প্রথম পাতা

    রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহ দুঃখজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ২৩-০৮-২০১৯ ইং ০৪:৪৯:০২ | সংবাদটি ১১০ বার পঠিত

ডাক ডেস্ক : নিপীড়নের মুখে পালিয়ে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কেউ মিয়ানমারে ফিরে যেতে রাজি না হওয়াকে ‘দুঃখজনক’ বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
একদফা পেছানোর পর বৃহস্পতিবার থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর কথা থাকলেও দুপুর পর্যন্ত কেউ ফিরতে রাজি না হওয়ায় বিকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এ প্রতিক্রিয়া জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার চেয়েছে বৃহস্পতিবার থেকেই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হোক। কিন্তু রোহিঙ্গারা যে যেতে চাচ্ছে না- ‘এটা দুঃখজনক। এটা আমরা প্রত্যাশা করি না’।
তবে বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি বলার জন্য বিকাল ৪টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে মোমেন জানান।
প্রত্যাবাসন শুরু না হলে কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এরপরও আমরা প্রক্রিয়াটা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব। আমরা জোর করে কিছু করব না।
“আমরা প্রস্তুত, আমাদের কোনো গাফিলতি নাই। আস্থার যে ঘাটতি আছে সেটা দূর করতে মিয়ানমারকেই কাজ করতে হবে। আমরা আশায় বুক বেঁধে আছি।”
প্রত্যাবাসনের কার্যক্রম দেখতে মিয়ানমার ও চীনের প্রতিনিধিরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে রয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মিয়ানমার ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্বলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও লিফলেট বিলির প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “কারা প্ল্যাকার্ড বা লিফলেট করে দিচ্ছে, তাদের আমরা চিহ্নিত করছি।
“তারা বিভিন্ন ডিমান্ড করছে। তাদের ডিমান্ডের কাছে আমরা জিম্মি হতে পারি না।”
রোহিঙ্গা এখানে রয়েছে, সেকারণে ফিরে যেতে চাইছে না- এ মন্তব্যে মোমেন বলেন, বাংলাদেশ সরকার অনেক টাকা খরচ করেছে। আগামীতে হয়ত এই আরাম থাকবে না।
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতিসহ মিয়ানমারের রাখাইনের পরিস্থিতি ঘুরে দেখার জন্য একটা কমিশন গঠনের পরিকল্পনার কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এর আগে গতবছর ১৫ নভেম্বর প্রত্যাবাসন শুরুর সব প্রস্তুতি নিয়ে দিনভর অপেক্ষা করার পরও মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে রোহিঙ্গাদের মনে আস্থা তৈরি না হওয়ায় সেই চেষ্টা ভেস্তে যায়।
তারা বলছেন, মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর আগে তাদের নাগরিকত্ব, জমি-জমা ও ভিটেমাটির দখল, নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
এক বছর আগের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর দুই সরকারের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের পাঠানো তালিকা থেকে ৩ হাজার ৪৫০ জনকে রাখাইনের অধিবাসী হিসাবে চিহ্নিত করে তাদের ফেরত নিতে রাজি হওয়ার কথা গত সপ্তাহে জানায় মিয়ানমার।
এরপর গত তিন দিন ধরে ইউএনএইচসিআরকে নিয়ে বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনারের কার্যালয় ফেরার বিষয়ে মনোভাব জানতে রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। প্রত্যাবাসনের জন্য নির্বাচিত শরণার্থীরা কক্সবাজারের ২৪, ২৬ ও ২৭ নম্বর শিবিরে আছেন। গত দুদিনে ২৩৫ পরিবারের সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবারও সাক্ষাৎকার চলছিল।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ছবি
  • সিলেটে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগোতে হবে।
  • রাজনগরে মাদ্রাসা শিক্ষক অজ্ঞান পার্টির খপ্পড়ে তিন লাখ টাকা লুট
  • ছাতকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও নবীগঞ্জে নারীর মৃত্যু
  • ‘ইউএন বাংলা ফন্ট’ চালু করতে যাচ্ছে ইউএনডিপি
  • মহানগরী এলাকায় পলিথিন ব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের আহ্বান সিসিকের
  • অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচী
  • একুশের প্রথম প্রহরে...
  • মহান একুশ আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ.মান্নান এমপি
  • একুশে পদক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • সিলেট বোর্ডে গতকালের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৩৮ পরীক্ষার্থী
  • এসএসসি পরীক্ষার্থী দুর্বৃত্তের হামলায় আহত
  • বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকতে পূর্বাচলে হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু চত্বর’
  • দোয়ারাবাজারে পিআইসির গর্ত থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
  • সিলেট প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক আজ
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যানজট এড়াতে এসএমপির ট্রাফিক বিভাগের নির্দেশনা
  • আমার নামে কোন গ্রপিংয়ের সুযোগ নেই দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা চাই
  • হাই কোর্টে খালেদার জামিন শুনানি রোববার
  •  খালেদাকে নিয়ে বারবার উত্তর দিতে চাই না: কাদের
  • যুক্তরাজ্যে কম দক্ষ শ্রমিকদের ভিসা না দেয়ার পরিকল্পনা
  • Developed by: Sparkle IT