উপ সম্পাদকীয়

ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধিই হবে মূল চ্যালেঞ্জ

এম এ খালেক প্রকাশিত হয়েছে: ০৪-০৯-২০১৯ ইং ০০:১২:৩৩ | সংবাদটি ৫৩ বার পঠিত

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। চলতি অর্থবছর (২০১৯-২০) শেষ হওয়ার পর আগামী জুলাই থেকে নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হবে।
কাজেই নির্ধারিত সময়ে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শেষ করে আগামী অর্থবছরের শুরু থেকেই যাতে নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করা যায় সেই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য হবে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি কার্যকর উন্নত দেশে পরিণত করা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হচ্ছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কেমন হবে, কীভাবে রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার পূরণ করা হবে তা নিয়ে অনেকেই কথা বলতে শুরু করেছেন। নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শিরোনাম দেয়া হয়েছে, ‘ত্বরান্বিত সমৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমৃদ্ধি’।
নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় চলতি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকালে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি বিগত জাতীয় নির্বাচনের আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তার বিবরণও থাকবে। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রামের উন্নয়নের জন্য বিশেষ জোর দেয়া হবে।
এ ছাড়া ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আবাসন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো, দারিদ্র্য বিমোচনের হার আরও দ্রুততর করা, আয়বৈষম্য কমিয়ে আনা, কৃষি খাতের কার্যকর উন্নয়ন সাধন এবং গ্রামীণ কৃষি ব্যবস্থাকে পর্যায়ক্রমে যান্ত্রিকায়ন করাসহ বিভিন্ন ইস্যুর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হবে।
নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার মোতাবেক দেশের তরুণ সমাজকে কাজে লাগানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগের কথাও এ নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় থাকবে।
প্রস্তাবিত নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রথমবারের মতো উচ্চ আয়ের কর্মসংস্থানের কথা বলা হয়েছে। এতদিন শুধু যেনতেনভাবে সাধারণ কর্মসংস্থানের কথাই বলা হচ্ছিল। এবারই প্রথম উচ্চ আয়ের কর্মসংস্থানের কথা বলা হয়েছে। এটি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত। কারণ যেনতেনভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।
কর্মসংস্থান একটি পরিবারের সদস্যদের জীবন মান উন্নয়নে কতটা অবদান রাখতে পারছে তাও বিবেচ্য বটে। যেনতেনভাবে কোনো কাজে যুক্ত হতে পারাটাই কর্মসংস্থান নয়।
অর্থনীতির পরিভাষায় যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার সুযোগ পাওয়াকেই কর্মসংস্থান বলা হয়। কোনো ব্যক্তি চাকরি বা ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে স্বীয় মর্যাদা অনুযায়ী পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে পারলেই তাকে পূর্ণ কর্মসংস্থান বলা যেতে পারে।
একজন ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার যদি কোনো মুদি দোকানের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন তাহলে তাকে কোনোভাবেই পূর্ণ কর্মসংস্থান বলা যাবে না। অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত রয়েছেন কিন্তু এমন পরিমাণ বেতন-ভাতা পান যা দিয়ে তার পরিবার তো দূরে থাক নিজের দৈনন্দিন খরচ মেটাতেই হিমশিম খান।
এ ধরনের কাজকে কোনোভাবেই পূর্ণ কর্মসংস্থান বলা যাবে না। কাজেই প্রস্তাবিত নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উচ্চ আয়ের কর্মসংস্থানের কথা বলা হয়েছে, এটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিক। এখন এই লক্ষ্য অর্জনে কী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় সেটাই দেখার বিষয়।
দ্বিতীয় যে বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ তা হচ্ছে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো। প্রস্তাবিত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হচ্ছে পরিকল্পনাকালে ১০ শতাংশ হারে টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করা এবং অর্জিত জিডিপির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেয়া, যাতে সমাজে বিত্তবান ও বিত্তহীনের মাঝে বিদ্যমান আয়বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব হয়।
১০ শতাংশ হারে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং তা সাধারণ মানুষের মাঝে ন্যায্যতার ভিত্তিতে পৌঁছে দিতে হলে উচ্চ আয়ের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই। এটা আজ বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত সত্যি যে, উচ্চ আয়ের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ছাড়া কোনোভাবেই দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব নয়।
এ জন্য সবার আগে প্রয়োজন চাকরির মাধ্যমে বেকার সমস্যা নিরসনের সনাতনী ধারণা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসার উদ্যোগ গ্রহণ করা। অধিকাংশ মানুষই মনে করে, কোনোভাবে একটি চাকরি জোগাড় করতে পারলেই বেকারত্ব নিরসন হবে।
এটা হয়তো ঠিক যে চাকরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং বেকার সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, চাকরি সব সময় উচ্চ আয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। সবার পক্ষে উচ্চ বেতনের চাকরি জোগাড় করাও সম্ভব হয় না।
তাই উচ্চ আয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে আত্মকর্মসংস্থানের ওপরও জোর দিতে হবে। সরকার নানাভাবে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা যদি উদ্যোক্তাসুলভ মনোভাব গড়ে তুলতে না পারি তাহলে কোনো চেষ্টায়ই সুফল মিলবে না।
আমাদের দেশে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অনেকের মাঝেই লক্ষ করা যায়। কিন্তু তাদের আচার-আচরণে সততা ও আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। বিশেষ করে অনেকের মাঝেই নতুন উদ্ভাবনী শক্তির প্রচ- অভাব পরিলক্ষিত হয়। কেউ নতুন কিছু একটা শুরু করে সাফল্য লাভ করলে অন্যেরা সেই সেক্টরের ওপর এমনভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে যে তার শেষ না দেখে ছাড়ে না।
ক’দিন আগে নোয়াখালী গান্ধী আশ্রম দেখতে গিয়েছিলাম। ফেরার পথে কুমিল্লা শহরের পাশ দিয়ে আসার সময় রাস্তায় দু’পাশে মাতৃভা-ারের রসমালাইয়ের দোকান চোখে পড়ল। অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি দোকান রয়েছে মাতৃভা-ারের নামে। অথচ কুমিল্লা শহরে মাতৃভা-ার নামে একটি মাত্র প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা দীর্ঘদিন অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে বিখ্যাত রসমালাই তৈরি করে চলেছে।
যারা মাতৃভা-ারের নাম ব্যবহার করে রসমালাই তৈরি করে ভোক্তাদের প্রতারিত করছেন তারা তো অন্য নামেও রসমালাই তৈরি করতে পারতেন। তারা উদ্যোগ নিলে হয়তো মাতৃভা-ারের মতো রসমালাই তৈরি করতে না পারলেও অন্য কোনো বিখ্যাত আইটেম তৈরি করতে পারতেন। তারা ব্যবসায়িক নৈতিকতা দেখাতে পারতেন।
বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাকের অবদান সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই তৈরি পোশাক খাত থেকে আসছে। এখন সময়টা এমন যাচ্ছে যে, কেউ একজন শিল্পকারখানা স্থাপন করতে চাইলে প্রথমেই তৈরি পোশাক শিল্পের কথা চিন্তা করেন। কিন্তু তারা একবারও ভেবে দেখেন না তৈরি পোশাকের চেয়ে মুনাফা অর্জনকারী শিল্পও স্থাপিত হতে পারে।
কারণ তৈরি পোশাক শিল্প প্রায় সর্বাংশেই আমদানিকৃত কাঁচামালনির্ভর। ফলে এ খাত থেকে যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় তার বেশিরভাগই কাঁচামাল আমদানিতে চলে যায়। স্থানীয় কাঁচামালনির্ভর শিল্প গড়ে তোলা গেলে জাতীয় অর্থনীতিতে মূল্য সংযোজনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে আরও অনেক বেশি হতে পারত। নতুন নতুন উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার পরিবর্তে পুরনোকে আঁকড়ে থাকার এই মনোভাব অবশ্যই পরিহারযোগ্য।
প্রস্তাবিত নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিনিয়োগের ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ জিডিপির ৩২ শতাংশে উন্নীত করার কথা ছিল। কিন্তু এ খাতে অর্জন খুবই সামান্য।
