উপ সম্পাদকীয়

কৃষি উন্নয়ন ও কৃষকের স্বার্থ

এম মনির উদ্দিন প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-১১-২০১৯ ইং ০০:৪৬:৫৬ | সংবাদটি ৯৩ বার পঠিত



আমাদের অনেকেই একটি সহজ পন্থা বাতলিয়ে থাকেন যে, দেশে ধান চাষ কমিয়ে দিয়ে অন্য ফসল চাষ করলেই ধানের দাম বেড়ে যাবে এবং কৃষক ভালো থাকবে। যারা এরকম একটি সহজ হিসাব করেন তাদের অনুরোধ করব ২০০৮ সালের দিকে তাকাতে যখন বিশ্বে মাত্র ১২ সপ্তাহের খাদ্য মজুদ ছিল যদিও আমরা তেমন সমস্যায় ছিলাম না। তারপরও ২০০৭ সালের সিডরের কবলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। সে সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জী বাংলাদেশকে ৫ লাখ টন চাল খাদ্য সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা সময়মতো দিতে পারেননি বরং ভারত সে সময় নিজেদের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত ৩০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে এশিয়ার চাল রফতানিকারক দেশগুলো সে সময় হঠাৎ করে চাল রফতানি স্থগিত করে অর্থাৎ প্রেক্ষাপট এমন অবস্থায় দাঁড়ায় যে ব্যাংক ভর্তি টাকা থাকলেও চাল পাওয়া সম্ভব ছিল না। ভৌগলিক অবস্থাগত কারণে আমরা এমনিতেই বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়ে থাকি, সেসঙ্গে যুক্ত হয়েছে বৈশ্বিক জলবায়ুগত পরিবর্তনের প্রভাব যেখানে আমরা ৬ নম্বর ভুক্তভোগী। ১৯৭৩ সালে দেশে লবণাক্ত জমির পরিমাণ ছিল ৮ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর সেখানে আজ তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ লাখ হেক্টরে। আইপিসিসির ২০০৭ রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে ১ মিটার এবং এর কারণে ২৫ মিলিয়ন মানুষ হারাবে বাসস্থান। ব্রিটিশ সাংবাদিক জোহান হ্যারি আইপিসিসি রিপোর্ট দেখে বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন এভাবে ‘বাংলাদেশ ১৯৭১ থেকে ২০৭১- রক্তে জন্ম আর পানিতে মরণ’। এই যখন আমাদের অবস্থা, তখন বোরো বা আমন যে কোন একটি ফসল যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে আংশিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে বস্তা ভর্তি টাকা নিয়ে ঘুরেও কোটি কোটি মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পাওয়া যাবে না। কারণ আমরা জানি আগামীদিনে প্রতিটি দেশেই জলবায়ুগত পরিবর্তনের হাওয়া লাগবে এবং তাদেরও ফলন কমে যাবে ফলে প্রতিটি দেশই তাদের নিজস্ব খাদ্য নিরাপত্তার বেষ্টনী নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে সচেষ্ট হবে। কাজেই আমাদের আগামীদিনের জন্য স্থায়ী খাদ্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা আমাদেরই করতে হবে এবং অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য ধানের উৎপাদনের বর্তমান ধারাকে।
ধান উৎপাদনের সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের বর্তমান চিত্র কি? বাংলাদেশের কৃষির এ ব্যাপক উন্নয়নের পেছনে যে শক্তি বা সম্পদের অবদান রয়েছে তা হলো এই ভূগর্ভস্থ পানি । কিন্তু বিগত চার দশকে মাটির নিচ থেকে কৃষি ও পারিবারিক প্রয়োজনে যে পরিমাণ পানি উত্তোলন করা হয়েছে তাতে পানির এই সম্পদ ইতোমধ্যে তার স্বল্পতার জানান দিয়েছে। দেশের বোরো চাষের অধিকাশ এলাকায় অগভীর নলকূপের (ঝঞড) সাহায্যে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রচলিত সেচ ব্যবস্থায় বোরো ধান ক্ষেতে কৃষকেরা সবসময় কিছু না কিছু দাঁড়ানো পানি রেখে থাকেন। এতে করে কৃষক বোরো মৌসুমে ধানচাষের জন্য সাধারণত ২০-৪০টি সেচ দিয়ে থাকে। আর এই পরিমাণ সেচ দেয়ায় আমাদের দেশে এক কেজি চাল উৎপাদন করতে পানির ব্যবহার করা হচ্ছে প্রায় ৪২০০ লিটার অথচ অন্যান্য ধান উৎপাদনকারী দেশে এক কেজি চাল উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে প্রায় ২৭০০ লিটার পানি। এ তথ্য থেকে সহজেই বলা যায় যে, আমাদের দেশে বর্তমানের প্রচলিত সেচ ব্যবস্থায় প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণ পানি ধানের সেচকার্যে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এতে সেচের পানির ৫৮ শতাংশই অপচয় হচ্ছে। কাজেই আমাদের একদিকে যেমন সেচের পানির অপচয় হচ্ছে অন্যদিকে মাত্রাতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর দ্রুত নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অগভীর নলকূপের মাধ্যমে পানি পাওয়া যাচ্ছে না।
দেশের উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে যে সমস্ত অগভীর নলকূপে পানি পাওয়া যাচ্ছে না সেখানে সেচের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিচ্ছে। বর্তমান বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে একটি অগভীর নলকূপ স্থাপন করা যায় অথচ একটি গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য দরকার ৬-৭ লাখ টাকা যা কৃষকের জন্য অসম্ভব। বিএডিসি’র ২০০৬-২০০৭ সালের সেচ জরিপ থেকে জানা যায় যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন পাবনার ৭৮ শতাংশ, কুমিল্লায় ৭৫ শতাংশ, কুষ্টিয়া ও সোনারগাঁয়ে ৬০ শতাংশ, ময়মনসিংহ ও কক্সবাজারে ৫৫ শতাংশ, জয়পুরহাটে ৫০ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৪৯ শতাংশ, বগুড়া ও রাজবাড়ীতে ৪৫ শতাংশ, ঝিনাইদহ, নেত্রকোনা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে ৩০ শতাংশ জমিতে সেচ দেয়ার জন্য অগভীর নলকূপ কাজ করছে না। বিএডিসির ‘গ্রাউন্ড ওয়াটার জোনিং ম্যাপ’ নামের সমীক্ষা থেকে দেখা যায় যে, দেশের ৬২টি উপজেলায় পানির স্তর ১১ মিটার পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে। অনেক এলাকায় কৃষক মাটি গর্ত করে অগভীর নলকূপ স্থাপন করেও পানি তুলতে পারছে না। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো ধান চাষের জন্য বর্তমানের প্রচলিত সেচ ব্যবস্থায় শুধু যে পানির অপচয় হচ্ছে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে তাই নয় সেইসঙ্গে কমছে উৎপাদন। সেচের জন্য খরচ হচ্ছে অত্যধিক। গবেষণায় দেখা যায় যে, শুধু বোরো মৌসুমে অপরিকল্পিত সেচের কারণে দেশে প্রতি বছর ৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। সচেতনতার অভাবে কৃষকেরা প্রয়োজনর তুলনায় অতিরিক্ত সেচ দিচ্ছে। এতে জমিতে প্রয়োগ করা ফসলের জন্য সারও পানিতে ধুয়ে নিচের দিকে চলে যাচ্ছে যা গাছ গ্রহণ করতে পারছে না।
