উপ সম্পাদকীয়

অভিযান যেন থেমে না যায়

ব্রজেন্দ্র কুমার দাস প্রকাশিত হয়েছে: ১৬-১১-২০১৯ ইং ০০:২৮:২২ | সংবাদটি ১৫০ বার পঠিত

কেন জানি আজ কমরেড বরুণ রায় এবং জননেতা পীর হবিবুর রহমান সাহেবের কথা খুবই মনে পড়ছে। মনে পড়ছে ১৯৭১ সালের শরণার্থী জীবনের অনেক ঘটনার কথা। ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে মইলম শরণার্থী ক্যাম্পে সততার মূর্ত্তপ্রতীক উপরোক্ত দুই মহান ব্যক্তিত্বের সাথে মাস দুয়েক কাটানোর স্মৃতির কথা ভীষণ মনে পড়ছে। এই দুই মহান পুরুষের নেতৃত্বে আমরা ১০/১২ জন যুবক শরণার্থী শিবিরে কাজ করতাম। বর্বর পাক বাহিনীর অত্যাচার নির্যাতনে বিতাড়িত লাখ লাখ ছিন্নমূল মানুষ। ভারত সরকারের রেশনে সবারই জীবন চলে। আমরা কাজ করছি। ত্রাণ শিবিরে বস্তার বস্তা গুড়ো দুধ ছিলো। সেই দুধ শরণার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য আমাদের দায়িত্ব ছিলো। প্রত্যেক দিন ভোরে কমরেড বরুণ রায় এবং পীর সাহেব আমাদের সবাইকে নিয়ে চায়ের ব্যবস্থা করা হতো। দুধ বিহীন লাল চা। দুধের মধ্যে বাস করেও লাল চা। একেক দিন একেক জন আমরা চা তৈরী করতাম। সেই চা তৈরীর এক দিনের ঘটনার কথা জীবনে কখনো ভুলতে পারছি না। সততার প্রসঙ্গ এলেই তা মনে পড়ে যায়। সেদিন চা তৈরীর দায়িত্ব ছিলো দিরাই এর গচিয়া গ্রামের প্রয়াত বন্ধুবর মোস্তফার ওপর। মোস্তফা সাব লাল চায়ের মধ্যে দুধ মিশিয়ে দুধের চা বানালেন। চায়ের কাপ হাতে নিয়ে কমরেড বরুণ রায় এবং পীর সাহেব বল্লেন-আজকে চা কে বানিয়েছে? মোস্তফা সাহেব ভাবলেন তাঁরা বোধ হয় ভীষণ প্রশংসা করছেন। মোস্তফা খুবই আগ্রহ ভরে খুশী মনে এগিয়ে এসে বল্লেন-“আমি”। উনাদের প্রশ্ন-দুধ কোথায় পেলে? মোস্তফা বলেন-দুধের বস্তা থেকে কিছু দুধ পড়েছিল। উনারা ভীষণ রেগে গিয়ে মোস্তফার উদ্দেশ্যে সেদিন বলেছিলেন-‘আজ মাটি থেকে কুঁড়িয়ে দুধ পেয়েছো। কাল বস্তা কেটে দুধ বের করবে। তারপর একদিন বস্তাই উধাও করে দেবে। নিয়ে যাও তোমার চা। সেদিনের মোস্তফার অবস্থা যখন স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে তখন ভীষণ কষ্ট হয়। মোস্তফার চোখের জলে আজ কষ্ট নয়, লজ্জা নয়, নিজেকে খুবই গর্বিত মনে করি।
আজ মনে পড়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে কমরেড বরুণ রায় সুনামগঞ্জ ১ (এক) আসনে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এমপি হয়েও তাঁর কোন বাড়ি ছিল না। যা ছিল পৈত্রিক গ্রামের বাড়ী। জমিদার সন্তান হয়েও সুনামগঞ্জ শহরে তাঁর কোন বাসাবাড়ি ছিল না। ভাড়া বাসায় থেকেছেন। সেটাও টিনসেড। দালান কোঠা নয়। কিন্তু মানুষের মনের মনিকোঠাই ছিল তাঁর ঘর বাড়ি-বাসা বা বাসভবন। এমনিভাবে পাঁচটি বছর কেটে গেল। আবার নির্বাচন এলো। পার্টি এবং আত্মীয় স্বজন শুভাকাঙ্খী সবারই ইচ্ছা তিনি আবার নির্বাচন করুন। কিন্তু তিনি কিছুতেই রাজি হলেন না। তিনি নিজের আসনে তাঁর ভাবশিষ্য সেদিনকার কমরেড নজির হোসেনকে ছেড়ে দিলেন। নতুনের স্থান করে দিলেন রাজনীতিতে। এমন উদার ক’জন হতে পারেন। অনেকের আশা ছিল জনাব নজির হোসেন হয়তো বরুণ রায়ের মতোই মানুষের মনে স্থান করে নিবেন। অবৈধ ধন-দৌলত-বাড়ি-গাড়ি-টাকা-কড়ি আর লোভ-লালসায় মত্ত না হয়ে সর্বজনশ্রদ্ধেয় বরুণ রায়ের পথেই হেঁটে যাবেন। ভুলে যাবেন না নিজের অতীত ইতিহাস। কিন্তু না। মানুষের আশা পূরণ হলো না। তিনি নৌকা থেকে নেমে গেলেন। হাতে নিলেন ধানের শীষ। সেটা তো হতেই পারে। কথায় বলে-‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।’ কিন্তু পরবর্তীতে তিনি যা করলেন সেখানে আর রাজনীতি রইলো না। অন্য এক অপশক্তি তাকে গ্রাস করলো। সামাজিক রাজনৈতিক ধর্মীয় সব রীতিনীতি নিয়মকানুন আদর্শ উদ্দেশ্য-হারাম-হালাল কোন কিছুই তাকে অর্থ লোভের মারাত্মক আগ্রাসনের হাত থেকে রক্ষা করতে পারলো না। আমাদের সকলকে চরম হতাশার মহাসাগরে ডুবিয়ে অন্য জগতের এক মানুষ হয়ে ওঠেন। যা তার নিজের জীবনেও অমঙ্গল ডেকে আনলো। যেমনটি কারো কাছেই কখনো কাম্য ছিল না।
সাম্প্রতিক কালে তেমনটিই ঘটে গেলো আমাদের সবার প্রিয় মেনন ভাইয়ের জীবনে। গেলো ক’দিনের খবরের কাগজের কিছু কিছু শিরোনাম ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমাদের অনেককেই লজ্জা পেতে হয়। সম্মুখীন হতে হয় বাম রাজনীতির বিশ্বাসীদের নানা প্রশ্নের। যেমন-“ক্যাসিনো কান্ড, জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে মেননকেও, রিমান্ডে নাম বলেছেন স¤্রাট ও খালেদ” (সমকাল ২০.১০.২০১৯) “প্রতি মাসে ক্যাসিনোর টাকা নিতেন মেনন, জিজ্ঞাসাবাদে স¤্রাট-স¤্রাটের সঙ্গে আমার আর্থিক সম্পর্ক নেই, নির্বাচনের সময় যুবলীগের হয়ে টাকা খরচ করেছিল সে-রাশেদ খান মেনন সংসদ সদস্য, ঢাকা-৮” (দৈনিক আমাদের সময় ২০.১০.২০১৯)। মেননের বিস্ফোরক মন্তব্যের পেছনে হতাশা না অন্য কিছু, ক্ষমতাসীন জোটে আছেন, সরকারে নেই। দলে ভাঙনের শঙ্কা। ক্যাসিনো কান্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ স¤্রাট খালেদের মুখে মেননের নাম।” (“ভোরের কাগজ ২১.১০.২০১৯)। এগুলো একান্তই তার ব্যক্তি জীবনের কথা বা ঘটনা। অভিযোগ। তা প্রমাণ সাপেক্ষ। স¤্রাট গংরা বল্লেই তা সত্য তা যেমন বলা চলে না তেমনি দুদকের তদন্তে যদি তা সত্য বলে প্রমাণিত হয় তখনও কারো কিছু বলার থাকবে না। দেখা যাক কি হয়। এদিকে ২০.১০.২০১৯ তারিখের দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকার একটি খবরের শিরোনামকে ছোট খাটো বোমা ফাটানোর মতোই মনে হলো। সেটি-“প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের কাউকেই জনগণ ভোট দেয়নি : মেনন।” আমরা ধরে নিলাম ওই নির্বাচন নিয়ে তার প্রশ্ন থাকতেই পারে। কিন্তু দেশের জনগণ যদি সাথে সাথে মধু কবির সেই বিখ্যাত উক্তি ‘এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে” এর কথা স্মরণে এনে বাঁকা চোখে মুচকি হাসে তা দলে কি জনগণকে দোষ দেয়া যাবে। আমাদের সবার প্রিয় এবং ভরসার স্থল মেনন ভাইকে নিয়ে এসব কথা বললে খুবই কষ্ট হয়। কষ্ট লাগে। ঘটনার প্রেক্ষিতে তবু বলতে হয়। এ প্রসেঙ্গ প্রফেসর ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জনাব তারেক শামসুর রেহমান তার ‘আমাদের মেনন ভাই’ (যুগান্তর) নিবন্ধে লিখেন-“এখন তার ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব জব্ধ করা হয়েছে। বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একজন রাজনীতিবিদের ওপর এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কলঙ্কের। এর মধ্য দিয়ে তার অতীতের সব কর্মকান্ড ‘মুছে’ গেল। রাশেদ খান মেননকে নিয়ে এ সংবাদগুলো আমাকে আশাবাদী করে না। তরুণ বয়সে আমাদের সবার আদর্শ ছিলেন তিনি।
ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা মাওলানা ভাসানীর অনুসারী হয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করবেন, এই ছিল সবার প্রত্যাশা। কিন্তু এ কেমন রাশেদ খান মেননকে আমরা দেখছি? এই রাশেদ খান মেননকে আমি আর চিনতে পারি না।’ শুধুই কি মেনন ভাই? আজকের সমাজ আজ অনেককেই চিনতে পারছে না। শত চেষ্টা করেও আজ আমি চিনতে পারছি না এককালের ‘কমরেড’ আমাদের নজির হোসেন ভাইকে! এই চিনতে না পারা লোকজনকে নিয়ে মানুষ যখন নানান মুখরুচক কথা বলেন তখন অসহায়ের মতো সর্বজন শ্রদ্ধেয় বরুণ রায়কে সামনে এনে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করি কিন্তু বিশাল পচা মাছকে কি গুটিকয় পবিত্র শাক দিয়ে ঢেকে রাখা যায়? যায় না। তাই আমাদের অনেককেই অনেক রকম গঞ্জনা সইতে হয়। এ যন্ত্রণা যে কতো বড়ো যন্ত্রণা ওনারা কি আজও তারা বুঝে উঠতে পারছেন না? যত শীঘ্র তাদের বোধোদয় হবে ততই দেশ-দশ-কৃষক-শ্রমিক-মেহনতী মানুষের মঙ্গল।
শুরু করেছিলাম সততার প্রতীক কমরেড বরুণ আর পীর হবিবুর রহমান সাহেবের কথা দিয়ে। কথা হলো বরুণ রায়ের নির্বাচন এবং নির্বাচনী এলাকা প্রসঙ্গে। হাতের কাছে ২০.১০.২০১৯ তারিখের দৈনিক সিলেটের ডাক-এ লাল লাল অক্ষরের বাক্সবন্দী খবরের শিরোনামের দিকে নজর পড়লো। শিরোনাম-“দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দুদকের রাজনীতিতে হঠাৎ আসা রতনের সম্পদ পাহাড়সম, দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে সত্যতা মিলেছে, ঢাকা-সুনামগঞ্জ নেত্রকোণায় ১৩ বাড়ির মালিক।’ প্রতিবেদক কাউসার চৌধুরী আরো লিখেন, এরই মধ্যে রতন ধর্মপাশায় নিজ গ্রামে ১০ কোটি টাকায় ‘স্বর্ণমহল’ নামে নির্মাণ করেছেন বিলাসবহুল বাড়ি। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়-সুনামগঞ্জ-১ আসনের যাদুকাটা নদী থেকে বালু পাথর উত্তোলন করা নৌকা থেকে ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা টোল হিসেবে আদায় করা হয়। এর থেকে দিনে অন্তত ৫০ লাখ টাকা আদায় করেন। দুদকের অনুসন্ধান দলের প্রধান ও দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন এক চিঠিতে বলেন-মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে দেশে মানি লন্ডারিং সহ বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ আছে। বিশ্বস্থ সূত্রে দুদক জেনেছে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ওই সাংসদ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
তাই তিনি যাতে দেশ ছেড়ে যেতে না পারেন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সংসদ সদস্য রতনের দ্বিতীয় স্ত্রী তানভী ঝুমুর গত ১০ মাস ধরে বিদ্যালয়ে না এসে বেতন ঠিকই তুলে নিচ্ছেন। প্রতিবেদনের সূত্রে জানা যায় গত কয়েক বছরে তার সহোদর যতন মিয়ার নামে ৫০০ একর জমি কেনা হয়েছে। তার নিজ নামেও কেনা হয়েছে ৬০ একর মূল্যবান জমি।
তবে দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে সত্যতা মিলেছে বলে দাবি করলেও সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন দাবি করেছেন ‘এরকম কিছুর সাথে আমি জড়িত নই। আমি মিডিয়ার শিকার হয়েছি।। অভিযোগ একশটা দিতে পারে। আমার চৌদ্দগোষ্ঠীও ক্যাসিনো চিনেও না। জি-কে শামীমকে আমি চিনিও না। দেশে পত্রিকার কোন হিসাব আছেনি। পত্রিকায় লিখবে কিতা। আমার নিউজতো লোকে পড়বে তাই এসব লিখছে।’
