ধর্ম ও জীবন

মানব সভ্যতায় মহানবীর অবদান

আহমদ যাকারিয়া প্রকাশিত হয়েছে: ২২-১১-২০১৯ ইং ০০:৩০:৩৭ | সংবাদটি ১৪৪ বার পঠিত

খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে মুহাম্মদ (সা.) এর আবির্ভাব ছিলো বিশ্ব ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ঘটনা। তিনি বিশ্ববাসীর জন্য হেদায়াতের মশাল ও আলোর দিশারী হিসেবে আগমন করেছিলেন।
বহু যুগ ধরে প্রচলিত ক্রীতদাস প্রথা ছিলো মানব জাতির ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। মুহাম্মদ (সা.) তাঁর কথা ও কাজের মাধ্যমে এ সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান প্রদান করে গেছেন। তিনি ঘোষণা করেন, ‘হে লোক সকল! তোমরা যা খাবে তোমাদের দাস-দাসীদেরকেও তা খেতে দিবে এবং তোমরা যে প্রকারের কাপড় পরিধান করবে তাদেরকেও সেই প্রকার বস্ত্র পরিধান করতে দিবে’।
বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে মানবাধিকার। মানবাধিকার আজকে বিশ্ব সভ্যতার সবচেয়ে বড় মাপকাঠি হিসাবে বিবেচিত। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘে ‘সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা’ নামে একটি ঘোষণাপত্র প্রণীত হয়। আধুনিক শিক্ষিত ভাইয়েরা মনে করেন যে, এটাই হলো পৃথিবীর ইতিহাসের মানবাধিকার মানদ- এবং এই ঘোষণার নায়কেরাই হলো মানবাধিকারের প্রথম প্রবক্তা। কিন্তু তাদের এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরঞ্চ মানবাধিকারের সর্বপ্রথম, সর্বশ্রেষ্ঠ, ও সর্বমহান প্রবক্তা ছিলেন মুহাম্মদ (সা.)।
দেড় হাজার বছর পূর্বে মুহাম্মদ (সা.) বিশ্ববাসীকে উপহার দিয়েছেন মানবাধিকারের এক ঐতিহাসিক মহান সনদ। যা কিয়ামত পর্যন্ত বিশ্ব মানবাধিকারের মানদ- হিসেবে সাব্যস্ত। সত্যি কথা বলতে কি, ১৯৪৮ সালের জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র ছিলো মুহাম্মদ (সা.) এর সেই দেড় হাজার বছর পূর্বের মহাসনদের কিঞ্চিত অনুসরণ মাত্র। মুহাম্মদ (সা.) প্রতিটি মানুষের জন্য তার বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন। কুরআনে বর্ণিত; ‘তোমরা সৎ কাজের আদেশ কর এবং অন্যায় ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করো। নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনিই সর্বপ্রথম নারীদেরকে সুউচ্চ সম্মানের আসন ও মাতৃত্বের মর্যাদা দিয়েছেন। এর আগে নারীদেরকে ভোগের বস্তু হিসেবে গণ্য করা হতো।
শ্রমিকদের অধিকার বিষয়ে তাঁর নীতি আমাদের জন্য অনুপম আদর্শ। মজুরের উপর সাধ্যের বাইরে বোঝা চাপাতে তিনি কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। মুহাম্মদ (সা.) ঘোষণা দেন যে, ‘যে ব্যক্তি মজুরের কাজের বোঝাকে হালকা করে দিবে, আল্লাহ্ তার পাপের বোঝাকে হালকা করে দিবেন’।
সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায়ও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
মদিনা রাষ্ট্রে অমুসলিমদেরকে আমানত হিসেবে গণ্য করা হতো। তাদের অধিকার সম্পর্কে মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন অত্যন্ত সচেতন। সংখ্যালঘু সম্পর্কে তার সচেতন দৃষ্টি সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি ঘোষণা দেন যে, ‘সাবধান! আমার রাষ্ট্রের সংখ্যালঘুদের কষ্ট দিও না। যে কষ্ট দিবে আমি তার বিরুদ্ধে শেষ বিচারের দিন আল্লাহর আদালতে মামলা দায়ের করবো’। আরো ঘোষণা করেন যে, ‘ধর্মের ব্যাপারে তাঁদের উপর বাড়াবাড়ি করো না এবং তাদের কোন অনিষ্টও করো না’।
শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মদ (সা.) এর উদাহরণ তিনিই। ইসলাম তার যাত্রালগ্ন থেকেই শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আসছে। শিশু পরিচর্যা ও অধিকারের বিষয়টিকে ইসলাম তার মৌলিক নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত করে পালনীয় করে দিয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে শিশুকাল হচ্ছে সৌন্দর্য, আনন্দ, সৌভাগ্য ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ এক চমৎকার জীবন। মুহাম্মদ (সা.) শিশুদের জীবনকে বেহেশতের নিকটবর্তী একটি জীবন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন; ‘শিশুরা হচ্ছে বেহেশতের প্রজাপতি তুল্য’।
বিশ্বমানবতার জন্য সার্বজনীন মানবাধিকারের এমন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মুহাম্মদ (সা.) ছাড়া আর কেউ রেখে যেতে পারেনি এবং পারবেও না ইনশাআল্লাহ।
সন্ত্রাস ও অপরাধ দমন ঃ
সন্ত্রাস ও অপরাধ আজ ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনকে পর্যন্ত দুর্বিষহ করে তুলেছে। যার ফলে সর্বত্র স্বস্তি, শান্তি, শৃঙ্খলা অপরিচিত হয়ে পড়ছে। অশান্তি যেনো এখন সমাজের একটা অবিচ্ছেদ্য অনুচ্ছেদে পরিণত হয়েছে। সমাজের সবকিছুই এখন সন্ত্রাসের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ছে। সর্বত্র এখন অশান্তির অগ্নীশিখা দাউদাউ করে জ্বলছে।
সন্ত্রাস নির্মূলে প্রস্তাব, পরামর্শ, উপদেশও কম বর্ষিত হচ্ছে না। আইনও কম প্রণয়ন হয়নি। বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪, সন্ত্রাস দমন আইন-১৯৯৪, জন নিরাপত্তা আইন-২০০০ ইত্যাদি পর্যায়ক্রমে আরো অনেক আইন পাশ হয়েছে এবং হবে সন্ত্রাস দমনের জন্য। এতো আইন ও প্রস্তাবনা সত্বেও সন্ত্রাস বন্ধ হচ্ছে না। বরঞ্চ যত দিন যাচ্ছে ততো প্রতিযোগিতা করে সন্ত্রাস বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বস্তুত আমরা যে, মুসলমান, আর সে হিসেবেও যদি সন্ত্রাস দমনে আমাদের অতীত ইতিহাস পর্যালোচনা করতে সচেষ্ট হতাম তাহলে অনেক উপায় ও পন্থা বের হতো। কেননা বর্তমান সময়ের সন্ত্রাস এখনো সেই আদিম যুগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে অতিক্রম করেনি। বরং সেই সময় থেকে এই সময় এখনো অনেক সমৃদ্ধ আছে। তখনকার দিনে তো সন্ত্রাস হয়ে পড়েছিল সকলের নেশা ও পেশা।
তাদের ভয়াবহ অবস্থা কুরআনে বর্ণিত আছে; আল্লাহ্ বলেন; ‘তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে; অতঃপর আল্লাহ্ তোমাদের আন্তরিক সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে আল্লাহর অনুগ্রহ পেয়ে তোমরা পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ’। এতদসত্বেও ঐ যুগের ভয়াবহ সন্ত্রাসকে মুহাম্মদ (সা.) কিভাবে নির্মুল করে সন্ত্রাসীদেরকে পরশ পাথরে পরিণত করেছিলেন, সেই তত্ব কি আমরা একবারও ঘেঁটে দেখেছি? কী ছিলো এই পরিবর্তনের পথ ও পন্থা?