বিএডিসির গবেষণা থেকে জানা যায় যে, বোরো মৌসুমে এক একর জমিতে অতিরিক্ত সেচ দেওয়া বাবদ খরচ হয় দেড় হাজার টাকা। সারের অপচয় হয় ৮০০ টাকা আর ফসল উৎপাদনে ক্ষতি হয় ১০ হাজার ৮০০ টাকার। এ হিসাবে শুধু অতিরিক্ত সেচ দেয়ার কারণে এক মৌসুমে এক একর জমিতে ধান চাষ করতে গিয়ে কৃষকের মোট ক্ষতি হচ্ছে ১৩ হাজার ১০০ টাকা। উপরের হিসাব থেকে পরিষ্কারভাবে বলা যায় যে, পরিমিত সেচ দেয়ার মাধ্যমে আমরা আমাদের জমি থেকে কম নয় বরং অধিক ফসল উৎপাদন করতে পারি। জাপান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম প্রভৃতি দেশে প্রতি হেক্টরে ৬-৭ টন ধান উৎপাদিত হচ্ছে যেখানে আমাদের দেশে বোরো মৌসুমের গড় উৎপাদন হেক্টর প্রতি ৩ দশমিক ৬৬ টন ও আমনে হেক্টর প্রতি ২ টনেরও কম।
বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ৪.০১ কোটি টন চাল উৎপাদিত হচ্ছে। দেশের বর্ধিত জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা দিতে হলে চালের উৎপাদনের এ পরিমাণকে আরও বাড়ানোর দরকার হবে আগামীদিনে। আর এ জন্য আমরা কি করতে পারি? আমরা জানি, দেশের সিংহভাগ এলাকায় সেচকার্যে ব্যবহৃত হচ্ছে ব্যক্তি মালিকানায় স্থাপন করা ১৫,৪৯,১৪৯টি শ্যালো টিউবওয়েল। শ্যালো টিউবওয়েলের মালিকেরা সেচের বিনিময়ে বোরো মৌসুমে কৃষকের কাছ থেকে নিয়ে নিচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ ভাগ ধান। কৃষকের মতে, বিঘাপ্রতি ২০ মণ ধান উৎপাদিত হলে তার থেকে ৫ থেকে ৬ মণ ধান নিয়ে যাচ্ছে শ্যালো মেশিন মালিক যার মূল্য মৌসুমে প্রতি মণ ৭০০ টাকা দরে মোট ৩৫০০ থেকে ৪২০০ টাকা। এমনকি রোপা আমন মৌসুমে সামান্য ৪-৫টি সেচ দেওয়ার জন্যও কৃষকদের দিতে হচ্ছে বোরোর সমান ধানের ভাগ। মেশিন মালিকেরা তাদের তেল বা বিদ্যুৎ খরচ কমানোর জন্য কৃষকের জমি বোরো চাষের জন্য তৈরি থাকা সত্ত্বেও দেরিতে অর্থাৎ ১৫ থেকে ৩০ দিন পর শ্যালো মেশিন চালু করে থাকে। এতে একদিকে কৃষকের জমিতে ধানের চারার বয়স বেড়ে যায় যা জমিতে রোপণের পর কম সময় থাকার কারণে ধানের ফলন অনেকটা কমে যায়। গবেষণা মাঠ ও কৃষকের মাঠে বিশেষ করে বোরো ধানের ফলনের পার্থক্য হেক্টরপ্রতি ২ থেকে ৩ টন অর্থাৎ কৃষক বর্তমানে জমি থেকে যে ফলন পাচ্ছে তার পরিমাণ হেক্টর প্রতি ২-৩ টন পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব সেচ ব্যবস্থায় সামান্য পরিবর্তন এনে। ভূগর্ভস্থ পানি দেশের একটি জাতীয় সম্পদ। এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের ধানের উৎপাদনকে বাড়ানো যেতে পারে। সাধারণত একটি শ্যালো মেশিনের আওতায় ৫-৮ একর জমিতে বোরো বা রোপা আমন ধানের চাষ হয়ে থাকে যার সঙ্গে ১৫ থেকে ২০ জন কৃষক জড়িত থাকে।
ভবিষ্যতে শ্যালো মেশিনের মালিকানা ব্যক্তিগত পর্যায়ে না রেখে সমবায়ী পদ্ধতিতে নিয়ে আসা যেতে পারে। এতে করে কৃষকেরা নিজেরাই শ্যালো মেশিনের মালিকানা নিতে পারে কারণ বর্তমানে শ্যালো মেশিন স্থাপন খুব একটা ব্যয়বহুল নয়। এ ব্যবস্থায় পানির মালিকানা কৃষকেরা পাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেকাংশে কমে যাবে এবং কৃষক আগ্রহী হবে তার জমির ফলন বা উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর। সমবায়ী পদ্ধতিতে পানির মালিকানা কৃষক পেলে অন্যান্য ফসলের উৎপাদনও বেড়ে যাবে উল্লেখযোগ্য হারে যেমন প্রথমত, বোরো ধান চাষের আগে কৃষকেরা স্বল্পমেয়াদি অর্থকরী ফসল হিসাবে সরষের চাষ করে থাকে। এখানে সেচবিহীন অবস্থায় কৃষকেরা স্থানীয় জাত মাঘী বা টরি-৭ চাষ করছেন যার