পাঁচ মিশালী

কংস নিধন

অনিতা রাণী দাস প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০৮-২০১৯ ইং ০০:২৪:০০ | সংবাদটি ১৭৮ বার পঠিত


ওগো অন্তর্যামী আজ তুমি সবার অন্তরে,
তুমি হও মুক্তিদাতা মুকন্দমুরারী।
চতুর্ভুজধারী যিনি, ভক্তের সম্মুখ হয়ে আবির্ভূত,
শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্ম কারাগার হয় আলোকিত।
বিস্মিত হয়ে দেখে দেবকী, অপূর্ব সেই রূপ!
ভক্তি ভরে করেন স্তুতি, জ্বেলে মনের দ্বীপ ধূপ।
স্মিত হেসে প্রভু! ভক্তকে দিয়ে মধুর সান্ত¦না,
লুকালেন সেই জ্যোতি, করে ছলনা।
শিশুরূপে আবির্ভূত, কংসের কারাগারে,
দুষ্টের দমন শিষ্ঠের পালনে, আসেন ফিরে ফিরে।
ভাদ্র মাসের কৃষ্ণা অষ্টমী, পূণ্য লগ্নতিথি,
জন্ম নিলেন শ্রীকৃষ্ণ, ধরায় জগৎপতি।
পিতা-মাতা দুঃখ ভুলেন শিশুরূপ দেখে,
দৈববাণী হল হঠাৎ, নন্দালয়ে আসো রেখে।
এই কথা শুনে তাদের বজ্র পড়ে মাথে,
নিষ্ঠুর কংস কেড়ে নেবে এসে রাত প্রভাতে।
নিদ্রামগ্ন দ্বার প্রহরী, মোহমায়া ছলে,
দুর্যোগরাতে বের হলেন বসু, শিশু নিয়ে কোলে।
যমুনা পার হয়ে বসু গোকুলে পদার্পণ,
যশোমতির কন্যা নিয়ে দিলেন আপন ধন।
কন্যা নিয়ে বসুদের, ফিরেন কারাগারে,
প্রত্যুষে এসে কংস শিশু নিল কেড়ে।
উদ্যত হল কংসাসুর আছাড় মারতে পাষাণে,
হাত ফসকে ঊর্ধে কন্যা, মিলিয়ে গেল মহাশূন্যে।
ওরে মূর্খ- তোরে যে বধিবে সে বাড়িছে গোকুলে,
দৈববাণী শুনে কংস অগ্নি হেন জ্বলে।
নন্দ-যশোমতির কোলে কৃষ্ণ, দিনে দিনে বাড়েন,
দ্বাদশ বৎসরে প্রভু! কংসাসুর বধ করেন।

 

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT