শেষের পাতা

চুনারুঘাটে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির তৈরী কুঁড়েঘর

চুনারুঘাট(হবিগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা প্রকাশিত হয়েছে: ১০-০৯-২০১৯ ইং ০৩:৩৯:১৬ | সংবাদটি ৩১০ বার পঠিত

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার চির ঐতিহ্যের নিদর্শন সবুজ শ্যামল ছায়া-ঘেরা শান্তির নীড় মাটির তৈরী কুঁড়েঘর। যা এক সময় ছিল গ্রামের মানুষের কাছে মাটির ঘর গরীবের এসি বাড়ি নামে পরিচিত। কিন্তু, কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির বাড়ি। আগে প্রতিটি গ্রামে নজরে পড়তো মাটির ঘর। ঝড়-বৃষ্টি থেকে বাঁচার পাশাপাশি প্রচুর গরম ও শীতে বসবাস উপযোগী মাটির তৈরি এসব ঘর এখন আর তেমন একটা নজরে পড়ে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আর সময়ের পরিবর্তনে গ্রাম বাংলা থেকে ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি বাড়ি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। অতি প্রাচীনকাল থেকেই মাটির বাড়ির প্রচলন ছিল। গ্রামের মানুষের কাছে এ বাড়ি ঐতিহ্যের প্রতীক ছিল। গ্রামের বিত্তবানরা এক সময় অনেক অর্থ ব্যয় করে মাটির দ্বিতল মজবুতবাড়ি তৈরি করতেন যা এখনো কিছু কিছু গ্রামে চোখে পড়ে। এঁটেল বা আঠালো মাটি কাদায় পরিণত করে ২-৩ ফুট চওড়া করে দেয়াল বা ব্যাট তৈরি করা হয়। ১০-১৫ ফুট উঁচু দেয়ালে কাঠ বা বাঁশের সিলিং তৈরি করে তার ওপর খড় বা টিনের ছাউনি দেয়া হয়। মাটির বাড়ি অনেক সময় দোতলা পর্যন্ত করা হতো। সব ঘর বড় মাপের হয় না। গৃহিণীরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাটির দেয়ালে বিভিন্ন রকমের আল্পনা এঁকে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বর্ষা মৌসুমে মাটির ঘরের ক্ষতি হয় বলে বর্তমান সময়ে দীর্ঘস্থায়িত্বের কারণে গ্রামের মানুষরা ইট-সিমেন্টের বাড়ি নির্মাণে আগ্রহী হচ্ছেন। উপজেলার চান্দপুর, রামগঙ্গা, বেগমখান, লস্করপুর, গিলানী, আমু, রেমা, কালেঙ্গা চা বাগান সহ বেশ কয়েকটি চা বাগান ঘুরে দেখা গেছে, চা বাগান গুলোতে এখনও মাটির তৈরী কুঁড়েঘর রয়েছে। অনেক ইটের তৈরী দালানঘর তৈরী করছে। বেশ কয়কটি চা বাগানে বাসিন্দা বিমল কৈরি, রাজেন্দ্রলাল কৈরি, জীবন তাঁতী, বাবলু কর্মকার, নরেন মুন্ডা সহ অনেকেই জানান,মাটির তৈরী বাড়ি পেয়েছেন পৈতৃকভাবে। তাদের পূর্ব-পুরুষরাও এই মাটির তৈরি বাড়িতেই জীবন কাটিয়ে গেছেন। তাই এখনো তারা এই বাড়িগুলো ভাঙেনি। তবে মাটির বাড়ি বসবাসের জন্য আরামদায়ক হলেও যুগের পরিবর্তনে আধুনিকতার সময় অধিকাংশ মানুষ মাটির বাড়ি ভেঙে অধিক নিরাপত্তা ও স্বল্প জায়গায় দীর্ঘস্থায়ীভাবে অনেক লোকের নিবাস কল্পে গ্রামের মানুষরা ইটের বাড়ি-ঘর তৈরি করছেন বলে অনেকের ধারণা।

শেয়ার করুন
শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • মনু নদীর উন্নয়নে মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে
  • শ্রীমঙ্গলে চলন্ত ট্রেনে ঢিল, শিশু আহত
  • সরকার শিল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে
  • বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি না করে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে -----চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমদ
  • ছাতকে আওয়ামী লীগ নেতা আচ্ছা মিয়া স্মরণে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল
  • ছাতকে ছাদ থেকে পড়ে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু
  • কেরালার পর পাঞ্জাবের বিধানসভায়ও সিএএ বাতিলের প্রস্তাব পাস
  • ইজতেমা ময়দানে আরও ২ মুসল্লির মৃত্যু
  • নির্বাচন পেছানোয় উল্লাস করে অনশন প্রত্যাহার ঢাবি শিক্ষার্থীদের
  • পূন্যভূমির মর্যাদা অক্ষুন্ন রেখে নগরীকে আধ্যাত্মিক ও পর্যটন নগরী হিসেবে সাজানো হচ্ছে ---মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী
  • বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা নির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন --------বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
  • পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে সিলেট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাত
  • হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স রোগী বহন ছাড়া অন্য কোন কাজে ব্যবহার করা যাবে না -------- মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এমপি
  • জনসংখ্যা সম্পদে পরিণত করতে পারলে দেশ হবে সমৃদ্ধ দেশ
  • সিলেটে ৪ দিনব্যাপী জাতীয় পিঠা উৎসব শুরু আজ
  • শিক্ষার উন্নতিতে সকলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে
  • শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় জগন্নাথপুর পৌর মেয়রকে শেষ বিদায়
  • ফেনারবাঁকে মরহুম ফেরদৌসী ও আলী আমজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
  • জকিগঞ্জ শহরে আগুন লেগে ২০ দোকান পুড়ে ছাই
  • এক বছরের মধ্যে সকল নদীর অবৈধ দখলমুক্ত করতে হবে
  • Developed by: Sparkle IT