প্রথম পাতা

অবিশ্বাস্য জালিয়াতি!

কাউসার চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ০৩-১২-২০১৯ ইং ০২:৫৬:২৯ | সংবাদটি ৪৮৪ বার পঠিত

পুলিশের হাতে গ্রেফতার এক আবিদ উদ্দিন ১৭৯ ব্যক্তির নামে ১০টি আমমোক্তারনামা তৈরি করে ভূমি অধিগ্রহণের ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সিলেট ভূমি অধিগ্রহণ অফিস থেকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৩৩টি চেকে এই টাকা নেন তিনি। ৩ ব্যাংকে নিজের এ্যাকাউন্টে নগদায়নের পর বিভিন্ন ব্যক্তির নামে উত্তোলন করে প্রায় পুরো টাকাই আত্মসাৎ করেন। সর্বশেষ তার এ্যাকাউন্টে ৪০ লাখ টাকা পাওয়া যায়। মহানগর দায়রা জজের অনুমতি নিয়ে প্রায় ১ মাস আগে এই টাকা জব্দ করেছে সিআইডি। সিলেট নতুন সেনানিবাসের ভূমি অধিগ্রহণের ২০ কোটি টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলন ও আত্মসাতের ব্যাপারে সিলেটের ডাক’র অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। 

সিলেট জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা থেকে সম্পূর্ণ জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে এই ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন আবিদ। জাল-জালিয়াতির বিষয়টি বলার পরও তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তা বিবেচনায় নেননি। গতকাল সোমবার বিকেলে গ্রেফতারকৃত বহুল আলোচিত আবিদ উদ্দিনকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডি সিলেট জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এমরান আলী পিপিএম সিলেটের ডাককে বলেছেন, এ ঘটনায় আবিদের আরো সহযোগী রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
এক আবিদ-প্রতারণা অনেক
অনুসন্ধানে জানা যায়, সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়ন’র এলাকায় ১৭ পদাতিক ডিভিশনের নতুন সেনানিবাস এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণকালে হাতিমনগর, রুস্তমপুর, তুড়–কবাগ, কিছমত-মাইজবাগ, জালালনগর, গোয়াসপুর, বাঘা, হেতিমগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দ্বারা জাল পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিল প্রস্তুত ও ব্যবহার করে সিলেট জেলা ভূমি অধিগ্রহণ অফিস হতে মোঃ আবিদ উদ্দিন ২০ কোটি টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করেন। পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিলে দাতা হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তির নামের বিপরীতে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর এর অধিকাংশ নম্বরের কোনো অস্তিত্ব নেই। দাতা হিসেবে কিছু কিছু পুরুষের নামের পরিচয়পত্র যাচাইকালে মহিলার পরিচয়পত্র বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। যাদের সাথে পাওয়ার অব এ্যাটর্নি দলিলে উল্লেখিত সম্পত্তির মালিকানার কোনো সম্পর্ক নেই।
সিলেটের ডাক’র অনুসন্ধানে দেখা যায়, আমধরপুর মৌজার ১নং খতিয়ানের এল.এ ০১/১৩-১৪ নং মামলায় ১৪০ রোয়েদাদ ক্রমিকভুক্ত ৫৯/৮১ নং দাগের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০১৬ সালের ২১ জুন ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকার চেক নেন আবিদ। ১৮৯৬/২০১৫ নং রেজি: আমমোক্তারনামা দলিলমূলে আবিদ এই অর্থ উত্তোলন করেন। এই দলিলের দাতা হিসেবে হাতিমনগরের মামন হাতিম উল্লার পুত্র কুরশিদ উল্লা, রশিদ উল্লা উল্লেখ করা হয়। কুরশিদ উল্লার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ৯১১৩৮১৫৮০৪৬৩১ এবং রশিদ উল্লার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ৯১১৩৮১৫৮০৪৭২১। সিলেটের সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে জানা যায়, কুরশিদ উল্লার নামে প্রদত্ত নম্বরে কোনো ব্যক্তি নেই এবং রশিদ উল্লার জাতীয় পরিচয়পত্রটি শাহিনা বেগম নামের এক নারীর।
