পাঁচ মিশালী

লজিং জীবন

সৈয়দ আহমদ প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০৯-২০১৯ ইং ০০:৫৩:৩৬ | সংবাদটি ১৪৮ বার পঠিত

সুনামগঞ্জ কলেজে লেখাপড়া ও লজিং এ থাকা যেহেতু সম্ভব হলো না এবং গোবিন্দগঞ্জ লজিং থেকেই অতি কষ্টে ক্লাস করতে হতো, তাই যেকোনো মূল্যে সিলেট সদর এলাকাতেই লজিং জোগাড় করতে আপ্রাণ চেষ্টা করছিলাম। শহরতলীর বিভিন্ন এলাকার পরিচিত অপরিচিতজনের সাথে যোগাযোগ করতে থাকলাম। একদিন বিকালে ক্লাস শেষে সিলেট শহরতলীস্থ কানিশাইল গ্রামের বিপরীতে সুরমা নদীর অপর পারে অবস্থিত খানুয়া গ্রামে আমার একজন বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে খানুয়া জামে মসজিদে আসরের নামাজ পড়লাম। নামাজ শেষে খানুয়া গ্রামেরই একজন যুবকের সাথে কথা হচ্ছিল এবং কথায় কথায় তার সাথে পরিচয় হলে তাকে বল্লাম ভাই এ গ্রামের কারো বাড়িতে লজিং মাস্টারের প্রয়োজন আছে কিনা? যদি থাকে তবে আমার জন্য একটি লজিং এর ব্যবস্থা করে দিতে পারবেন কি? ইতিমধ্যে মসজিদের বারান্দায় দাঁড়ানো মধ্যবয়সী একজন লোক আমাদের কথোপকথন শুনছিলেন। তিনি নিজেই একটু এগিয়ে এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা তোমার নাম কি এবং বাড়ি কোথায়? তুমি কোথায় লেখাপড়া করছ? আমি উনার প্রশ্নগুলোর ন¤্র স্বরে উত্তর দিলাম। তিনি আমার উত্তর শুনে এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য কথাশুনে আমাকে উনার বাড়িতে লজিং দিতে রাজি হলেন এবং আমাকে উনার বাড়িতে নিয়ে গেলেন। মসজিদের পাশেই বাড়িতে ঢুকে আমাকে পুবের ঘরে বসিয়ে উনি বাড়ির ভিতরে চলে গেলেন।
কিছুক্ষণ পর চা নাস্তা নিয়ে নিজেই এসে বল্লেন, ‘এখন তুমি যে ঘরটিতে বসে আছ এটাই হবে তোমার থাকার ঘর। তুমি ইচ্ছা করলে আজ থেকেই আমার বাড়িতে মাস্টার হিসেবে লজিং থাকতে পারবে অথবা তুমি তোমার সুবিধামত সময়ে তোমার বেডিংপত্র নিয়ে আসতে পারবে। আমার ৩-৪টি ছেলে মেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করছে, তুমি ওদেরকে পড়াতে হবে। সবচে বড় কথা, আমি গরিব মানুষ তাই ভালো মন্দ যা জোগাড় করতে পারি তৌফিক অনুযায়ী তা-ই তোমাকে খেয়ে না খেয়ে আমার বাড়িতে থাকতে হবে। আমি কৃষক মানুষ যতটুকু সম্ভব নিজেই সব ধরনের ফসল ফলিয়ে নিজেদের চাহিদা পূরণ করে থাকি। মাস্টার হিসাবে তোমাকে আলাদা যতœ করে খাওয়ানো আমার পক্ষে সম্ভব হবে না, আমরা পারিবারিকভাবে যা জোগাড় করে খাব তোমাকেও তা খেতে হবে। বিষয়টি তোমাকে আগেই একটু বলে রাখলাম, এতে যদি তুমি ভালো মনে কর তবে আজ থেকেই তুমি আমার বাড়িতে লজিং থাকতে পার’।
তিনি উনার বড় ছেলেকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বল্লেন, ‘তার নাম মানিক মিয়া, আমার বড় ছেলে, তাকে পড়ালেখা থেকে ছাড়িয়ে এনেছি। সে এখন আমার সাথে কৃষি কাজে সহযোগিতা করছে।’ উনার কথাগুলো শুনে মনে মনে ভাবলাম, খাওয়া দাওয়া বড় কথা নয় বরং লজিং যখন পেয়েছি, তাতেই আমি সন্তুষ্ট কেননা লজিং ছাড়া আমার লেখাপড়া হচ্ছিল না। তাই যে কোনো মূল্যে একটি লজিং পাওয়ায় আমি আশ্বস্ত। তাই লজিং অভিভাবককে বল্লাম, চাচা আমি আজ আর আপনার বাড়িতে থাকব না। আগামী সপ্তাহে বাড়ি থেকে বেডিংপত্র নিয়ে আপনার বাড়িতে আসব ইনশাল্লাহ। তিনি আমার কথায় আশ্বস্ত হয়ে, আমাকে বিদায় দেওয়ার জন্য বড় ছেলে মানিক মিয়াকে ডেকে আমাকে রাস্তা চিনিয়ে দেওয়ার জন্য বলে গেলেন। পরবর্তীতে মানিক মিয়াকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম তাঁর পিতা তথা লজিং অভিভাবকের নাম মোঃ রাজা মিয়া।
