প্রথম পাতা সিলেটে পৌঁছে বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ব্যর্থতার দায় মিয়ানমারের

স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০৮-২০১৯ ইং ০২:৫৭:০৮ | সংবাদটি ৮০ বার পঠিত

সব প্রস্তুতি থাকা সত্বেও রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে রাজি না হওয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার জন্য মিয়ানমারের দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থা তৈরি করতে পারেনি বলেই তারা ফিরতে রাজি হচ্ছে না। তবে দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তাদের রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতেই হবে। আর তাদেরও ফিরে যেতে হবে। বাংলাদেশ তাদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারবে না।’
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারকে বলবো, তোমরা এখনও বিশ্বস্থতা অর্জন করতে পারোনি। যে কারণে রোহিঙ্গারা যেতে চায়নি। এজন্য রোহিঙ্গা নেতাদের রাখাইনে নিয়ে তাদের জন্য কী ব্যবস্থা করা হয়েছে ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য মিয়ানমারকে প্রস্তাব দেবো। সেখানে চীন ১০০ টি এবং ভারত ২৫০ বাড়ি বানিয়ে দিয়েছে। সেটা রোহিঙ্গা নেতাদের দেখালে তারা হয়তো ফিরে যেতে রাজি হবে।’
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে কূটনৈতিকভাবে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছি বলেই তারা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজী হয়েছে। যারা এতোদিন তাদের পক্ষে কথা বলতো তারাও এখন আমাদের পক্ষে কথা বলছে। তারপরও রোহিঙ্গারা যায়নি। মিয়ানমার আমাদের কাছে অঙ্গীকার করেছে তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার। এখন আরও চাপ সৃষ্টি করতে হবে। আমরা তাদের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য যা যা করার করবো।’
‘আমরা তাদেরকে (রোহিঙ্গা) ফেরাতে পারিনি এটা সত্য। তবে তাদেরকে যেতে হবে। কবে যাবে সেটা হয়তো এখন বলা যাচ্ছে না। বিএনপির কাছে ভালো আইডিয়া থাকলে তাদেরকে ওয়েলকাম জানানো হবে বলেও যোগ করেন মন্ত্রী।
এর আগে বিকেলে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সিলেট এসে পৌঁছান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তিনি শনিবার সকালে কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বেলা সাড়ে ১১টায় বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার থেকে স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরতে আগ্রহীদের ঘুমধুম মৈত্রী সেতু দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথা ছিল। এজন্য সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছিল ২৯৫ পরিবারের। প্রস্তুত রাখা হয় ৫টি বাস ও ৩টি ট্রাক। তবে তাদের কেউই নিজ দেশে যেতে রাজি না হওয়ায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।
প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য চীনা দূতাবাসের দুইজন ও মিয়ানমারের একজনসহ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা টেকনাফে অবস্থান করেন। তবে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। তাদেরকে ফেরত নেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার ১ হাজার ৭শ পরিবারের ৩ হাজার ৪৫০ জনকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়। গত ৩দিন ধরে সে তালিকা যাচাই বাছাই করার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার তাদের মিয়ানমারের ফেরত পাঠানোর কথা ছিল।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • পৌরসভায় উন্নীত বিশ্বনাথ
  • ‘রবীন্দ্র শতবর্ষ স্মরণোৎসব’ উদযাপন কমিটি পুনর্গঠন
  • রক্তদান একটি মানবিক কাজ --------দানবীর ড. রাগীব আলী
  • বিভাগীয় শহর হলেই ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন
  • বিএনপির এমপি হারুনকে ৫ বছরের কারাদন্ড
  • আত্মরক্ষার্থে ভোলায় গুলি চালিয়েছে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • সরকারি চাকুরেদের গ্রেফতারের অনুমতির বিধান নিয়ে হাই কোর্টের রুল
  • ওমর ফারুক ও তার পরিবারের ব্যাংক লেনদেন স্থগিত
  • বোরহানউদ্দিনের সেই শুভসহ তিনজন কারাগারে
  • ভোলায় ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‘সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদের’
  • বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র --------------মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার
  • সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি পায়নি ঐক্যফ্রন্ট
  • আসামের গুয়াহাটিতে বাংলাদেশ ভারত স্টেক হোল্ডার বৈঠক আজ
  • বাবা ও দুই চাচা ফের রিমান্ডে
  • শাবি’র তৃতীয় সমাবর্তন ৮ জানুয়ারি
  • ওয়ার্ড-ইউনিয়নের সম্মেলন না করেই উপজেলা সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা
  • প্রধানমন্ত্রী ভোলার ঘটনায় ধৈর্য্যরে আহ্বান জানিয়েছেন দেশবাসীর প্রতি
  • ওয়ান স্টপ সার্ভিস একপে, একসেবা ও একশপ উদ্বোধন করেন সজিব ওয়াজেদ জয়
  • ওমর ফারুককে যুবলীগ চেয়ারম্যান থেকে অব্যাহতি
  • ‘জনগণ ভোট দিতে পারেনি’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মেনন
  • Developed by: Sparkle IT