষণ-বঞ্চনা-দুর্দশামুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন। সাম্য, শান্তি, ভ্রাতৃত্ব, উন্নয়ন ও শোষণমুক্তির যে দর্শন জাতির পিতা দিয়ে গিয়েছেন, শুধু বাংলাদেশ নয়; শান্তির জন্য আজ বিশ্বব্যাপী বঙ্গবন্ধুর সেই দর্শন অনুসৃত হচ্ছে, বিভিন্নভাবে সে দর্শন প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্ববাসী সংগ্রাম করছে। বঙ্গবন্ধুকে জানার জন্য অনেক দেশে অনেক ভাষায় বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী অনুদিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার সংগ্রাম, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও রাষ্ট্র পরিচালনার দর্শন বিশ্বব্যাপী অনুসরণ করা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু ছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে সফল নেতা, যিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং তা বাস্তবায়িত করেছেন দেশ স্বাধীন করার মধ্য দিয়ে। এটি ইতিহাসে বিরল। মার্ক্সবাদী বা কমিউনিস্ট আদর্শের সমাজতন্ত্রী না হলেও বঙ্গবন্ধু তার নিজস্ব দীক্ষায় একটি শোষণহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম মূলনীতি যে ‘সমাজতন্ত্র’, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ব্যাপার ছিল না। বঙ্গবন্ধু মানুষে মানুষে ভেদ-বৈষম্যহীন সমাজ এবং অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য থেকেই সমাজতন্ত্রের কথা বলেছেন। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দর্শন বঙ্গবন্ধুর ’৭২ সালের সংবিধানে প্রতিফলিত হয়েছে। এটা অস্বীকার করা হলে বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা হবে। বঙ্গবন্ধু কেবল বাংলাদেশকে স্বাধীন করেননি। দেশের দর্শন কি হবে তাও তিনি বলে দিয়েছেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তার বক্তব্যগুলো শুনলেই আমরা তার প্রমাণ পাই।
বঙ্গবন্ধু হিমালয়ের মতো মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি ছিলেন অকুতোভয় সাহসের অম্লান প্রতীক।
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো আপাদমস্তক বাঙালি হওয়া। বাঙালি হবার দর্শন হচ্ছে হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাসের দর্শনের অনন্য রূপ। হাজার বছর শুধু নয় সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি (বিবিসির জরিপ মতে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। রাজনৈতিক দর্শনে প্লেটো, মেকিয়াভেলি, কার্ল মার্কস, সক্রেটিস, এরিস্টোটোল ও আরও অনেক দার্শনিকের রাজনৈতিক তত্ত্ব বিশ্বব্যাপী আলোচিত বিষয়। বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম ও বাঙালির প্রতি ভালোবাসার অমর স্বাক্ষর তিনি স্বীয় প্রাণ বিসর্জন দিয়ে রেখে গেছেন। এক্ষেত্রে মেকিয়াভেলির দর্শনের কথা স্মরণ করতে পারি যে ‘নেতাকে হতে হবে সিংহের মতো বলবান ও শৃগালের মতো ধূর্ত।’ বঙ্গবন্ধু সিংহের মতো বলবান ছিলেন সত্যিই, কিন্তু কোন প্রকার ধূর্ততা, শঠতার আশ্রয় তিনি নেননি। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাস্তববাদী এবং আত্মবিশ্বাসী মহান নেতা। বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা দর্শনের মূলে দেখব ‘একটি বৈষম্যহীন শোষণহীন উন্নত রাষ্ট্রব্যবস্থা’ প্রবর্তনের জন্য আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রগতিশীল উৎপাদনমুখী দেশপ্রেমিক জনসমষ্টি সৃষ্টিতে শিক্ষাকে অভিযোজিতকরণের দিকনির্দেশনা। বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে প্রথমে মনোযোগী হয়েছিলেন এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের শিক্ষা পুনর্গঠনে। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ‘শিক্ষাই হবে মুক্তির হাতিয়ার।’ এই মুক্তি হবে সংকীর্ণতা থেকে মুক্তি, এই মুক্তি হবে মানবতার মুক্তি, সাম্প্রদায়িকতা এবং মৌলবাদ থেকে মুক্তি, এই মুক্তি হবে দরিদ্র শোষিত জনগণের মুক্তি, এই মুক্তি হবে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি। আর শিক্ষার মাধ্যমেই গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তার আজন্মলালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা। তাই তো তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে যেমন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তেমনি সাহিত্য, ভাষা, সংস্কৃতি ইত্যাদি বিষয়কেও গুরুত্ব প্রদান করেছিলেন।
গোটা ষাটের দশকের গণআন্দোলনের ধারাবাহিকতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে জনগণের অভিব্যক্ত আশাবাদ ছিল বঙ্গবন্ধুর আর্থসামাজিক উন্নয়নের নীতি-পদক্ষেপের মূল প্রেরণা। সময়ের এবং বাস্তবতার কারণে উন্নয়ন কৌশল পরিবর্তন স্বাভাবিক বটে। উন্নয়ন কৌশল ও মালিকানার ধরনে পরিবর্তন সত্ত্বেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৌলিক চিন্তাধারা, আদর্শ এবং উন্নয়ন-দর্শন কেবল প্রাসঙ্গিকই নয়, আজও বাঙালি জাতির এগিয়ে যাওয়ার দিকদর্শন হিসেবে চির অম্লান হয়ে আছে। জাতির পিতার জীবনের দুটি ব্রত ছিল। একটি বাঙালি জাতির জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, অন্যটি স্বাধীনতার সুফল যাতে মানুষ পায় সে লক্ষ্যে অর্থনৈতিক মুক্তি তথা একটি উন্নত-সমৃদ্ধ এবং ভেদ-বৈষম্যমুক্ত সমাজ নির্মাণ। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য দেশকে সম্পদশালী করা এবং সেই সম্পদের মালিক যাতে গরিব-দুঃখী মানুষ হতে পারে, তা নিশ্চিত করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শনের মোদ্দা কথা।
তার এ আপসহীন সংগ্রামী ভূমিকা আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য আদর্শস্বরূপ। একদিন যে আঙুল উঁচিয়ে বাঙালি জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, বলেছিলেন-‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ সেই স্বাধীন বাংলাদেশে তার আঙুল চিরদিনের জন্য নিস্তেজ করে দেয়ার চেষ্টায় তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে ঘাতকরা কিন্তু সফল হয়নি, সেই উঁচিয়ে ধরা আঙুল আজও আমাদের প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি মৃত্যুহীন। প্রাণী হিসেবে মানুষ মরণশীল বলে সবারই একটি মৃত্যুদিন থাকে। তবে কোনো কোনো মানুষের শুধু দেহাবসানই ঘটে, মৃত্যু হয় না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যিনি আমাদের জাতির পিতা, তার কি মৃত্যু হতে পারে? না, তিনি মৃত্যুহীন। চির অমর। আজকের দিনে বঙ্গবন্ধুর স্বনির্ভর ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার এবং কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের বিশ্বের দরবারে পরিচিত করার সময়। বঙ্গবন্ধু একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন। স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় অতিক্রম করার পরও আমরা সেই স্বপ্ন পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হইনি সত্য; আমরা আশা করব, সরকার তার রাজনৈতিক অঙ্গীকার পূরণের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনকে বাস্তবায়ন করতে পারবে। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনের অনন্য দিক বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা আজ সর্বত্র প্রশংসিত বলেই ইউনেসকো বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
মূলত ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত পর্যন্ত বাংলার জনগণকে বঙ্গবন্ধু ধাপে ধাপে সার্বিকভাবে প্রস্তুত করতে পেরেছিলেন বলেই তিনি মহান জননেতা। তিনিই স্বাধীনতার মহান স্থপতি। তিনিই বঙ্গবন্ধু, তিনিই জাতির পিতা। তিনিই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। তাই বলতে হয় যে, জাতীয় শোক দিবস বাংলাদেশের একটি জাতীয় দিবস। প্রতিবছরের ১৫ আগস্ট জাতীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে এ দিবসটিতে শোকের সাথে পালন করা হয়। এ দিবসে কালো পতাকা উত্তোলন ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত রাখা হয়। বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করে, তারা বাংলাদেশকেই হত্যা করতে চেয়েছিল, মুছে দিতে চেয়েছিল এই দেশটিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে। দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাসে আমরাই তো একমাত্র জাতি, যারা সশস্ত্র সংগ্রাম করে প্রত্যক্ষ যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছি একটি মানুষের ডাকে, একটিমাত্র রণমন্ত্র কণ্ঠে ধারণ করে। সেই মানুষটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর সেই রণমন্ত্র ‘জয় বাংলা’। কার সাধ্য এ জাতির গতিরোধ করে, যখন এ জাতি পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর মতো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালির এক সন্তান; আর যখন তার বাহুতে আজও বঙ্গবন্ধুরই শক্তি রয়েছে বহমান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে কিন্তু তার আদর্শ সদা জীবন্ত; যা বাঙালিকে নিরন্তর জাগ্রত ও উজ্জীবিত করে রেখেছে।
লেখক : প্রভাষক।

 

শেয়ার করুন
বিশেষ সংখ্যা এর আরো সংবাদ
  • সিলেট ও রবীন্দ্রনাথ
  • দার্শনিক রবীন্দ্রনাথ
  • রবীন্দ্রনাথ ও মাছিমপুরের মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া
  • রবীন্দ্রনাথের হাতে ১২শ’ টাকার চেক দিয়েছিলেন এক সিলেটি
  • বাঙালির শোক ও বেদনার দিন
  • ইতিহাসের চোখে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড
  • দাবায়ে রাখতে পারবা না
  • কুরবানি : ইতিহাসের আলোকে
  • রক্তিম সূর্য
  • খুঁজে ফিরি সেই লেইছ ফিতা
  • কুরবানি ও কয়েকটি মাসআলা
  • সত্য ও ন্যায়ের পক্ষেই আমাদের দৃঢ় অবস্থান
  • আমার লেখকস্বত্তার অংশীদার
  • এই জনপদে ঐতিহ্যের ধারক সিলেটের ডাক
  • প্রিয় কাগজ, সাহসী কাগজ
  • পাঠকের প্রিয় সিলেটের ডাক
  • পাঠকনন্দিত সিলেটের ডাক
  • সিলেটের ডাকের তিন যুগ
  • সিলেটের ডাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে
  • সিলেটের ডাক : আলোর দিশারী
  • Developed by: Sparkle IT