সাহিত্য

রবীন্দ্রনাথের ইংরেজ বন্ধুরা

রফিকুর রহমান লজু প্রকাশিত হয়েছে: ০৬-১০-২০১৯ ইং ০০:৩৩:২২ | সংবাদটি ৪৯ বার পঠিত

১৯১১ সালে রবীন্দ্রনাথ যখন পঞ্চাশ বছরে পা দেন তখন প্রথমবারের মতো শান্তিনিকেতনে আশ্রম বিদ্যালয়ের ছাত্ররা তাঁর জন্মদিন পালন করেন। অর্ধশতবর্ষে পদার্পণের দিনে কবির প্রথম জন্মদিন পালন খুবই তাৎপর্যম-িত। ‘আমাদের বিশ্বকবি’ গ্রন্থে ক্ষিতীশ রায় এই জন্মোৎসব প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন: ‘খুব সম্ভব আশ্রম বালকদের অনুষ্ঠিত এই উৎসবই হল প্রথম পঁচিশে বৈশাখের উৎসব।’ এর কাছাকাছি সময়ে কবি এক দুঃসাহস দেখালেন। গগনেন্দ্রনাথ-অবনীন্দ্রনাথের ভগ্নী বিনয়নী দেবীর বিধবা মেয়ে প্রতিমা দেবীর সঙ্গে বড় ছেলে রথীন্দ্রনাথের বিয়ে দেন। এই সময় কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথের নামে তাঁর নামকরা উপন্যাস ‘গোরা’ উৎসর্গ করেন। এই রকমভাবে পারিবারিক ও অন্যান্য নানা বন্ধনে জড়িয়ে পড়াকালে কবি ইংরেজ মুলুক বিলেতে যাবার জন্য মনস্থির করেন। আরেকটি কারণে কবির বিলেত যাওয়া ত্বরান্বিত হয়েছিল।
১৯১২ সালের মার্চ মাসের দিকে কবি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সকলে মিলে ঠিক করেন কবি বিলেত যাবেন চিকিৎসার জন্য। যাত্রার দিন ক্ষণ ঠিক হয়। আত্মীয় ও বন্ধুরা কবিকে বিদায় জানাতে জাহাজঘাটেও উপস্থিত হন। কিন্তু কবি যেতে পারলেন না। হঠাৎ শরীর আরো দুর্বল হয়ে পড়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে কবিকে তখনকার মতো বিদেশ যাত্রা স্থগিত করতে হয়। ভালো বিশ্রামের জন্য তখন কবিকে শিলাইদহে পাঠানো হলো। নতুন কিছু লেখার কাজে হাত না দিয়ে অনেকটা খেলার ছলে কবি গীতাঞ্জলি’র কবিতাগুলো অনুবাদ করতে শুরু করেন। অসুখে নিরানন্দে মন ভরাবার জন্য কবি একটা ‘অনাবশ্যক' (কবির নিজের ব্যবহৃত শব্দ) কাজে হাত দিলেন। কবি রবীন্দ্রনাথের এবং বাংলা ভাষার বিশ্ব খ্যাতির প্রথম সিঁড়ি কিন্তু শিলাইদহের এই ‘অনাবশ্যক’ কাজ। ইংরেজি গীতাঞ্জলির জন্য রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে ৫২ বছর বয়সে নোবেল প্রাইজ লাভ করেন। ইংরেজি গীতাঞ্জলি কিন্তু কেবল বাংলা গীতাঞ্জলির অনুবাদ নয়। ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথ বাংলা গীতাঞ্জলি ছাড়াও গীতামাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া, শিশু প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ থেকে বেছে বেছে কবিতা নিয়েছিলেন। মাস খানেক পরে রবীন্দ্রনাথ ইংল্যান্ড যাবার সময় অনুবাদের খাতাটি সঙ্গে নিয়ে যান। জাহাজে বসেও কবি কয়েকটি কবিতার অনুবাদ করেন। বিখ্যাত