ইতিহাস ও ঐতিহ্য

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ বছর

খলিলুর রহমান ফয়সাল প্রকাশিত হয়েছে: ১৩-১১-২০১৯ ইং ০০:৪২:২৭ | সংবাদটি ১৯৮ বার পঠিত

সিলেট একটি অভিজাত জনপদ। প্রকৃতিগতভাবে সিলেটের লোক শরীফ মেজাজের। প্রাচীনকাল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অভিজাত শ্রেণীর লোকদের সাথে সিলেটবাসীর যোগসূত্র রয়েছে। অপরদিকে বৌদ্ধ, হিন্দু এবং মুসলিম সাধকদের পদচারণায় সিলেট অঞ্চল ধন্য হয়েছে। শাহ্ আব্দুল করিম, হাছন রাজা, রাধারমণ দত্ত, আছিম শাহ্, কালু শাহ সহ অসংখ্য আউল-বাউল আর সাধু-সন্ন্যাসীর জন্মস্থান হলো সিলেট। তাঁদের রচিত প্রাণ-জুড়ানো, হৃদয়-নিংড়ানো বিখ্যাত দেহতত্ত্ব, ভক্তিমূলক, অনুরাগ আর প্রেম-ভালোবাসার সুরে রচিত গানগুলো বিশ্বখ্যাত। পৃথিবীর ৩০০০ স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাষার মধ্যে ফ্রান্সের বিখ্যাত ভাষা জাদুঘরে বাংলাদেশের দুটি ভাষা লিপিবদ্ধ, একটি বাংলা অপরটি সিলেটের আঞ্চলিক ছিলেটি ভাষা। ছিলেটি ভাষার আবার নাগরী নামে লেখ্য রূপও রয়েছে। আবার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে সিলেট বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করছে। সিলেটের চা, আনারস, গ্যাস, শুকনা মাছ, চুনা, সিমেন্ট প্রভৃতি বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর সিলেট অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ লোক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে রয়েছেন। বৃটেন, আমেরিকা, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের লোক অধিকাংশ দেখতে পাওয়া যায়। এই সমস্ত গৌরবগাঁথা সংবলিত ইতিহাস সিলেটবাসীকে আলাদা মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে। তাদেরকে বাংলাদেশের সকল জনগোষ্ঠি থেকে স্বতন্ত্র সিলোটি হিসেবে জায়গা করে দেয় ইতিহাসের পাতায়।
এ এলাকার মাটিও স্বতন্ত্র। সিলেটের লালচে মাটির গুণগতমান দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে ভিন্নতর। বৃহত্তর সিলেটে রয়েছে হাজার হাজার একর অনাবাদি উঁচু-নিচু পাহাড়ী অসমতল ভূমি। আছে হাওর নামের বিস্তীর্ণ জলাশয়। সুগন্ধি কমলা, গুণগতমানের চা উৎপাদনে সিলেটের বেশ খ্যাতি রয়েছে। জলডুপি আনারস আর সাতকড়া সবজি সিলেটের একেবারে নিজস্ব বিত্ত-বৈভবের খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। সিলেটের সুরমা নদীবিধৌত ভূমি, বিপুল মৎস্যসম্পদে ভরপুর বিস্তৃত হাওর এলাকা যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরো সমৃদ্ধ করছে। এত কিছুর পর সিলেটের কৃষি অনেকটা পশ্চাৎপদ। তবে এতদঞ্চলের স্থানীয় বিন্নিধান জাতের নানামুখী বৈশিষ্ট্য পৃথিবীর মধ্যে একটা বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। এই সমস্ত ধানজাতে অসংখ্য ধরনের বংশগতির বৈশিষ্ট্য যেমন-সুগন্ধ, শর্করার পরিমাণ, আকার (চিকন, মোটা), রঙ, গাছের দৈর্ঘ্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহনশীলতা ইত্যাদি বিদ্যমান, যা অন্যান্য অঞ্চলের ধানজাতে অনুপস্থিত। নতুন নতুন ধানজাত উদ্ভাবনে এসমস্ত গুণাবলি অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। ধান ব্যতীত অন্যান্য দানাদার শস্য, সবজি, তৈল ও ডাল, আলু ও অন্যান্য মূল ও চিনিজাতীয় ফসলের আবাদ সিলেট এলাকায় বেশ অপ্রতুল। প্রচুর সম্ভাবনাময় এই অঞ্চলে ফসল, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য সম্পদ ইত্যাদি উন্নয়নের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
সিলেটের জনগোষ্ঠির এক বিরাট অংশ অনেকটা কৃষিবিমুখ। উৎপাদনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বছরের অধিকাংশ সময় জমি পতিত থাকে। দেশি জাতের গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি লালন-পালন, মৎস্যচাষে অযতœ-অবহেলা গোটা সিলেট অঞ্চলের উৎপাদন অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে ব্যর্থ হচ্ছিলো। সেই চিন্তা-চেতনা থেকেই কৃষি বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্র সৃষ্টি, আধুনিক জ্ঞানচর্চা এবং কৃষি বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কযুক্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষাদান, গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও জাতির কল্যাণে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে ১৩ বছর আগে একটি বড় স্বপ্ন তৈরি হয়। অপার সম্ভাবনার সে স্বপ্নটি ১৩ বছর পর তা সাফল্য হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।
২০০৬ সালের ২ নভেম্বর উত্তর পূর্বাঞ্চলের সামগ্রিক কৃষি ব্যবস্থাকে উন্নত করতে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। সিলেট বিভাগীয় শহর কেন্দ্র হতে প্রায় ৭ কিলোমিটার পূর্বে এবং রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে টিলাগড় নামক স্থানে ২০.২৩ হেক্টর (৫০ একর) জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস। এছাড়াও মূল ক্যাম্পাস থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে তামাবিল বাইপাস রাস্তার উত্তর পাশে বিকেএসপি-এর পূর্ব দিকে ৪.৯৭ হেক্টর (১২.২৯ একর) এলাকায় বহিঃক্যাম্পাস হিসেবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা মাঠ গড়ে তোলা হয়েছে।
ষোল কোটি মানুষের দেশ বাংলাদেশে একটা মানুষও না খেয়ে নেই। দাম যেমন তেমন এখন আর দুর্ভিক্ষে মানুষ মরে না। দেশী মাছ হারিয়ে গেলেও হাইব্রিড মাছ পাওয়া যাচ্ছে দেদারসে। মেহমান এলে সাধের পালা মুরগী উঠোন থেকে ধরে এনে জবাই করতে হয় না। অল্প টাকায় বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পোল্ট্রি। যে ক্ষেতে আগে ১ টন ধান ফলন হতো, এখন সেখানে হচ্ছে এখন ফলছে ৫-৬ টন। আর এই সবই সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীদের কারণে। আর প্রতি বছর এরকম বহু কৃষি বিজ্ঞানী তৈরি করে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