মূলত মুহাম্মদ (সা.) সর্বপ্রথম মানুষের অন্তরে ইমানের বীজ বপন করে আল্লাহ্ ও রাসূলের প্রতি প্রগাঢ় বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাপূর্ণ ভালোবাসার জাগ্রত করেন। তাই মানুষ যখনই কোন অপরাধ করতে উদ্যত হতো তখনই তার স্মরণ হতো আল্লাহর বিধিনিষেধের কথা। ভয় ঢুকেছে পরকাল জগতের ভয়াবহতার। আর এই পরকাল জগতের জবাবদিহিতাই মানুষকে সন্ত্রাসীমূলক কর্মকা- থেকে বিরত রেখেছে। বস্তুত একনিষ্ঠ ঈমানই হলো অপরাধ ও গর্হিত কাজে লিপ্ত হওয়ার পথে বড় বাধা ও শক্ত প্রতিরোধ। তাই সন্ত্রাস নির্মূলে রাসুল (সা.) এর পদ্ধতির বিকল্প চিন্তা-ভাবনা কোন কল্যাণকর ফল বয়ে আনবে না। সুতরাং মানুষের অন্তরে আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসা সৃষ্টি হয়ে গেলে তখন সেই অন্তর থেকে অন্যায়-অবিচার, সন্ত্রাস বা কোন অপরাধমূলক কাজ করার অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হবে না।
সমাজ সংস্কার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা ঃ
দেশ ও জাতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। মানুষ মাত্রই জন্মগতভাবে তার দেশকে ভালোবেসে থাকে। আর একজন মুসলমান হিসেবে তার এই সহজাত ভালোবাসা বৃদ্ধি পেয়ে দিন দিন বিন্দু থেকে সিন্ধুতে পরিণত হয়। মুহাম্মদ (সা.) ধর্ম, বর্ণ, জাতী, গোষ্ঠী ও গোত্র নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষের উন্নতি ও কল্যাণের জন্য নিয়োজিত ছিলেন। কোনদিনই তিনি তার নিজস্ব স্বার্থকে বড় করে দেখেননি সমাজের সার্বিক স্বার্থের বিপরীতে। সমাজ বিনির্মাণ ও মানুষকে আত্মগঠন ও আত্মসমালোচক হিসেবে গড়ে তুলতেই তার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয় হয়েছে। মানবকল্যাণ ও সমাজ সংস্কারে তিনি আত্মনিয়োগ করাটাই স্বাভাবিক। কারণ তাকে তো প্রেরণ করাই হয়েছে ‘সমগ্র পৃথিবীর রহমত স্বরূপ’। নবুওয়াত পূর্বে বর্বরতার যুগেও তাঁকে ‘আল আমীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয় সর্বমহল থেকে। যখন একে অপরের প্রতি অনাস্থা আর অবিশ্বাস কাজ করতো সেই আদিম যুগেও মুহাম্মদ (সা.) কে বিশ্বস্ত মনে করে তার কাছে মানুষ তাদের সম্পদ আমানত রাখতো। মুহাম্মদ (সা.) তা যথাযথভাবে তা সংরক্ষণ করতেন এবং সময়মতো তা আবার ফিরিয়ে দিতেন। তৎকালীন যুগের লোকেরা তাদের গোপন কথা শেয়ার করতো, নবীজি তাদেরকে সৎ পরামর্শ দিতেন। তার সমাধান সবাই অবনত মস্তকে মেনে নিত। যার প্রমাণ ‘হযরে আসওয়াদ’র ঘটনা থেকে আমরা জানতে পারি। ‘হযরে আসওয়াদ’ প্রতিস্থাপনের বিষয়ে তার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত আর বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান একটা জাতিকে নিশ্চিত চরম হানাহানি আর খুন-খারাবি থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়।
৫৯৫ খ্রিস্টাব্দে নিঃস্বার্থভাবে উদারপন্থী ও আগ্রহী আরবদের সমন্বয়ে মুহাম্মদ (সা.) ‘হিলফুল ফুজুল’ নামক সামাজিক সংগঠন গঠন করে সমাজের অন্যায়-অবিচার দূর করে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বপ্রথম পৃথিবীতে সংঘবদ্ধ কোন সংগঠনের ধারা প্রবর্তিত করেছিলেন। তার দেখানো পথের অনুসরণ করে সেই ধারা আজ পৃথিবীর সর্বত্র বিরাজমান। মুহাম্মদ (সা.) এর কোমল, উদার, সুন্দর আচরণে বিমুগ্ধ হয়ে এই সংগঠনে তৎকালীন প্রথিতযশা অনেকেই যোগদান করেন। তার মধ্যে কর্কশ, রূঢ়, কঠিন বাক্য প্রয়োগ, পরনিন্দা, অশ্লীল শব্দ, অশিষ্টবাক্য ও শিষ্টাচার বহির্ভূত কোন আচরণ তার মধ্যে না থাকায় সংগঠনের গতি দিন দিন বেড়েই চলে। ধীরে ধীরে মুহাম্মদ (সা.) হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি-কাটাকাটি ও পাপ-পঙ্কিলতার অন্ধকারে নিমজ্জিত মানব জাতিকে সত্যিকার আলোকোজ্জ্বল আহ্বান জানাতে শুরু করলেন। অসংখ্য দেব-দেবীর পরিবর্তে এক