প্রথম পাতা সিলেটে পৌঁছে বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ব্যর্থতার দায় মিয়ানমারের

স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০৮-২০১৯ ইং ০২:৫৭:০৮ | সংবাদটি ১৮৭ বার পঠিত
Image

সব প্রস্তুতি থাকা সত্বেও রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে রাজি না হওয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার জন্য মিয়ানমারের দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থা তৈরি করতে পারেনি বলেই তারা ফিরতে রাজি হচ্ছে না। তবে দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তাদের রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতেই হবে। আর তাদেরও ফিরে যেতে হবে। বাংলাদেশ তাদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারবে না।’
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারকে বলবো, তোমরা এখনও বিশ্বস্থতা অর্জন করতে পারোনি। যে কারণে রোহিঙ্গারা যেতে চায়নি। এজন্য রোহিঙ্গা নেতাদের রাখাইনে নিয়ে তাদের জন্য কী ব্যবস্থা করা হয়েছে ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য মিয়ানমারকে প্রস্তাব দেবো। সেখানে চীন ১০০ টি এবং ভারত ২৫০ বাড়ি বানিয়ে দিয়েছে। সেটা রোহিঙ্গা নেতাদের দেখালে তারা হয়তো ফিরে যেতে রাজি হবে।’
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে কূটনৈতিকভাবে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছি বলেই তারা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজী হয়েছে। যারা এতোদিন তাদের পক্ষে কথা বলতো তারাও এখন আমাদের পক্ষে কথা বলছে। তারপরও রোহিঙ্গারা যায়নি। মিয়ানমার আমাদের কাছে অঙ্গীকার করেছে তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার। এখন আরও চাপ সৃষ্টি করতে হবে। আমরা তাদের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য যা যা করার করবো।’
‘আমরা তাদেরকে (রোহিঙ্গা) ফেরাতে পারিনি এটা সত্য। তবে তাদেরকে যেতে হবে। কবে যাবে সেটা হয়তো এখন বলা যাচ্ছে না। বিএনপির কাছে ভালো আইডিয়া থাকলে তাদেরকে ওয়েলকাম জানানো হবে বলেও যোগ করেন মন্ত্রী।
এর আগে বিকেলে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সিলেট এসে পৌঁছান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তিনি শনিবার সকালে কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বেলা সাড়ে ১১টায় বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার থেকে স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরতে আগ্রহীদের ঘুমধুম মৈত্রী সেতু দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথা ছিল। এজন্য সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছিল ২৯৫ পরিবারের। প্রস্তুত রাখা হয় ৫টি বাস ও ৩টি ট্রাক। তবে তাদের কেউই নিজ দেশে যেতে রাজি না হওয়ায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।
প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য চীনা দূতাবাসের দুইজন ও মিয়ানমারের একজনসহ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা টেকনাফে অবস্থান করেন। তবে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। তাদেরকে ফেরত নেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার ১ হাজার ৭শ পরিবারের ৩ হাজার ৪৫০ জনকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়। গত ৩দিন ধরে সে তালিকা যাচাই বাছাই করার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার তাদের মিয়ানমারের ফেরত পাঠানোর কথা ছিল।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • না ফেরার দেশে এন্ড্রু কিশোর
  • ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৩২০১, মৃত্যু ৪৪
  • স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা, বেড়েছে তেলের দর
  • স্কুল-কলেজে পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের পাসের ঘোষণা আসতে পারে
  • এবার কাবাঘর ছুঁতে পারবেন না হাজিরা
  • আজ বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড
  • কিট নিয়ে ঔষধ প্রশাসন পজিটিভ : গণস্বাস্থ্য
  • ফের হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার না করার পরামর্শ ডব্লিউএইচওর
  • দেশে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল, নতুন শনাক্ত ২৭৩৮
  • সিকৃবিতে ৪র্থ সিলেট চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা উঠছে আজ
  • মধুশহীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত
  • আবারো করোনা ‘পজিটিভ’ মাশরাফি
  • করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফি তুলে দেওয়ার দাবি বিএনপির
  • সারাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধের হুমকি
  • দেড় কোটির বেশি পরিবারকে সরকারি ত্রাণ সহায়তা প্রদান
  • রাজধানীর ওয়ারী’তে ২১ দিনের লকডাউন শুরু
  • বাড়িওয়ালাদের সদয় হতে ওবায়দুল কাদেরের আহ্বান
  • সিলেট বিভাগে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা
  • ভারত-চীন উত্তেজনার মধ্যেই লাদাখ সফরে মোদি
  • যুক্তরাজ্যের বর্ষসেরা চিকিৎসক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারজানা বিলবোর্ডে ছবি টানিয়ে সম্মানীত
  • Image

    Developed by:Sparkle IT