বাংলাদেশের প্রধান নদনদীর একটি হচ্ছে কুশিয়ারা। আর কুশিয়ারার আন্তঃশাখা নদী বিবিয়ানা। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃক প্রদত্ত বিবিয়ানা নদীর পরিচিতি নং ৫৯। পাউবোর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট নদনদীর সংখ্যা ৪০৫টি। যদিও আমরা জানি, নদীর সংখ্যা আরও বেশি। পাউবো বাংলাদেশের নদনদীকে ছয়টি ক্যাটাগরিতে বিভাজন করেছে। ১. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল; ২. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল; ৩. উত্তর-পূর্বাঞ্চল; ৪. উত্তর কেন্দ্রীয় অঞ্চল; ৫. পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চল; ৬. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ক্যাটাগরিতে বিবিয়ানা নদী। ভারত থেকে আসা বরাক নদী ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উত্তরের পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার বারোঠাকুরি ইউনিয়নের আমলসিদে দু'ভাগে ভাগ হয়েছে। এটি ত্রিমোহনা নামে পরিচিত। ত্রিমোহনা আমলসিদ গ্রামের পূর্বদিকে এবং বারোঠাকুরি গ্রামের দক্ষিণ-পূর্বদিকে অবস্থিত। বরাক- সুরমা-কুশিয়ারা- ত্রিমোহনা থেকে উত্তর-পূর্বদিকে সুরমা প্রবাহিত আর ত্রিমোহনা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে কুশিয়ারা প্রবাহিত। হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার উত্তর সীমানা এলাকার দিঘলবাঁক ইউনিয়নের কসবা গ্রাম ও সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার জালালপুর গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে প্রবহমান কুশিয়ারা নদী থেকে বিবিয়ানা নদীর উৎপত্তি। কসবা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমমুখী হয়ে সর্পিলাকারে ৩৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কাদিরগঞ্জ বাজারের (প্রকাশিত মার্কুলি বাজার) একটু পূর্ব পাশে, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার সোয়াতিওর গ্রামের পশ্চিমে কুশিয়ারা নদীতে পতিত হয়েছে। বিবিয়ানার গড় প্রশস্ত ৪৮ মিটার। কিন্তু এই প্রশস্ত এখন আর কোথাও নেই। বিবিয়ানা নদীর দক্ষিণ পাড়ের জনবসতির পরেই নবীগঞ্জ উপজেলার বড় বড় দুটি হাওরের নাম গড়শৌলা হাওর ও মাকালকান্দি হাওর। যদিও কাগজে-কলমে মাকালকান্দি হাওর উন্নয়ন প্রকল্প নামে বিবিয়ানা নদীর একটি অববাহিকা প্রকল্পের উল্লেখ আছে। বিবিয়ানা নদীর সঙ্গে হাওরের সংযোগকারী অনেক খাল রয়েছে।
নাব্য না থাকায় নানা স্থানে জেগে উঠছে চর। চর জাগলেই শুরু হয় দখলের প্রতিযোগিতা, ঘটে নানা ধরনের সশস্ত্র সংঘর্ষ। নদীর বেশ জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘরসহ নানা ধরনের স্থাপনা নির্মাণ হয়েছে ও হচ্ছে। ফিলিং স্টেশনের জন্যও নদীর একটি অংশ প্রস্তাব করা হয়েছে। নদীর অনেক অংশ প্রভাবশালীরা দখলে নিয়ে ধান চাষ করছে। কেউ কেউ নদীর পাড় সংলগ্ন তিন দিকে বাঁধ দিয়ে পুকুর বানিয়ে করছে মাছচাষ- পাচ্ছে বাড়তি আয়। বিবিয়ানার পানি হাওরে যাওয়ার পথ যে খালগুলো, সেই খালগুলোর উৎসমুখে ও নানা স্থানে বাঁধ দেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে। আশ্চর্যের