রতন সাহেবের বিরুদ্ধে আনীত দুদকের অভিযোগগুলো যেহেতু এখনও প্রমাণিত হয় নাই তাই ধরে নিলাম তিনি যা বলেছেন তার সবটুকুই সত্য। কিন্তু প্রশ্ন হলো তিনি বলেছেন তিনি নাকি মিডিয়ার শিকার হয়েছেন। বলি, মিডিয়া তাকে শিকার করতে যাবে কেন? এতে মিডিয়ার কি লাভ? জি.কে শামীম, ওমর ফারুক, দেশের শত শত লোভ-লাভের শিকার ক্যাসিনো স¤্রাটদের কথা তে মিডিয়া এর আগে লিখেনি! দুদকের শিকার হয়ে যারা ধরা পড়েছে দুদকের কাছ থেকে তত্ত্ব-তথ্য নিয়েইতো মিডিয়া দেশের জনগণকেও তা জানিয়েছে। তারা যদি কারো শিকার হয়ে থাকেন তো দুদকের শিকার হয়েছেন। একেই বোধ হয় বলে-‘যত দোষ নন্দ ঘোষ।’ দেশে পত্রিকার হিসাব আছে, হিসাব নাই দেশে অবৈধ টাকা, সম্পদের। আর পত্রিকায় লিখবে কিতা? পত্রিকা নিয়মিত পড়লেই জানা যায় পত্রিকায় কিতা লিখে। পত্রিকায় লিখেছে বলেই আজ দেশবাসী দেশে অবৈধ টাকা-সম্পদ অর্জনকারীদের কিছুটা হলেও নামধাম অতীত ইতিহাস জানতে পারছে। পত্রিকা লিখেছিল ’৬৯, ৭০, ’৭১ সালে। লিখেছিল বলেই লুন্ঠনকারী পাকিরা দৈনিক সংবাদ, ইত্তেফাক পত্রিকার অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছিল। সে ইতিহাস কি আমরা সবাই জানি? রতন সাব বলেছেন-‘আমার নিউজতো লোকে পড়বে তাই এসব লিখেছে।’ প্রশ্ন হলো, গেলো দশ বছরে কি তার নিউজ এমন ফলাও করে লিখেছে। মোটকথা হলো, জি.কে শামীম, ওমর ফারুক, স¤্রাট সহ ক্যাসিনো ওয়ালাদের খবর পত্রিকাগুলো লিখেনি। এবারও লিখে না। লিখে তাদের কুকর্ম। পত্রিকাগুলো এখনো লিখে যাচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নিউজ, লিখে হাসিনা খালেদার নিউজ। লিখে জাতীয় চার নেতার নিউজ। অর্থাৎ ঐসব ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্বদের নিউজ। তাদের সুকর্মের নিউজ। লিখে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রয়াত কমরেড বরুণ রায়ের কথা। তাঁর আপাদমস্তক সততার নিউজ। যে নিউজ থেকে নতুন প্রজন্ম শিখতে পারে জীবন চলার সঠিক পথ।
আমরা কি নিজেকে নিজে প্রশ্ন করি-কি লাভ, লোভ-লাভ-লালসার শিকার হয়ে? প্রকৃতির নিয়মে ধরা তো একদিন পড়তেই হয়! বরুণ রায়ের নিউজও মানুষ পড়ে। পড়ে জি.কে শামীমের নিউজও। বঙ্গবন্ধুর নিউজ যেমন মানুষ পড়ে তেমনি মোস্তাকের নিউজ পড়ে।
আসুন আমরা সবাই সৎ চিন্তা মাথায় নিয়ে নিউজগুলোর পার্থক্য খুঁজি। অকারণে মিডিয়াকে টেনে আনার দরকারটা কী?
লেখক : মুক্তিযোদ্ধা, কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে
  • মানবাধিকার দিবস ও বাস্তবতা
  • বুয়েটের শিক্ষা
  • পাল্টে গেল শ্রীলঙ্কার ভোটের হিসাব
  • গড়ে তুলতে হবে মানবিক সমাজ
  • পাখি নিধন, অমানবিকতার উদাহরণ
  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান সফল হোক
  • সড়ক দুর্ঘটনা এবং সড়ক আইন-২০১৮
  • বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গ
  • বাঙালির ধৈর্য্য
  • সামাজিক অবক্ষয় ও জননিরাপত্তার অবকাঠামো
  • শিক্ষকদের অবদান ও মর্যাদা
  • ১৯৭০ এর নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধ
  • একাত্তর :আমার গৌরবের ঠিকানা
  • সড়ক দুর্ঘটনা কি থামানো যায় না?
  • চিকিৎসা সেবা বনাম ব্যবসা
  • নীরব ঘাতক প্লাস্টিক
  • সার্থক জীবন মহত্তর অবদান
  • প্রযুক্তির বিশ্বায়ন বনাম তরুণ সমাজ
  • মানবিক মূল্যবোধ ও বাংলাদেশ
  • Developed by: Sparkle IT