প্রথম পাতা

সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চল মুক্ত দিবস আজ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬-১২-২০১৯ ইং ০৪:২৭:০৭ | সংবাদটি ৪৯১ বার পঠিত
Image

ডাক ডেস্ক ঃ সিলেটের বিভিন্ন স্থানে মুক্ত দিবস আজ। হানাদার বর্বর পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পণ ও পলায়নের মধ্যে দিয়ে ১৯৭১ সালের এই দিন মুক্ত হয় বিভিন্ন অঞ্চল। অকুতোভয় বীর বাঙ্গালির অসীম সাহস ও বীরত্বে পাকিস্তানীরা দিশেহারা হয়ে পালাতে থাকে। মুক্ত হতে থাকে দেশের নতুন নতুন অঞ্চল। সিলেটের বিভিন্ন উপজেলাও আজ শক্র মুক্ত হয়। বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। এদিকে, বিভিন্ন উপজেলায় আজ মুক্ত দিবস পালনের পাশাপাশি গতকাল বৃহস্পতিবার অনেক উপজেলায় পলিত হয়েছে মুক্ত দিবস।
আজ হবিগঞ্জ
মুক্ত দিবস
মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ মুক্ত দিবস। এই দিনে পাকবাহিনীর কবল থেকে হবিগঞ্জ মুক্ত হয়। সুবেদার (অবঃ) আব্দুস শহীদের নেতৃত্বে ৩৩ সদস্যের মুক্তিযোদ্ধা দল বিজয়ীর বেশে হবিগঞ্জ শহরে প্রবেশ করেন। এই দলে ছিলেন সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান বাচ্চু, শুকুর মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, রইছ আলী, সিরাজ মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, আবু মিয়া, আব্দুল লতিফ, গিয়াস উদ্দিন, কালা মিয়া, ছাবু মিয়া প্রমুখ। মুক্তিযোদ্ধা দলটি সারা শহর প্রদক্ষিণ করে হবিগঞ্জ সদর থানা প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। একই দিন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও নবীগঞ্জ থানা মুক্ত হয়। চুনারুঘাট থানা সদরে সিও অফিসের সামনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধা সানু মিয়া চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মন্নান সরকার প্রমুখ। যাদের অনেকেই এখন বেঁচে নেই। একই দিন নবীগঞ্জ থানাও মুক্ত হয়। এই থানা মুক্ত করার যুদ্ধে ধ্রুব নামে এক কিশোর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ এবং কয়েকজন আহত হয়। ঐ দিন দুপুরে মুক্তিযুদ্ধের সাব-সেক্টর কমান্ডার মাহবুবুর রব সাদী নবীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে নবীগঞ্জকে শক্রমুক্ত ঘোষণা করেন। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে হবিগঞ্জের নেতৃবৃন্দ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে ধারণ করে তেলিয়াপাড়ায় নির্মিত হয়েছে বুলেট আকৃতির স্মৃতিস্তম্ভ। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা তেলিয়াপাড়া চা বাগান এলাকায় অবস্থিত এই ব্যতিক্রমধর্মী স্মৃতিসৌধ দেখার জন্য প্রতিদিনই ভীড় জমান। মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের স্মৃতি রক্ষার্থে হবিগঞ্জের পুরাতন খোয়াই নদীর পাশে নির্মিত হয়েছে স্মৃতিসৌধ “দুর্জয়” হবিগঞ্জ। মুক্তিযুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলার অসংখ্য মানুষ পাক বাহিনীর নির্মম নিষ্ঠুরতার শিকার হন। বাহুবলের ফয়েজাবাদ, লাখাই উপজেলার কৃষ্ণপুর, চুনারুঘাট উপজেলার লালচান, নলুয়া চা বাগান, বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি সহ বিভিন্ন স্থানে নিহত নিরস্ত্র নারী পুরুষের স্মৃতিরক্ষার্থে তৈরী করা হয়েছে স্মৃতিসৌধ।
আজ বড়লেখা
মুক্ত দিবস
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ ৬ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী উপজেলা বড়লেখা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বড়লেখাবাসী জেগে উঠেছিল রণ হুঙ্কারে। সে সময় প্রায় ৩২৫টি গ্রাম যেন প্রতিরোধের এক একটি দুর্গে পরিণত হয়। জানা গেছে, বড়লেখা থানাটি ৪ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল। সে সময় মেজর সি আর দত্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন। এই সেক্টরের সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয় ভারতের করিমগঞ্জে প্রয়াত এমপি দেওয়ান ফরিদ গাজীর নেতৃত্বে। বড়লেখা থানার পার্শ্ববর্তী বারপুঞ্জি ও কুকিরতল সাব-সেক্টর স্থাপন করা হয়। হানাদারদের বিরুদ্ধে অসংখ্য ছোট বড় আক্রমণ চালিয়েছে এ সাব-সেক্টরের মুক্তি সেনারা। যুদ্ধের শুরুতেই বড়লেখার বিভিন্ন স্থানে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বড়লেখাবাসী। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে নাকাল হানাদাররা বড়লেখা ছাড়তে বাধ্য হয়। ৬ ডিসেম্বর ভোরে বড়লেখা পুরোপুরি শত্রুমুক্ত হয়। পরে বর্তমান উপজেলা পরিষদের সামনে এক বিজয় সমাবেশের মাধ্যমে বড়লেখা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়।
বড়লেখা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিরাজ উদ্দিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যেসব রাজাকার ও আলবদর বাঙ্গালিদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়েছে, মা-বোনের সভ্রমহানি করেছে, হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে-তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হচ্ছে। সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলার মাটিতে করে জাতিকে অবশ্যই অভিশাপমুক্ত করতে হবে।
দিবসটি পালনে বড়লেখা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ও বড়লেখা প্রেসক্লাব যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
আজ নবীগঞ্জ
মুক্ত দিবস
রাকিল হোসেন নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকে ঃ ৬ ডিসেম্বর নবীগঞ্জ মুক্ত দিবস। এই দিন পূর্বাকাশের সুর্যোদয়ের সাথে সাথে মুক্তিযোদ্ধারা পাক বাহিনীদের হটিয়ে দিয়ে মুক্ত করেছিল নবীগঞ্জ শহরকে। ৩দিনের সম্মুখ যুদ্ধের পর সেদিন সুর্যোদয়ের কিছুক্ষণ আগে নবীগঞ্জ থানা সদর হতে পাক হানাদার বাহিনীকে সম্পূর্ণরুপে বিতাড়িত করে মুহুর্মূহ গুলি ও জয় বাংলা শ্লোগানের মধ্যে বীরদর্পে এগিয়ে আসে কয়েক হাজার মুক্তিকামী জনতা। এ সময় মাহবুবুর রব সাদীর নেতৃত্বে থানা ভবনে উত্তোলন করা হয় বাংলাদেশের পতাকা। পরে স্থানীয় ডাকবাংলো সম্মুখে হাজার হাজার জনতার আনন্দে উদ্বেলিত মুক্তিবাহিনীকে ঘিরে ধরে উল্লাস প্রকাশ করেন।
মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ৬ ডিসেম্বর নবীগঞ্জ মুক্ত হওয়ার পূর্ব থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন। বিভিন্ন সময় পাক বাহিনীর উপর গেরিলা হামলা চালিয়ে তাদের ভীত সন্ত্রস্ত্র করে রাখে মুক্তি সেনারা। কৌশলগত কারনে নবীগঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধারা নবীগঞ্জ থানা দখলের সিদ্ধান্ত নেয়। নবীগঞ্জে পাক বাহিনীর অন্যতম ক্যাম্প নবীগঞ্জ থানাকে লক্ষ্য করে তিনদিকে মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান নেয়। ৩ ডিসেম্বর রাত থেকে ক্ষনে ক্ষনে গুলি বিনিময় চলে উভয়ের মধ্যে। মুক্তিযোদ্ধারা কখনোও পিছু হটা, আবার কখনোও আক্রমণ চালিয়ে পাক বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করতে থাকে। সারাদেশে পাক বাহিনীর অবস্থান খারাপ হওয়ায় নবীগঞ্জেও তাদের খাদ্য এবং রসদ সরবরাহ কমে যায়। অন্যদিকে মুক্তিবাহিনী একেক সময়ে একেক দিক দিয়ে আক্রমণ চালিয়ে যায়। ৪ ডিসেম্বর রাতে থানা ভবনের উত্তর দিকে রাজনগর গ্রামের নিকট থেকে মুক্তিযোদ্ধা রশিদ বাহিনী পাক বাহিনীর উপর প্রচন্ড আক্রমণ চালায়। কিন্তু পাক হানাদারদের দিক থেকেও প্রচন্ড গুলি আসতে থাকে। এ যুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর কিশোর মুক্তিযোদ্ধা ধ্রব ৪ ডিসেম্বর শহীদ হন। পরদিন ৫ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা চরগাঁও ও রাজাবাদ গ্রামের মধ্যবর্তী শাখা বরাক নদীর দক্ষিণ পাড়ে অবস্থান নেয়। প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী প্রচন্ড যুদ্ধের পর শক্র বাহিনী পালিয়ে যায়। পরদিন ৬ ডিসেম্বর ভোর রাতে পাক বাহিনীর নিকট থেকে কোন বাধা না আসায় মুক্তিবাহিনী বীরদর্পে জয়বাংলা শ্লোগানের মধ্য দিয়ে থানা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে এবং বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে নবীগঞ্জ উপজেলাকে শত্রু মুক্ত ঘোষণা করেন। আজ মুক্ত দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
চুনারুঘাট মুক্ত
দিবস আজ
মোঃ জামাল হোসেন লিটন, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) থেকে ঃ ১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা চুনারুঘাট থানায় পাকিস্তানী ঘঁটিতে আক্রমণ করেন। রাতভর তুমুল যুদ্ধ চলে। মুহুর্মূহ গুলি বর্ষণের মধ্যেও মুক্তিবাহিনীর অপ্রতিরোধ্য শক্তি, অসীম সাহস এবং অজয়েও মনোবলের নিকট মাথানত করে পাকিস্তানী হানাদাররা। ৬ ডিসেম্বর ভোর হওয়ার আগেই তারা পালাতে শুরু করে এবং সকাল ৬ টারদিকে মুক্তিবাহিনী থানা সদরে প্রবেশ করতে শুরু করেন। আজ ৬ ডিসেম্বর চুনারুঘাট হানাদার মুক্ত দিবস। এদিন চুনারুঘাট শত্রুমুক্ত হয়েছিল।
জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৫ ডিসেম্বর রাতে চুনারুঘাটের সীমান্ত এলাকা থেকে মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট তোরাব আলী খন্দকার, মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হুদা, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফফার এর নেতৃত্বে শত শত মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা শহরের দিকে সাড়াশী আক্রমণ করে। ৬ ডিসেম্বর ভোরে পাকিস্থানী দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামস উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল থেকে পালাতে শুরু করে এবং পাক সেনারা শ্রীমঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায়। ৬ ডিসেম্বর সকালে তৎকালীন সিও অফিসের সামনে স্বাধীনতার লাল সবুজ পতাকা উত্তোলন করেন মরহুম মুক্তিযোদ্ধা সানু মিয়া চৌধুরী, মরহুম মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস ছামাদ পিসিও, মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল মন্নান সরকারসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা। দিনটি পালন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
ছাতক মুক্ত
হয় আজ
ছাতক (সুনামগঞ্জ) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ আজ ৬ ডিসেম্বর ছাতক মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে ছাতক শহর শত্রমুক্ত হয়। মুক্তিবাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে ওই দিন সন্ধ্যায় পাক-হানাদার বাহিনী পিছু হটে নোয়ারাই এবং ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী এলাকা ত্যাগ করে সুরমা পাড়ি দিয়ে ছাতক শহরের বাগবাড়ী এলাকায় অবস্থান নেয়। নৌকা যোগে মুক্তিযোদ্ধারা পুরাতন কষ্টিমস্ ও পশ্চিম বাজার এলাকায় চলে আসার সংবাদে হানাদার বাহিনী রাত ১১টার দিকে দ্রুত ছাতক শহর ত্যাগ করে ছাতক-সিলেট সড়কের ঝাওয়ার ভাঙ্গার অপারে চলে যায়। ওই রাতেই জয়বাংলা ম্লোগান দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা ছাতক শহরকে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেন। উৎফুল্ল জনতা পথে পথে মুক্তিবাহিনীকে অভিনন্দন জানাতে থাকেন। পাকিস্তানীদের জুলুম, নির্যাতন, নির্বিচার হত্যা, অগ্নিসংযোগের মধ্যে থেকে মুক্তি পাওয়া মানুষ আনন্দে ছিলেন আতœহারা। পরে মুক্তিবাহিনী আরো অগ্রসর হয়। ৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের মুখে ঝাওয়ার ভাঙ্গা এলাকা ছেড়ে গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় অন্য পিছু হঠা হানাদার বাহিনীর সাথে যোগ দেয় তারা। ওই দিন বিকেলে মুক্তিবাহিনীর সমর্থনে ভারতীয় মিত্র বাহিনী ছাতক সিমেন্ট কারখানার সুরমা নদীর পারে অবস্থান নেয়। প্রতি বছর ৬ ডিসেম্বর ছাতক মুক্ত দিবস আনুষ্ঠানিক ভাবে পালন করে আসছে ছাতক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। আজ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে মুক্ত দিবস উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের প্রার্থনা সভা
  • জাতির পিতার রক্ত যেন বৃথা না যায় : প্রধানমন্ত্রী
  • একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৬
  • জাতীয় শোক দিবস আজ
  • আওয়ামীলীগ নেতা আ ন ম শফিকুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
  • জাতীয় শোক দিবস কাল বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচি
  • কৃষি বিভাগের দাবি
  • আজ টেলিভিশনের পর্দায় ‘হাসিনা: আ ডটার’স টেল’
  • সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু
  • করোনা রোধে ভ্যাকসিনের চেয়েও বেশী উপকার দিতে পারে মাস্ক
  • নতুন পাসপোর্টের আবেদন বন্ধ
  • শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন
  • নাজিরবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহীর মৃত্যু
  • বইয়ের বদলে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত শিশুরা
  • এমপি মোকাব্বির খানের গাড়িতে হামলার ঘটনায় ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
  • সিলেট বিমান অফিসের সামনে দুবাই প্রবাসীদের বিক্ষোভ
  • স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি
  • শাহজালাল (র.) মাজারে ‘হামলার পরিকল্পনা ছিল’ নব্য জেএমবির: সিটিটিসি প্রধান
  • সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ দ্রুত শুরুর তাগিদ
  • করোনায় আক্রান্ত পরিবেশমন্ত্রী
  • Image

    Developed by:Sparkle IT