আমধরপুর মৌজার ১নং খাস খতিয়ানের ৫২৯/৩১৫ নং দাগের ২ দশমিক ৫০ একর জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ আবিদ উদ্দিন ১৮৯৬/২০১৫ নং আমমোক্তারনামামূলে ২৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। উক্ত আমমোক্তারনামার দাতা হিসেবে মোঃ কুটুচান্দকে দেখানো হয়। অনুসন্ধানে দেখা যায়, কুটুচান্দ বহু পূর্বে মারা গেছেন এবং তার নামের জাতীয় পরিচয়পত্রটি অন্য নামের। এভাবে অনেক ব্যক্তির নামে ভুয়া আমমোক্তারনামা দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ২০ কোটি টাকারও অধিক উত্তোলন করেছেন আবিদ উদ্দিন (৫০)। আবিদ উদ্দিন গোলাপগঞ্জ উপজেলার রুস্তমপুরের মৃত ডাঃ আমিন উদ্দিনের পুত্র। বর্তমানে তিনি নগরের মিরাবাজারে (সেবক-৯) বসবাস করছেন।
শুনানী ছাড়াই ক্ষতিপূরণ প্রদান
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এওয়ার্ডভুক্ত মালিক ব্যতীত অন্য কেউ ক্ষতিপূরণের অর্থ দাবি করলে মালিকানা নির্ধারণের লক্ষ্যে মিস কেস চালু করে ক্ষতিপূরণের দাবি সংক্রান্ত মিস কেস রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে যথাযথ শুনানী ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর আদেশের ভিত্তিতে উপযুক্ত মালিককে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু আবিদ উদ্দিন সৃষ্ট আমমোক্তারনামা দলিলের ভিত্তিতে কোনো মিস কেস রুজু করা হয়নি। আমমোক্তার দাতা কর্তৃক প্রদত্ত আমমোক্তারনামার সঠিকতা যাচাই না করে, কোনো প্রকার শুনানী ছাড়াই এল.এ. মামলা নং ০১/১৩/১৪ মূলে সেনানিবাসের জন্য অধিগ্রহণকৃত আমধরপুর ও হাতিমনগর মৌজার খাস খতিয়ানভুক্ত সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে প্রদান করা হয়েছে। সিলেটের তৎকালীন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মৃণাল কান্তি দেবের প্রতিবেদনেও এই অনিয়ম-দুর্নীতির বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। ভিন্ন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করে এবং মৃত ব্যক্তিকে আমমোক্তারদাতা সাজিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমেই আমমোক্তারনামা দলিল সৃজন করা হয়েছে বলে সিলেটের ডাক’র অনুসন্ধানে জানা গেছে।
জালিয়াতির মাধ্যমে দেয়া হয় ২০ কোটি টাকা
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আমধরপুর মৌজার এস.এ ১নং খতিয়ানের ৩৯নং দাগের ৭০ দশমিক ৭৪ একর অধিগ্রহণকৃত ৬৩ দশমিক ২৫ একর ভূমির ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর ২৬/২০১৭নং মিস কেস রুজু হয়। উক্ত মিস কেসে আবেদনকারীর সংখ্যা ৫৩ জন উল্লেখ করা হয়। একই মৌজায় এস.এ ১নং খাস খতিয়ানের ৩৮২ নং দাগের অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ দশমিক ৫০ একর। সমুদয় সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর ৯৫ জনের আবেদনের বিষয়ে মিস কেস ২১/২০১৬ রুজু করা হয়। একইভাবে আমধরপুর মৌজার এস.