প্রথম পাতা

    রোহিঙ্গাদের অনাগ্রহ দুঃখজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ২৩-০৮-২০১৯ ইং ০৪:৪৯:০২ | সংবাদটি ৪২ বার পঠিত

ডাক ডেস্ক : নিপীড়নের মুখে পালিয়ে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কেউ মিয়ানমারে ফিরে যেতে রাজি না হওয়াকে ‘দুঃখজনক’ বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
একদফা পেছানোর পর বৃহস্পতিবার থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর কথা থাকলেও দুপুর পর্যন্ত কেউ ফিরতে রাজি না হওয়ায় বিকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এ প্রতিক্রিয়া জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার চেয়েছে বৃহস্পতিবার থেকেই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হোক। কিন্তু রোহিঙ্গারা যে যেতে চাচ্ছে না- ‘এটা দুঃখজনক। এটা আমরা প্রত্যাশা করি না’।
তবে বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হয়নি বলার জন্য বিকাল ৪টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে মোমেন জানান।
প্রত্যাবাসন শুরু না হলে কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এরপরও আমরা প্রক্রিয়াটা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব। আমরা জোর করে কিছু করব না।
“আমরা প্রস্তুত, আমাদের কোনো গাফিলতি নাই। আস্থার যে ঘাটতি আছে সেটা দূর করতে মিয়ানমারকেই কাজ করতে হবে। আমরা আশায় বুক বেঁধে আছি।”
প্রত্যাবাসনের কার্যক্রম দেখতে মিয়ানমার ও চীনের প্রতিনিধিরা কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে রয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মিয়ানমার ফিরে যাওয়ার ক্ষেত্রে শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সম্বলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন ও লিফলেট বিলির প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “কারা প্ল্যাকার্ড বা লিফলেট করে দিচ্ছে, তাদের আমরা চিহ্নিত করছি।
“তারা বিভিন্ন ডিমান্ড করছে। তাদের ডিমান্ডের কাছে আমরা জিম্মি হতে পারি না।”
রোহিঙ্গা এখানে রয়েছে, সেকারণে ফিরে যেতে চাইছে না- এ মন্তব্যে মোমেন বলেন, বাংলাদেশ সরকার অনেক টাকা খরচ করেছে। আগামীতে হয়ত এই আরাম থাকবে না।
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতিসহ মিয়ানমারের রাখাইনের পরিস্থিতি ঘুরে দেখার জন্য একটা কমিশন গঠনের পরিকল্পনার কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এর আগে গতবছর ১৫ নভেম্বর প্রত্যাবাসন শুরুর সব প্রস্তুতি নিয়ে দিনভর অপেক্ষা করার পরও মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে রোহিঙ্গাদের মনে আস্থা তৈরি না হওয়ায় সেই চেষ্টা ভেস্তে যায়।
তারা বলছেন, মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর আগে তাদের নাগরিকত্ব, জমি-জমা ও ভিটেমাটির দখল, নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
এক বছর আগের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর দুই সরকারের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের পাঠানো তালিকা থেকে ৩ হাজার ৪৫০ জনকে রাখাইনের অধিবাসী হিসাবে চিহ্নিত করে তাদের ফেরত নিতে রাজি হওয়ার কথা গত সপ্তাহে জানায় মিয়ানমার।
এরপর গত তিন দিন ধরে ইউএনএইচসিআরকে নিয়ে বাংলাদেশের শরণার্থী কমিশনারের কার্যালয় ফেরার বিষয়ে মনোভাব জানতে রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। প্রত্যাবাসনের জন্য নির্বাচিত শরণার্থীরা কক্সবাজারের ২৪, ২৬ ও ২৭ নম্বর শিবিরে আছেন। গত দুদিনে ২৩৫ পরিবারের সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবারও সাক্ষাৎকার চলছিল।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • নিরাপত্তা চেয়ে সিলেটের ৫৬ টেলিভিশন সাংবাদিকের জিডি
  • শাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে বেনামে শে^তপত্র প্রকাশ উন্নয়ন প্রকল্পে হরিলুট করতে চায় একটি চক্র: উপাচার্য
  • সিলেটে সমাবেশ করার জন্য প্রস্তুত বিএনপি
  • জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রীর আবুধাবী ত্যাগ
  • গুলশানে তিনটি স্পা সেন্টারে অভিযান, আটক ১৯
  • ব্যর্থ সরকার জুয়ার আশ্রয় নিয়েছে: ফখরুল
  • টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের রক্ষা নেই: কাদের
  • তিন উপজেলায় লিফলেট বিতরণকালে আটক ১২
  • নদীতে লাফ দিয়ে নিখোঁজের ১৩ ঘন্টা পর ছাতকে যুবলীগ নেতার লাশ উদ্ধার
  • প্রেসিডিয়াম গঠন আজ ॥ সভাপতিসহ তিনটি পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছে দুটি প্যানেল
  • লিডিং ইউনিভার্সিটি উচ্চ শিক্ষার অনন্য সূতিকাগার
  • সংখ্যাগরিষ্টতা পেয়েছে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ
  • আফগানদের হারালো বাংলাদেশ
  • দুর্নীতির দায় নিয়ে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত : বিএনপি
  • সারাদেশে পর্যায়ক্রমে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে -------ওবায়দুল কাদের
  • ডা.দেওয়ান নূরুল হোসেন চঞ্চলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • জি কে শামীম ১০ দিনের রিমান্ডে
  • ঝুঁকিপূর্ণ সিলেট রেলপথ
  • কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের ফিরোজ ১০ দিনের রিমান্ডে
  • ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর থেকে দুই জনের লাশ উদ্ধার
  • Developed by: Sparkle IT