পাঁচ মিশালী

জীবন বদলের অভিযাত্রায়

গোলাম সারওয়ার প্রকাশিত হয়েছে: ১৯-১০-২০১৯ ইং ০০:১০:২১ | সংবাদটি ২৭০ বার পঠিত

বুয়েট ছাত্র আবরারকে যেদিন নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়, তার পরের দিনের পর দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার ৮ অক্টোবর বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত আম্বরখানা শাখা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে হিলিং ও সাইকি’ প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিলাম। মনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অন্যের নিরাময় ও সার্বিক কল্যাণ প্রক্রিয়ার বিষয়ে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিলেটের কৃতি সন্তান গর্বিত মুক্তিযোদ্ধা সীতাব আলী। অত্যন্ত প্রাণবন্ত এ অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু তুলে ধরলে পুরো সিলেটের ডাক ভরে যাবে, কথাগুলো লিখে শেষ করা যাবে না। তবে বিষয়বস্তুর চুম্বক অংশগুলো তুলে ধরতেই আজকের এই প্রচেষ্টা। যাঁর ওপর ভর করে আজকের এই লেখা অর্থাৎ সীতাব ভাইর প্রতি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেই আজকের এই নিবেদন।
মনের যে শক্তি রয়েছে বিজ্ঞানীরা এখন প্রতিটা পদে পদে স্বীকার করে। অথচ বহু আগেই আমাদের মুনি-ঋষি, ওলী-দরবেশগণ তা প্রমাণ করে গেছেন। কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, শিল্প উদ্যোক্তা মনের শক্তিকেই কাজে লাগান। কুরআনে বর্ণিত এই আয়াতটিও মনের শক্তিকে ইঙ্গিত করে। সূরা বাকারা: ১৫২; ফাজকুরুনি আযকুরকুম ওয়াশকুরুলি ওয়ালা তাকফুরুন: তোমরা আমাকেই স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ করব। মনের ইনফরমেশন ছাড়া আল্লাহর কাছে কিছুই পৌঁছে না। ইসলাম ধর্মের বাইরে যারা তাদের জন্যেও একটি সুখবর। সূরা বাকারার ৬২নং আয়াতে স্পষ্ট বর্ণিত আছে: নিশ্চয়ই মুসলমান, ইহুদি, খ্রিস্টান ও সাবেয়ীদের মধ্যে যারাই আল্লাহ ও মহাবিচার দিবসে বিশ্বাস করে এবং সৎকর্ম করে, তাদের সবার জন্যই প্রতিপালকের কাছে পুরস্কার রয়েছে; তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না।
অতএব, বুঝা গেল ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল মানুষই মনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানবতার চর্চা করতে পারে। মন যা ভাবতে পারে, তা অর্জন করতে পারে। কিন্তু মন তো বানরের মতো এদিক-ওদিক ছুটাছুটি করে এক জায়গায় স্থির হতে চায় না। তাহলে কাজে লাগবে কি করে? মনকে স্থির হতে হবে। শান্ত, প্রশান্ত হতে হবে। তা না হলে মন বানরের মতোই ছুটাছুটি করবে। কুকুর চরিত্রের মতো ঘেউ ঘেউ বা শূকর চরিত্রের মতো বাজে জায়গায় যেতে চাইবেই।