এ ১নং খতিয়ানের ৩৪৮ নং দাগে মোট অধিগ্রহণকৃত জমির পরিমাণ ১০৭ দশমিক ৫০ একর। এর মধ্যে ১০৪ দশমিক ৬৮ একর জমির ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর অবশিষ্ট ২ দশমিক ৮১ একর ভূমির ক্ষতিপূরণের জন্যে মিস কেস ০২/২০১৭ রুজু করা হয়। এই মিস কেসে আবেদনকারীর সংখ্যা ১১৪ জন। আমধরপুর মৌজার এস.এ ১নং খাস খতিয়ানের ৩১৫ নং দাগে ৮৩ দশমিক ৫২ একর অধিগ্রহণকৃত ভূমির মধ্যে ৮১ দশমিক ৪৯ একর ভূমির ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর মিস কেস নং ৮/২০১৭ রুজু হয়। এতে আবেদনকারীর সংখ্যা ৮৪ জন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এ সকল আবেদনকারী ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে আবেদন করলেও তাদের আবেদনের ব্যাপারে আগে মিস কেস রুজু না করে ক্ষতিপূরণ পরিশোধের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব এড়ানোর কৌশল হিসেবে মিস কেসগুলো রুজু করেন। ১০টি আমমোক্তারনামা দলিলের মাধ্যমে ১৭৯ জন ব্যক্তির নিকট থেকে আবিদ উদ্দিন আমমোক্তারনামা গ্রহণ করেন। তৎকালীন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মৃণাল কান্তি দেব তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ‘একজন ব্যক্তিকে ১৭৯ জন ব্যক্তির আমমোক্তার প্রদান করার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ সৃষ্টির কারণ থাকলেও আমমোক্তারদাতাদের যাচাই ও পরীক্ষা না করে, মিস কেস রুজু ছাড়াই জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্ট আমমোক্তার দলিল বলে ২০ কোটি টাকার অধিক পরিমাণ ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান করা হয়েছে’।
সার্ভেয়ারদের আলমিরায় ২০১৪ সালের আবেদন
অনুসন্ধানে জানা গেছে, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মৃণাল কান্তি দেব’র পরিদর্শনে জেলা কালেক্টরেটের এল.এ শাখা পরিদর্শনকালে সার্ভেয়ারদের আলমিরায় ২০১৪ সালের অনেক আবেদন পাওয়া যায়। একই সম্পত্তির অনেক দাবিদার থাকলেও মিস কেস রুজু না করেই ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। আমধরপুর মৌজার এস.এ. ৩৪৮, ৩৮২, ৩১৫ সহ কয়েকটি দাগে প্রায় ৯৮ শতাংশ ক্ষতিপূরণ প্রদানের পর মিস কেস রুজু হয়েছে।
অবশেষে মামলা ও গ্রেফতার
এদিকে, সিলেটের তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মৃণাল কান্তি দেব’র পরিদর্শনে ভয়াবহ এই দুর্নীতির বিষয়টি ধরা পড়লে প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়। ২০১৮ সালের ২৭ মার্চ তিনি এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দিয়ে একটি প্রতিবেদন দেন। প্রতিবেদনে ২০ কোটি টাকা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলন ও আত্মসাতের ব্যাপারে বিস্তারিত বিবরণ উঠে আসে। এতে তিনি ২০ কোটি টাকার অধিক অর্থ উত্তোলনের দায়ে আবিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়েরসহ জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তোলিত সরকারি অর্থ আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সিলেটের জেলা প্রশাসককে বলা হয়। এরপরই ২০১৮ সালের ৩ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় আবিদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৬। ধারা ৪২০, ৪০৬, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ দন্ডবিধি। প্রথমে কোতোয়ালী থানাপুলিশ মামলাটি তদন্ত করলেও পরে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ এমরান আলী পিপিএম মামলাটি তদন্ত করছেন। মূলত, তার কাছে আসার পরই বহুল আলোচিত এই মামলাটি গতি পায়। সিআইডির তদন্তে দেখা যায়, আবিদ উদ্দিনের একাউন্টে ৪০ লাখেরও বেশি টাকা রয়েছে। সিলেটের মহানগর দায়রা জজের অনুমতি নিয়ে এই টাকা জব্দ করে সিআইডি। এরপর গত রোববার নগরীর মিরাবাজার থেকে অভিযান চালিয়ে আবিদকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল সোমবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। আবিদ গ্রেফতারের পরই ২০ কোটি টাকার বিষয়টি জনসম্মুখে আসে।