এখন পর্যন্ত সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ থেকে গ্র্যাজুয়েট হিসেবে ৮টি করে ১৬টি ব্যাচ বের হয়েছে। এদিকে ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সস অনুষদ থেকে ইতোমধ্যে ২০টি ব্যাচ বেরিয়ে গেছে। সম্প্রতি কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে বেরোলো ৬টি ব্যাচ এবং কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদ থেকে আরো ৪টি ব্যাচ। বিসিএস পরীক্ষাসহ দেশে বিদেশে আমাদের গ্র্যাজুয়েটদের ছড়াছড়ি। ভাবতে ভালই লাগছে এরা সবাই এখন স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ উজ্জ্বল করে আছে এবং বাংলাদেশের কৃষির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাদের একাডেমিক জ্ঞানটুকু এবার মাঠে কাজে লাগবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধুর সম্পর্কের কারণেই তারা সফল হয়েছে।
সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনায় হাওরে জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে এখানকার গবেষকরা। হাওরে বছরে ৭/৮ মাস চারিদিকে থৈথৈ পানি দিয়ে ভরা। শুধুমাত্র বসতভিটার উঁচু জায়গাটুকুই দ্বীপের মত ভাসমান। সিকৃবির প্রচেষ্টায় সেখানে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা। বোরো ফসল নির্ভর হাওরাঞ্চলে এক সময় শীতকালেও মাঠের পর মাঠ পতিত থাকত। ২০১৫ সাল থেকে সুনামগঞ্জের দেকার হাওর সহ বিভিন্ন হাওরের প্রান্তিক কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে সিকৃবি নানাবিধ পদক্ষেপ নিয়েছে। সিকৃবির মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহায়তায় কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) এর অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পে খরিপ ও রবি মৌসুমে লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রান্তিক জনপদের প্রভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। প্রকল্পের প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মো. আবুল কাশেম, প্রফেসর ড. মো. আবু বকর সিদ্দিক, প্রফেসর ড. মো. শহীদুল ইসলাম, প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ. পিএইচডি ফেলো সহযোগী প্রফেসর মো. আব্দুল আজিজ, গবেষণা সহযোগী মান্না সালওয়া সহ অন্যান্য গবেষকদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে লাগসই ধান চাষ, সবজি চাষ, মাছ চাষ, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগী পালন, কবুতর পালন সহ নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
সিকৃবি আরেকটি গবেষণা একেবারে চোখে পড়ার মতো। টমেটো বা শিম এখন আর শুধুমাত্র শীতকালে চাষ হবে না। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ শহীদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে শিমের গ্রীষ্মকালীন নতুন দুটি জাত অনুমোদন পেয়েছে। প্রোটিন সমৃদ্ধ এই জাতগুলোর তিনি নাম দিয়েছেন সিকৃবি শিম-১ ও সিকৃবি শিম-২। এই জাত সিলেট অঞ্চলে বছরব্যাপী ধরে প্রোটিনের চাহিদা মেটাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। সিলেট অঞ্চলের কৃষি আবহাওয়া সম্পর্কিত তথ্য জানার জন্য প্রথমবারের মতো স্থাপন করা হয়েছে অটোমেটেড এগ্রোমেটিওরোলজিক্যাল স্টেশন। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার ল্যাবের তত্ত্বাবধানে এ অত্যাধুনিক এগ্রোমেটিওরোলজিক্যাল স্টেশনটি চালু করা হয়েছে। বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘের পরিবেশ সংস্থা কর্তৃক এই বিভাগেরই শিক্ষক মো. সামিউল আহসান তালুকদার ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিরো’ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন। গৃহপালিত গবাদিপ্রাণিতে মাত্রাতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে প্রাণিদেহে এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয় যা পরবর্তীতে বাজারে বিদ্যমান প্রাণির মাংসের মাধ্যমে মানব শরীরে অনুপ্রবেশ করার মাধ্যমে মানবদেহে এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা বিনষ্ট করে যা মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এ নিয়ে গবেষণা করছে সিকৃবির প্যাথলজি বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)। গবেষণায় এগিয়ে আসছে শিক্ষার্থীরাও। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার মৎস্যজীবীদের আর্থসামাজিক অবস্থা নিয়ে সম্প্রতি গবেষণা করেছেন মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের চতুর্থ বর্ষের দুই শিক্ষার্থী সাকিব তাহমিদ রিশান ও ইফতেখার আহমেদ ফাগুন। গবেষণাপত্রটি ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াটিক স্টাডিজ’ ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। বিভিন্ন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিড়া ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সিকৃবির ছেলে মেয়েরা সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে। সিলেটের সবচে বড় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবটি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
এত প্রাপ্তির মাঝেও কিছু না পাওয়ার কথা রয়ে গেছে যেমন, ব্যবহারিক ক্লাসের জন্য অধিগ্রহণকৃত জায়গাটিতে এখনো পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারেননি গবেষকবৃন্দ। ফলে শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে শিক্ষালাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সিলেট শহরে যাতায়াতের জন্য বাস নিয়েও ভোগান্তির শেষ নেই। প্রায় তিনহাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র ৩টি বাস। বাঁদুড় ঝোলা হয়ে যাতায়াত করতে হয়। ফলে যারা সিলেট শহর থেকে ক্যাম্পাসে আসেন তারা পড়েন চরম বিপাকে। ডাইনিং এর খাবার নিয়েও রয়েছে অনেক অভিযোগ। নেই ভালো খেলার মাঠ, অডিটরিয়ামটাও ছোট। সবকিছু ছাপিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবী হয়ে উঠেছে-গবেষণার জন্য মাঠ। অবশ্য সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিঃক্যাম্পাস হিসেবে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে ফেঞ্চুগঞ্জ-তামাবিল বাইপাস সড়ক সংলগ্ন খাদিম নগর এলাকায় ১২.৩ একর জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। তিনবছর আগে সিলেট জেলা প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জায়গাটি বুঝিয়ে দিয়েছিলো। মাত্র ৫০ একর জমি নিয়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যাত্রা করেছিল যার বেশির ভাগ টিলা ও জঙ্গলবেষ্টিত। নতুন জায়গাটি প্রাপ্তির ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করি।

