ইতিহাস ও ঐতিহ্য

জালালাবাদের ইতিহাস ঐতিহ্য

সিরাজ উদ্দিন হুসাইনী প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-১০-২০১৯ ইং ০১:৩৯:২২ | সংবাদটি ৪৮ বার পঠিত

আর্য, অনার্য, শক, মোগল-পাঠানের লীলাভূমি ও হযরত শাহজালাল (রহ.) পদরেণুপূত ভূ-খন্ড এ জালালাবাদ। পুরাকালের ও আজকের জালালাবাদের মধ্যে অনেক ব্যবধান। এর প্রাচীন সভ্যতা-সাংস্কৃতি আজ গবেষণার বিষয়। বর্তমান বাংলাদেশের প্রান্তিক ৪টি জেলা সমন্বয়ে গঠিত জালালাবাদের ইতিহাস ও সাংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায় বিখ্যাত পর্যটক হিয়েন স্যাং এর বিবরণীতে। খ্রীস্টিয় সপ্তম শতাব্দীর এই চৈনিক পরিব্রাজক তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে জালালাবাদকে পাহাড়ের পাদ দেশে সমুদ্রের নিকটবর্তী বলে উল্লেখ করেছেন। তখন লাউড়, গৌড় ও জৈন্তা রাজ্য স্বাধীন অর্ধ স্বাধীন হিসাবে আপন স্বকীয়তা বজায় রেখে স্বাধীন নৃপতি কর্তৃক শাসিত হতো। এ ভূ-খন্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ তখন ও সমুদ্রের গর্ভে ছিলো। ঐ শতাব্দীতে এই এলাকার বিরাট অংশ কামরূপের মহারাজা ভাস্কর দেব বর্ম্মার অধীনে ছিলো। পরবর্তীকারে সামন্ত রাজা মর-ুনাথ লাউড় ও গৌড় রাজ (বর্তমান সিলেট) মহারাজা শ্রীচন্দ্র (রামপাল) দশম শতাব্দী ভাটেরার মহারাজা গোবিন্দ কেশর দেব একাদশ শতাব্দী ও জগন্নাথপুরের বিজয় রাজা ১১৯১ খ্রি. এবং চতুর্দশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে হযরত শাহজালালের পদার্পন পর্যন্ত স্বাধীন ও সামন্ত রাজাগণের অধীনে ছিলো।
সুপ্রাচীন মুসলিম ইতিহাস রিয়াজ উস সালেহীনে বর্ণিত যে, সিলেট একটি পার্বত্য স্থান, এখানে চর্ম দ্বারা ঢাল প্রস্তুত হয়, উৎকৃষ্ট চালের জন্য সমগ্র হিন্দুস্তানে প্রসিদ্ধ, এখানকার কমলালেবু খুবই সুস্বাদু। খ্রিস্টিয় চতুর্দশ শতাব্দীতে রাজা গৌড় গোবিন্দ শহরতলীর টুলটিকর নিবাসী শেখ বুরহান উদ্দিনের পুত্রের আকীকা উপলক্ষে তাঁর হাত কেটে ফেলেন এবং তাঁর পুত্রকেও বধ করেন। সমসাময়িক তরপের নুরউদ্দীন নামক আর এক ব্যক্তির ভাগ্যেও অনুরূপ ঘটনা ঘটে। শেখ বুরহানের সোনারগাঁয়ের প্রতাপশালী শাসক শামসুদ্দীন ইলিয়াছ শাহের নিকট ফরিয়াদ জানান। তিনি গৌড় গোবিন্দের বিরুদ্ধে সৈন্য প্রেরণ করেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সৈন্য দল পরাজিত হলে শেখ বুরহান দিল্লীর সুলতান আলাউদ্দিন ফিরুজ শাহের স্মরণাপন্না হন। তিনি নিজ ভাগিনেয় সিকন্দর শাহ গাজীর অধীনে গৌড় রাজের বিরুদ্ধে সৈন্য প্রেরণ করেন এবারও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৈন্যদের অনেক রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। শেখ বুরহান সর্ব শক্তিমান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানানোর জন্য পবিত্র মক্কা মদিনার দিকে পা বাড়ান। এদিকে সুলতান সিকন্দর গাজীকে সাহায্যের জন্য আরও সৈন্য প্রেরণ করেন। শেখ বুরহান পথিমধ্যে দরবেশ শায়খ শাহজালালের সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভ করেন। দরবেশের নিকট তিনি বিস্তারিত ঘটনা বর্ণনা করেন। আধ্যাত্মিক বলে বলিয়ান শায়খ জালাল মজলুমের প্রতিশোধ নিতে এবং ন্যায় ও সত্যের প্রতিষ্ঠা করতে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে গৌড়ের দিকে রওয়ানা হন। রাস্তায় শাহ সিকন্দর গাজীর সঙ্গে