জীবনকাল ৭০-৭৫ দিন এবং ফলন পাচ্ছেন বিঘাপ্রতি ২-৩ মন অথচ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি সরষে-১৪ যার জীবনকাল ৮০ থেকে ৮৫ দিন। মাত্র দুটি সেচ দিতে পারলে বিঘাপ্রতি সরষের ফলন পাওয়া সম্ভব ৬ থেকে ৭ মণ। কিন্তু কৃষকেরা সরষেয় সেচ দেয় না বা দিতে পারে না কারণ শ্যালো মেশিনের মালিকেরা মাত্র দুটি সেচের বিনিময়ে দাবি করবে ২৫ শতাংশ ফসল। সুতরাং মেশিনের মালিকানা যদি কৃষকদের হাতে থাকে তাহলে তারা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সরষের খুব সামান্য খরচে সেচ প্রদান করে সরষের অধিক ফলন পেতে পারে যা সার্বিকভাবে দেশের তেল বীজ উৎপাদনকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, দেশের কৃষির টেকসই উন্নয়নে পানির অবদান অপরিসীম। দেশে জনসংখ্যা বৃদ্বির হার ১ দশমিক ২ এবং এভাবে বাড়তে থাকলে ২০৩০ সাল নাগাদ জনসংখ্যা হবে প্রায় ১৯ কোটি যার জন্য খাদ্যের (চাল) প্রয়োজন হবে ৪ দশমিক ৫ কোটি টনের। বর্তমান সরকার দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাখতে বদ্ধ পরিকর। সরকারের এ চ্যালেঞ্জকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে উৎপাদন বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই। আর উৎপাদন বাড়াতে হলে প্রয়োজন হবে সেচের পানির তথা ভূগর্ভস্থ পানি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার। আমরা আশা করব বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার দেশের সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্য উৎপাদনকারী কৃষককুলকে সরাসরি ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের সুযোগ করে দিবে যার মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমে আসবে, বোরো ও আমন ধানের ফলন বাড়বে, ভূগর্ভস্থ পানির সুষ্ঠ ব্যবহার নিশ্চিত হবে, তেল ফসলের উৎপাদন বাড়বে, শস্য-বহুমুখীকরনের সুযোগ বাড়বে এবং সর্বোপরি কৃষকের আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়বে। আর এভাবেই আমরা আগামীতে পাবো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।
লেখক : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • মধ্যপ্রাচ্যে নারীশ্রমিক প্রেরণ কেন বন্ধ হবে না?
  • ব্যবসার নামে ডাকাতি বন্ধ করতে হবে
  • কর্মমুখী শিক্ষার সম্প্রসারণ
  • বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন
  • সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সম্মেলন ও কিছু কথা
  • শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ মুজাম্মিল আলী
  • আমরা কি সচেতন ভাবেই অচেতন হয়ে পড়ছি?
  • দ্রব্যমূল্যর উর্ধগতি রুখবে কে?
  • আগুনের পরশমনি ছোয়াও প্রাণে
  • শিক্ষার মানোন্নয়নে মহাপরিকল্পনা প্রয়োজন
  • দেওয়ান ফরিদ গাজী
  • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হালচাল
  • সিলেটের ছাত্র রাজনীতি : ঐতিহ্যের পুনরুত্থানের প্রত্যাশা
  • নাসায় মাহজাবীন হক
  • লেবানন : চলমান গণবিক্ষোভের লক্ষ্য ও পরিণতি
  • ব্রিটিশ উপনিবেশবাদ বিতর্ক
  • ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের ইতিকথা
  • শিক্ষক পেটানোর ‘বিদ্যাচর্চা’
  • অভিযান যেন থেমে না যায়
  • পেঁয়াজ পরিস্থিতি হতাশার
  • Developed by: Sparkle IT