ভারত সরকারের দাপ্তরিক ভাষা হিন্দি এবং ইংরেজি। সংবিধানে কোনো জাতীয় ভাষা না থাকলেও রাজ্যগুলো নিজস্ব ভাষা নির্ধারণ করতে পারে। ভারতে সাড়ে ১৪ থেকে সাড়ে ২৪ শতাংশ লোক হিন্দিতে কথা বলে। তবে মোটামুটি ৪৫ শতাংশ ভারতীয়কে হিন্দিভাষী অথবা এর কাছাকাছি বলে গণ্য করা হয়। ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় বলা হয়, ১৫ বছরের মধ্যে ইংরেজির বদলে হিন্দি চালু হবে। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্য আপত্তি করায় তা আর সম্ভব হয়নি। রাজ্য পর্যায়ে যেসব ভাষা চালু আছে তা হলো- অসমিয়া (আসাম), বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, ঝাড়খ-, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ), বোড়ো (আসাম), ডোগরি (জম্মু ও কাশ্মীর), গুজরাটি (গুজরাট, দাদরা ও নগর হাভেলি, দমন ও দিউ), হিন্দি (বিহার, চ-িগড়, ছত্তিশগড়, দিল্লি, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খ-, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখ-), কন্নড় (কর্ণাটক), কাশ্মীরি (জম্মু ও কাশ্মীর), কোঙ্কণি (গোয়া, মহারাষ্ট্র), মৈথিলি (বিহার), মলয়ালম (কেরালা, লদ্বীপ, পুদুচেরি), মৈতৈ-মণিপুরি (মণিপুর), মারাঠি (মহারাষ্ট্র, গোয়া, দাদরা ও নগর হাভেলি, দমন ও দিউ), নেপালি (সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ), ওড়িয়া (ওড়িশা), পাঞ্জাবি (পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চ-িগড়, দিল্লি), সংস্কৃত (উত্তরাখ-), সাঁওতালি (বিহার, ছত্তিশগড়, ঝাড়খ-, ওড়িশা রাজ্যের অন্তর্গত ছোট নাগপুর), তামিল (তামিলনাড়ূ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, পুদুচেরি), তেলেগু (অল্প্রব্দপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, পুদুচেরি), উর্দু (জম্মু ও কাশ্মীর, তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, বিহার)। রাজ্য পর্যায়ে আরও ২৫টি ভাষা সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃত।
মায়ের ভাষাকে কেউ কেড়ে নিতে চাইলে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একতাবদ্ধ হয়, এমন ভূরি ভূরি নজির ভারতেই আছে। ১৯১২ সালে মানভূম জেলাকে ভারতের বিহার ও ওড়িশার সঙ্গে যুক্ত করলে মানভূমবাসী আন্দোলনে নামে। ভাষার দাবিও যুক্ত হয়। ১৯৫৬ সালে নতুন জেলা গঠিত হলে দাবি মিটে যায়। ভারতের আসাম প্রদেশে একমাত্র অসমিয়কে রাজ্যের দাপ্তরিক ভাষা করার উদ্যোগ নিলে উত্তর-পূর্ব ভারতের বাঙালিরা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৯৬১ সালে পুলিশের গুলিতে শিলচরে বহু বাঙালি হতাহত হয়। অবশেষে বাংলাকেও রাজ্যের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯৪৭-এর দেশ ভাগের পর পূর্ব বাংলার হিন্দু উদ্বাস্তুদের দ-কারণ্য প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩২টি গ্রামে পুনর্বাসন করা হয়। তাদের জন্য বাংলায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু দ-কারণ্য প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেলে বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়গুলোকে হিন্দি মাধ্যমে রূপান্তর করা হয়। তাদের সংগ্রাম এখনও অব্যাহত আছে। বাঙালিদের আন্দোলনে বাংলাকে কর্ণাটকের দ্বিতীয় ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ঝাড়খ-ের জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ বাঙালি। হিন্দি, ইংরেজি ও উর্দু এই রাজ্যের প্রধান সরকারি ভাষা। কিন্তু বাংলা উপেক্ষিত। ঝাড়খ-ের একাধিক বাঙালি সংগঠন বাংলাকে প্রধান সরকারি ভাষা ঘোষণার দাবিতে দীর্ঘদিন সংগ্রামরত। দিল্লিতে অন্যান্য ভাষার নিজস্ব একাডেমি থাকলেও বাংলা একাডেমি নেই। বাঙালি ছাত্রছাত্রীদের জন্য বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়ের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। দিল্লির বাঙালিরাও ভাষার অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত।