১৯৭৩ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বরের দিকে লজিং এর ব্যবস্থা করা সম্ভব হল। তখনকার সময়ের সদর থানা, বর্তমানে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের খানুয়া গ্রামের বাসিন্দা মরহুম রাজা মিয়ার বাড়িতে আমার ছাত্র জীবনের পঞ্চম লজিং এবং সিলেট শহরে প্রথম লজিং এর ব্যবস্থা হল। আমি ৩-৪ দিনের মধ্যেই গোবিন্দগঞ্জ লজিং বাড়ি হতে বিদায় নিয়ে একটি মাঝারি সাইজের যাত্রীবাহী লঞ্চ যোগে সুরমা নদীর নদীপথ দিয়ে বেডিংপত্র নিয়ে খানুয়া গ্রামের পাশে নেমে যাই এবং একজন লোককে দিয়ে সুরমা নদীর পার হতে বেডিংপত্র লজিং বাড়িতে নিয়ে গেলাম। তখনকার সময় জগন্নাথপুর থানার রসুলগঞ্জ বাজার ও মইনপুর এলাকা থেকে প্রতিদিন সকালে একটি মিনি লঞ্চ গোবিন্দগঞ্জ ভটের খাল নদী ও সুরমা নদীর নদীপথ দিয়ে সরাসরি সিলেটের চাঁদনীঘাট বা সিলেট কিন ব্রীজের নীচে যাত্রী নিয়ে আসা যাওয়া করতো। সড়ক পথে যোগাযোগ না থাকায় অত্রাঞ্চলের সাধারণ মানুষ নদী পথেই যাতায়াত করতো। এখন সড়ক পথের যোগাযোগ আগের তুলনায় অনেক উন্নত হওয়ায় জগন্নাথপুর উপজেলা ও ছাতকের দক্ষিণাঞ্চলের মঈনপুর অঞ্চলের মানুষ সড়ক পথেই যাতায়াত করে থাকেন। অন্যদিকে ভটেরখাল নদীসহ সুরমা নদীতে পলি জমে ভরাট হওয়ার কারণে লঞ্চ, স্টিমার বা নৌযানগুলো সিলেটে আসা যাওয়া করতে পারছে না। অথচ পাকিস্তানী আমলে তো বটেই বাংলাদেশের প্রথম দিকে অর্থাৎ ৭০ দশকের দিকে বড় বড় পাথর বোঝাই ট্রলার, কার্গো ও স্টিমার ইত্যাদি নৌযান সুরমা নদীতে চলাচল করতে দেখা যেত। এখন আর তা চোখে পড়ে না। বর্ষাকালে ছোটখাট নৌযান কিছু চল্লেও শীতকালীন সময়ে একেবারেই বন্ধ থাকে, তাই এখন নদীপথ অচল ও বন্ধ। সুরমা নদী খনন করে নৌপথ সচল করার কার্যক্রম সিটি মেয়রসহ মন্ত্রী এমপিবৃন্দের মুখে মুখে ও বক্তৃতা বিবৃতিতে শোনা গেলেও কিন্তু বাস্তবে নেই, আর কাজের বাস্তবতা হলো সুদূর পরাহত। অথচ দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই সুরমা নদী খনন করে, নৌপথ সচল করা অতিব জরুরি।
খানুয়া গ্রামের লজিং বাড়িতে প্রথম দিন সন্ধ্যায় আমার ছাত্র-ছাত্রীর সাথে পরিচয় হলো। তারা কে কোন ক্লাসে পড়ছে, কোথায় পড়ছে জেনে নিয়ে তাদেরকে পড়াতে বসলাম। ছাত্র-ছাত্রী সবাই খানুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল। ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ আমাকে পেয়ে খুশি হলেও ওরা কেউ লেখাপড়ায় ততটা মনযোগী ছিল না। তাই যতদিন তাদের বাড়িতে লজিং ছিলাম তাদেরকে লেখাপড়ায় মনযোগী করার চেষ্টা করেছি কিন্তু সফল হওয়া সম্ভব হয়নি। আমার পাশের ঘরেই জনাব এমাদ উদ্দিন নামে একজন লজিং মাস্টার ছিল সেই সময় তার সাথে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল। এমাদ উদ্দিন সিলেট মেডিকেল কলেজে ফার্মাসিস্টের ছাত্র ছিল। তার বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলার ইছামতি বাজারের নিকট ছিল। তার সম্পর্কে কিছু গল্প আছে তা পরবর্তীতে লিখব। আমি ইতিমধ্যে পাশের ঘরের অর্থাৎ লজিং অভিভাবকের ভাতিজা প্রায় আমার সমবয়সী ছিল নাম জনাব খালিকুজ্জামান বাচ্চু মিয়া এবং জনাব আব্দুল মন্নান উভয়ের সাথে পরিচয় হয়ে ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল। উনারা তখন এস.এস.সি পরীক্ষার্থী ছিল। আমি যেহেতু তাদের বাড়ির গৃহশিক্ষক তাই আমি যতটুকু সম্ভব অংক ও ইংরেজি বিষয়ে তাদেরকে সহযোগিতা করেছিলাম। উনারা আমাকে মাত্রাতিরিক্ত ¯েœহ করতো এবং আমাকে বড় ভাই বলে ডাকতো। জনাব খালিকুজ্জামান বাচ্চু ভাই বর্তমানে মধুবন মার্কেটে ব্যবসা করছেন কিন্তু আব্দুল মান্নান এখন প্রবাসী ও বৃটিশ নাগরিক। ইতিমধ্যে আমাদের এইচ.এস.সি বা ইন্টারমিডিয়েট ফাইনাল পরীক্ষা নিকটবর্তী হওয়ায় এবং ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সময় যেন দ্রুত চলে যাচ্ছিল। তাই মদন মোহন কলেজে নিয়মিত ক্লাশ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলাম ।
লজিং বাড়ি খানুয়া গ্রাম থেকে মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আসা যাওয়ার পথে সুরমা নদী পারাপার হতে হতো। নদীর পাড়েই খানুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তার পাশেই সুরমা নদী পারাপারের কানিশাইল-খানুয়া খেয়াঘাট। পাকিস্তানী আমলে সারাদেশে বড় ছোট নদীগুলোর উভয় পাড় ঘেষে বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। সুরমা নদীর উভয় পাড়ে যথেষ্ট উঁচু ও প্রশস্ত বাঁধ বা সড়ক ছিল, সেই কাঁচা সড়ক দিয়েই খানুয়া, মোল্লারগাঁওসহ ৬-৭টি গ্রামের মানুষ উক্ত খেয়াঘাট দিয়ে নদী পার হয়ে সিলেট শহরে আসা-যাওয়া করতো। দীর্ঘ ৫০ বছরেও উক্ত স্থানে সুরমা নদীর উপর সেতু তৈরি না হওয়ায় এখনও সেখানে খেয়া পারাপার বিদ্যমান আছে। তবে উক্ত স্থানে পর্যটন এলাকার মত একটি দৃষ্টিনন্দন টানা সেতু স্থাপন করা প্রয়োজন বলে মনে করছে এলাকাবাসী। সুরমা নদী পার হলেই কানিশাইল ও শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার কাছে অতি প্রাচীন উচু একটি ঈদগাহ ও একটি প্রাচীন মসজিদ নজরে পড়তো। মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করা হলেও প্রাচীন ঈদগাহটি সংস্কার করা হয়নি। ১৯৭৩-৭৭ সাল পর্যন্ত খানুয়া-কানিশাইল খেয়াঘাট হতে মধুশহীদ পর্যন্ত রাস্তাটি ছিল কাঁচা রাস্তা। তখন সেখানে বর্তমান সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের কন্সট্রাকশন কাজ চলছিল। মেডিকেল কলেজের বর্তমান স্থানটির নাম ছিল কাজলহাওর। সেখানে আমন ও বোর ধানের চাষ করা হতো। আমরা খেয়াঘাট হতে শামীমাবাদ, কাজলশাহ, মধুশহীদ, রিকাবীবাজার হয়ে কলেজে আসা-যাওয়া করতাম অথবা কাজলশাহ হতে ভাতালি আবাসিক এলাকার ভিতর দিয়ে বর্তমানে যে