চিত্রকর উইলিয়ম রোদেনস্টাইনের (William Rodhenstein) সাথে কলকাতায় অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে কবির আগেই পরিচয় ও হৃদ্যতা হয়েছিল। লন্ডনে কবিকে দেখাশোনার ভার পড়েছিল রোদেনস্টাইনের উপর। কথা প্রসঙ্গে এক সময় ইংরেজ চিত্রকর বাঙালি কবির রচনার সাথে পরিচয় লাভের আগ্রহ প্রকাশ করেন। কবি সঙ্গে সঙ্গে দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া কবিতার ইংরেজি অনুবাদের খাতাটি তার হাতে তুলে দেন।
খাতা থেকে কিছু কিছু কবিতা পড়ে রোদেনস্টাইন বিমোহিত হন। তিনি কবি নন কিংবা সাহিত্যের ছাত্রও নন। তাই রবীন্দ্রনাথের খাতাটি পড়তে দেন তাঁর কবি বন্ধু ইউলিয়ম বাটলার ইয়েটসকে। একথাটি বেদেনস্টাইন সুন্দর করে বলেছেন ঃ রবীন্দ্রনাথ যে সব বাংলা কবিতা নিজেই তর্জমা করেছিলেন সেই খাতাটি আমায় উপহার দিলেন। ...কিন্তু আমি এই মুক্তা রাশির কী মর্ম বুঝব... সেই জন্য কবি শ্রেষ্ঠ ইয়েসটকে এই রতেœর সন্ধান দিলাম। ...কবি ইয়েটস কবিতাগুলি পাঠ করে এমন মুগ্ধ হলেন যে তাঁর পল্লীবাস থেকে রবীন্দ্রনাথকে দেখবার জন্য লন্ডনে ছুটে এলেন।
পরে ইয়েটস-এর পরামর্শে রোদেনস্টাইন তাঁর হ্যাম্পস্টেডের বাড়িতে ইংরেজ কবি ও সাহিত্যিকদের এক আসরে আমন্ত্রণ জানালেন। এখানে রবীন্দ্রনাথও উপস্থিত ছিলেন। এই আসরে ইয়েটস রবীন্দ্রনাথের কয়েকটি অনুবাদ পড়ে শোনান। সবাই নীরবে তন্ময় হয়ে শুনলেন। পড়া শেষ হলে কোন মন্তব্য না করে সবাই বিদায় নিলেন। কিন্তু কবিতা পড়ার আবেদন টের পাওয়া গেলো পরদিন। পূর্ব রাতের নীরব শ্রোতাদের উচ্ছ্বসিত অভিনন্দন ভরা চিঠির পর চিঠি এলো কবির হাতে। সেই ঘটনা থেকে ভারত প্রত্যাগত মিশনারী অধ্যাপক চার্লস ফ্রিয়র এন্ডুজ রবীন্দ্রনাথের আজীবন অনুরাগী ভক্ত ও সেবক বনে যান। এই বছর ১২ জুলাই লন্ডনের ট্টোকাডেরো হোটেলে ইন্ডিয়া সোসাইটির উদ্যোগে রবীন্দ্রনাথকে এক সংবর্ধনা দেয়া হয়। এই সংবর্ধনা সভায় ইংল্যান্ডের বড় বড় সাহিত্যিক ও মনীষীরা উপস্থিত ছিলেন। শিল্পী রোদেনস্টাইনের মারফতে ইতিমধ্যে অনেকেই ইংরেজি গীতাঞ্জলির টাইপ করা কপি পেয়ে গেছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন উপলক্ষে রোদেনস্টাইন কবিকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন উপন্যাসিক এইচ.জি.ওয়েলস, জন গলসওয়াদি, নাট্যকার জর্জ বার্ণাড শ’, কবি এজরা পাউন্ড, জন মেস্্ফিল্ড, রবার্ট ব্রিজেস সহ সাহিত্য জগতের আরো অনেক দিকপালদের সঙ্গে। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির পদ যিনি অলংকৃত করেছিলেন তিনি আর কেউ নন। স্বয়ং কবি ইউলিয়াম বাটলার ইয়েটস।
