উপ সম্পাদকীয়

ইমরান খানের বক্তব্য ও পক্ষ-বিপক্ষ ভাবনা

সৈয়দ মবনু প্রকাশিত হয়েছে: ০৭-১০-২০১৯ ইং ০১:১৩:৫১ | সংবাদটি ৭১ বার পঠিত

ইমরান খান জনপ্রিয় ছিলেন ক্রিকেটার থাকতেই। পাকিস্তানের গত নির্বাচনের সময় আমি ইংল্যান্ডে ছিলাম। তখন দেখেছি আমার অনেক পাকিস্তানী বন্ধু ইমরান খানের পক্ষে। এই বন্ধুরা প্রায় সবাই সৎ, সচেতন এবং শিক্ষিত। পাকিস্তানে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে আমি দাওয়াতে ছিলাম বার্মিংহামে শ্রদ্ধেয় বন্ধু সামসুল আরিফিনের বাসায়। তিনি একজন বৃটিশ পাকিস্তানি এবং বার্মিংহামের একটি কোর্টের বিচারক। পারিবারিকভাবে শিক্ষিত এবং শিল্পপতি। আরিফিনকে আমরা বন্ধু হিসাবে লেনদেন এবং আচার-ব্যবহারে যতটুকু দেখেছি, তিনি সৎ, ভদ্র, নম্্র, জ্ঞানী এবং অল্পভাষী ভালো মানুষ। বাংলাদেশের প্রতি তাঁর অনেক প্রেম রয়েছে। দু-তিন বার বাংলাদেশেও এসেছেন। আরিফিন ফালতু কথা মোটেও বলেন না। তাই ইমরান খান সম্পর্কে আরিফিনের বক্তব্য আমি বিশ্বাস করি। আরিফিন মনে করেন ইমরান খান অন্যান্য শাসকদের থেকে ভাল।
‘তাহরিকে ইনসাফ’ সংগঠনের সূচনালগ্নে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে ইমরান খানকে সরাসরি দেখেছি ইসলামাবাদের এক জনসভায় বক্তব্য দানকালে। তিনি সর্বদাই বক্তা কৌশলী, ভদ্র, ন¤্র এবং বুদ্ধিমান। মাথাগরম বুদ্ধিশূন্য বক্তাদের মতো তিনি চিৎকার দিয়ে মাঠ গরম না করে সর্বদাই ভদ্র, ন¤্র এবং শান্ত ভাষায় গঠনমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকেন। তাঁর বক্তব্য-শৈলী বেশ উন্নত। তাঁর নরম বিষয়ও তিনি এমনভাবে উপস্থাপন করেন যাতে চিন্তকদের মধ্যে চিন্তা সৃষ্টি হয় আর উত্তেজকদেরকে করে উত্তেজিত। তিনি রাজনীতির মাঠে একেবারে ক্রিকেটের মতোই খেলে খেলে দীর্ঘদিনে রান উঠিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে চেষ্টা করছেন।
২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান একটি ভাষণ দিয়েছেন। এই ভাষণ নিয়ে চারদিকে চলছে জবরদস্ত আলোচনা, সমালোচনা। কেউ করছেন ইমরান খানের প্রশংসা আর কেউ করছেন সমালোচনা। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান চারটি পয়েন্টকে গোছালোভাবে উপস্থাপন করেছেন, ১. ভূ-মন্ডলীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি বা বিশ্ব উষ্ণায়ন, ২. অর্থশোধন বা মানি লন্ডারিং, ৩. ইসলামভীতি বা ইসলামফোবিয়া, ৪. কাশ্মীর।
এই চারটা পয়েন্টই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম বিষয় : আবহাওয়া সংক্রান্ত। ভূমন্ডলীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি বা বিশ্ব উষ্ণায়ন হলো জলবায়ূ পরিবর্তনের একটি বিশেষ ঘটনা। যদিও তা প্রকৃতির স্বাভাবিক জলবায়ু চক্রের কারণেও হতে পারে। তবে এতে মানুষের কার্যক্রমের প্রভাবও রয়েছে। ইমরান খান সেদিকে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করেছেন। দ্বিতীয় বিষয় : অর্থশোধন বা মানি লন্ডারিং হল একটি অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রম। যে প্রক্রিয়ায় অবৈধ সম্পদের উৎস গোপন করার উদ্দেশ্যে সেই সম্পদের আংশিক বা পূর্ণ অংশ রূপান্তর বা এমন কোন বৈধ জায়গায় বিনিয়োগ করা হয় যাতে করে সেই বিনিয়োগকৃত সম্পদ থেকে অর্জিত আয় বৈধ বলে মনে হয়। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকের সক্রিয় সহায়তায় অর্থশোধন কার্যক্রম চলে।
বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে মানি লন্ডারিং একটি ফৌজদারী অপরাধ। ফৌজদারী এমন অপরাধ যা সংগঠিত হলে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে, ১৫৪ ধারায় এজাহার রুজুর মাধ্যমে মামলা করতে পারে, ১৫৬ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই তদন্ত পরিচালনা করতে পারে। ইমরান খান মানি লন্ডারিং-এর দুদিক আলোচনা করেছেন, প্রথমদিক হলো পশ্চিমা বিশ্ব থেকে প্রাচ্যে আসা টাকা, অন্যদিক হলো, প্রাচ্যের গরীব দেশগুলো থেকে টাকা আত্মসাৎ করে পাশ্চাত্যে নিয়ে বিনয়োগ করা। তিনি মনে করেন, দু’দিককে প্রতিরোধ করতে হবে।
তৃতীয় বিষয় : ইসলামোফোবিয়া, যা হলো, ইসলামভীতি বা ইসলামবিদ্বেষ বা মুসলিমবিরোধী মনোভাব। ইসলামফোবিয়া নিন্দার্থে বা ব্যাঙ্গার্থে ব্যবহার করা হয়। শব্দটি ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী রাজনৈতিক চিন্তকদের চিন্তা বুঝানোর অর্থে তৈরি। এই শব্দের প্রথম ব্যবহারকারী মনে করা হয় ফরাসি উপনিবেশিক শাসক অষধরহ ছঁবষষরবহ-কে। (ঞযব গঁংষরস চড়ষরপু রহ ডবংঃ অভৎরপধ, ১৯১০)। এই শব্দের ব্যাপক পরিচিতি আসে ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে প্যালেস্টাইনী বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক এডওয়ার্ড সাঈদ-এর ব্যবহারের মাধ্যমে। অনেকের মতে তিনি প্রথম একাডেমিক জার্নালে এই শব্দ ব্যবহার করেন। বর্তমানে ‘ইসলামোফোবিয়া’ বলতে যা বুঝা হয় অনেকের মতে আক্ষরিক অর্থে শব্দটি এর সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। বর্তমানে এই শব্দকে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি এনে দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক থিংক ট্যাংক প্রতিষ্ঠান ‘রানিমেইড ট্রাস্ট’। রানিমেইড ট্রাস্ট যুক্তরাজ্যের প্রথম সারির একটি চিন্তক গ্রুপ, যারা বর্ণবাদ বিরোধী গবেষণা করে এবং সরকার ও পাবলিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাঁদের নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে সাহায্য করে। ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে এই প্রতিষ্ঠান আঠারো সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিশন গঠন করে, যার প্রধান ছিলেন অধ্যাপক গরডন কনওয়ে। এই আঠারো সদস্যের কমিটিতে ধর্মীয় পরিচয়ের দিকে মুসলিম, খ্রিস্টান, হিন্দু, শিখ ও ইহুদি সবাই ছিলেন। এই কমিটির রিপোটের শিরোনাম ছিলো -ওংষধসড়ঢ়যড়নরধ ধ ঈযধষষবহমব ঋড়ৎ টং অষষ’। যা প্রকাশের পর মিডিয়া ও অন্যান্য মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। রিপোটের পক্ষে-বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনাও হয়। রানিমেইড ট্রাস্ট-এর এই রিপোর্টটির প্রায় বিশ বছর পর আরেকটি ফলো-আপ রিপোর্ট প্রকাশ করে ‘ওংষধসড়ঢ়যড়নরধ– ংঃরষষ ধ পযধষষবহমব ঃড় ঁং ধষষ’ শিরোনামে। ফলো-আপ রিপোর্টটির শিরোনামে বোঝা যায়, অন্তত রানিমেইড ট্রাস্ট মনে করছে, এই সমস্যাটি এখনও আমাদের সবার জন্যে একটা চ্যালেঞ্জ। ইমরান খান সেদিকে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জুজুর ভয় দেখা এবং দেখানো বাদ দিতে অনুরোধ করেন।
ইমরান খান বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে মুসলমানদের সংখ্যা ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন। পৃথিবীর সবক’টি মহাদেশেই মুসলমান আছে। নাইন ইলেভেনের পর থেকে আশঙ্কাজনকভাবে ইসলামফোবিয়ার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধিটা উদ্বেগজনকও বটে। শুধু উদ্বেগজনকই নয়, এটাই মূলত বিভাজন সৃষ্টি করেছে।’