অমিত শাহর বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে দক্ষিণ ভারতে। সেখানে কেউ হিন্দিতে কথা বলে না। তারা কখনও হিন্দিকে নিজের ভাষা বলে গ্রহণ করেনি। ইতিমধ্যে কর্ণাটকের একাধিক সংগঠন রাস্তায় নেমেছে। সব রাজনৈতিক দলই অমিত শাহর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করছে। সিপিএম নেতা মোহাম্মদ সেলিমের প্রশ্ন : 'গুজরাট হাইকোর্ট যখন বলেছিলেন, গুজরাটিদের জন্য হিন্দি বিদেশি ভাষা, তখন গুজরাটের তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ কেন প্রতিবাদ করেননি? তারা এখন হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।' সবাই দাবি করছেন, জোর করে হিন্দি চাপানোর চেষ্টা হলে তা মানা হবে না।
কোনো রাষ্ট্রে একটি মাত্র সাধারণ ভাষা থাকতে হবে- অমিত শাহর এই যুক্তি ধোপে টেকে না। কারণ বিশ্বের বহু দেশেই একাধিক সরকারি ভাষা রয়েছে। ভাষা নিয়ে তিনি যে বিতর্কের অবতারণা করলেন, তা ভারতীয়দের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে। অতএব প্রধানমন্ত্রী মোদি, তার সরকার ও বিজেপি যদি এই স্পর্শকাতর বিষয়ে পূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদান না করেন, তাহলে ভবিষ্যতে তা বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দেবে।
লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক, কলাম লেখক ও বিশ্নেষক; কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (সিজেএ) ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি।

'/> SylheterDak.com.bd
উপ সম্পাদকীয়

ভিমরুলের চাকে অমিতের খোঁচা

হাসান শাহরিয়ার প্রকাশিত হয়েছে: ২৩-০৯-২০১৯ ইং ০০:৪৪:৪২ | সংবাদটি ২৮৮ বার পঠিত
Image

আজ থেকে ৭১ বছর আগে পাকিস্তানের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ যে ভুলটি করেছিলেন; ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও অনেকটা তা-ই করেছেন। জিন্নাহর মতো তিনিও ভিমরুলের চাকে খোঁচা দিয়েছেন। জিন্নাহ বলেছিলেন- 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।' অমিত শাহ বলেছেন, 'এক রাষ্ট্র, এক ভাষা। আর সেই ভাষা হোক হিন্দি। ভারতে বহু ভাষার মধ্যে প্রত্যেকটির গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু দেশের একটি ভাষা থাকা প্রয়োজন, যাকে বিশ্ব স্বীকৃতি দেবে ভারতীয় ভাষা হিসেবে। যদি কোনো ভাষা দেশকে বাঁধতে পারে, তা হিন্দি।' জিন্নাহর ঘোষণার পর পূর্ববঙ্গে (বর্তমান বাংলাদেশ) রক্তবন্যা বয়ে যায়। বাঙালির আন্দোলনে পাকিস্তান সরকার বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়। প্রতিবাদের মুখে জিন্নাহ তার বক্তব্যে অনড় থাকলেও বিতর্কিত হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান নীতির অন্যতম প্রবক্তা অমিত শাহ সুর পাল্টিয়েছেন। তিনি এখন বলছেন, 'আঞ্চলিক ভাষার ওপরে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার কথা বলিনি। বলেছি, দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে হিন্দিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা। আমি নিজেই অ-হিন্দিভাষী রাজ্য থেকে এসেছি।' গত জুন মাসে জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়ায় হিন্দিকে বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করলে গোটা ভারতে বিক্ষোভ দেখা দেয়। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিএমকে সভাপতি এমকে স্ট্যালিন, পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী ভিনারায়ণস্বামী, কর্ণাটকের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীসহ অনেকেই অমিত শাহর বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। স্ট্যালিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত অমিত শাহর বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া। না হলে ডিএমকে আর একটি ভাষা আন্দোলনের প্রস্তুতি নেবে। মমতার বক্তব্য : 'আমাদের উচিত সব ভাষা, সংস্কৃৃতিকে সমানভাবে সম্মান জানানো। আমরা অনেক ভাষাই শিখতে পারি, কিন্তু মাতৃভাষাকে ভোলা উচিত নয়।'
ভারত সরকারের দাপ্তরিক ভাষা হিন্দি এবং ইংরেজি। সংবিধানে কোনো জাতীয় ভাষা না থাকলেও রাজ্যগুলো নিজস্ব ভাষা নির্ধারণ করতে পারে। ভারতে সাড়ে ১৪ থেকে সাড়ে ২৪ শতাংশ লোক হিন্দিতে কথা বলে। তবে মোটামুটি ৪৫ শতাংশ ভারতীয়কে হিন্দিভাষী অথবা এর কাছাকাছি বলে গণ্য করা হয়। ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় বলা হয়, ১৫ বছরের মধ্যে ইংরেজির বদলে হিন্দি চালু হবে। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্য আপত্তি করায় তা আর সম্ভব হয়নি। রাজ্য পর্যায়ে যেসব ভাষা চালু আছে তা হলো- অসমিয়া (আসাম), বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, ঝাড়খ-, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ), বোড়ো (আসাম), ডোগরি (জম্মু ও কাশ্মীর), গুজরাটি (গুজরাট, দাদরা ও নগর হাভেলি, দমন ও দিউ), হিন্দি (বিহার, চ-িগড়, ছত্তিশগড়, দিল্লি, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খ-, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখ-), কন্নড় (কর্ণাটক), কাশ্মীরি (জম্মু ও কাশ্মীর), কোঙ্কণি (গোয়া, মহারাষ্ট্র), মৈথিলি (বিহার), মলয়ালম (কেরালা, লদ্বীপ, পুদুচেরি), মৈতৈ-মণিপুরি (মণিপুর), মারাঠি (মহারাষ্ট্র, গোয়া, দাদরা ও নগর হাভেলি, দমন ও দিউ), নেপালি (সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ), ওড়িয়া (ওড়িশা), পাঞ্জাবি (পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চ-িগড়, দিল্লি), সংস্কৃত (উত্তরাখ-), সাঁওতালি (বিহার, ছত্তিশগড়, ঝাড়খ-, ওড়িশা রাজ্যের অন্তর্গত ছোট নাগপুর), তামিল (তামিলনাড়ূ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, পুদুচেরি), তেলেগু (অল্প্রব্দপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, পুদুচেরি), উর্দু (জম্মু ও কাশ্মীর, তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, বিহার)। রাজ্য পর্যায়ে আরও ২৫টি ভাষা সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃত।
মায়ের ভাষাকে কেউ কেড়ে নিতে চাইলে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একতাবদ্ধ হয়, এমন ভূরি ভূরি নজির ভারতেই আছে। ১৯১২ সালে মানভূম জেলাকে ভারতের বিহার ও ওড়িশার সঙ্গে যুক্ত করলে মানভূমবাসী আন্দোলনে নামে। ভাষার দাবিও যুক্ত হয়। ১৯৫৬ সালে নতুন জেলা গঠিত হলে দাবি মিটে যায়। ভারতের আসাম প্রদেশে একমাত্র অসমিয়কে রাজ্যের দাপ্তরিক ভাষা করার উদ্যোগ নিলে উত্তর-পূর্ব ভারতের বাঙালিরা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৯৬১ সালে পুলিশের গুলিতে শিলচরে বহু বাঙালি হতাহত হয়। অবশেষে বাংলাকেও রাজ্যের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়। ১৯৪৭-এর দেশ ভাগের পর পূর্ব বাংলার হিন্দু উদ্বাস্তুদের দ-কারণ্য প্রকল্পের মাধ্যমে ১৩২টি গ্রামে পুনর্বাসন করা হয়। তাদের জন্য বাংলায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু দ-কারণ্য প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেলে বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়গুলোকে হিন্দি মাধ্যমে রূপান্তর করা হয়। তাদের সংগ্রাম এখনও অব্যাহত আছে। বাঙালিদের আন্দোলনে বাংলাকে কর্ণাটকের দ্বিতীয় ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ঝাড়খ-ের জনসংখ্যার ৪২ শতাংশ বাঙালি। হিন্দি, ইংরেজি ও উর্দু এই রাজ্যের প্রধান সরকারি ভাষা। কিন্তু বাংলা উপেক্ষিত। ঝাড়খ-ের একাধিক বাঙালি সংগঠন বাংলাকে প্রধান সরকারি ভাষা ঘোষণার দাবিতে দীর্ঘদিন সংগ্রামরত। দিল্লিতে অন্যান্য ভাষার নিজস্ব একাডেমি থাকলেও বাংলা একাডেমি নেই। বাঙালি ছাত্রছাত্রীদের জন্য বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয়ের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। দিল্লির বাঙালিরাও ভাষার অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত।
অমিত শাহর বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে দক্ষিণ ভারতে। সেখানে কেউ হিন্দিতে কথা বলে না। তারা কখনও হিন্দিকে নিজের ভাষা বলে গ্রহণ করেনি। ইতিমধ্যে কর্ণাটকের একাধিক সংগঠন রাস্তায় নেমেছে। সব রাজনৈতিক দলই অমিত শাহর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করছে। সিপিএম নেতা মোহাম্মদ সেলিমের প্রশ্ন : 'গুজরাট হাইকোর্ট যখন বলেছিলেন, গুজরাটিদের জন্য হিন্দি বিদেশি ভাষা, তখন গুজরাটের তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ কেন প্রতিবাদ করেননি? তারা এখন হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।' সবাই দাবি করছেন, জোর করে হিন্দি চাপানোর চেষ্টা হলে তা মানা হবে না।
কোনো রাষ্ট্রে একটি মাত্র সাধারণ ভাষা থাকতে হবে- অমিত শাহর এই যুক্তি ধোপে টেকে না। কারণ বিশ্বের বহু দেশেই একাধিক সরকারি ভাষা রয়েছে। ভাষা নিয়ে তিনি যে বিতর্কের অবতারণা করলেন, তা ভারতীয়দের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে। অতএব প্রধানমন্ত্রী মোদি, তার সরকার ও বিজেপি যদি এই স্পর্শকাতর বিষয়ে পূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদান না করেন, তাহলে ভবিষ্যতে তা বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দেবে।
লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক, কলাম লেখক ও বিশ্নেষক; কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (সিজেএ) ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • চীন-ভারত সংঘাতের আশংকা কতটুকু
  • করুণাধারায় এসো
  • করোনাকালের ঈদোৎসব
  • মহাপূণ্য ও করুণার রাত শবে-কদর
  • মাহে রামাজান: যাকাত আদায়ের উত্তম সময়
  • দারিদ্র দূরীকরণে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ
  • চীন-আমেরিকার শীতল যুদ্ধ
  • চাই আশার বাণী
  • কোভিড-১৯:সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • Image

    Developed by:Sparkle IT