মনকে শান্ত করতে না পারলে কোনো কিছুই অর্জন সম্ভব নয়। আমাদের ওলী-দরবেশ, মুনী-ঋষিগণ সর্বাবস্থায় প্রশান্ত অবস্থায় থাকতে পারতেন। নেগেটিভ নয়, পজিটিভ আয়নে থাকতেন। কেউ কি বলতে পারবেন আমাদের শাহজালাল (র:) কারো প্রতি রাগ-ঘৃণা, হিংসা বা বিরূপ আচরণ করেছেন? না, এর কোনো প্রমাণ কেউ দিতে পারবেন না। অত্যাচারী রাজা গৌড় গোবিন্দ নেগেটিভ আচরণের কারণেই পজিটিভ আয়নের কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন, পরাজিত হয়েই পালিয়েছিলেন। এমনকি উনার ভাগ্নে শাহপরাণও (র:) শান্ত, মার্জিত এবং গুণী-জ্ঞানী ছিলেন। তিনি গরম ছিলেন- এরকম একটা মিথ্যা অপবাদ, মহাগুজব একজন দরবেশের ওপর একেবারেই বেমানান। আমরা এসবের পরিত্রাণ চাই। ওলী দরবেশ, মুনী-ঋষিগণ কখনোই গরম, অশান্ত থাকেন নি। অশান্ত, গরম হৃদয়ের কাছে মানুষ কখনোই যায় না। উনারা ছিলেন আমাদের আশ্রয়স্থল। কোনো অত্যাচারী, জালিমের কবরে বা সমাধিতে কেউ কোনো দিন ভালোবাসার অর্ঘ্য কিংবা শ্রদ্ধা জানাতে পরম প্রভুর কাছে নত হয়ে বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে না। শাহজালাল শাহপরাণ প্রাঙ্গণে যুগ যুগ ধরে তাই প্রমাণ হয়ে আসছে।
পাগল মন, মন রে, মন কেন এত কথা বলে- দিলরুবা খানের কন্ঠে গাওয়া এই গানটিতে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস হয়েছিল মন কথা বলে। তাই গানটি এত জনপ্রিয়, এত বিখ্যাত হতে পেরেছিল। শুধু মনই কথা বলে না, পৃথিবীর প্রতিটা বস্তুই কথা বলে। আমাদের শরীরের ভেতরে যে রক্ত, মাংস, হাড় কিংবা ডিএনএ রয়েছে সেসব সারাক্ষণই তথ্য আদান-প্রদান করে বলেই আমরা বেঁচে থাকি। এদের কথা বলা যেদিন বন্ধ হয়ে যায় সেদিনই আমাদের প্রাণের স্পন্দন, সুর-তাল-লয় স্তব্ধ হয়ে যায়। আপনার আমার কলম, ছাতা, চশমাসহ পৃথিবীর তাবৎ জিনিষ আমাদের সাথে কথা বলে, কিন্তু আমরা তা বুঝি না। গাছ কথা বলে, এটা তো প্রমাণ হয়েছে? এবার একটা উদাহরণ দিই, ঘর থেকে বের হওয়ার সময় আপনার একবার মনে হয়েছিল ছাতাটা সাথে নিয়ে যাই, কলমটাও নিয়ে যাই সাথে- কিন্তু আপনি কোনোটাই নিলেন না। যে অফিসে গিয়েছিলেন সেখানে আপনার কলম দরকার পড়ল। দেখা গেল একটাই কলম রশি দিয়ে বাঁধা, সবাই লাইনে দাঁড়িয়ে আছে, আপনিও লাইনে। লাইনে দাঁড়িয়ে ঘর্মাক্ত হয়ে আফসোস করছেন কলমটা সাথে আনলে সবার আগে চলে যেতে পারতেন। যার কাছে কাগজটা জমা দিবেন তিনি কাউন্টারে বসে আছে কোনো কাজ ছাড়াই। সেখানে কোনো লাইন নেই, অথচ আপনি কলমের জন্য লাইনে দাঁড়া। বাসায় কলম আপনার সাথে কথা বললেও আপনি তা বুঝেন নি। অফিস থেকে বের হয়েই দেখলেন আরেক বিপদ। আকাশে দুর্যোগের ঘন-ঘটা। বৃষ্টি নামল। মুষলধারে বৃষ্টি হতে হতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতেও আপনি বাসায় ফিরতে পারছেন না। কেন জানেন? ছাতার ভাষাটি আপনি বুঝেননি, তাই ছাতাটি নিয়ে বের হতে পারেননি। এরকম বহুবিধ ভাষা আছে, কথা আছে কিন্তু আমাদের আক্কেলগুড়–ম, সে ভাষা আমরা বুঝি না।
ঐশী গ্রন্থ কুরআনে ডিক্লারেশন আছে, মানুষ মহান ¯্রষ্টার প্রতিনিধি। আরেকটি সম্পূরক আয়াত আছে- তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শুধুমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য।
প্রতিনিধিত্ব কি? প্রতিনিধিত্ব হচ্ছে দায়বদ্ধতা। যথাযথ দায়িত্ব পালন করার দায়বদ্ধতা। সময় এমনি এমনি পার করা যাবে না। ¯্রষ্টার কাছে প্রতিটা সময়ের হিসাব দিতে হবে। সময় যাতে দুঃসময়ে পার হয়, সময় যাতে সমন্বয়হীন হয়ে চলে, বিপদ-আপদে কিংবা ঝগড়া-বিবাদে লেগে থাকে, সময় যাতে নৃশংস হত্যাকা-ে সংগঠিত হয়, গীবত-পরচর্চা বা মিথ্যাচারে ব্যয় হয়, সময় যাতে ক্যাসিনোতে যায়, সময় যাতে মদ-জুয়া-ধর্ষণে ঘর্ষণ হয়- এর পেছনের শক্তি, শয়তানি শক্তির সাথে মোকাবেলা করে জয়লাভই হচ্ছে আমাদের এক এবং অভিন্ন দায়িত্বশীলতা। আর ইবাদতের অর্থ হচ্ছে- মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। সাধারণ অর্থে কলেমা, নামায, রোজা, হজ্ব এবং ডাকাতকে আমরা ইবাদত বুঝে থাকি। প্রকৃতপক্ষে এই পাঁচ শব্দেই শুধু ইবাদতের তাৎপর্য নিহিত নয়। এই শব্দগুলোর মাঝে ব্যাপক অর্থ আছে। ব্যাপক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণও আছে। কিন্তু সে সবের চর্চা, অনুশীলন আমাদের মাঝে খুবই সীমিত। ফলে স্বাভাবিকভাবে আমাদের বিবেক এবং মানবিকতাও সীমিত। আমাদের চর্চা, অনুশীলনের অভাবে বিবেক, মানবিকতা ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। প্রতিটা নামাজে আল্লাহ আমাদের বাধ্য করেন প্রশংসার মতো কাজ করে নামাজে দাঁড়াতে। নামাজের প্রতিটা স্তরে আল্লাহর হামদ বা প্রশংসা করা হয় যাতে আমরা ভালো কাজ করেই নামাজে দাঁড়িয়ে ¯্রষ্টার প্রশংসা করি, শুকরিয়া করি। কিন্তু ফজর থেকে জোহর, জোহর থেকে আসর, মাগরিব, এশার আগে পর্যন্ত কি আমরা ঘুষ খাইনি? খাবারে বিষ মাখিয়ে দুর্নীতি করিনি? মিথ্যা বলিনি? মন্দ কাজে লিপ্ত থেকে ¯্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জন কি সম্ভব? চর্চা, অনুশীলনের মাধ্যমে কলেমা, নামাজ, রোজা, হজ্ব, জাকাতের বিষয়বস্তু আমাদের চেতনায় আমাদের অন্তরে গেঁথে দিতে পারলে, ছুঁয়ে দিতে পারলে আমার মনে হয় আমাদের সমাজে এতো অনিয়ম, উচ্ছৃঙ্খলতা বিরাজ করত না। হিং¯্রতা, নৃশংসতা পালিয়ে বেড়াত।
রাব্বুল আলামিন আমাদের শুধুমাত্র ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন, ইবাদতের ক্ষেত্র কি প্রস্তুত রাখেন নি? দুনিয়া জুরেই তো ইবাদতের ক্ষেত্র। হাসিমুখে কথা বলা, সবাইকে আগে সালাম দেয়ার রীতি হচ্ছে ইবাদত। কাউকে পথ দেখিয়ে দেয়া, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকাও ইবাদত। পয়সা কামানোর জন্য নয়, রোগ নিরাময়ের জন্য ডাক্তারী করাও ইবাদত। হক্কুল ইবাদ বা সেবা হচ্ছে উত্তম ইবাদত। সেবার ক্ষেত্র কি আমাদের দেশে নেই? পুলিশ ডিপার্টমেন্ট থেকে শুরু করে, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, প্রশাসনিক ভবন- সবই তো সেবার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। মানে ইবাদত করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে আমাদের সামনে। অথচ? চাকরী বা ব্যবসা ক্ষেত্রে কয়জন আমরা সদাচরণ করি? সদাচরণ করা কিন্তু বড় ইবাদত। ঘুষ-দুর্নীতি যেমন ইবাদত নয়, তেমনিভাবে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বা অন্যের সম্পদ জোরে দখল করাও ইবাদত নয়। গাছ রোপণ যে শ্রেষ্ঠ ইবাদত, তা আমরা অনেকেই জানি, কিন্তু কয়জনে মানি? অথচ জানাকে মানায় রূপান্তর করতে পারলে আমরা সহজেই হয়ে যেতে পারি জ্ঞানী।
জ্ঞান, শৃঙ্খলা এবং সমৃদ্ধি অর্জনের জন্যই আমাদের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এসবের পরিবর্তে আমাদের শিক্ষালয়গুলোতে আজ কি সব হচ্ছে? র‌্যাগিং শব্দটার সাথে আমি ছিলাম একেবারেই অজ্ঞ। ভার্সিটিগুলোতে র‌্যাগ হতে শুনতাম। কিন্তু র‌্যাগ কি সেটা জানতামই না। আবরার হত্যার পর সব নারকীয় ঘটনাগুলো উন্মোচিত হওয়ার সাথে সাথে র‌্যাগিং বিষয়টাও ফ্লাশ হলো। বিষয়টা জেনে আমি এতো বেশি পীড়া অনুভব করেছি যে এখানে আমার পক্ষে তুলে ধরা সম্ভব নয়। ১১ অক্টোবর শুক্রবার প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হকের লেখা ‘র‌্যাগ নামের নিষ্ঠুরতা বন্ধ করুন’ কলামটি না পড়লে জানতামই না র‌্যাগিং কতো ভয়ানক অশ্লীলতায় পূর্ণ। দ্বিতীয় দফায় দৈনিক সিলেটের ডাকে ১৪ অক্টোবর সৈয়দ মবনুর লেখায় আরো শিহরিত, প্রকম্পিত এবং ভয়ার্ত হলাম। সেই সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোসহ সমাজের যে কোনো স্থান থেকে র‌্যাগিং চিরতরে নির্মূল করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
মন নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনো কাজ হান্ড্রেড পারসেন্ট সফল করা সম্ভব নয়। আমরা জানি, ঘরের ভেতরে বিক্ষিপ্তভাবে গ্যাস উড়ে বেড়ায়। ওখানে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখলেও ঘরে আগুন ধরে না। কিন্তু ঘরের গ্যাসগুলোকে যদি এক জায়গায় নিয়ে আসা হয় তখন ম্যাচের কাঠিতে সামান্যতম স্পার্ক করলেই আগুন ধরে যায়। ঠিক তেমনিভাবে বানরের মতো ছুটাছুটি করা বিক্ষিপ্ত মনকে এক জায়গায় জড়ো করার প্রক্রিয়া শেখায় কোয়ান্টাম। মন নিয়ন্ত্রণের কৌশল শেখানোর পাশাপাশি জীবন বদলের অভিযাত্রায় কাজ করছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। সাড়ে ৪ হাজার টাকায় ৪ দিনের এ কোর্সটি করার সময় কোর্স ফি নিয়ে ভেবে অযথাই ঘর্মাক্ত হয়েছিলাম। কোর্সটি করার পর মনে হলো এটি যেন সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা মূল্যমানের কোর্স! এখানে এফআরসিএস পাশ করা ডাক্তার, বুয়েট পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার, স্বনামধন্য শিক্ষক ছাত্রসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ জড়িত। আমি ১৮ বছর ধরে এই পরিবারে। কোনোদিন কোনো কাজে অনিয়ম, উচ্ছৃঙ্খল, বৈপরীত্য দেখতে পাইনি।
সুস্থ দেহ প্রশান্ত মন কর্মব্যস্ত সুখী জীবনের জন্য প্রতিদিন মেডিটেশন প্রয়োজন। আনন্দের মেডিটেশনে আমরা উচ্ছ্বাসে প্লাবিত হই। শিথিলতা ¯্রােতের মতো, বরফ গলা পানির মতো, মাথা থেকে গা বেয়ে নীচে নামতে নামতে আমরা শিথিল হই। ফুল বাগানের প্রতিটা ফুলের গন্ধ নিতে নিতে, পাতার রঙ দেখতে দেখতে, পাখির কলতান শুনতে শুনতে, ঝর্ণার শব্দ বা সমুদ্রের গর্জন অবগাহন করতে করতে আমরা আমাদের আনন্দের বাড়ি, মনের বাড়ি পৌঁছে যাই। আনন্দ-উচ্ছ্বাসের প্লাবনে আমাদের দুঃখ-বেদনা, হতাশা, ক্লান্তি, অবসাদ, রোগ-ব্যাধি, জ্বরার ছোট ছোট দ্বীপকে আমরা ভাসিয়ে দিই। মেডিটেশন চর্চায় আল্লাহ সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, নামাজে মনোযোগ আসে। নিয়মিত ধ্যান অনুশীলনে ইহদিনাসাসিরা-তা’ল মুস্তাকিম অর্থাৎ সহজ-সঠিক পথে চলার দৃঢ়তা পাওয়া যায়-জীবনে এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি, এর চেয়ে বড় প্রশান্তি আর কি আছে?

 

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT