রোমান্টিক গান হিসেবেই হয়তো এটি অধিক পরিচিত। যেহেতু গানের কথায় ‘আমি তুমি’ আছে এবং সিনেমার নায়ক-নায়িকার ক্ষেত্রে গানটি ব্যবহৃত হয়েছে তাই। আও কিছু সময়ের জন্য সিনেমা থেকে আলাদা করে গানটি নিয়ে ভাবি। শুধু প্রেমের গান হিসেবে শুনলে গানটির অনেক লাইনের মানে বুঝা যায় না। খাপছাড়া মনে হয়, অন্ততো আমার কাছে তাই মনে হয়েছে। কিন্তু যদি একে একটি আধ্যাত্মিক সঙ্গীত হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাহলে গানটির অনেক লাইনের অর্থই নতুন করে ধরা দেয়, অনেক অর্থই যেন পরিষ্কার হয়ে যায়। যেমন গানের ‘স্থায়ী’ অংশে বলা হয়েছে,
আমি তোমারই তোমারই তোমারই নাম গাই,
আমার নাম গাও তুমি।।
আমি আকাশে রোদের দেশে ভেসে ভেসে বেড়াই
মেঘের পাহাড়ে চড়ো তুমি।।
এখানে ‘আমি' মানে ‘সৃষ্টি’ আর ‘তুমি’ মানে ‘সৃষ্টিকর্তা’ মনে করে নিলে এর অর্থ দাঁড়ায়, ‘হে সৃষ্টিকর্তা বা হে আল্লাহ, আমি সব সময় তোমারই নাম গাই অর্থাৎ তোমার নাম জপ করি তোমার নামের তাসবিহ পাঠ করি তোমারি পূজা করি।’ এইটুকু তো বুঝা গেল। তাহলে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা কেন তার সৃষ্টি বা মানুষের নাম গাইবেন? তিনি তো কারো মুখাপেক্ষী নন। গানে বলা হয়েছে, ‘আমার নাম গাও তুমি’। হ্যা, সৃষ্টিকর্তাও মানুষের ‘নাম গান’ অর্থাৎ মানুষকে ডাকেন। আর তার ডাকার ধরনটা ভিন্ন। ইসলাম ধর্মে হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘মহান আল্লাহ শেষ রাতে তাহাজ্জুদের সময় স্বয়ং পৃথিবীর নিকটবর্তী প্রথম আসমানে নেমে আসেন এবং ঘুমন্ত মানবজাতিকে ডাকতে থাকেন, কেউ কি আছো আমার কাছে কিছু চাইবে? চাও আমি তোমাদের দেব। কেউ কি আছো আমার কাছে কোন অভাব পেশ করবে? পেশ করো আমি তোমাদের অভাব মোচন করব। কেউ কি আছো আমার কাছে। গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইবে? ক্ষমা চাও আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব।’ যেহেতু আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, মানুষসহ সকল সৃষ্টিজগৎ তার মুখাপেক্ষী তার উপর নির্ভশীল তাই এখানে তোমারই কথাটি এসেছে তিনবার ‘তোমারই তোমারই তোমারই নাম গাই।’
এরকম সব ধর্মেই আছে যে সৃষ্টি যখন তার ¯্রষ্টাকে আকুলভাবে ডাকে তখন ¯্রষ্টা খুশি হোন এবং তিনিও চান তার সৃষ্টি তাকে ভুলে না যাক এবং যেকোন প্রয়োজনে যেকোন পরিস্থিতিতে তারা তাকেই স্মরণ করুক। ‘আমি আকাশে রোদের দেশে ভেসে ভেসে বেড়াই’- এখানে আকাশে ভেসে বেড়ানো মানে হলো মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে দু’হাত তুলে ¯্রষ্টার করুণা আশীর্বাদ ও রহমত অন্বেষণ করে। আকাশ থেকে মানুষের জন্য রিযিক বর্ষিত হয়। সাত আসমানের উপর ¯্রষ্টার অবস্থান, ¯্রষ্টার আরশ অবস্থিত। ‘মেঘের পাহাড়ে চড়ো তুমি’- আকাশের উপরে মেঘ ভাসে যা ধরাছোঁয়া যায় না। এরও অনেক উপরে আল্লাহ তার আরশে সমাসীন আছেন। ‘রোদ’ অর্থাৎ সূর্যের আলো থেকে যে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের সৃষ্টি হয় তা জীবনে ইতিবাচক, মঙ্গলময়, কল্যাণকর সবকিছুর ইঙ্গিত বহন করেছে।