বিষয়, এই বাঁধগুলো হয় সরকারি খরচে। নালা, খাল কিংবা নদীর অনেকখানিই নানা ধরনের বর্জ্য ফেলে পানি দূষিত করা হচ্ছে। এই দূষিত পানি পান করে গবাদিপশু নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, দূষিত পানি সেচের মাধ্যমে কৃষিজমিতে ব্যবহারে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বন্য পাখি দূষিত পানি পান করে মরছে। একসময়ের স্রোতস্বিনী বিবিয়ানা নদীর কিছু কিছু জায়গায় অনেকেই এখন গরু চড়ায়। ভরা বর্ষায়ও এসব অংশে হাঁটুপানি থাকে।
বিবিয়ানা নদী মৃত্যুঘণ্টা আসন্ন আর তাই বিবিয়ানার আশপাশের খাল-বিল-হাওরে দেখা দিচ্ছে বিপর্যয়। বিবিয়ানার স্রোতধারা যেসব স্থান দিয়ে গড়শৌলার হাওরে প্রবেশ করত, সেসব স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি আটকে দেওয়া হয়েছে। ফলে হাওর-খাল-বিলের নানা প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে এবং মাছের উৎপাদনও অনেক কমেছে। বর্ষায় হাওরে পর্যাপ্ত পানি হয় না বলে বরুণ-হিজল-করচসহ নানা জাতের জলজ গাছ আর চোখে পড়ে না। এভাবেই ধ্বংস হচ্ছে জলজ জীববৈচিত্র্য।
মানুষের জীবন-জীবিকায়ও পরিবর্তন ঘটেছে। জলজ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল মানুষের অনেকেই পেশা পরিবর্তন করেছে জীবন বাঁচানোর তাগিদে। চিরতরে বিবিয়ানা হারিয়ে গেলে বিবিয়ানার পার্শ্ববর্তী জনপদে ঘটবে চরম বিপর্যয়। কারণ বাস্তুতন্ত্রের অনেক উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ একটি হচ্ছে প্রাকৃতিক ¯্রােতধারা।
বিবিয়ানা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে নিম্নলিখিত কার্যকরী পদক্ষেপের আলোকে প্রকল্প গ্রহণ প্রয়োজন-
১. নদী পুনঃখনন করা; ২. নদী ও হাওরের সংযোগকারী অভ্যন্তরীণ খাল পুনঃখনন করা; ৩. গড়শৌলা হাওর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ; ৪. নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় নদী দখলমুক্ত করা; ৪. নদীর জায়গার সকল প্রকার লিজ বাতিল করা; ৫. বজ্রপাত প্রতিরোধে নদীর দু'পাড়ে তালগাছ রোপণ; ৬. কঠিন মনিটরিং থাকা, যাতে দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট না হয়।
আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, বিবিয়ানা ফিরে পাবে তার হারানো যৌবন। ভাটিয়ালি মাঝি দরাজ কণ্ঠে গেয়ে উঠবে গান- মনমাঝি তোর বৈঠা নে রে/আমি আর বাইতে পারলাম না।
লেখক : শিক্ষক ও গবেষক।

'/> SylheterDak.com.bd
উপ সম্পাদকীয় খোলা জানালা

যৌবন ফিরে পাক বিবিয়ানা নদী

সন্জিৎ নারায়ণ চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০৯-২০১৯ ইং ০০:৪৫:১০ | সংবাদটি ৩৪০ বার পঠিত
Image

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলা দিয়ে প্রবাহিত একসময়ের নয়নাভিরাম নদী বিবিয়ানা। বিবিয়ানার যৌবন-জৌলুস ভালোই ছিল। নদীমাতৃক মানে নদী মায়ের মতো। বিবিয়ানা নদীর নামেও এই পরিচয় পাওয়া যায়। 'বিবি' শব্দের অর্থ সম্মানিত নারী এবং ‘য়ানা’ শব্দের অর্থ আমি। অর্থাৎ বিবিয়ানা অর্থ আমি সম্মানিত নারী। বৃহত্তর সিলেটের প্রাচীন লোকেরা সম্মানিত নারীর মর্যাদা দিতেই নদীর নাম দেন বিবিয়ানা। য়ানা আর যেসব শব্দে পাওয়া যায়- মুন্সিয়ানা, বাবুয়ানা। কালের বিবর্তনে বিবিয়ানার সেই রূপ আর সৌন্দর্য বিলীন।
বাংলাদেশের প্রধান নদনদীর একটি হচ্ছে কুশিয়ারা। আর কুশিয়ারার আন্তঃশাখা নদী বিবিয়ানা। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃক প্রদত্ত বিবিয়ানা নদীর পরিচিতি নং ৫৯। পাউবোর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট নদনদীর সংখ্যা ৪০৫টি। যদিও আমরা জানি, নদীর সংখ্যা আরও বেশি। পাউবো বাংলাদেশের নদনদীকে ছয়টি ক্যাটাগরিতে বিভাজন করেছে। ১. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল; ২. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল; ৩. উত্তর-পূর্বাঞ্চল; ৪. উত্তর কেন্দ্রীয় অঞ্চল; ৫. পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চল; ৬. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ক্যাটাগরিতে বিবিয়ানা নদী। ভারত থেকে আসা বরাক নদী ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উত্তরের পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার বারোঠাকুরি ইউনিয়নের আমলসিদে দু'ভাগে ভাগ হয়েছে। এটি ত্রিমোহনা নামে পরিচিত। ত্রিমোহনা আমলসিদ গ্রামের পূর্বদিকে এবং বারোঠাকুরি গ্রামের দক্ষিণ-পূর্বদিকে অবস্থিত। বরাক- সুরমা-কুশিয়ারা- ত্রিমোহনা থেকে উত্তর-পূর্বদিকে সুরমা প্রবাহিত আর ত্রিমোহনা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে কুশিয়ারা প্রবাহিত। হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার উত্তর সীমানা এলাকার দিঘলবাঁক ইউনিয়নের কসবা গ্রাম ও সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার জালালপুর গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে প্রবহমান কুশিয়ারা নদী থেকে বিবিয়ানা নদীর উৎপত্তি। কসবা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমমুখী হয়ে সর্পিলাকারে ৩৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কাদিরগঞ্জ বাজারের (প্রকাশিত মার্কুলি বাজার) একটু পূর্ব পাশে, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার সোয়াতিওর গ্রামের পশ্চিমে কুশিয়ারা নদীতে পতিত হয়েছে। বিবিয়ানার গড় প্রশস্ত ৪৮ মিটার। কিন্তু এই প্রশস্ত এখন আর কোথাও নেই। বিবিয়ানা নদীর দক্ষিণ পাড়ের জনবসতির পরেই নবীগঞ্জ উপজেলার বড় বড় দুটি হাওরের নাম গড়শৌলা হাওর ও মাকালকান্দি হাওর। যদিও কাগজে-কলমে মাকালকান্দি হাওর উন্নয়ন প্রকল্প নামে বিবিয়ানা নদীর একটি অববাহিকা প্রকল্পের উল্লেখ আছে। বিবিয়ানা নদীর সঙ্গে হাওরের সংযোগকারী অনেক খাল রয়েছে।
নাব্য না থাকায় নানা স্থানে জেগে উঠছে চর। চর জাগলেই শুরু হয় দখলের প্রতিযোগিতা, ঘটে নানা ধরনের সশস্ত্র সংঘর্ষ। নদীর বেশ জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘরসহ নানা ধরনের স্থাপনা নির্মাণ হয়েছে ও হচ্ছে। ফিলিং স্টেশনের জন্যও নদীর একটি অংশ প্রস্তাব করা হয়েছে। নদীর অনেক অংশ প্রভাবশালীরা দখলে নিয়ে ধান চাষ করছে। কেউ কেউ নদীর পাড় সংলগ্ন তিন দিকে বাঁধ দিয়ে পুকুর বানিয়ে করছে মাছচাষ- পাচ্ছে