ইমরান খান মুসলিম মহিলাদের পোশাক, বিশেষ করে হিজাবের বিরোধীতাকারীদের সমালোচনা করেন। তিনি র‌্যাডিক্যাল ও মোডারেট মুসলিম নামক কিছু আছে বলে মনে করেন না। তিনি বলেন, ইসলাম তো একটাই। পশ্চিমাদের ইসলামফোবিয়ার কারণ সম্পর্কে ইমরান খান তাঁর ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনুসন্ধানের কথা বলে বলেন,‘ আমি পশ্চিমের দেশগুলোতে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি ক্রিকেট খেলে। পশ্চিমাদের মন-মানস কীভাবে কাজ করে, তা আমি ভালো করে জানি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি হলো, ইসলামফোবিয়ার অন্যতম কারণ ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত সেই বই, যেখানে জঘন্য ভাষায় নবি করিম (স.)-কে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করা হয়েছিল।’ ইমরান খান এখানে সালমান রুশদির চতুর্থ উপন্যাস ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস (ঞযব ঝধঃধহরপ ঠবৎংবং)-এর কথা বলেন, যা ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত।
প্রকৃত অর্থে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কথাটাই সত্য, সালমান রুশদির উপন্যাস ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’-এর বিরোধীতা করেই পশ্চিমা জগতে বিশেষ করে ইংল্যান্ডে মুসলমানেরা ময়দানের আন্দোলন-সংগ্রাম শুরু করেছিলেন। তখন যদিও আমরা বেশ ছোট, তবে ইংল্যান্ড অবস্থানের কারণে রুশদী বিরোধী আন্দোলনগুলোর বিভিন্ন চিত্র খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। মূলত ইসলাম এবং ইসলামী বিভিন্ন বিষয়ে পশ্চিমারা এই সময় মুসলমানদের মুখোমুখি হয়। ইমরান খান মনে করেন, পশ্চিমারা আসল সমস্যা বুঝতে পারে না। কারণ, ইসলাম সম্পর্কে তাদের গভীর অনুধাবন নেই। ইসলামের শান্তি-সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব সম্পর্কে তারা ওয়াকিবহাল নয়। তাই ইসলাম তাদের কাছে একটি উগ্র, সাম্প্রদায়িক ও মারমুখো অসহিষ্ণু ধর্মের নাম।
ইমরান খান চতুর্থ পয়েন্টে বলেছেন কাশ্মীরের অবস্থা, কাশ্মীরীদের সাথে ভারত সরকারের অশুভ আচরণ এবং এ প্রসঙ্গে বিশ্বনেতাদের করণীয় বিষয়ে। এই পয়েন্টে তিনি কিছুটা আবেগি, কিছুটা জ্বালাময়ী, কিছুটা প্রতিবাদী হয়ে ভারত সরকারের সমালোচনা করেছেন। তবে এখানেও তিনি ন¤্র এবং ভদ্রভাবে গঠনমূলক বক্তব্য শৈলীর দিকে সচেতন থেকেছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে পরিষ্কার করতে চেষ্টা করেছেন, কাশ্মীরের জনগণের উপর ভারত সরকার জুলুম-নির্যাতনের বিষয়টি। ভারত যখন বিশ্বকে বলতে চায় পাকিস্তান জঙ্গি, তখন ইমরান খান জবাবে বিশ্বনেতাদেরকে বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে সময়ে পাকিস্তানের ভূমিকা ছিলো অগ্রণী। এক সময়ের সুকৌশলী ক্রিকেটার ইমরান খান প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে ভারতের সঙ্গে তাঁর অতীত-বর্তমান সুসম্পর্কের কিছু চিত্র উপস্থাপন করে তাঁর সরকার গঠনের পর প্রতিবেশি ভারতের সঙ্গে আন্তরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যর্থ চেষ্টার কথা বলে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি দীর্ঘ ঘটনা বর্ণনার পর ভারত কর্তৃক ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল, কাশ্মীরে ভারত সরকার কর্তৃক ৯০০,০০০ সৈন্য মোতায়েন এবং কাশ্মীরে বর্তমানে ৮ মিলিয়ন লোককে বন্দি করার বিষয় উপস্থাপন করে ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদিকে ফ্যাসিবাদি বলে উল্লেখ করেন। প্রমাণ হিসেবে মোদী সন্ত্রাসী সংগঠন আরএসএস-এর জীবনসদস্য বলে উল্লেখ করেন। ইমরান খান সবাইকে গোগলে সার্চ করে গোলওয়ালকারের মতো আরএসএসের প্রতিষ্ঠাকালীন গডফাদারকে যাচাই করে দেখতে অনুরোধ করেন। তিনি আরএসএসের জঘন্য মানসিকতার প্রমাণ হিসেবে মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকে উল্লেখ করেন। নরেন্দ্র মোদিকে গোজরাটের কসাই প্রমাণের জন্য ২০০২ খ্রিস্টাব্দে আরএসএস কর্তৃক মোদীর নেতৃত্বে ২০০০ জন মুসলমানকে কসাইয়ের মতো জবাইয়ের কথা উল্লেখ করেন। অতঃপর ইমরান খান প্রশ্ন করেন, কোন প্রকারের মানসিকতা থাকলে ৮ মিলিয়ন মানুষকে বন্দি করা যায়, যেখানে নিরীহ নারী, শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ্য মানুষ রয়েছে? ইমরান খান বলেন, ভারত কর্তৃক কাশ্মীরে ১০০,০০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, হাজার হাজার নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে, ইতোপূর্বে এ বিষয়ে জাতিসংঘ একটি প্রতিবেদনও তৈরি করেছিলো। তারপরেও বিশ্বনেতৃত্ব নীরব কেন?
ইমরান খানের ভাষণের পক্ষে-বিপক্ষে বিশ্বব্যাপি আলোচনার ঝড় উঠেছে। আলোচিত বিশ্ব উষ্ণায়ন, মানি লন্ডারিং, ইসলামফোবিয়া; এই তিন বিষয় পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক। কাশ্মীরের বিষয় ইসলামী কিংবা মানবিক চেতনায় আন্তর্জাতিক, নতুবা আঞ্চলিক। রাষ্ট্রীয়ভাবে তা হলো ভারত, পাকিস্তান এবং চীন কেন্দ্রিক। তবে এখানে পূর্ণাঙ্গ স্বার্থ জড়িত ভারত এবং পাকিস্তানের। তাই কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য সরাসরি ভারত সরকারের কর্ম এবং নীতির বিরুদ্ধে চলে গিয়েছে। ফলে ভারত সরকার তা প্রত্যাখান করছে। বিশ্বের মুসলমানেরা বেশিরভাগই ইমরান খানের বক্তব্যের সমর্থক। ইমরান খানের ভাষণের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কাশ্মীরের রাজপথে নেমে আসে কাশ্মিরীদের মিছিল। মসজিদে মসজিদে মোদি বিরোধী স্লোগান শুরু হয়ে যায়। পাকিস্তানের জনপ্রিয় ইংরেজি সংবাদ ‘ডন’ হেডলাইন করেছে; ‘জাতিসংঘে ইমরান খানের বক্তব্য ৯২ খ্রিস্টাব্দের বিশ্বকাপ জয়ের মতোই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
লেখক : প্রাবন্ধিক।

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • শিশুহত্যা : শিশুদের মানসিক বিকাশের অন্তরায়
  • আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও শুদ্ধি অভিযান প্রসঙ্গে
  • পৃথিবীর বিশাল ক্যানভাসে
  • শিক্ষাঙ্গনে দলীয় রাজনীতি
  • আমাদের সন্তানরা কোন্ পথে যাচ্ছে
  • ‘জঙ্গি’ অপবাদ প্রসঙ্গে
  • ভিক্ষুক ও হিজড়া পুনর্বাসন প্রসঙ্গে
  • মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষাই বদলে দেবে বাংলাদেশ
  • যানজটে লোকসান ও ভোগান্তি
  • বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস
  • আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম?
  • আবরার হত্যা ও বুয়েট শিক্ষার্থীদের দশ দফা
  • বিশ্ববিদ্যালয়ে রেগিং প্রসঙ্গ
  • মানব পাচার মামলা নিষ্পত্তি প্রসঙ্গ
  • মধ্যপ্রাচ্য, পারস্য উপসাগর ও বৃহৎ শক্তির রাজনীতি
  • বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথ ভর্তি পরীক্ষা
  • হিমশীতল মৃত্যু উপত্যকা
  • আমাদের ও এই গ্যাংরিনাক্রান্ত সমাজকে তুমি ক্ষমা করো আবরার
  • টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ
  • শতবর্ষী রিক্সা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা
  • Developed by: Sparkle IT