উপ সম্পাদকীয়

সিলেটের ছাত্র রাজনীতি : ঐতিহ্যের পুনরুত্থানের প্রত্যাশা

শেখর ভট্টাচার্য প্রকাশিত হয়েছে: ১৮-১১-২০১৯ ইং ০১:০৯:৪৭ | সংবাদটি ২৭৭ বার পঠিত

সিলেট শহরের প্রকৃতি শোভিত সৌন্দর্য এবং তাঁর যথাযথ রক্ষনাবেক্ষনের গুরুত্ত্ব নিয়ে “প্রাণের শহর সিলেট” নামে আমার একটি লেখা দৈনিক সিলেটের ডাকে প্রকাশিত হয়েছিলো সেপ্টেম্বর, দু হাজার ঊনিশে। যে কোন মানের লেখকের লেখার নিজস্ব একটি ধরন আছে, আমার লেখার গতানুগতিক ধরন থেকে বাইরে গিয়ে নিজের শহরকে নিয়ে একটু আবেগ প্রবণ হয়ে লেখাটি লিখেছিলাম। দৈনিক সিলেটের ডাকের অগণিত পাঠক, দেশ বিদেশে ছড়িয়ে থাকা আমার অসংখ্য বন্ধু আমাকে সেলফোন, ইমেইলে, মেসেঞ্জারে এবং ফেসবুকে তাঁদের আবেগঘন মন্তব্য জানিয়ে অনুরোধ করেছিলেন, সিলেট শহর এবং তাঁর ঐতিহ্য নিয়ে যেন আরও লেখার চেষ্টা করি।
সিলেট শহরকে নিয়ে কিছু লিখতে গেলে কেন জানি কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। স্মৃতিকে একটা সময়ে নিয়ে গেলে, সময়ের ভাজে ভাজে অনেক চরিত্র, অনেক টুকরো ঘটনা, অনেক তুচ্ছ্ব এবং তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় চোখের সামনে এসে ভীড় করে। এ জন্য মনে হয়, আবেগ কখনো কখনো তত্ত্ব, তথ্য ও যুক্তিকে কিছুটা হার মানায়। মাঝে মাঝে আবেগের কাছে পরাজিত হয়ে, সময়ের রথে চড়ে স্মৃতি খুড়ে বেদনা জাগাতে খুব একটা খারাপ লাগে না। রোমান্টিক যুগের আমার খুব প্রিয় একজন কবি পি,বি শেলির মতে, আমাদের জীবনের মধুরতম সঙ্গীত হল সে গুলো, যেগুলো বিষাদের সুরমূর্ছনার বাণী বহন করে।
সত্তর দশকের মাঝামাঝি সময়ে সিলেটে যারা ছাত্র রাজনীতি করতেন তাঁদের কথা ইদানীং খুব মনে পড়ে। ছাত্র রাজনীতিতে শিষ্টাচারের অভাব, অনৈতিকতা, অসংযমী আচরণ দেখলে এ’সময়কে সেসময়ের তুলনায় অনেকখানি বেলাগাম এবং বল্গাহীন বলে মনে হয়। আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো সিলেটের বিখ্যাত দুটি শিক্ষাঙ্গন, মদন মোহন মহাবিদ্যালয় ও সিলেট এম, সি মহাবিদ্যালয় দুটোতেই অধ্যয়নের, এ কারণে মধ্য সত্তর থেকে মধ্য আশির দশকের ছাত্র রাজনীতিকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি। প্রথমেই বলে রাখা ভালো, আমার এ লেখাটিতে ছাত্র সংগঠনগুলোর রাজনৈতিক দর্শনের ভালো মন্দ নিয়ে বিশ্লেষণ করা উদ্দেশ্য নয়, ছাত্র রাজনীতির সাথে যারা যুক্ত ছিলেন তাদের আচরণ, তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত যোগাযোগ, ছাত্র রাজনীতির পরিবেশ নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করাই আমার এ লেখার উদ্দেশ্য।
আমি যে সময়ের কথা বলছি, বিভিন্ন কারণে সময়টি ছিল অস্থির, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংস ভাবে হত্যা, অভ্যুত্থান, পাল্টা অভ্যুত্থানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল কদর্যময়। পচাত্তরের পর দু,তিন বছর ছাত্র রাজনীতি ছিল নিসিদ্ধ। ছাত্র রাজনীতির এ’ নিসিদ্ধ সময়ে’ও নির্দলীয় ভাবে ছাত্ররা রাজনৈতিক কর্মকা-ে অংশগ্রহণ করতেন। পরোক্ষভাবে শ্রেণী কক্ষে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের বিধানও ছিল আটাত্তর সাল পর্যন্ত। পচাত্তর সালের পর যে ছাত্র রাজনীতি নিসিদ্ধ করা হয়, আটাত্তর সালের মাঝামাঝি বিধিনিষেধ তুলে দেয়ার মাধ্যমে আবার নুতন করে তা’ শুরু হয়, ছাত্রসংগঠন গুলো নব উদ্যমে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। আটাত্তর ঊন-আশি শিক্ষা বর্ষ থেকে ছাত্র সংসদ নির্বাচনশুরু হয় শিক্ষাঙ্গনগুলোতে, এর মাধ্যমে বেগবান হয় ছাত্র রাজনীতির স্বচ্ছ্ব ধারার। সে সময়ে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাদের মধ্যে দেখেছি প্রচ- আন্তরিকতা ও সেচ্ছ্বাসেবার মানসিকতা। অন্তত পচাশি সাল পর্যন্ত সিলেটের ছাত্র রাজনীতিতে রাজনীতির নামে চাঁদাবাজি এবং মুল দলের নির্লজ্জ লেজুড়বৃত্তি দেখিনি। নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো সেচ্ছ্বাসেবার মানসিকতা নিয়ে, ছাত্রনেতাদের সাধারণ ছাত্রদের পাশে এসে দাড়াতে দেখেছি। সম্পূর্ণ বিপরীত আদর্শের ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে আদর্শিক দ্বন্দ্ব ছাড়া অসৌজন্যমুলক আচরণ, মারামারি তখন ও প্রবেশ করেনি সিলেটের ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতিতে। সাধারণ ছাত্রদের দাবী আদায়ে আন্তরিক অনেক ছাত্র নেতা তাদের কমিটমেন্ট বা নিবেদন দিয়ে ছাত্রদের মন জয় করতে পারতেন। এরকম অনেক জনপ্রিয় ছাত্রনেতা বিভিন্ন দল থেকে জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে একাধিকবার ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হতে দেখা যেতো। সাধারণ ছাত্রদের ভালবাসাই ছিল তাদের পুঁজি, পেশীশক্তি এবং মুল দলের লেজুড় বৃত্তি না করে ও তারা সাধারণ ছাত্র এবং সিলেটের সাধারন মানুষের শ্রদ্ধা, সম্মান ও সমীহ আদায় করতে পারতেন। মদন মোহন কলেজ ও এম।সি কলেজের নির্বাচিত নেতারা শুধুমাত্র কলেজেই সম্মানিত ছিলেন না,শহর জুড়েও তাদের জন্য ছিল অপার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।
বিপরীত আদর্শের ছাত্রনেতাদের কলেজ ক্যান্টিনে ঘন্টার পর ঘন্টা একসাথে আড্ডা দিতে দেখেছি, ছাত্র মিলনায়য়তনে এক সাথে খেলাধুলা করতে দেখা কোন অস্বাভাবিক বিষয় ছিলো না। নিজেদের রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচার ও দাবী আদায়ে তাঁরা ছিলেন আপোষহীন কিন্তু সামাজিক ভব্যতা ও সৌজন্য প্রকাশে আমি কোন ত্রুটি দেখিনি তাঁদের মধ্যে। দাবী আদায়ের জন্য, মিছিল মিটিঙে পরস্পরের বিরুদ্ধে যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করে জ্বালাময়ী বক্তব্য দিতে কেউ ছাড় দিতেন না তাই বলে সামাজিক ও পরস্পরের পারিবারিক অনুষ্ঠানে বন্ধুত্বের দাবী নিয়ে উপস্থিতি ছিল তাদের অনিবার্য। কলেজ ক্যান্টিনে মায়াময় এক “সিঙ্গুল” চা ভাগ করে খেতে দুবার ভাবতে হতো না বিভিন্ন দলের ছাত্র নেতা ও কর্মীদের। অরাজনৈতিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর কোন হিসাব নিকাষ ছিলোনা বলে ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলো ছিল খুব সহজ।