মিলিত হয়ে গৌড় বাহিনীকে পরাস্থ করে সিলেট অধিকার করেন। আজও সিলেটে শাহজালালের মাজারে প্রাচীন ঐতিহ্যের সাক্ষর স্বরূপ বিদ্যমান। দেয়ালের শিলালিপি, তিনটি বিরাট ডেগ, তাঁর ব্যবহৃত দু’মুখী তরবারি, বর্তন-পেয়ালা ও জায়নামাজ এখানে সংরক্ষিত। বিজয়ী দরবেশের সেনাধ্যক্ষ সিকন্দর গাজীর নিকট তরপ রাজ আচক নারায়ণ পরাজিত হলে তরপ মুসলমানদের করতল গত হয়। বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা খ্রিস্টিয় চতুর্দশ শতাব্দীতে হযরত শাহজালালের সঙ্গে আবাং নামক স্থানে সাক্ষাৎ করেন। ঐ টিলাটি শহরের মজুমদারীর সন্নিকটে অবস্থিত।
আইনে আকবরীতে ১৯টি সরকারের মধ্যে সিলেটকে সরকার সিলেট বা হাবেলী সিলেট বলে পরিগণিত হয়েছে। এ সরকারের ৮টি মহালের নাম ও রাজস্ব নি¤œরূপ : প্রতাপগড় ৩৭২০০০ দাম, বানিয়াচুঙ্গ ১৬৭২০৮২ দাম, বাজুয়া শহর ৮০৪০৮০ দাম, জৈন্তা ২৭২০০ দাম, হাবেলী সিলেট ২২৯৭১৭ দাম, সতর খ-ল (সরাইল) ৩৯০৪৭২ দাম, লাউড় ২৪৬২০২ দাম, হরিনগর ১০১৮৪৭ দাম, (৪০টি দামে ১ টাকা- সিলেটের বার্ষিক রাজস্ব ছিলো ১৬৭০৪০ টাকা)। প্রতাপগড় বর্তমানে কাছাড় জেলায়, বাজুয়া-সিলেট সদরের একটি ক্ষুদ্র পরগণা জৈন্তা ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ছিলো, কাজেই সিলেট শহর সংলগ্ন জৈন্তার ক্ষুদ্র অংশ মোগল অধিকারে ছিলো। ত্রিপুরা জেলার সরাইল মোগল আমলে সিলেটের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। স¤্রাট আকবরের আমলে লাউড় মুসলমানদের অধিকারে আসে। নবাব মুর্শিদ কুলিখাঁর আমলে বর্তমান কুমিল্লার সরাইল পরগণা (সতর খন্ডলসহ) ও বর্তমান ময়মনসিংহের জোয়ান শাহী পরগণা চাকলা শ্রীহট্ট হইতে বাহির হয়ে ঢাকা নেয়াবতের নাওয়া সেরেস্তার নভেল এষ্টাব্লিশ্মেন্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়।
মুসলিম শাসনামলের যাবতীয় দলিল দস্তাবেজ সনদপত্র ও উর্দু, ফার্সী কিতাবসমূহে সিলেটের বর্ণনা রয়েছে। শহরে বিখ্যাত ফরহাদ খাঁর পুলের ভিত্তি গাত্রে লিখিত আছে যে, আলমগীরের রাজত্বকালে নিজাম ফরহাদ খাঁ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রাচীনতম স্থাপত্য শিল্পের অধিকারী ফরহাদ খাঁর মসজিদ, শাহী ঈদগাহ, পুলিশ লাইন মসজিদ ও নবাবী মসজিদ আজও বিদ্যমান। মুসলিম ঐতিহ্যবাহী এ জালালাবাদ হিন্দুদের কাছেও বিশেষ পবিত্র। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পিতৃ বিনাশ এবং ভক্ত বৈষ্ণবের লীলাভূমি এ ভূখন্ডে বৈষ্ণব আখড়া, দুর্গা বাড়ী, সতি দেহের গৃবা, বামজঙ্খা পতিত স্থান ও বাম জঙ্খা মহাপিট প্রভৃতি নিদর্শনগুলি হিন্দুদের অতীত গৌরবের স্বাক্ষর।
১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে মোগলান সিলেট ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর অন্তর্গত হয়ে বাংলাদেশ ভুক্ত হয়। ১৭৮২ খিস্টাব্দে স্বাধীনতা রক্ষার্থে ইংরেজদের সাথে সৈয়দ মুহাম্মদ হাদী ও সৈয়দ মুহাম্মদ মাহদী ভ্রাতৃদ্বয়ের নেতৃত্বে নয়াসড়ক নামকস্থানে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। জৈন্তারাজ রাজেন্দ্র সিংহের সময় ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে জৈন্তা ব্রিটিশ সা¤্রাজ্যের কুক্ষিগত হয়ে সমতল এলাকা সমূহ আসামের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামে লাতুর নিকট যে জেহাদ সংগঠিত হয়, সে জেহাদে সিলেটের একটি ধর্মপ্রাণ ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবার মুজাহিদদের সাহায্য করেন। যতোদূর জানা যায়, ঐ যুদ্ধে ২৬ জন বীর মুজাহিদ শহীদ এবং ইংরেজদের একজন মেজরসহ পাঁচ জন সৈন্য নিহত হন। ১৮৭৪ খিস্টাব্দে জালালাবাদকে বাংলাদেশ হতে বিচ্ছিন্ন করে আসাম প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দ লর্ড কার্জনের আমলে বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী বিভাগ ও মালদহ জেলাকে আসামের অন্তর্ভুক্ত করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠন করা হয়। তখন জালালাবাদ এ প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে এ প্রদেশ ভেঙ্গে ফেলা হলে জালালাবাদ আসামের সঙ্গে থেকে যায়। তখন থেকে আবার হযরত শাহজালাল (রহ.) ৩৬০ মতান্তরে ৩১৩ আউলিয়ার পুণ্যস্মৃতি বিজড়িত জালালাবাদে ইসলামের পুণর্জাগরণ সৃষ্টি হয়। ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বখ্যাত দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান মুহাদ্দিস, বিশিষ্ট হাদিস বিশারদ মুজাহিদে মিল্লাত, ইসলামী বিধান সংস্কারক ও আধ্যাত্মিক রাহবার, আওলাদে রাসুল (সা.) মাওলানা সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী (রহ.) এ জাগরণের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ঐতিহাসিক গণভোটের মাধ্যমে অনেক আশা আকাঙ্খা নিয়ে জালালাবাদ পাকিস্তানে যোগদান করে, কিন্তু সে আশা হতাশায় পর্যবসিত হয়েছে। জালালাবাদের মুসলিম অধ্যুষিত ৪টি থানাÑ (করিমগঞ্জ মহকুমার অধিকাংশ) গণভোটের পর ইংরেজদের কুটিলতায় ব্ল্যাড ক্লিফ রোয়েদাদ অনুসারে ভারতের কর্তৃত্বাধীন চলে যায়। তখনকার ত্রিশ লক্ষ জালালাবাদী সে ৪টি থানা পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আহাজারী করে, কিন্তু তা পূর্ব পাক সরকারের কর্ণপাতই হয় নাই। মুসলিম লীগের পতাকাবাহী খাজা নাজিম উদ্দিন, নুরুল আমীন, যুক্তফ্রন্টিয়া ২১ দফার ঝা-াবাহী মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, আতাউর রহমান খান ও আবুল হোসেন সরকার, সর্বশেষ নাযিল হলেন আব্দুল মোমেন খান। ইহাদের নিজেদের মধ্যে কলহ বিবাদের অন্ত ছিলো না। কিন্তু শাসকের রাজ দ- দ্বারা জালালাবাদকে শোষণ ও বঞ্চনা করতে সকলেই ছিলেন একাট্টা।
বিরাট সম্পদে সমৃদ্ধ জালালাবাদের প্রায় ৩শত’ বৎসরের ইতিহাস আওড়ালে দেখা যাবে কখনও আসামে, কখনও পূর্ববঙ্গে, কখনও পূর্বপাকে এবং কখনও চট্টগ্রাম বিভাগে টানা হেঁচড়া করে মর্মান্তিক দুর্দশা গ্রস্ত করে শোষণ ও বঞ্চনা করা হয়েছে। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে জালালাবাদবাসী তথা কথিত পাক শাসনের ঘৃনিত শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্ত হয়ে ন্যায্য অধিকার লাভের বুকভরা আশা নিয়ে একযোগে নির্বাচনে পাকিস্তানকে বর্জন করেছেন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা সংগ্রামে জানমাল কুরবান করে, প্রবাসীরা বিশ্ব জনমত আদায় করে সর্বোপরি বৈদেশিক মুদ্রা সাহায্য করে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
আয়তন, লোক সংখ্যা, প্রাচীন ইতিহাস, (পূর্বে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত ও শ্রীহট্ট ম-ল নামে আলাদা অস্তিত্ব এবং মুসলিম শাসনামলে সরকার সিলেট নামে আলাদা শাসন ব্যবস্থা, অতঃপর বিভাগীয় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত অর্থনীতি, সমাজনীতি, সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতি, ধর্মপরায়নতা, ভাষা, সাহিত্য, সভ্যতা সাংস্কৃতিক ও শিক্ষার অধিকারী এ জালালাবাদ। এখানে রয়েছে ভরপুর খনিজ সম্পদ। রয়েছে শিল্প কারখানা। আরো রয়েছে জন সম্পদ, যাদের উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাকে সুসংহত করে। রয়েছে ‘মাঠ ভরা ধান আর জল ভরা মাছ- ভূগর্ভে খনিজ আর বন ভরা গাছ’। আধ্যাত্মিক রাজধানী খ্যাত জালালাবাদ জন্ম দিয়েছে শাহ সুফী মাওলানা আব্বাস আলী (রহ.), মাওলানা হরমুজ উল্লাহ (রহ.), বাহরুল উলুম মাওলানা মুশাহিদ (রহ.), কুতবে আলম মাওলানা লুৎফুর রহমান শায়খে বর্ণভী (রহ.), ক্বায়িদুল উলামা মাওলানা আব্দুল করিম শায়খে কৌড়িয়া (রহ.), আরিফ বিল্লাহ মাওলানা আকবর আলী (রহ.), শাইখুল হাদিস মাওলানা নুরউদ্দীন গহরপুরী (রহ.), পীরে কামিল মাওলানা আব্দুল লতিফ চৌধুলী ফুলতলী (রহ.) ও প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান (রহ.) সহ অনেক ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ। অপর দিকে আব্দুর রশীদ চৌধুরী, আব্দুল মতিন চৌধুরী, মকবুল হোসেন চৌধুরী, মৌলভী মুনাওয়ার আলী, আব্দুল মজীদ কাপ্তান মিয়া, মিনিস্টার আব্দুল হামিদ, আজমল আলী চৌধুরী, স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান, এস.এম কিবরিয়া, পীর হবিবুর রহমান, সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, আবুল মাল আব্দুল মুহিতসহ অনেক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জালালাবাদের কৃতি সন্তান। আলী আমজদ, জিতু মিয়া, মুরারী চাঁদ, সাধু বাবু, মদন মোহন, জেড আব্দুল্লাহ ও দানবীর ড. রাগীব আলীসহ আরো অনেক জনহৈতিষী সমাজপতি জালালাবাদের গৌরব।
এতোসব সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার ও পরিচালনার জন্য প্রশাসনিক হিসাবে ‘জালালাবাদ প্রদেশ’ গঠন করলে দেশ আরও উন্নয়নশীল ও সমৃদ্ধশালী হবে। বিশ্বের অনেক দেশে বিভিন্ন প্রদেশ রয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী ভারতেও রয়েছে অনেক প্রদেশ। আমরাও সাবেক পাকিস্তানের একটি প্রদেশের অধিবাসী ছিলাম।

 

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • হবিগঞ্জের লোকসাহিত্যে অধুয়া সুন্দরীর উপখ্যান
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • ঢাকা উত্তর মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয়
  • সিলেটে ফারসি চর্চা
  • সিলেটের গণভোটের অগ্রনায়ক মৌলানা ছহুল উসমানী
  • আদিত্যপুরের গণহত্যা
  • জালালাবাদের ইতিহাস ঐতিহ্য
  • বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশ
  • সিলেটে আরবি ভাষাচর্চা
  • গৌড়-বঙ্গে মুসলিম বিজয় এবং সুফি-সাধকদের কথা
  • ঐতিহ্যবাহী গ্রাম আজিজপুর
  • সিলেটের গণভোটের অগ্রনায়ক মৌলানা ছহুল উসমানী
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আরেক অধ্যায়
  • কোচিংনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার প্রভাব
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • ঐতিহাসিক নানকার আন্দোলন
  • গৌড়-বঙ্গে মুসলিম বিজয়
  • শত বছরের ঐতিহ্যের ধারক দাউদিয়া মাদরাসা
  • পৃথিবীর প্রাচীন লাইব্রেরিগুলো
  • আল হামরা : ইতিহাসের অনন্য কীর্তি
  • Developed by: Sparkle IT