বর্তমানে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগের হার জিডিপির মাত্র ২৩ শতাংশ। আগামী কয়েক বছরে বিনিয়োগ কাক্সিক্ষত মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে বলে মনে হয় না। কারণ বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য শুধু আইনি সহায়তা দিলেই হবে না। বাস্তব বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক অভ্যন্তরীণ সুশাসনের অভাব, সর্বস্তরে দুর্নীতি, ব্যাংকিং সেক্টরের প্রায় অচলাবস্থা বিনিয়োগ পরিবেশকে প্রায় বিপন্ন করে তুলছে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের বিনিয়োগকারীরা সব সময়ই পুঁজি স্বল্পতায় ভোগে। তারা এই পুঁজি স্বল্পতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যাংকিং সেক্টেরের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। কিন্তু আমাদের ব্যাংক ব্যবস্থা উদ্যোক্তাদের চাহিদা পূরণে মোটেও সক্ষম নয়। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য যেসব সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তা এ সেক্টরের ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে। বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং সেক্টরের খেলাপি ঋণের পরিমাণ (অবলোপনকৃত ঋণসহ) প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা।
কর্তৃপক্ষীয় পর্যায়ে এ বিপুল পরিমাণ খেলাপি আদায়ে তেমন কোনো আন্তরিক উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে না। বরং কৃত্রিমভাবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে দেখানোর একটি সতর্ক প্রচেষ্টা লক্ষ করা যাচ্ছে। ব্যাংকিং সেক্টরকে স্বাভাবিক ধারায় প্রবহমান করা না গেলে ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো প্রচেষ্টাই সফল হবে না।
দেশের যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে তার সুফল সবাই ন্যায্যতার ভিত্তিতে ভোগ করতে পারছে না। এখন আয়বৈষম্য এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে তা সামান্য কিছু মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হচ্ছে। সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে। এ ছাড়া ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনসংখ্যা তাত্ত্বিক লভ্যাংশকে সঠিকভাবে আমরা কাজে লাগাতে পারছি না।
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো না গেলে তা আমাদের জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। আবাসনসহ অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা না গেলে আগামীতে দেশ কর্মসংস্থানবিহীন প্রবৃদ্ধির বা জবলেস গ্রোথের দিকে ধাবিত হবে, যা দেশের জন্য অত্যন্ত বিপর্যয়কর হতে পারে।
তাই আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনাকে এমনভাবে ঢেলে সাজাতে হবে যাতে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এ জন্য প্রয়োজনে কিছুটা শ্লথ প্রবৃদ্ধিও মেনে নেয়া যেতে পারে যদি তা কর্মসংস্থানে সহায়ক হয়।
ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ঘুষ দেয়া-নেয়া দুটিই সমান অপরাধ। এটা ঠিক যে দেশের সরকারি অফিসগুলোতে ঘুষ লেনদেন হয়। কোনোভাবেই এ বিষবাষ্প থেকে জাতি মুক্তি পাচ্ছে না।
বর্তমান সরকারের একটি নির্বাচনী অঙ্গীকার হচ্ছে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ। জনগণ এখন সেই জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়ন দেখতে চায়। দুর্নীতি যদি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনা যেত তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক আগেই আরও উন্নত হতো এবং প্রবৃদ্ধির হার ডাবল ডিজিটে উন্নীত হতো। দুর্নীতিবাজদের অপকর্মের দায়ভার জাতি আর বইতে পারছে না। এ বিষবৃক্ষ এখনই উৎপাটন করতে হবে।
লেখক : কলামিস্ট।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • নগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গ
  • এম.সি কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ চাই
  • টেকনিক্যাল রোডে স্টিলের রেলিংসহ ফুটপাত চাই
  • জৈনপুর এলাকায় ড্রেন সংস্কার হোক
  • বানরের উৎপাত প্রসঙ্গ
  • শাবিতে বিবিএ অনুষদের আসন বৃদ্ধি হোক
  • প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র : স্বপ্ন ও বাস্তবতা
  • সাক্ষরতা আন্দোলন : একটি পর্যালোচনা
  • অশান্ত বিশ্বে শান্তির সন্ধান
  • আমার পাহাড়, আমার সিলেট
  • যৌবন ফিরে পাক বিবিয়ানা নদী
  • সড়ক দুর্ঘটনা : এ শোকের শেষ কোথায়?
  • সামাজিক ব্যাধি
  • আবাসিক এলাকায় ব্যবসা
  • এশিয়ার অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রসঙ্গে
  • শিশুর উপর এতো চাপ
  • পারিবারিক সু-শিক্ষা ও বর্তমান সমাজ
  • অপেক্ষা, আর কতোকাল
  • উচ্চ আয়ের কর্মসংস্থান সৃষ্টিই বড়ো চ্যালেঞ্জ
  • প্রসঙ্গ : হকারমুক্ত ফুটপাত
  • Developed by: Sparkle IT