মহান সর্বশক্তিমান সর্বগুণে গুণান্বিত আল্লাহকেই একক উপাস্যরূপে গ্রহণ করে তাঁর মহাশক্তি ও অসীম গুণাবলীর দিকে মানবজাতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাঁর তাওহীদ ও মহত্বের বাণী তাদের আত্মায় অংকিত করতে প্রচেষ্টা শুরু করলেন। মহা-সত্যের এই দাওয়াত যখনই শুরু করলেন, তখনই মহানবী (সা.) এর সারা জীবনের অর্জিত সত্যবাদিতা, ন্যায়বিচার, উদারতা, দানশীলতা, স্নেহ, মমতা, হৃদ্যতা, ভালোবাসা, সৌহার্দ্যতা, সদ্ব্যবহার, বিনয় ও ন¤্রতা সবকিছু কাফেরদের কাছে মরীচিকার মতো নিষ্ফল হয়ে গেলো। তবুও মুহাম্মদ (সা.) ধৈর্য ও ক্ষমার তরী ধরে সামনের দিকে অগ্রসর হতে লাগলেন। শত আঘাত, কষ্ট ও ক্লেশ সহ্য করে তিনি মানুষকে নিরলসভাবে আল্লাহর দ্বীনের পথে আহ্বান করতে থাকলেন। যার ফলশ্রুতিতে ইসলামের জ্বয়ধ্বনী পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লো। তাঁর সীমাহীন ত্যাগ ও কুরবানীর বিনিময়ে ইসলাম পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হলো। মদিনা পরিণত হলো ইসলামী রাষ্ট্রের মডেলরূপে। মদিনার এ রাষ্ট্রটি ছিলো মানব জাতির ইতিহাসের সর্বোত্তম জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র। প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও বাস্তবায়ন, দক্ষতাকে সুসংবদ্ধকরণ ও সমন্বয় সাধন এবং কার্যকরীভাবে সকল পর্যায়ে তদারকি নিশ্চিত করার জন্য এ রাষ্ট্রের ছিলো এক মজবুত প্রশাসনিক কাঠামো। রাষ্ট্র ও তার কর্মনীতি ছিলো বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত। ছিলো একটি শক্তিশালী সচিবালয়। মদিনা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো রচিত হয় ইসলামী সমাজের প্রকৃতি, কর্মসূচি, ঐতিহ্য ও বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে। মদিনা রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত সাহাবায়ে কেরামগণ ছিলেন নিরন্তর কর্মরত।
দক্ষতা, সততা, দূরদর্শিতা, নিষ্ঠা, ঐকান্তিকতা ও জবাবদিহিতার অনুভূতি নিয়ে শৃঙ্খলা ও কঠোরতার সাথে সুযোগ্য সাহাবীগণ তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রেখে গেছেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত। সবকিছুর উপর তারা স্থান দিয়েছিলেন আদর্শিক স্বার্থকে। তাঁদের ন্যায়-নিষ্টা, সততা, যোগ্যতা, কর্তব্যবোধ, কর্মমুখরতা, আন্তরিকতা, দায়িত্বানুভূতি, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জাতীয় সম্পদের অপচয়রোধ ইসলামের সোনালী অধ্যায়ের সূচনা করেছিলো।
মোটকথা মুহম্মদ (সা.) বিশ্ব সভ্যতায় যে নীতি উদ্ভাবন করে গেছেন, তার অগ্রযাত্রা আজও অব্যাহত রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আধুনিক সভ্য দুনিয়ার মানুষের জীবন যাত্রায় এমন কোন দিক নেই যে ক্ষেত্রে মানুষ মুহাম্মদ (সা.) এর কাছে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে ঋণী নয়।

শেয়ার করুন
ধর্ম ও জীবন এর আরো সংবাদ
  • হাদীস সংগ্রহকারী ইমাম মুসলিম ও তিরমিজি
  • নবীজিকে ভালোবাসার দাবী সমূহ
  • বড়পীর আব্দুল কাদির জিলানী (র:)
  • জৈন্তা অঞ্চলে হিফজুল কোরআন পরিক্রমা
  • তাফসিরুল কোরআন
  • হাদীস সংগ্রাহক ইমাম বুখারী (রহ.)
  • জৈন্তা অঞ্চলে হিফজুল কোরআন পরিক্রমা
  • কুরআন চর্চা অপরিহার্য  কেন 
  • একদিন নবীজির বাড়িতে
  • বেহেস্তের সিঁড়ি নামাজ
  • দেন মোহর নিয়ে যত কথা
  • তাফসিরুল কোরআন
  • মানব সভ্যতায় মহানবীর অবদান
  • মানব সভ্যতায় মুহাম্মদ (সা.) এর অবদান
  • দেনমোহর নিয়ে যতো কথা
  •   উম্মাহাতুল মুমিনীন
  • ইসলাম শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম
  • তাফসিরুল কোরআন
  • রাসূল (সা.) এর প্রতি মুহব্বত ও আহলে বাইত প্রসঙ্গ
  • মহানবীর প্রতি ভালোবাসা
  • Developed by: Sparkle IT