আমি স্বেচ্ছ্বায় সে সময়ের পরিচ্ছন্ন রাজনীতির চর্চাকারী ছাত্রনেতাদের নাম উল্লেখ করলাম না দুটো কারণে, প্রথমত অধিকাংশ ছাত্রনেতার নৈতিক মান অনেক উচ্চ ছিল, তাই কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে বহুজনকে সময়ের স্বচ্ছ্ব যাত্রীর মর্যাদা দান করা থেকে বঞ্চিত করতে চাইনি, দ্বিতীয় কারণ হল অনেকের নামই স্মৃতির খেরো খাতায় এখন আর ঠিক মতো লেখা নেই। তবে একটি কথা বলতে পারি সিলেটের এবং প্রবাসের বর্তমান রাজনীতিতে তারা অনেকেই বিভিন্ন দলে সম্মানের সাথে নেতৃত্ব প্রদান করছেন, জানি না সময়ের সচ্ছ্বতাকে তারা কতোটুকু ধারণ করতে পারছেন। গর্ব করে বলতে পারি বর্তমান সময়ে সিলেটের রাজনীতিতে দাপটের সাথে ক্ষমতাসীন দল, ক্ষমতার বাইরে থাকা বিভিন্ন জাতীয় দলে হাল ধরে আছেন আমাদের সময়ের তৎকালীন ছাত্র নেতারা। পেশাজীবী সংগঠন বার কাউন্সিল, স্টেশনক্লাব ক্লাব, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন সহ সিলেটের অনেক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ত্বের গুরুভার এখন তাদের কাঁধে। দেশের বাইরে যারা আছেন তাদের কথা বিশেষ ভাবে বলতে হয়, কলেজ জীবনে অর্জিত মূল্যবোধকে আঁকড়ে ধরে রাজনীতি ও পেশাগত জীবনে চরম সফল হতে পেরেছেন তাদের অনেকেই।
আশির দশকের মধ্য ভাগ পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতির সংস্কৃতিতে সৌজন্য, সহিষ্ণুতা, অপরের প্রতি শ্রদ্ধা কেনো বিরাজিত ছিলো, এ বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও গবেষকরা প্রথাসিদ্ধ গবেষণা করতে পারেন, তবে তত্ত্ব, তথ্য দিয়ে বিশ্লেষণ না করে একটি কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, ছাত্র রাজনীতিকে স্বার্থসিদ্ধির, ক্ষমতা ভোগের মাধ্যম হিসাবে ক্ষমতা কাঠামো দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা হতোনা বলেই ছাত্র রাজনীতিতে একটি গ্রহণযোগ্য পরিশুদ্ধ চর্চা তখন স্বাভাবিক ভাবে বহমান ছিলো। সিলেটের প্রধান কলেজ গুলোতে ছাত্রদের উপর অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের নিয়ন্ত্রন ছিল সীমাহীন। শিক্ষকরা তখন ও প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য ভাবে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে যাননি, প্রত্যেক শিক্ষকেরই হয়তো রাজনৈতিক মতাদর্শ ছিল কিন্তু আমরা তাঁর প্রতিফলন কর্মক্ষেত্রে কখনো হতে দেখিনি। ছাত্র শিক্ষকদের শর্তহীন শ্রদ্ধা ও ভালবাসার সম্পর্ক ছাত্র রাজনীতিকে অমলীন না করার পিছনে প্রবল ভাবে কাজ করতো। ছাত্রদের উপর শিক্ষকদের অভিভাবকসুলভ নিয়ন্ত্রনের অসংখ্য উদাহরণ আছে সে সময়ের ছাত্র রাজনীতিতে। রাজনৈতিক পরিবেশ যখন প্রবল উত্তপ্ত হয়ে যেত, শিক্ষকরা অভিভাবক সুলভ ভূমিকা পালন করে এগিয়ে আসতেন। আমার এখন ও মনে আছে মদন মোহন মহাবিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রবাদ প্রতিম শিক্ষক, অধ্যাপক নিরঞ্জন দেবনাথ ছাত্রদের মধ্যে বাদানুবাদ সৃষ্টি হলে শিক্ষক মিলনায়তন থেকে বেরিয়ে এসে উত্তপ্ত পরিবেশকে সামলানোর জন্য শিক্ষার্থীদের সমস্যা বুঝার চেষ্টা করতেন এবং অধিকারের সুরে প্রচ- ধমক দিতেও পিছ পা হতেন না। জাঁদরেল ছাত্র নেতাদের দেখেছি স্যারের কথা শোনে মাথা নিচু করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যেতে। কলেজ অধ্যক্ষরা এ ধরনের বাদানুবাদ থামাতে সর্বাবস্থায় নিজেদের উপর আস্থা রেখে প্রশাসনকে যুক্ত করতে চাইতেন না।
