শেষের পাতা

শিক্ষার্থীদের উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর

ডাক ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে: ১০-১১-২০১৯ ইং ০২:৪২:২৯ | সংবাদটি ১০১ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনের নামে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালগুলোতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য দায়ীদের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, উস্কানি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভুল পথে নেওয়াকে কেউ মেনে নিতে পারে না। যারা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের শিক্ষার্থীদের উস্কানি দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে উচ্চ শিক্ষার এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি অর্থে পরিচালিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উস্কানি দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিপদগামী করে আবার মিষ্টি মিষ্টি কথা বলা কখনো মেনে নেয়া যায় না। আর তা যদি করতে হয় তাহলে নিজেদের অর্থ নিজেদের জোগান দিতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘নিজেদের বেতন নিজেরা দেবে এবং নিজেদের খরচ নিজেরাই চালাবে, সরকার সব টাকা বন্ধ করে দেবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। সরকার কেন টাকা খরচ করবে। সেটাও তাদের চিন্তা করতে হবে, তারা কোনটা করবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার অপরাহ্নে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় শ্রমিক লীগের ১৩ তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্ধোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, শ্রম এবং কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান এবং আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা’র (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর তুয়োমো পটিয়াইনেন, আন্তর্জাতিক টেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন এশিয়া প্যাসিফিক’র (আইটিইউসি-এপি) সাধারণ সম্পাদক শোভা ইওশিদা এবং দক্ষিণ এশিয় আঞ্চলিক ট্রেড ইউনিয়ন কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক লক্ষন বাহাদুর বাসনেত ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।জাতীয় শ্রমিক লীগ সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন। দলের কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু শোক প্রস্তাব পাঠ করেন এবং সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পদক্ষেপের ফলে দেশের শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের শ্রমিক এবং মেহেনতী মানুষ এবং তাঁদের পরিবার পরিজনের জন্য সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিত করাই আমাদের কাজ। এটাই আওয়ামী লীগের নীতি আর এই নীতি নিয়েই আমরা দেশ পরিচালনা করছি।’
শান্তি, শিল্পায়ন এবং উন্নয়ন নিবিঢ়ভাবে সম্পর্কযুক্ত উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ কারণেই ’৯৬ সালে তাঁর সরকার শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করে দিয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে বিএনপি সরকার এসে তা কার্যকর করেনি।
‘সে সময় ‘৮শ বা ৯শ’ থেকে শ্রমিকদের বেতন ১৬শ’ করে দেওয়া হয়েছিল,’বলেন তিনি।

শেয়ার করুন
শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • হবিগঞ্জে ট্রেনের নিচে মাইক্রোবাস
  • কুলাউড়া উপজেলা আ’লীগের সম্মেলন
  • দলের সভানেত্রীর নির্দেশ মোতাবেক সকল কমিটি গঠন করা হবে
  • কুলাউড়ায় আ’লীগের সম্মেলনে মনসুরকে এক হাত নিলেন মিসবাহ
  • লিডিং ইউনিভার্সিটির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে আরসিসি ও স্টিল স্ট্রাকচার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
  • সিলেটে আয়কর মেলা ১৪-২০ নভেম্বর
  • মহারাসলীলা আজ
  • সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা আজ
  • উপজেলা ও পৌর নেতৃবৃন্দকে নিয়ে জেলা বিএনপি’র পরামর্শ সভা আজ
  • বিমানেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে
  • শিক্ষার্থীদের উস্কানিদাতাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
  • জাউয়ায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪০
  • ভারতের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টি খেলতে নামছে বাংলাদেশ
  • সিলেট-ভোলাগঞ্জ সড়কে চালু হলো বিআরটিসি’র দোতলা বাস সার্ভিস
  • ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করতে হবে : মন্ত্রী ইমরান আহমদ
  • ২১১.৭২ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন
  • দুর্নীতিবাজ ও মাদকাসক্তদের আওয়ামী লীগে ঠাঁই দেয়া হবেনা ...আহমদ হোসেন
  • বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ব্যানারে বের করা মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ
  • নবীজির জীবনদর্শনে নিহিত ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের পরিপূর্ণ আদর্শ
  • শাবিতে ১২ নভেম্বর থেকে ভর্তি
  • Developed by: Sparkle IT