সভাপতির ভাষণ দিতে গিয়ে ইয়েটস বলেন, একজন শিল্পীর জীবনে সেই দিন সকলের চেয়ে বড় দিন, যে দিন তিনি এমন এক প্রতিভার রচনা আবিষ্কার করেন যার অস্তিত্ব তিনি পূর্বে অবগত ছিলেন না। আমার কাব্য জীবনে আজ এই একটি মহৎ ঘটনা উপস্থিত হয়েছে যে, আজ আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সংবর্ধনা ও সম্মান করবার ভার পেয়েছি। তাঁর রচিত প্রায় একশতটি গীতি কবিতার গদ্যানুবাদের একটি খাতা আমি আমার সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে ফিরছি। আমার সমসাময়িক আর কোনো ব্যক্তির এমন কোনো ইংরেজি রচনার বিষয় আমি জানিনে যার সঙ্গে এই কবিতাগুলির তুলনা হতে পারে। ইয়েটস তাঁর ভাষণ শেষ করে রবীন্দ্রনাথের তিনটি কবিতা সবাইকে আবৃত্তি করে শোনান। এভাবে ইংল্যান্ডে রবীন্দ্রনাথ ও তাঁর কবিতা পরিচিতি লাভ করে কবি-সাহিত্যিক মহলে। কিন্তু আমেরিকায় রবীন্দ্রনাথের নাম তখনো পৌঁছেনি। কবি এজরা পাউন্ড প্রথম রবীন্দ্রনাথের নাম আমেরিকাবাসীর কাছে পৌঁছান। তিনি গীতাঞ্জলি থেকে ছয়টি কবিতা আমেরিকার বিখ্যাত কবিতাপত্র পোয়েট্রিতে ছাপার ব্যবস্থা করেন। অতঃপর আসে ইংরেজি গীতাঞ্জলি ছাপার পালা। শিল্পী রোদেনস্টাইন বইখানি ছাপার জন্য ইন্ডিয়া সোসাইটিকে প্রস্তাব দিলে সোসাইটি গর্ব সহকারে এগিয়ে আসে। রোদেনস্টাইন লিখেছেন, Yeats, when the committee agreed, generously appeared to write an introduction, কবি ইয়েটসের ভূমিকাসহ ১৯১২ সালের শেষ দিকে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ Songs offering নাম নিয়ে প্রকাশিত হয়। গীতাঞ্জলির সাথে ইয়েটসের সুন্দর ভূমিকাটিও বিশ্ব সাহিত্যের ইতিহাসে অমর ও উজ্জ্বল হয়ে আছে। ইয়েটস এর ভূমিকা পাঠ করে রবীন্দ্রনাথ এক ব্যক্তিগত পত্রে কবিবন্ধু ইয়েটসকে লিখেন, ‘পড়ে লজ্জাবোধ হয়। এটা আমার জন্য বহুমূল্য অলংকার সন্দেহ নেই, কিন্তু যাকে বলে অতিশয়োক্তি অলংকার।' ইয়েটসের মূল্যবান ভূমিকাসহ গীতাঞ্জলি’ প্রথম ছাপা হয় মাত্র সাতশত কপি। ‘গীতাঞ্জলি’ বই হিসেবে বের হওয়ার পর সমস্ত ইংল্যান্ডে এর প্রশংসার ঢেউ বয়ে যায়। সমালোচনা বের হয় টাইমস, গার্ডিয়ান, নেশান, ম্যাঞ্চেস্টার, নিউ স্টেটসম্যান প্রভৃতি প্রথম সারির পত্রিকায়। কোন কোন সমালোচনায় বলা হয়, ‘গীতাঞ্জলির তুলনায় সাম্প্রতিক ইংরেজি কাব্যকলা নিতান্তই ছেলেখেলা বা শূন্যগর্ভ বাকচাতুরী মাত্র।’ এইসব সমালোচনা প্রকাশকদেরও আকর্ষণ করে। এসময় নামকরা প্রকাশনী সংস্থা ম্যাকমিলান কোম্পানি গীতাঞ্জলির প্রকাশনার ভার নেয়। এত প্রচার ও প্রশংসায় কবি নিজে বিচলিত ও দ্বিধান্বিতবোধ করেন। কবির ভাষায় ঃ চারিদিকে আমার নিজের নামের এই যে ঢেউ তোলা এ আমার কিছুতেই ভালো লাগছে না। এই নিয়ে আমার নিজের মধ্যে একটা দ্বন্দ্ব চলছে। কবি স্টার্জ মুর যিনি রয়াল সোসাইটির সদস্য প্রথম প্রস্তাব পাঠান সুইডিস কমিটির কাছে যাতে গীতাঞ্জলিকে বিবেচনায় নেয়া হয়। এই প্রস্তাবে অনেকে প্রথমে অবাক হয়ে যান। এর মধ্যে বিখ্যাত সুইডিস সাহিত্যিক হেবর্ণের ফন হেইডেনস্টাম (Verner Von Heidenstam) গীতাঞ্জলির অনুবাদ পড়ে ফেলেন। তাঁর কাছে অপূর্ব মনে হলো রবীন্দ্রনাথকে। হেইডেন স্টাম বলেন যে, গত তিন বছরের মধ্যে গীতাঞ্জলির মতো এত ভালো কোন বই তিনি পড়েননি, তিনি অসম্ভব আলোড়িত হয়েছেন ঐসব কবিতা পাঠ করে এবং কোন কবি যদি নোবেল প্রাইজ পাওয়ার উপযুক্ত হয়ে থাকেন তবে তিনি রবীন্দ্রনাথই।” কমিটি রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়, রিপোর্ট নেয় এবং চুলচেরা আলোচনা করে। অতঃপর কমিটির সকল সদস্য রবীন্দ্রনাথের কবি প্রতিভার গুরুত্ব ও মহানতা উপলব্ধি করে ১৯১৩ সালের ১৩ নভেম্বর কবির নামে পুরস্কার হোষণা করেন। রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সংবাদ অবগত হন ১৫ নভেম্বর স্বদেশের মাটিতে বোলপুরে বসে এক টেলিগ্রাম মারফতে। পুরস্কার প্রাপ্তি উপলক্ষে কবিকে । প্রদত্ত মানপত্রে উল্লেখ করা হয় : For reasort of tle inner dept/t and the high aim revealed in his poetic writings, also for the brilliant way in which he translates the beauty and freshness of his original thought into the accepted forms of western belles letters.।
রবীন্দ্রনাথ পুরস্কার পাওয়ার পর নোবেল সমিতির সম্পাদক পের হোলস্ট্রোম (Par Hallstrom) গীতাঞ্জলির সমালোচনা করতে গিয়ে মন্তব্য করেন, ‘গ্যেটের পরবর্তী ইউরোপীয় কবিদের মধ্যে টেগোরের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই এবং এই কবিকে কোন আর্থিক পুরস্কার অর্পণ করাটাকে বলা যায় প্রায় অর্ধমাচরণ যেন আমরা দায়ূদের স্তোত্র বা সন্ত ফ্রান্সিসের গীতিকারের জন্য অর্থ মূল্য দিচ্ছি।’ এভাবে দেশে-বিদেশে রবীন্দ্রনাথ প্রশংসিত হন, সম্মানিত হন। দেশে বিদেশে কবির নাম ছড়িয়ে পড়ে। আকাশ ছোঁয়া সম্মান কবিকে অভিভুত করে। কবির অমর সৃষ্টি গীতাঞ্জলি কবিকে, বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে উঁচু আসনে অভিষিক্ত করে।