ছাত্র রাজনীতির উপরের বর্ণনায় অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন, আচরণ ও পরিবেশগত দিক থেকে এতো আদর্শ পরিবেশ থাকা কি সম্ভব ? এর উত্তর হল হ্যাঁ, কারণ স্বাধীনতা পূর্ব দেশপ্রেম ভিত্তিক স্বার্থহীন ছাত্র রাজনীতির ধারা তখন ও প্রবাহিত ছিল, এ কারণেই অন্তত আচরণ ও পরিবেশগত ভাবে ছাত্ররা তখন ও সম্পূর্ণ মূল্যবোধ বিবর্জিত হতে পারেন নি। তবে আদর্শগত দন্ধ ছিলো প্রচুর। এ জন্য ছাত্র সভা, ঘরোয়া আলোচনায় তর্ক, বিতর্কের সীমা ছিল না। প্রত্যেকের আদর্শ যে শ্রেষ্ঠ সে বিষয়টি তুলে ধরতে প্রায়শই কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরি হতো, ছাত্রদের মধ্যে বাদানুবাদ ক্যান্টিনে এ’নিয়ে প্রচ- হৈ চৈ, যে হতোনা তা বলা যাবে না। তবে বর্তমানে ছাত্র রাজনীতির নামে যে স্বার্থসিদ্ধি ও ক্ষমতা কাঠামোর কাছে যাওয়ার যে প্রতিযোগিতা তা যে ছিলোনা, এ কথা হলফ করে বলা যায়।
ছাত্র রাজনীতির নামে সম্প্রতি যে অপ-রাজনীতির চর্চা শুরু হয়েছে, এতে করে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমরা যে অন্ধকারের দিকে, প্রগতির বিপক্ষে নিয়ে যাচ্ছি, সময় এসেছে এখন তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে, আমাদের বিবেকবান শিক্ষক, অভিভাবক, অপার সম্ভাবনাময় ছাত্র, রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি, সুশীল সমাজ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সময়ের চাকাকে হয়তো আমরা পিছন দিকে ঘোরাতে পারবোনা কিন্তু আমরা শিক্ষা নিতে পারবো আমাদের ছাত্ররাজনীতির হিরন্ময় সময় থেকে। আমরা কি পারবোনা সিলেটের ছাত্ররাজনীতির ঐতিহ্যময় সুবর্ণ সময়ের শিক্ষাকে ধারণ করতে? অবশ্যই পারবো, সম্মিলিত শুভশক্তির প্রচ- ইচ্ছা ও প্রেরণা পারে আমাদের গৌরবউজ্জ্বল ঐতিহ্যকে পুনপ্রতিষ্ঠিত করতে। ইতিবাচক মানুষ হিসাবে আমরা অপেক্ষায় থাকলাম ঐতিহ্যের পুনরুত্থানের প্রত্যাশায়।
লেখক : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • সড়ক দুর্ঘটনা এবং সড়ক আইন-২০১৮
  • বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গ
  • বাঙালির ধৈর্য্য
  • সামাজিক অবক্ষয় ও জননিরাপত্তার অবকাঠামো
  • শিক্ষকদের অবদান ও মর্যাদা
  • ১৯৭০ এর নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধ
  • একাত্তর :আমার গৌরবের ঠিকানা
  • সড়ক দুর্ঘটনা কি থামানো যায় না?
  • চিকিৎসা সেবা বনাম ব্যবসা
  • নীরব ঘাতক প্লাস্টিক
  • সার্থক জীবন মহত্তর অবদান
  • প্রযুক্তির বিশ্বায়ন বনাম তরুণ সমাজ
  • মানবিক মূল্যবোধ ও বাংলাদেশ
  • খাদ্য চাহিদা পূরণে উৎপাদন বৃদ্ধি অপরিহার্য
  • শ্রমজীবী মানুষদের নিয়ে কিছু কথা
  • সাংস্কৃতিক আগ্রাসন
  • বৃটিশ সাধারণ নির্বাচন-২০১৯
  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অগ্রযাত্রা সফল হোক
  • লক্ষ্য হোক সুষম সামাজিক উন্নয়ন
  • জননী ও জন্মভূমি
  • Developed by: Sparkle IT