এরপর গানটির প্রথম অন্তরায় বলা হয়েছে,
‘ভালোবাসা করে আশা তোমার অতল জল
শীতল করবে মরুভূমি।।
জলে কেনো ডাঙ্গায় আমি ডুবতেও রাজী আছি।
যদি ভাসিয়ে তোল তুমি।।’
গানের এই লাইনগুলো খুব। Heart Touching বা হৃদয়স্পর্শী। মানুষ তার ¯্রষ্টার প্রতি অন্তরে ভালোবাসা নিয়ে এই আশা পোষণ করে যে ¯্রষ্টার প্রেরিত ‘অতল জল’ অর্থাৎ তার করুণাধারা তার সৃষ্টির ‘মরুভূমিকে শীতল করবে’ অর্থাৎ জীবনের দুঃখ, দুর্দশা, কষ্টকে দূর করে সেখানে সুখ-শান্তির ফল্গুধারা বইয়ে দিবে। মানুষ জলে কেন ডাঙ্গায় ডুবতেও রাজী আছে যদি তার ¯্রষ্টা তাকে ডুবন্ত অবস্থা থেকে ‘ভাসিয়ে তুলেন’ অর্থাৎ জীবনে চলার পথে যত বিপদাপদ, বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন মহান আল্লাহর সাহায্য যদি সাথে থাকে তাহলে তার বান্দাহ কোন নেতিবাচক পরিস্থিতিকেই ভয় করে না, হতাশ হয় না। কারণ সে সর্বদা এই আশা পোষণ করে যে ¯্রষ্টা তাকে উদ্ধার করবেন।
গানের শেষ অন্তরায় বলা হয়েছে:
‘কবিতা গেলো মিছিলে মিছিল নিয়েছে চিলে
অসহায় জন্মভূমি।।
আজ একতারার ছিলা তোমার স্পর্শ চায় যদি
টংকার দাও তুমি।।’
কবিতা মিছিলে গেল, মিছিলকে আবার চিলে নিয়ে গেলো, ফলে জন্মভূমি অসহায় হয়ে পড়লো। অর্থাৎ, আমাদের দেশ আমাদের প্রিয় জন্মভূমি আজ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। সড়ক দুর্ঘটনা, প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা, ধর্ষণ, ছেলেধরা, কল্লাকাটা, বন্যা, ডেঙ্গুজ্বর ইত্যাদি একটার পর একটা দুর্যোগ লেগেই আছে। কবিতা অর্থাৎ শুদ্ধ সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার পরিবেশ যেনো আজ বিদ্যমান নেই। এমতাবস্থায় ‘একতারার ছিলা তোমার স্পর্শ চায় যদি টংকার দাও তুমি ' অর্থাৎ জাতি আজ তোমার সাহায্য তোমার রহমত কামনা করে। এগুলো যদি তোমার অভিশাপ হয়ে থাকে গযব হয়ে থাকে তাহলে এই জাতির উপর থেকে এই দুর্দশার কালোমেঘ সরিয়ে দিয়ে সেখানে তোমার করুণাধারা বর্ষণ করো, তোমার রহমতের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠুক উজ্জ্বল হয়ে ওঠুক এই জাতির আগামী পথচলা।
পরিশেষে বলতে চাই ‘আমি তোমারই নাম গাই’ শিরোনামের এই গানটি একটি প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবেই হয়তো অধিক বিবেচ্য। মানব-মানবীর নশ্বর প্রেম-সংগীত হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে একে ¯্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যকার অবিনশ্বর প্রেম-সংগীত হিসেবে বিবেচনা করলে গানটি অধিক অর্থবহ ও শ্রুতিমধুর হয়ে ওঠবে শ্রোতার কাছে।

 

'/> SylheterDak.com.bd
মহিলা সমাজ

আমি তোমারই নাম গাই

কানিজ আমেনা প্রকাশিত হয়েছে: ০৩-১২-২০১৯ ইং ০১:৩৫:১৫ | সংবাদটি ৩৫৫ বার পঠিত
Image

প্রয়াত গীতিকার কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য বিরচিত ‘আমি তোমারই তোমারই তোমারই নাম গাই' শিরোনামের এই গানটি অত্যন্ত শ্রুতিমধুর একটি গান। ‘ভুবনমাঝি’ নামের চলচ্চিত্রে এই গান ব্যবহৃত হয়েছে। ‘ভুবনমাঝি’ সিনেমা আমি দেখিনি। সিনেমার কাহিনী কি তা জানিনা, কাহিনীর প্রেক্ষাপটে গানটির কি সম্পর্ক তাও জানিনা। হতে পারে রোমান্টিক একটি গান হিসেবে এটি সিনেমায় ব্যবহৃত হয়েছে। একজন কবি বা গীতিকার যখন একটি কবিতা বা গান লিখেন তখন তিনি সাধারণত এর অন্তর্নিহিত অর্থ তার পাঠক বা শ্রোতার কাছে প্রকাশ করেন না, নিজের মাঝেই গোপন রাখেন। পাঠক বা শ্রোতাকেই কবিতা বা গানের অর্থ নিজের মত করে বুঝে নিতে হয়। আর পাঠক বা শ্রোতা যা বুঝেন তা অনেক সময় কবি/ গীতিকারের আরোপিত অর্থের সাথে মিলতেও পারে নাও মিলতে পারে। এখানে পাঠক বা শ্রোতার এক রকম স্বাধীনতা থাকে নিজের মত করে মিনিংটা বুঝে নেওয়ার ব্যাপারে। সেই স্বাধীনতাবোধ থেকেই আজ এই গানটি নিয়ে দু’টি কথা বলতে চাই।
রোমান্টিক গান হিসেবেই হয়তো এটি অধিক পরিচিত। যেহেতু গানের কথায় ‘আমি তুমি’ আছে এবং সিনেমার নায়ক-নায়িকার ক্ষেত্রে গানটি ব্যবহৃত হয়েছে তাই। আও কিছু সময়ের জন্য সিনেমা থেকে আলাদা করে গানটি নিয়ে ভাবি। শুধু প্রেমের গান হিসেবে শুনলে গানটির অনেক লাইনের মানে বুঝা যায় না। খাপছাড়া মনে হয়, অন্ততো আমার কাছে তাই মনে হয়েছে। কিন্তু যদি একে একটি আধ্যাত্মিক সঙ্গীত হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাহলে গানটির অনেক লাইনের অর্থই নতুন করে ধরা দেয়, অনেক অর্থই যেন পরিষ্কার হয়ে যায়। যেমন গানের ‘স্থায়ী’ অংশে বলা হয়েছে,
আমি তোমারই তোমারই তোমারই নাম গাই,
আমার নাম গাও তুমি।।
আমি আকাশে রোদের দেশে ভেসে ভেসে বেড়াই
মেঘের পাহাড়ে চড়ো তুমি।।
এখানে ‘আমি' মানে ‘সৃষ্টি’ আর ‘তুমি’ মানে ‘সৃষ্টিকর্তা’ মনে করে নিলে এর অর্থ দাঁড়ায়, ‘হে সৃষ্টিকর্তা বা হে আল্লাহ, আমি সব সময় তোমারই নাম গাই অর্থাৎ তোমার নাম জপ করি তোমার নামের তাসবিহ পাঠ করি তোমারি পূজা করি।’ এইটুকু তো বুঝা গেল। তাহলে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা কেন তার সৃষ্টি বা মানুষের নাম গাইবেন? তিনি তো কারো মুখাপেক্ষী নন। গানে বলা হয়েছে, ‘আমার নাম গাও তুমি’। হ্যা, সৃষ্টিকর্তাও মানুষের ‘নাম গান’ অর্থাৎ মানুষকে ডাকেন। আর তার ডাকার ধরনটা ভিন্ন। ইসলাম ধর্মে হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘মহান আল্লাহ শেষ রাতে তাহাজ্জুদের সময় স্বয়ং পৃথিবীর নিকটবর্তী প্রথম আসমানে নেমে আসেন এবং ঘুমন্ত মানবজাতিকে ডাকতে থাকেন, কেউ কি আছো আমার কাছে কিছু চাইবে? চাও আমি তোমাদের দেব। কেউ কি আছো আমার কাছে কোন অভাব পেশ করবে? পেশ করো আমি তোমাদের অভাব মোচন করব। কেউ কি আছো আমার কাছে। গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইবে? ক্ষমা চাও আমি তোমাদের ক্ষমা করে দেব।’ যেহেতু আল্লাহ কারো মুখাপেক্ষী নন, মানুষসহ সকল সৃষ্টিজগৎ তার মুখাপেক্ষী তার উপর নির্ভশীল তাই এখানে তোমারই কথাটি এসেছে তিনবার ‘তোমারই তোমারই তোমারই নাম গাই।’
এরকম সব ধর্মেই আছে যে সৃষ্টি যখন তার ¯্রষ্টাকে আকুলভাবে ডাকে তখন ¯্রষ্টা খুশি হোন এবং তিনিও চান তার সৃষ্টি তাকে ভুলে না যাক এবং যেকোন প্রয়োজনে যেকোন পরিস্থিতিতে তারা তাকেই স্মরণ করুক। ‘আমি আকাশে রোদের দেশে ভেসে ভেসে বেড়াই’- এখানে আকাশে ভেসে বেড়ানো মানে হলো মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে দু’হাত তুলে ¯্রষ্টার করুণা আশীর্বাদ ও রহমত অন্বেষণ করে। আকাশ থেকে মানুষের জন্য রিযিক বর্ষিত হয়। সাত আসমানের উপর ¯্রষ্টার অবস্থান, ¯্রষ্টার আরশ অবস্থিত। ‘মেঘের পাহাড়ে চড়ো তুমি’- আকাশের উপরে মেঘ ভাসে যা ধরাছোঁয়া যায় না। এরও অনেক উপরে আল্লাহ তার আরশে সমাসীন আছেন। ‘রোদ’ অর্থাৎ সূর্যের আলো থেকে যে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের সৃষ্টি হয় তা জীবনে ইতিবাচক, মঙ্গলময়, কল্যাণকর সবকিছুর ইঙ্গিত বহন করেছে।
এরপর গানটির প্রথম অন্তরায় বলা হয়েছে,
‘ভালোবাসা করে আশা তোমার অতল জল
শীতল করবে মরুভূমি।।
জলে কেনো ডাঙ্গায় আমি ডুবতেও রাজী আছি।
যদি ভাসিয়ে তোল তুমি।।’
গানের এই লাইনগুলো খুব। Heart Touching বা হৃদয়স্পর্শী। মানুষ তার ¯্রষ্টার প্রতি অন্তরে ভালোবাসা নিয়ে এই আশা পোষণ করে যে ¯্রষ্টার প্রেরিত ‘অতল জল’ অর্থাৎ তার করুণাধারা তার সৃষ্টির ‘মরুভূমিকে শীতল করবে’ অর্থাৎ জীবনের দুঃখ, দুর্দশা, কষ্টকে দূর করে সেখানে সুখ-শান্তির ফল্গুধারা বইয়ে দিবে। মানুষ জলে কেন ডাঙ্গায় ডুবতেও রাজী আছে যদি তার ¯্রষ্টা তাকে ডুবন্ত অবস্থা থেকে ‘ভাসিয়ে তুলেন’ অর্থাৎ জীবনে চলার পথে যত বিপদাপদ, বাধা-বিপত্তিই আসুক না কেন মহান আল্লাহর সাহায্য যদি সাথে থাকে তাহলে তার বান্দাহ কোন নেতিবাচক পরিস্থিতিকেই ভয় করে না, হতাশ হয় না। কারণ সে সর্বদা এই আশা পোষণ করে যে ¯্রষ্টা তাকে উদ্ধার করবেন।
গানের শেষ অন্তরায় বলা হয়েছে:
‘কবিতা গেলো মিছিলে মিছিল নিয়েছে চিলে
অসহায় জন্মভূমি।।
আজ একতারার ছিলা তোমার স্পর্শ চায় যদি
টংকার দাও তুমি।।’
কবিতা মিছিলে গেল, মিছিলকে আবার চিলে নিয়ে গেলো, ফলে জন্মভূমি অসহায় হয়ে পড়লো। অর্থাৎ, আমাদের দেশ আমাদের প্রিয় জন্মভূমি আজ নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত। সড়ক দুর্ঘটনা, প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা, ধর্ষণ, ছেলেধরা, কল্লাকাটা, বন্যা, ডেঙ্গুজ্বর ইত্যাদি একটার পর একটা দুর্যোগ লেগেই আছে। কবিতা অর্থাৎ শুদ্ধ সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার পরিবেশ যেনো আজ বিদ্যমান নেই। এমতাবস্থায় ‘একতারার ছিলা তোমার স্পর্শ চায় যদি টংকার দাও তুমি ' অর্থাৎ জাতি আজ তোমার সাহায্য তোমার রহমত কামনা করে। এগুলো যদি তোমার অভিশাপ হয়ে থাকে গযব হয়ে থাকে তাহলে এই জাতির উপর থেকে এই দুর্দশার কালোমেঘ সরিয়ে দিয়ে সেখানে তোমার করুণাধারা বর্ষণ করো, তোমার রহমতের আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠুক উজ্জ্বল হয়ে ওঠুক এই জাতির আগামী পথচলা।
পরিশেষে বলতে চাই ‘আমি তোমারই নাম গাই’ শিরোনামের এই গানটি একটি প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবেই হয়তো অধিক বিবেচ্য। মানব-মানবীর নশ্বর প্রেম-সংগীত হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে একে ¯্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যকার অবিনশ্বর প্রেম-সংগীত হিসেবে বিবেচনা করলে গানটি অধিক অর্থবহ ও শ্রুতিমধুর হয়ে ওঠবে শ্রোতার কাছে।

 

শেয়ার করুন

Developed by:Sparkle IT