বাড়তি আয়। বিবিয়ানার পানি হাওরে যাওয়ার পথ যে খালগুলো, সেই খালগুলোর উৎসমুখে ও নানা স্থানে বাঁধ দেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে। আশ্চর্যের বিষয়, এই বাঁধগুলো হয় সরকারি খরচে। নালা, খাল কিংবা নদীর অনেকখানিই নানা ধরনের বর্জ্য ফেলে পানি দূষিত করা হচ্ছে। এই দূষিত পানি পান করে গবাদিপশু নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, দূষিত পানি সেচের মাধ্যমে কৃষিজমিতে ব্যবহারে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বন্য পাখি দূষিত পানি পান করে মরছে। একসময়ের স্রোতস্বিনী বিবিয়ানা নদীর কিছু কিছু জায়গায় অনেকেই এখন গরু চড়ায়। ভরা বর্ষায়ও এসব অংশে হাঁটুপানি থাকে।
বিবিয়ানা নদী মৃত্যুঘণ্টা আসন্ন আর তাই বিবিয়ানার আশপাশের খাল-বিল-হাওরে দেখা দিচ্ছে বিপর্যয়। বিবিয়ানার স্রোতধারা যেসব স্থান দিয়ে গড়শৌলার হাওরে প্রবেশ করত, সেসব স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি আটকে দেওয়া হয়েছে। ফলে হাওর-খাল-বিলের নানা প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে এবং মাছের উৎপাদনও অনেক কমেছে। বর্ষায় হাওরে পর্যাপ্ত পানি হয় না বলে বরুণ-হিজল-করচসহ নানা জাতের জলজ গাছ আর চোখে পড়ে না। এভাবেই ধ্বংস হচ্ছে জলজ জীববৈচিত্র্য।
মানুষের জীবন-জীবিকায়ও পরিবর্তন ঘটেছে। জলজ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল মানুষের অনেকেই পেশা পরিবর্তন করেছে জীবন বাঁচানোর তাগিদে। চিরতরে বিবিয়ানা হারিয়ে গেলে বিবিয়ানার পার্শ্ববর্তী জনপদে ঘটবে চরম বিপর্যয়। কারণ বাস্তুতন্ত্রের অনেক উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ একটি হচ্ছে প্রাকৃতিক ¯্রােতধারা।
বিবিয়ানা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে নিম্নলিখিত কার্যকরী পদক্ষেপের আলোকে প্রকল্প গ্রহণ প্রয়োজন-
১. নদী পুনঃখনন করা; ২. নদী ও হাওরের সংযোগকারী অভ্যন্তরীণ খাল পুনঃখনন করা; ৩. গড়শৌলা হাওর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ; ৪. নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় নদী দখলমুক্ত করা; ৪. নদীর জায়গার সকল প্রকার লিজ বাতিল করা; ৫. বজ্রপাত প্রতিরোধে নদীর দু'পাড়ে তালগাছ রোপণ; ৬. কঠিন মনিটরিং থাকা, যাতে দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট না হয়।
আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, বিবিয়ানা ফিরে পাবে তার হারানো যৌবন। ভাটিয়ালি মাঝি দরাজ কণ্ঠে গেয়ে উঠবে গান- মনমাঝি তোর বৈঠা নে রে/আমি আর বাইতে পারলাম না।
লেখক : শিক্ষক ও গবেষক।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • চীন-ভারত সংঘাতের আশংকা কতটুকু
  • করুণাধারায় এসো
  • করোনাকালের ঈদোৎসব
  • মহাপূণ্য ও করুণার রাত শবে-কদর
  • মাহে রামাজান: যাকাত আদায়ের উত্তম সময়
  • দারিদ্র দূরীকরণে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ
  • চীন-আমেরিকার শীতল যুদ্ধ
  • চাই আশার বাণী
  • কোভিড-১৯:সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • Image

    Developed by:Sparkle IT