রাস্তাটি আছে তখন অত্যন্ত সরু ও কাঁচা রাস্তা দিয়েই লামাবাজার পয়েন্ট হয়ে কলেজে যাতায়াত করতাম। বর্তমান শামীমাবাদ আবাসিক এলাকাটি তখন ছিল কৃষি জমি। নবাব রোডের পাশে বিদ্যুৎ অফিস ও পিডিবি উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত সোনালী ধানের মাঠ দেখে দেহমন জুড়িয়ে যেতো। অগ্রহায়ণ মাসে সোনালী ধানের শীষে শিশির বিন্দু জমে সকালে সূর্যের আলোয় ঝলমল করতো। আমরা কলেজে আসা যাওয়ার পথে রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কবিতাটি উচ্চারণ করে আনন্দ করতাম।
‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া / ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া / একটি ধানের শিষের উপর / একটি শিশির বিন্দু’।
বর্তমানে যেখানে ‘সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’ স্থাপন করা হয়েছে, তার পেছনেই কয়েকটি ছোট ছোট টিলা ছিল। টিলাগুলো ছোট ছোট বৃক্ষলতা দ্বারা আচ্ছাদিত প্রাকৃতিক জঙ্গল ছিল। এই টিলাগুলোতে সিলেট মেডিকেল কলেজের বে-ওয়ারিস লাশ ও মেডিকেল বর্জ্য ইত্যাদি পুতে রাখা হতো। ফলে এ স্থানটিতে প্রচুর শিয়ালসহ নানা ধরনের বন্য প্রাণীর আনাগোনা ছিল। শিয়ালের ভয়ে এই রাস্তা দিয়ে রাত্রিবেলায় চলাফেরা করা সম্ভব হতো না। রাত্রে একা পেলে শিয়াল কর্তৃক আক্রান্ত হতো পথচারীবৃন্দ। বর্তমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উত্তর দিক থেকে বাগবাড়ী আবাসিক এলাকার মধ্য দিয়ে এবং শামীমাবাদ এলাকা ও সিলেট ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর দিক দিয়ে প্রবাহিত ছড়াটি অত্র এলাকার বৃষ্টির পানি বাহির হয়ে কানিশাইল গ্রামের ভিতর দিয়ে সুরমা নদীতে পড়তো। তখন উক্ত খালটি দিয়ে নৌকা চলাচল করতো। মেডিকেল কলেজ তৈরির সময় উক্ত খাল দিয়েই পাথর, বালু ও নির্মাণ সামগ্রী পরিবহন করা হয়েছিল। নানা প্রজাতির মাছের উৎস ছিল এই খালটি। আমরা কলেজে আসা যাওয়ার পথে মাছ ধরার দৃশ্য দেখে আনন্দ পেতাম। এখন আর সে দৃশ্য নেই। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের কল্যাণে মানুষের আনাগোনা ও বসতি বৃদ্ধি পেয়ে সে প্রাকৃতিক দৃশ্য বিলীন হয়ে গেছে। এখন আর কাজলহাওর নেই। নেই শামীমাবাদ এলাকার কৃষি জমি ও বাগবাড়ি এলাকার সুউচ্চ টিলাগুলোর বৃক্ষরাজির গভীর বন-জঙ্গল ও প্রাকৃতিক পরিবেশ। এখন যেমন সুচিকিৎসার প্রয়োজনে সেখানে তৈরি হয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। তেমনি বাসাবাড়ির প্রয়োজনে তৈরি করা হয়েছে শামীমাবাদ আবাসিক এলাকা, কানিশাইল আবাসিক এলাকা, ঘাষিটুলা আবাসিক এলাকা, বাগবাড়ি আবাসিক এলাকাসহ অনেক আবাসিক এলাকা। ফলে ধীরে ধীরে সিলেট শহরে মানুষের ভিড়ে অতিরিক্ত রিক্সা, গাড়ী ও যানবাহন চলাচলের কারণে তৈরি হচ্ছে যানজট এবং গাছ, বৃক্ষ, খাল, পুকুর, জলাশয় বিলীন হয়ে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। ফলে তীব্র গরমে এখন শহরবাসীরা অতিষ্ট। জানি না আমরা আগামীতে শহরে শান্তিতে বসবাস করতে সক্ষম হব।

 

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT