প্রথম পাতা

বনরক্ষায় গাছ চুরি প্রতিরোধে প্রয়োজনে জিরো টলারেন্স গ্রহণ করা হবে : বনমন্ত্রী

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা প্রকাশিত হয়েছে: ২৫-০৮-২০১৯ ইং ০৩:২৭:৫০ | সংবাদটি ১০৮ বার পঠিত

বন্যপ্রাণি ও বনাঞ্চল রক্ষায় গাছ চুরি প্রতিরোধে প্রয়োজনে জিরো টলারেন্সের মাধ্যমে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বন্য প্রাণি রক্ষায় তাদের খাদ্য উপযোগী ফলজ গাছ লাগাতে হবে। বনের গাছ চুরিতে বনকর্মী ও পাহারাদার জড়িত থাকলে তদন্তক্রমে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন গ্রামগুলোর মানুষজনের হাত থেকে বনকে রক্ষায় গ্রামবাসীদের সরিয়ে আলাদা আবাসন তৈরী করা যায় কিনা সে বিষয়ে ভেবে দেখা হবে।
গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান পরিদর্শন ও বন্যপ্রাণি অবমুক্ত এবং কিছু ফলজ বৃক্ষরোপণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীন এ কথাগুলো বলেন।
মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীন বিকেল ৪টায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ করে আধঘন্টার একটি ট্রেইলে (বনে পায়ে হাঁটার পথ) সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে হেঁটে বিকেল সাড়ে ৪টায় কিছু বন্যপ্রাণি অবমুক্ত করেন। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণি সেবা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অবমুক্ত করা প্রাণিগুলোর মাঝে ছিল ২টি অজগর সাপ, ১২টি অজগরের বাচ্চা, ২টি লজ্জাবতী বানর, ১টি মেছো বাঘ, ১টি হিমালয়ান পামসিভিট, ১টি খয়েরী ফনি মনসা, ১টি সবুজ বিড়াল, ২টি কালেম পাখি, ২টি সরালী হাঁস, ১টি সঙ্খিনী সাপ। তাছাড়া ১টি বট বৃক্ষ ও বেশ কিছু ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করেন মন্ত্রী।
পরে লাউয়াছড়া বন বিশ্রামাগারের সন্নিকটে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীন।
কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোসাদ্দেক আহমেদের সভাপতিতে ও মঞ্জুর আহমদ আজাদ মান্নার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ পিপিএম, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সার্কেল) আশরাফুজ্জামান, কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান, শ্রীমঙ্গল থানার ওসি সালেক আহমদ, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ, বাংলাদেশ বন্য প্রাণি সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেবসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও বন বিভাগীয় কর্মকতাবৃন্দ।
বন ও পরিবেশ মন্ত্রী সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী বনাঞ্চলের ১০ কিলোমিটার এলাকার বাইরে করাত কল করতে হবে। আর পৌরসভা এলাকায় করা যাবে না। অবৈধভাবে করাতকল হলে তদন্তক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর যেগুলো উচ্চ আদালতের মামলাধীন রয়েছে সেগুলো রায়েই সিদ্ধান্ত হবে। সবশেষে মন্ত্রী বন ও বন্যপ্রাণি রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ছবি
  • অমর একুশে
  • আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মাঠে
  • বাড়াবাড়ি না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • শেষ হলো সংসদের ৬ষ্ঠ অধিবেশন
  • বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি
  • চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে জামিন চাইলেন খালেদা
  • ‘সিলেট মাল্টি সেক্টরাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক’ স্থাপনের উদ্যোগ
  • তারেক রহমানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা
  • বিয়ানীবাজারে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালের পরিচয় শনাক্ত ॥ আটক ২
  • স্বর্ণের দাম আবার বাড়লো
  • অমর একুশে
  • সরকার ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করুন
  • মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য হবে ১৪ হাজার বাড়ি
  • ছবি
  • কাঁঠাল ও কচুরিপানা নিয়ে গবেষণার পরামর্শ পরিকল্পনামন্ত্রীর
  • সব বিমানবন্দরে ভাইরাস শনাক্তে স্ক্যানার দেবে কোরিয়া
  • তিন আসনে উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত
  • কাশ্মীর বিতর্ক : ভারতে ঢুকতে পারলেন না ব্রিটিশ এমপি
  • ‘বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণার নতুন দ্বার উন্মোচন’
  • Developed by: Sparkle IT