 

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • সুনামগঞ্জের সাচনা: ইতিহাসের আলোকে
  • বদলে গেছে বিয়েশাদীর রীতি
  • স্বতন্ত্র আবাসভূমির আন্দোলন
  • ঐতিহ্যবাহী পালকী
  • স্বতন্ত্র আবাসভূমির আন্দোলন
  • ইতিহাসের আলোকে নবাব সিরাজ উদ-দৌলা
  • ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জল শতবর্ষ
  • পুরান পাথরের যুগ থেকে
  • সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ বছর
  • চৌধূরী শব্দ ও প্রথার ইতিবৃত্ত
  • ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ
  • ১৩৩ বছরের ঐতিহ্যবাহী সিলেট স্টেশন ক্লাব
  • একাত্তরের শরণার্থী জীবন
  • সিলেটে উর্দু চর্চা
  • মণিপুরী সম্প্রদায় ও তাদের সংস্কৃতি
  • সিলেটে উর্দু চর্চা
  • মোকাম বাড়ি ও হযরত ইসমাইল শাহ (রহ.)
  • সিলেটে উর্দু চর্চা
  • হবিগঞ্জের লোকসাহিত্যে অধুয়া সুন্দরীর উপখ্যান
  • পার্বত্য সংকটের মূল্যায়ন
  • Developed by: Sparkle IT