প্রথম পাতা সিলেটে পৌঁছে বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ব্যর্থতার দায় মিয়ানমারের

স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০৮-২০১৯ ইং ০২:৫৭:০৮ | সংবাদটি ১২১ বার পঠিত

সব প্রস্তুতি থাকা সত্বেও রোহিঙ্গারা ফেরত যেতে রাজি না হওয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার জন্য মিয়ানমারের দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থা তৈরি করতে পারেনি বলেই তারা ফিরতে রাজি হচ্ছে না। তবে দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তাদের রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতেই হবে। আর তাদেরও ফিরে যেতে হবে। বাংলাদেশ তাদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারবে না।’
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারকে বলবো, তোমরা এখনও বিশ্বস্থতা অর্জন করতে পারোনি। যে কারণে রোহিঙ্গারা যেতে চায়নি। এজন্য রোহিঙ্গা নেতাদের রাখাইনে নিয়ে তাদের জন্য কী ব্যবস্থা করা হয়েছে ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য মিয়ানমারকে প্রস্তাব দেবো। সেখানে চীন ১০০ টি এবং ভারত ২৫০ বাড়ি বানিয়ে দিয়েছে। সেটা রোহিঙ্গা নেতাদের দেখালে তারা হয়তো ফিরে যেতে রাজি হবে।’
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে কূটনৈতিকভাবে সরকার ব্যর্থ হয়েছে বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছি বলেই তারা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে রাজী হয়েছে। যারা এতোদিন তাদের পক্ষে কথা বলতো তারাও এখন আমাদের পক্ষে কথা বলছে। তারপরও রোহিঙ্গারা যায়নি। মিয়ানমার আমাদের কাছে অঙ্গীকার করেছে তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার। এখন আরও চাপ সৃষ্টি করতে হবে। আমরা তাদের উপর চাপ সৃষ্টির জন্য যা যা করার করবো।’
‘আমরা তাদেরকে (রোহিঙ্গা) ফেরাতে পারিনি এটা সত্য। তবে তাদেরকে যেতে হবে। কবে যাবে সেটা হয়তো এখন বলা যাচ্ছে না। বিএনপির কাছে ভালো আইডিয়া থাকলে তাদেরকে ওয়েলকাম জানানো হবে বলেও যোগ করেন মন্ত্রী।
এর আগে বিকেলে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সিলেট এসে পৌঁছান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তিনি শনিবার সকালে কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বেলা সাড়ে ১১টায় বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার থেকে স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরতে আগ্রহীদের ঘুমধুম মৈত্রী সেতু দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথা ছিল। এজন্য সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছিল ২৯৫ পরিবারের। প্রস্তুত রাখা হয় ৫টি বাস ও ৩টি ট্রাক। তবে তাদের কেউই নিজ দেশে যেতে রাজি না হওয়ায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।
প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য চীনা দূতাবাসের দুইজন ও মিয়ানমারের একজনসহ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা টেকনাফে অবস্থান করেন। তবে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে রাজি হয়নি।
উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। তাদেরকে ফেরত নেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার ১ হাজার ৭শ পরিবারের ৩ হাজার ৪৫০ জনকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়। গত ৩দিন ধরে সে তালিকা যাচাই বাছাই করার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার তাদের মিয়ানমারের ফেরত পাঠানোর কথা ছিল।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ছবি
  • গাবতলীতে তাবিথের প্রচারে হামলার অভিযোগ
  • অতিরিক্ত বই বা নোট পড়ানো বন্ধের নির্দেশ
  • ইসমত আরা সাদেক এমপি’র প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন
  • পি কে হালদারের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ
  • তাবিথের উপর হামলার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে: ইসি
  • পরপর চারজন এমপির মৃত্যু কষ্টকর : প্রধানমন্ত্রী
  • ৩২৯ টেকনিক্যাল স্কুল-কলেজ স্থাপনে সাড়ে ২০ হাজার কোটি টাকা
  • মৌ’বাজারে হত্যা মামলার আসামীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
  • সিলেটের সাবেক কাস্টমস কমিশনার শফিকুল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
  • মুজিব শতবর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশনা
  • ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন আজ
  • জাতিসংঘে মুজিববর্ষের ক্ষণগণনার উদ্বোধন
  • শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে
  • বর্জ্য সংগ্রহে ঘরে ঘরে বালতি ও প্লাস্টিক ব্যাগ সরবরাহ করছে সিসিক
  • মেজরটিলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মহিলা নিহত
  • ছবি
  • পাথর কোয়ারিতে প্রাণহানি রোধে তৎপর প্রশাসন
  • সংশোধনী
  • ছবি
  • Developed by: Sparkle IT