পুরো চক্রের বিচার চান
কেবল আবিদ উদ্দিনই নয় এই ঘটনায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও জড়িত বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের সিলেট চ্যাপ্টারের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী। সিলেটের ডাককে তিনি বলেন, সুশাসন, স্বচ্ছতা-জবাবদিহীতা না থাকার কারণেই এত বড় ঘটনা ঘটল। অথচ সিলেটবাসী কত পরে বিষয়টি জানলেন। অবশ্যই এ ঘটনায় আবিদের আরো সহযোগী রয়েছে। তিনি যেই হোন না কেন তার সহযোগীদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি যে সকল ভূমির মালিক এখনো তাদের প্রাপ্য অর্থ পাননি তাদের অর্থ দিতে সরকারের দৃষ্টি কামনা করেন।
আবিদকে রিমান্ডে আনা হবে
সিআইডি সিলেট জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ এমরান আলী পিপিএম সিলেটের ডাককে বলেন, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে জাল আমমোক্তারনামা তৈরি করতে অবশ্যই কেউ না কেউ তাকে সহযোগিতা করেছে। তার এই সহযোগীদেরও গ্রেফতার করা হবে। সরকারি অর্থ উদ্ধার করতে ও সহযোগীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে আবিদকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে রিমান্ডে আনা হবে। এজন্যে আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ৪০টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা ॥ ৩টি ডাম্পিংয়ে
  • ‘বয়কট মিয়ানমার ক্যাম্পেইন’ শুরু
  • হাকিমপুরী জর্দা বাজার থেকে তুলে নেওয়ার নির্দেশ
  • পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় দিনে সরকারি, রাতে বেসরকারি : রাষ্ট্রপতি
  • অবৈধ সম্পদ যেখানেই থাকুক ভোগ করতে দেব না: দুদক চেয়ারম্যান
  • বিজয়ের মাস
  • সতর্ক থাকুন যাতে কোন শিশু, নারী নির্যাতিত না হয় : প্রধানমন্ত্রী
  • বিভাগীয় কমিশনারের সাথে সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়
  • কয়েক বছরের মধ্যেই নগরীর বস্তিসমূহের আধুনিকায়ন হবে
  • নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস আজ
  • সিলেটের নারীদের এমনভাবে এগিয়ে যেতে হবে যাতে অন্য বিভাগের জন্য অকুরণীয় হয় ....... এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম
  • গোয়াইনঘাটে স্ত্রী হত্যায় স্বামী জেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পিতার মৃত্যু
  • দিল্লিতে কারখানায় অগ্নিকান্ডে ৪৩ জনের মৃত্যু
  • আসক্তি কাটছে গৃহিণীদের পেঁয়াজ চড়া দামে স্থিতি ছাদেক আহমদ আজাদ
  • গণহত্যার শুনানিতে অংশ নিতে দেশ ছাড়লেন সু চি
  • সচিবালয়ের চারপাশ হর্ন বিহীন এলাকা ঘোষণা
  • ফেসবুক থেকে মিথিলা-ফাহমির ছবি সরাতে হাইকোর্টের নির্দেশ
  • মৌলভীবাজারে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত
  • আদালতের নির্দেশে কমলগঞ্জে ৫ মাস পর কবর থেকে তরুণীর লাশ উত্তোলন
  • বিডিনিউজ প্রধান সম্পাদকের ব্যাংক হিসাব জব্দ
  • Developed by: Sparkle IT