শেষের পাতা ফলোআপ:

বিশ্বনাথের ধর্ষণ মামলার আসামী মিঠু কুলাউড়া থেকে গ্রেফতার

বিশ্বনাথ (সিলেট) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা প্রকাশিত হয়েছে: ২৩-১১-২০১৯ ইং ০২:০০:৩৩ | সংবাদটি ১০৫ বার পঠিত

বিশ্বনাথে তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১০দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী হাবিব আলী মিঠু (২৪)’কে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের কোনাউড়া নোয়াগাঁও গ্রামের হাজী মনফর আলীর পুত্র। গতকাল শুক্রবার ভোরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার লংলা রেওলয়ে স্টেশনের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামীম মুসা জানান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রমা প্রসাদ চক্রবর্তী ও এসআই দেবাশীষ শর্ম্মার নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী হাবিব আলী মিঠুকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। মামলা দায়েরের পর থেকে সে পলাতক ছিল।
হাবিব আলী মিঠুর বসতবাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের নওধার বৈরাগীরগাঁও গ্রামের একটি হত-দরিদ্র পরিবারের এক তরুণী। গৃহকর্মীর কাজ করাকালীন প্রায় ৬মাস পূর্বে ওই তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় হাবিব আলী মিঠুর। একপর্যায়ে তাদের দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং গত ১১ অক্টোবর দুপুরে তরুণীকে নিজ বাড়ি থেকে পালিয়ে নিয়ে যায় মিঠুু। এরপর ১০দিন মিঠু তার নিজ বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি নির্জন ঘরে তরুণীকে আটকে রেখে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বকভাবে একাধিকবার ধর্ষণ করে। নিখোঁজের ঘটনায় তরুণীর পিতা বিশ্বনাথ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (ডায়েরি নং- ১০০০) করলে নিখোঁজের ১০দিন পর ভিকটিম তরুণীসহ অভিযুক্ত মিঠুকে নিয়ে থানায় উপস্থিত হন তার পরিবার। তখন তরুণীকে বিয়ে করতে রাজি হওয়ায় বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় মাতব্বররা থানাপুলিশের কাছ থেকে তাদেরকে তরুণীর বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্ত পরবর্তীতে মাতব্বররা ধর্ষক মিঠুকে তার স্বজনের কাছে হস্তান্তর করেন এবং তরুণীর ইজ্জতের মূল্য হিসেবে তার অসহায় পরিবারকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা প্রদানের প্রস্তাব দেন। কিন্তু তাতে তরুণীর পরিবার অসম্মতি জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিঠুর পরিবারের পক্ষ থেকে তরুণীর পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এবিষয়ে দৈনিক সিলেটের ডাক-এ সংবাদ প্রকাশিত হলে টনক নড়ে প্রশাসনের। ফলে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন মাতব্বররা। একপর্যায়ে গত ২৯ অক্টোবর রাতে হাবিব আলী মিঠুকে প্রধান আসামী করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের পিতা (মামলা নং-২৩)। মামলায় মিঠুর পিতা হাজী মনফর আলী (৭০) ও বড় ভাই শানুর আলী (৪৫) এবং আরো ৩/৪ জনকেও অজ্ঞাতানামা আসামী করা হয়। মামলার তদন্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত থানার এসআই নবী হোসেন বদলি হওয়ায় বর্তমানে তদন্তের দায়িত্ব পান থানার এসআই দেবাশীষ শর্ম্মা। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের এক দিনের মাথায় মামলার প্রধান আসামী মিঠুকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। মামলার অন্যান্য আসামীদেরকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন এসআই দেবাশীষ শর্ম্মা।

শেয়ার করুন
শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • ভারতে ধর্ষণ-হত্যায় গ্রেপ্তার চারজন পুলিশের গুলিতে নিহত
  • হামে এক বছরে ‘দেড় লাখ’ মানুষের মৃত্যু
  • শাহী ঈদগাহের পবিত্রতা রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
  • রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব
  • ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ব্যঙ্গ ॥ জিন্দাবাজার থেকে একজন আটক
  • শফিক চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন
  • জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটিকে বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন
  • দিরাইয়ে সংযোগ সড়ক না থাকায় ঝুলে আছে ব্রিজ
  • কমলা বদলে দিয়েছে জুড়ীর চাষীদের জীবন
  • সিলেট জেলা বিএনপির রোববারের বিক্ষোভ কর্মসূচি বাতিল
  • বিশ্বনাথে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
  • কিশোরীকে ১০ দিন আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ
  • নানা আয়োজনে সুনামগঞ্জ হানাদার মুক্ত দিবস পালিত
  • বানিয়াচংয়ে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
  • হেতিমগঞ্জে দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু
  • শাবিতে বিভিন্ন দাবিতে শিক্ষার্থীদের রাস্তা অবরোধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা
  • সরকারি দফতর ও ভবনে প্রতিবন্ধীদের জন্য র‌্যামসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সংরক্ষিত থাকতে হবে-- মো.মোস্তাফিজুর রহমান
  • ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ আবিদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
  • খালেদা জিয়ার জামিনে খোদ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ: ফখরুল
  • দোয়ারাবাজারে ইউপি সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যু
  • Developed by: Sparkle IT