প্রথম পাতা

একমাস ধরে সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম চড়া

স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০৯-২০১৯ ইং ০২:৩৭:১৪ | সংবাদটি ৭৩ বার পঠিত

 কিছুদিন থেকে বৃষ্টি হচ্ছে পুরো দেশে। সেই সাথে বাড়ছে সবজির দাম। শীতের আগাম কিছু সবজি বাজারে দেখা গেলেও চড়ামূল্যের ভয়ে সাধারণের চোখ সেদিকে যায় না। এদিকে,নিত্যপণ্যের বাজারে পেঁয়াজ, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় আরও কয়েকটি পণ্যের দাম প্রায় এক মাস ধরেই চড়া। চলতি সপ্তাহে নতুন করে দাম বেড়েছে মাংস ও বিভিন্ন ধরনের সবজির। ফলে ভোগ্যপণ্যের বাজারে কোনো পণ্যের দামই ‘স্বস্তিকর নয়’ বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ঘাটতির কারণে পাইকারি পর্যায়ে বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই, খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।
গত এক সপ্তাহ ধরে রসুনের দাম কিছুটা কমলেও চলতি সপ্তাহে নতুন করে বেড়েছে মাছ ও মুরগির দাম। আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। গতকাল শুক্রবার সিলেটের কালিঘাটে বাজার করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, বাজারে এখন সব পণ্যের দামই চড়া। নির্দিষ্ট করে কোনো পণ্যের কথা বলা যাবে না। এক কথায় বলতে হবে নিত্যপণ্যের কেনাকাটায় নাগরিকদের খরচ বেড়ে গেছে। এটা আসলেই কষ্টকর।
গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল প্রতি কেজি ১২০ টাকা থেকে ১২৫ টাকার মধ্যে। তবে এই সপ্তাহে এই মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। লালবাজারের একজন মুরগি বিক্রেতা বলেন, বাজারে মুরগির সরবরাহ কম। গত ২-৩ দিন ধরেই সারা দেশে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে সরবরাহ কমে যেতে পারে। বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম প্রতি কেজি ৫০ টাকারও বেশি। মওসুমে নতুন করে আসা বরবটির দাম কেজিতে অন্তত ১০ টাকা কমে ৬০ টাকায় বিক্রি হলেও এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মুলা ও শিম। মুলার কেজি ৪০ টাকা এবং শিমের কেজি ১৩০ টাকা।
সবজি বিক্রেতা সাজিদ আলী বলেন, মিষ্টি কুমড়া ছাড়া সব ধরনের সবজির দাম চড়া। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও পাইকারিতে দাম অনেক বেশি। তিনি বলেন, সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে কাঁচাবাজারে ক্রেতা সমাগম তুলনামূলক কম। ক্রেতার উপস্থিতি বেশি থাকলে পণ্যের দাম আরও চড়া হতো।
বাজারে করলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৫০ টাকা, গোল বেগুন ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, টমেটো ৯০ টাকা, ঝিঙা ৫০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় গত কোরবানির ঈদের পর থেকেই বাড়তে শুরু করে পেঁয়াজের দাম। মাঝে এক সপ্তাহ দাম কিছুটা কমলেও গত দুই সপ্তাহ ধরে ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।
বর্তমানে খুচরায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকায়। একইভাবে আদা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫০ টাকা থেকে ১৭০ টাকায়। রসুনের দাম কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।
চড়া মূল্যের এই সময়েও কিছুটা স্বস্তি রয়েছে মসুর ডালের দামে। বর্তমানে প্রতি কেজি মানভেদে ৬০ টাকা থেকে ১২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন মানের মসুর ডাল। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে এই দাম।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • পৌরসভায় উন্নীত বিশ্বনাথ
  • ‘রবীন্দ্র শতবর্ষ স্মরণোৎসব’ উদযাপন কমিটি পুনর্গঠন
  • রক্তদান একটি মানবিক কাজ --------দানবীর ড. রাগীব আলী
  • বিভাগীয় শহর হলেই ফরিদপুর সিটি কর্পোরেশন
  • বিএনপির এমপি হারুনকে ৫ বছরের কারাদন্ড
  • আত্মরক্ষার্থে ভোলায় গুলি চালিয়েছে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • সরকারি চাকুরেদের গ্রেফতারের অনুমতির বিধান নিয়ে হাই কোর্টের রুল
  • ওমর ফারুক ও তার পরিবারের ব্যাংক লেনদেন স্থগিত
  • বোরহানউদ্দিনের সেই শুভসহ তিনজন কারাগারে
  • ভোলায় ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‘সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদের’
  • বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র --------------মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার
  • সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি পায়নি ঐক্যফ্রন্ট
  • আসামের গুয়াহাটিতে বাংলাদেশ ভারত স্টেক হোল্ডার বৈঠক আজ
  • বাবা ও দুই চাচা ফের রিমান্ডে
  • শাবি’র তৃতীয় সমাবর্তন ৮ জানুয়ারি
  • ওয়ার্ড-ইউনিয়নের সম্মেলন না করেই উপজেলা সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা
  • প্রধানমন্ত্রী ভোলার ঘটনায় ধৈর্য্যরে আহ্বান জানিয়েছেন দেশবাসীর প্রতি
  • ওয়ান স্টপ সার্ভিস একপে, একসেবা ও একশপ উদ্বোধন করেন সজিব ওয়াজেদ জয়
  • ওমর ফারুককে যুবলীগ চেয়ারম্যান থেকে অব্যাহতি
  • ‘জনগণ ভোট দিতে পারেনি’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মেনন
  • Developed by: Sparkle IT