এর পরের ঘটনাবলি মোটেই আনন্দের নয়, সুখকর নয়। একটি মহৎ ও সুন্দর সৃষ্টি যখন সংশ্লিষ্ট সকলের জ্ঞান, মেধা, শ্রম ও মনীষায় সফলতা পেলো তখনই ঘটনার মুড় ঘুরে গেলো অন্যদিকে। একদা যারা কবির সৃষ্টির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন, কবির প্রতিভার স্বীকৃতি ও খ্যাতির জন্য যারা প্রভূত দায়িত্ব পালন করেছেন, কলম ধরেছেন- তারা মুখ ফিরিয়ে নিলেন। কবির নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি কবিকে এদের থেকে দূরে সরিয়ে দিল। এ প্রসঙ্গে রোদেনস্টাইন, ইয়েটস, স্টার্জ মুর, এজরা পাউন্ড প্রমুখের নাম উল্লেখ করা যায়। কবির ইংরেজি গীতাঞ্জলির জন্য যিনি সোৎসাহে ভূমিকা লিখেছেন, গীতাঞ্জলি ও রবীন্দ্রনাথকে ইংল্যান্ডের কবি ও লেখক সমাজে পরিচিত করার জন্য অপরিসীম পরিশ্রম করেছেন সেই ইয়েটস নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির পর রবীন্দ্রনাথকে একটি সৌজন্যমূলক অভিনন্দন বার্তাও পাঠাননি। দীর্ঘ সাত মাস পরে তিনি মনগড়া কারণ খাড়া করে এক চিঠিতে রবীন্দ্রনাথকে লিখেন, Dear Mr. Tagore, I have not written to you all these months because somebody told me how bardened you are with letters and the answering of letters. স্টার্জ মুর এক চিঠিতে রবীন্দ্রনাথকে লিখেন, Your naving Won the nobel prize has made you a certain number of enemies. ইয়েটস গীতাঞ্জলি ও রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আরো অনেক অসুন্দর মন্তব্য করেছেন। তিনি রাতারাতি তাঁর পূর্ব মত পাল্টিয়ে বিপরীত মনোভাব গ্রহণ করেন। ইয়েটসের একটি অমুলক অভিযোগের কথা রোদেনস্টাইন বহু দিন পরে ১৯৩২ সালে এক চিঠিতে রবীন্দ্রনাথকে জানান, He (Yeats) thought you had somewhat understimated the help he and Sturge Moore gave you in your translation অথচ শিল্পী রোদেনস্টাইন তাঁর আত্মজীবনীতে এ সম্পর্কে লিখেছেন, I knew that it was said in India that the success of Gitanjali was largely owing to Yeats rewriting of Tagore's English, That this is false can easily be proved. The original MS of Gitanjali in English and in Bengali is in my possession, Yeats did here and there suggest slight changes, but the main text, was printed as it came from Tagore's hands. সাহিত্য ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ সম্মান নোবেল পুরস্কার রবীন্দ্রনাথের জন্য নিয়ে এলো পৃথিবী ব্যাপী পরিচিতি ও সম্মান। অন্যদিকে এই পুরস্কার প্রাপ্তির ঘটনা কবির অনেক ঘনিষ্ট বন্ধুদের দূরে সরিয়ে দেয় এবং ঈর্ষান্বিত করে তুলে।
তথ্যসূত্র ঃ ইয়েটসকৃত গীতাঞ্জলির ভূমিকা : অনুবাদ ও সংযোজন ঃ উর্মি জাহাঙ্গীর : আনিসুজ্জামান সম্পাদিত ‘রবীন্দ্রনাথ’ গ্রন্থের প্রবন্ধ ইয়েটস ও রবীন্দ্রনাথ : সারওয়ার মুরশিদ, রবীন্দ্রনাথ : কিশোর জীবনী : হায়াৎ মামুদ, আমাদের বিশ্বকবি ঃ ক্ষিতীশ রায়।

 

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT