শেষের পাতা

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো

প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-০৮-২০১৯ ইং ০২:২৯:৪১ | সংবাদটি ২৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ঃ পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটিতে সিলেটের পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে লেগেছে আনন্দের ঢেউ। হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত পর্যটন কেন্দ্রগুলো। স্পটগুলো ছোট-বড় সব শ্রেণির মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। পরিবার পরিজন, বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠেন সকলে। কেউ ঘুরে বেড়াচ্ছেন, দলবেঁধে চলছে গান-গল্প, সময় আর সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে তুলছেন ছবি। বর্ণিল আনন্দে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস ছিল বেশি। দলবেঁধে তারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক স্পট থেকে অন্য স্পটে। বৃষ্টি মাঝে মধ্যে বাগড়া ঘটালেও আনন্দে ভাটা পড়েনি এতটুকু।
ঈদের পরের দিন মঙ্গলবার থেকেই সিলেটের পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঢল নামে মানুষের। বিভিন্ন আকর্ষণীয় ও দর্শনীয় স্পট এবং স্থাপনাগুলোতে ছুটে গেছেন স্থানীয়রাসহ পর্যটকরা। নগরীর নিকটবর্তী মালনীছড়া ও লাক্কাতুড়া চা বাগানে নেমেছে পর্যটকের ঢল। প্রচন্ড ভিড় লেগেছে ওসমানী শিশু উদ্যান, ড্রিমল্যান্ড পার্ক, এডভেঞ্ছার ওয়ার্ল্ড, কিনব্রিজ সংলগ্ন সুরমা নদীর তীর, টিলাগড় ইকোপার্কে। এছাড়া, কোম্পানীগঞ্জস্থ ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর, গোয়াইনঘাটের বিছনাকান্দি ও জাফলং, জৈন্তাপুরের সারি নদী, সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের টাঙ্গুয়ার হাওর, সদরের হাসান রাজার বাড়ি, হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, মৌলভীবাজারের বড়লেখার মাধবকুন্ড, কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, পদ্মকন্যা নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য রাজকান্দি বন, শ্রীমঙ্গলের চা কন্যা, বিটিআরআইসহ পরিচিত-অপরিচিত বিনোদন কেন্দ্রগুলো ছিল সকল শ্রেণি পেশার মানুষের পদচারণায় মুখরিত। এছাড়া, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন রিসোর্ট ও মোটেল-হোটেলগুলোতেও ছিল পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।
এদিকে, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) থেকে আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতা সুব্রত দেবরায় সঞ্জয় জানান, কমলগঞ্জের পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো পর্যটকদের পদভারে মুখরিত ছিল। বৃষ্টি উপেক্ষা করেও পর্যটকরা ছুটে এসেছেন কমলগঞ্জের জীববৈচিত্র্যের অপরূপ সমাহার দেখতে। এদিকে, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত ছিলেন ট্যুরিস্ট পুলিশসহ পুলিশের বিভিন্ন বিভাগ।
গোয়াইনঘাট (সিলেট) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা মনজুর আহমদ জানান, ঈদের ছুটিতে প্রতি বছর পর্যটকদের ঢল নামে গোয়াইনঘাটের প্রত্যেকটি পর্যটন কেন্দ্রে। এবারও জাফলং, বিছনাকান্দি ও রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট এলাকায় ভ্রমণ পিপাসুদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। এক সময় এখানকার পর্যটন কেবল জাফলং কেন্দ্রীক ছিল। কিন্তু অল্প কয়েক বছরে গোয়াইনঘাটে আরো ৫/৬ টি পর্যটন কেন্দ্র আবিষ্কৃত হওয়ায় দেশের পর্যটকদের দৃষ্টি এখন গোয়াইনঘাটের দিকে। শাহপরান গেইট থেকে হরিপুর পর্যন্ত গাড়িতে বসে বসে মহাসড়কের দু-ধারে সবুজ অরণ্য আর ছোট ছোট পাহাড় দেখে মন ভরে যায়। তখন মনে হয় ধিরে ধিরে যেন হারিয়ে যাচ্ছেন অচেনা কোন রূপকথার রাজ্যে। হরিপুর অতিক্রম করার পর, সাপের মতো আঁকা বাঁকা পিচ ঢালা পথ ধরে ক্ষ্যাপা নদী ও মেধল হাওরসহ অন্যান্য হাওর আঞ্চলের মধ্য দিয়ে চলার পথে মন হারিয়ে যায় দূরে বিলের জলে মিশে যাওয়া নীলাভ আকাশের পানে। সারিঘাট পৌঁছানোর পর দেখা মিলে বাংলার নীলনদ খ্যাত পাহাড়ী নদী সারী’র সাথে। যে নদীর পানির ¯্রােত কখনো উজানে আবার কখনো বা ভাটির টানে চলে। নদীর একপাশে পানির রঙ আসমানী অন্য পাশে ধবল। নদীর মাঝে মাঝে ছোট্ট দ্বীপের মতো ভেসে থাকা হাজার বছরের পুরনো শিলা। নদীর বাংলাদেশ সীমান্তে লালাখালে পর্যটকদের জন্য রয়েছে বিলাসবহুল নাজিম গড় রিসোর্ট। এসব দেখতে দেখতে একসময় গাড়িতে করে পৌঁছে যাওয়া যাবে জাফলং পর্যটন এলাকায়। সেখানে জৈন্তাহিল রিসোর্টসহ পর্যটকদের থাকা ও খাওয়ার জন্য রয়েছে, বেশ কিছু হোটেল, মোটেল ও রেস্টুরেন্ট। এখানে কোন পান্থশালায় বিশ্রাম নিয়ে চলে যান জাফলং জিরো পয়েন্টে। জিরো পয়েন্টে প্রতিদিন ঢল নামে দেশি-বিদেশি হাজার পর্যটকের। জিরো পয়েন্টে ঝুলন্ত ব্রিজের নিচে নানা রঙের পাথরে চিকচিক করা স্বচ্ছ ও ¯িœগ্ধ জলে রাজ হংসের ন্যায় গা ভাসাতে থাকেন পর্যটকগণ। সেখানে একই স্থানে বাংলাদেশ ও ভারতের পর্যটকদের মিলেমিশে আনন্দ করতে দেখা যায়। জিরো পয়েন্টের প্রায় ৫০ গজ পশ্চিমে খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড়ের গায়ে রিমঝিম ছন্দে বহমান মায়াবী ঝর্ণায় জলকেলিতে যুবক, যুবতী ও নানা বয়সীদের দেখা যায়। তারপর পর্যটকদের মুগ্ধ করে আদিবাসী খাসিয়াদের বসতি সংগ্রাম পুঞ্জি, নকশিয়ার পুঞ্জি ও লামা পুঞ্জি। পুঞ্জিতে মাঁচার উপর খাসিয়াদের ঘর ও পানসুপারি বাগান দেখে পৌঁছে যাওয়া যায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমতল চা উৎপাদন স্থান জাফলং চা-বাগানে। আবার অনেক পর্যটক চলে যান বিছনাকান্দি। ফেরার পথে বাংলার ‘২য় সুন্দরবন’ রাতারগুলে ভিড় করেন পর্যটকরা। এদিকে, পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রত্যেকটি পর্যটনকেন্দ্রে আইন শৃংখলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। সরেজমিন রাতারগুলে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ, যুবক-যুবতীরা নৌকাযোগে মনের আনন্দে বনের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কোন বাধাঁ না থাকলে সেখানে তারা দিনাতিপাত করতেন। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে পর্যটন কেন্দ্র ত্যাগ করা শুরু করেন ভ্রমণ পিপাসুরা। জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার পাল জানান, ইতোমধ্যে জনপ্রতিনিধি, আইনশৃংখলা বাহিনী,সাংবাদিক ও সুধীজন নিয়ে একাধিক মতবিনিময় সভা করেছি। প্রত্যেক পর্যটন এলাকায় রয়েছে পর্যটক তথ্যকেন্দ্র, রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। গোয়াইনটের ওসি মোঃ আব্দুল আহাদ জানান পর্যটকদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়েছি। যাতে করে পর্যটকরা নিরাপদে ফিরতে পারেন সেদিকে আমরা খেয়াল রাখছি। পর্যটন এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরা রয়েছে। রাতারগুলে বেড়াতে আসা কলেজ শিক্ষক শামিম আহমদ জানান এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য অত্যন্ত মনোরম। কিন্তু রাস্তাঘাটের অবস্থা আরও উন্নত করা প্রয়োজন। কুষ্টিয়ার এক ব্যবসায়ী রহিম শিকদার বলেন, পরিবারের সকলকে নিয়ে এসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে আমরা মুগ্ধ।
সুব্রত দেবরায় সঞ্জয় কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) থেকে ঃ পবিত্র ঈদুল আযহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছে কমলগঞ্জ উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো। জীববৈচিত্র্যে ভরপুর বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, পদ্মকন্যা নয়নাভিরাম মাধবপুর লেক, ঝর্নাধারা হামহাম জলপ্রপাত, ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী ধলই চা বাগানে অবস্থিত মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্যের বাহক বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ, বণ্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য রাজকান্দি বন, শমসেরনগর বিমানবন্দর, প্রাচীন ঐতিহ্যের বাহক লক্ষ্মীনারায়ণ দিঘী, ২শ বছরের প্রচীন ছয়চিরী দিঘী, শমসেরনগর বাগীছড়া লেক, আলীনগর পদ্মলেক, মাগুরছড়া পরিত্যক্ত গ্যাসফিল্ড, ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, অপরূপ শোভামন্ডিত উঁচু নিচু পাহাড়বেষ্টিত সারিবদ্ধ চা বাগান, শিল্পকলা সমৃদ্ধ মণিপুরী, প্রকৃতির পূজারী খাসিয়া, গারো, সাঁওতাল, মুসলিম মণিপুরী, টিপরা ও গারোসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসত্তার জীবন ধারা ও সংস্কৃতিসহ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই জনপদ পর্যটকদের মন ও দৃষ্টি কেড়ে নেয়। পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে এসব আকর্ষণীয় পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছিল। বুধবার সকালে মাধবপুর লেক আর লাউয়াছড়া উদ্যানে দেখা মিলে দূর-দূরান্ত থেকে আগত ভ্রমণপ্রেমীদের। এদের মধ্যে সপরিবারে ঘুরতে আসা পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। ঈদের দিনের চেয়ে মঙ্গলবার ও বুধবার লোকজনের উপস্থিতি ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি। বৃষ্টি উপেক্ষা করেও পর্যটকরা ছুটে এসেছেন জীববৈচিত্র্যের অপরূপ সমাহার দেখতে। ঈদের ছুটিতে লাউয়াছড়ায় জাতীয় উদ্যানে ঘুরতে আসা চাকুরিজীবী রেজাউল ইসলাম, সুমন আহমেদ, গৃহিনী তাসলিমা চৌধুরী জানান, লাউয়াছড়ার বন একটি সমৃদ্ধ বন। প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দয আর জীব বৈচিত্র্যে ভরপুর এই বনটি যে কেউ দেখলে মন জুড়িয়ে যাবে। কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর চা বাগানে নয়নাভিরাম মনোরম দৃশ্য মাধবপুর লেকে বিপুল পরিমাণ পর্যটকদের ঢল নেমেছিল। পাহাড়ি টিলার উপর সবুজ চা বাগানের সমারোহ, জাতীয় ফুল দুর্লভ বেগুনী শাপলার আধিপত্য, ঝলমল স্বচ্ছ পানি, ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ, শাপলা শালুকের উপস্থিতি, ডবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জি, শমসেরনগর বাগীছড়া লেক, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধসহ কমলগঞ্জের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোতেও পর্যটকদের উপস্থিতি ছিলো দেখার মতো। বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লাউয়াছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন জানান, এ ঈদের অন্যান্য সময়ের তুলনায় পর্যটকের সমাগম ঘটেছে অধিক। তবে ঈদে পর্যটকদের উপস্থিতি সব সময়েই বেশি হয়ে থাকে। মেঘ-বৃষ্টি উপেক্ষা করেও আগত অত্যধিক পর্যটকের কারণে কিছুটা বিঘœ হওয়ার কথা স্বীকার করেন। পর্যটকদের জন্য নিয়ন্ত্রিত ট্যুরিজমের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কমলগঞ্জ থানা পুলিশ, পর্যটন পুলিশ ও সিএমসি সদস্যদের নিয়ে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও প্রকৃতি ভ্রমণ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন
শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • ধর্মপাশায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
  • বড়লেখায় তিন গরু চোর গ্রেপ্তার
  • দু’ডাকাতসহ ইয়াবা চা পাতা উদ্ধার
  • বিয়ানীবাজারে স্কুল ছাত্রী পাশবিক নির্যাতনের তিনদিন পর থানায় মামলা
  • কাবুলে বিয়ের আসরে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৬৩
  • কমলগঞ্জে সাত পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ
  • ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও পুলিশের সহযোগিতা
  • অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
  • ওসমানীনগরে জাতীয় শোক দিবস পালনের সরকারি টাকা পায়নি বিদ্যালয়গুলো
  • নগরীতে রিকসা ভাড়ার নিয়ন্ত্রণ নেই
  • জাতির পিতার শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সিসিকের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
  • জাতির পিতার জন্ম না হলে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না
  • ‘নানকার কৃষক আন্দোলন পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভূক্তির দাবি’
  • ছবি
  • কোম্পানীগঞ্জকে শিক্ষাক্ষেত্রে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়
  • আ ন ম শফিকুল হকের মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
  • বঙ্গবন্ধু ছিলেন শোষিত ও নিপীড়িত মানুষের আপনজন ... বদর উদ্দিন আহমদ কামরান
  • মাধবপুরে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত দুর্ধর্ষ ডাকাত এরশাদ আলী গ্রেফতার
  • সিরিজ বোমা হামলার বিচার অবশ্যই হবে
  • ২০৫০ সালের পর বাংলাদেশে মানুষ কমতে থাকবে
  • Developed by: Sparkle IT