শেষের পাতা

পঞ্চগড়ে মিনিবাস-অটো সংঘর্ষে ৭ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯-১১-২০১৯ ইং ০২:৪৩:৪৭ | সংবাদটি ১৫৮ বার পঠিত
Image

ডাক ডেস্ক : পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলায় একটি মিনিবাসের সঙ্গে সংঘর্ষে এক অটোরিকশার চালকসহ সাতজনের প্রাণ গেছে। জেলার পুলিশ সুপার মো. ইউসুফ আলী জানান, উপজেলার পঞ্চগড়-তেতুলিয়া মহাসড়কের মাগুরমাড়ি চৌরাস্তায় গতকাল শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনায় নিহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, “তেতুলিয়ার ভজনপুর থেকে সদরের জগদলমুখী একটি অটোরিকশার সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। “এতে আটোরিকশার পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকিদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারাও মারা যান।”
নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী চারজন পুরুষ রয়েছে বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান। নিহতরা হলেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান মাঝিপাড়া এলাকার নবদম্পতি লাবু ইসলাম (২৯) ও মুক্তি বেগম (১৯), সদর উপজেলার সুরিভিটা এলাকার আকবর আলী (৭০) ও তার স্ত্রী নুরিমা বেগম (৫৫), একই উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের চেকরমারি এলাকার ইজিবাইক চালক রফিক (২৮), সাতমেরা ইউনিয়নের রায়পাড়া এলাকার ফরহাদ হোসেন মাকুদ (৪৫) এবং সাহেবজোত এলাকার আকবর আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার (৪২)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, জেলা শহর থেকে কাজী ব্রাদাসের যাত্রীবাহী বাসটি তেঁতুলিয়া যাচ্ছিল। মাগুরমারি এলাকায় একটি ছাগলকে পাশ কাটাতে গিয়ে বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দিলে ইজিবাইকটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এক পর্যায়ে ইজিবাইকটি বাসের চাকায় পিস্ট হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ইজিবাইকের মধ্যে থাকা দুই দম্পতিসহ চালক মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় অন্য দুইজনকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তারাও মারা যান। মহাসড়কে ইজিবাইকের সাত যাত্রীর সকলেই নিহতের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন স্থানীয় লোকজন। তারা দুই ঘণ্টার বেশি সময় মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন এবং বিক্ষোভ করেন।
এ সময় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও যেতে দেয়া হয়নি। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের উপরও চড়াও হন স্থানীয়রা। এ দুর্ঘটনার জন্য হাইওয়ে পুলিশের অবহেলাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা। এ সময় পুলিশের উপর ইটপাটকেল ছুড়েন স্থানীয়রা। তাদের সঙ্গে স্থানীয় বিক্ষুব্ধদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়াও হয়। এদিকে ঘটনার পরপর পুলিশ সুপার ইউসুফ আলী ও জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি নিহত প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তার ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন
  • শিল্পপতি আব্দুল মোনেমের ইন্তেকাল
  • সব কর্মীকে একসঙ্গে কাজে না ফেরাতে আইএলও’র সতর্কতা
  • দুই মাস বন্ধের পর মসজিদ খুলে দিয়েছে সৌদি আরব
  • জিয়া্উর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে দক্ষিণ সুরমায় খাবার বিতরণ
  • তিলপাড়া ইউনিয়নে বিয়ানীবাজার থানা জনকল্যাণ সমিতি ইউকে’র আর্থিক সহায়তা প্রদান
  • জগন্নাথপুরে নলজুর সেতুর সংযোগ সড়ক উদ্বোধন
  • বিয়ানীবাজারের ৪ ইউনিয়নে থানা জনকল্যাণ সমিতি ইউকের আর্থিক সহায়তা প্রদান
  • যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে পূর্ব লন্ডনের নিউহ্যাম হসপিটালের এনএইচএস ষ্টাফদের জন্য খাদ্য বিতরণ
  • সিলেটে ৮৫০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে দক্ষিণ সুরমা সমাজ কল্যাণ সমিতি
  • ওয়ার্ল্ড বিডি হিউম্যান হেল্প এসোসিয়েশনের কমিটি গঠিত
  • রাধাকান্ত দেবনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান আজ
  • ব্যবসায়ী গৌসুল আলম গেদু’র ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
  • মাধবপুরের আবাবিল সোসাইটির ত্রাণ বিতরণ
  • করোনায় অসহায় ১৮১ পরিবারের পাশে প্রজন্ম প্রত্যাশা
  • হাতিম চৌধুরী ইসলামিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
  • শাল্লায় কমিউনিস্ট পার্টির হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ
  • আরও একশ পরিবারে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিল বন্ধন সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ
  • অসহায় পরিবারদের উপহার সামগ্রী দিল সিলেট জেলা ছাত্রলীগ
  • মাধবপুরে সুরমা চা বাগানে ত্রাণ বিতরণ
  • Image

    Developed by:Sparkle IT