প্রথম পাতা জেলা ও মহানগর আ’লীগের সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের

টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের কঠোর বার্তা

আহমাদ সেলিম প্রকাশিত হয়েছে: ০৬-১২-২০১৯ ইং ০৪:৩১:২৮ | সংবাদটি ৩৯০ বার পঠিত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এখন থেকে আওয়ামী লীগে মনোনয়ন বাণিজ্য চলবে না। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমও চলবে না। মনোনয়ন বাণিজ্য যারা করেছেন তাদেরকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, টেন্ডারবাজ এবং সন্ত্রাসীরাও সাবধান। কেননা এখন চলছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ করতে হলে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। নিয়ম মেনে চলতে হবে। টাকা দিয়ে নেতা হওয়া যায় না। যোগ্যতার ভিত্তিতেই নেতা হতে হবে। আওয়ামী লীগের কমিটিতে সু সময়ের কেউ স্থান পাবেন না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি এও বলেন, ত্যাগীদের বাদ দিয়ে পকেট কমিটি করা যাবে না। পকেট কমিটির নেতারা সুসময়ে আসে, পরে চলে যায়। দুঃসময়ে এদের সার্চ লাইট দিয়ে খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। এজন্য ত্যাগীদেরই নেতা বানাতে হবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের দুইজন শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীর একজন, চারজন পরিশ্রমী রাষ্ট্রনায়কের একজন, তিনজন সৎ রাষ্ট্রপ্রধানের একজন, ১০ জন প্রভাবশালী প্রধানের একজন। গত ৪৪ বছরে বাংলাদেশের সৎ রাজনীতিবিদের নাম হচ্ছে শেখ হাসিনা। জনপ্রিয়, দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা। তিনি একজন সফল কূটনৈতিক ব্যক্তিত্বও। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। তার নেতৃত্বেই দুর্বার গতিতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা অভিমুখে। শেখ হাসিনার সরকার সবচেয়ে জনবান্ধব সরকার ।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কাউকে বাদ দেয়া হয় না। পরিবর্তন হয়। এর মানে বাদ দেয়া নয়। নবীনের সাথে প্রবীণের সমন্বয় করা হয়। এতে দলের এনার্জি বাড়ে। এর মধ্য দিয়েই আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব সৃষ্টি করা হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘এখন আওয়ামী লীগে নেতার অভাব নেই আর কর্মীর দেখা নেই। নেতার শেষ নেই। বড় নেতা, পাতি নেতা, আধুলি নেতা, সিকি নেতা, শুধু নেতার দেখা মিলে। পোস্টার লাগাতেও এখন কর্মীর খোঁজ পাওয়া যায় না। যে কারণে টোকাই দিয়ে পোস্টার লাগাতে হয়। এ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাঠে নেতার দেখা নেই। কিন্তু বিলবোর্ডে বিশাল বিশাল চেহারা দেখিয়ে বেড়ান। এসব দিয়ে কি হবে। এত নেতার দরকার নেই, কর্মী দরকার। সাচ্চা, ত্যাগী এবং দুঃসময়ের কর্মী দরকার। বিলবোর্ড টানিয়ে নেতা হওয়া যাবে না। মিছিল দিয়ে- ভাই স্লোগান দিয়ে নেতা বানানোও যাবে না। কর্ম, ত্যাগ এবং যোগ্যতা দিয়েই নেতা হবেন।’
সম্মেলনে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন-দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন-দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, দলের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ইনাম আহমদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান ও বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, কেন্দ্রীয় সদস্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ। সম্মেলন যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন, জেলা আওয়ামী লীগের বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক ও জগলু চৌধুরী।
নুরুল ইসলাম নাহিদ ॥ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি বলেন, বাঙালী জাতির জীবনে যত বড় অর্জন হয়েছে সেই অর্জন এসেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে। এজন্য এই দলের সামনে অনেক বড় কর্তব্য রয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করতে আওয়ামী লীগকে আরো শক্তিশালী হতে হবে। উপযুক্ত এবং ত্যাগী কর্মীদের ঐক্যবদ্ধতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সাবেক মন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামী লীগের পথ কখনো মসৃণ ছিলো না। এখনো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।
মাহবুব-উল-আলম হানিফ ॥ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ সম্মেলনে কিছুটা বিশৃঙ্খলার জন্য অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, যারা শৃঙ্খলা মেনে চলে তাদের কেউ দমিয়ে রাখতে পারে না। বাংলাদেশে যা কিছু অর্জন সব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর জন্য, শেখ হাসিনার জন্য। এই দলের উপর সারা দেশের মানুষ সব সময় আস্থা রাখে, ভরসা রাখে। আওয়ামী লীগ আস্থার দল, গণমানুষের দল। এই দলের উপর যতবারই আঘাত এসেছে ততবারই দেশের জনগণ পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শক্তি তৃণমূল, ত্যাগী নেতাকর্মী। দলের দুঃসময়ে অনেককে বেঈমানী করতে দেখা যায়। কিন্তু তৃণমূলের কর্মীরা কখনো বেঈমানি করেনি।
আব্দুর রহমান ॥ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ একটি ইতিবাচক দল। সেই ইতিবাচক এবং গুণগত ধারার প্রবর্তক শেখ হাসিনা। সেই ভিত শুরু হবে সিলেট থেকে। শেখ হাসিনা সারা পৃথিবীকে অবাক করে মানুষের ঘরে ঘরে আলো, চিকিৎসা পৌঁছে দিয়েছেন। বিনে পয়সায় ঘরে ঘরে শিশুদের হাতে তুলে দিয়েছেন বই।
তিনি বলেন, অশুভ রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি-জামায়াত রাজপথে আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। তিনি বিএনপির প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মুক্তির মীমাংসা হবে আদালতে। রাজপথে নৈরাজ্য তৈরী করলে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে আওয়ামী লীগ।
আহমদ হোসেন ॥ বিএনপিকে ‘চোরের পার্টি, খুনিদের পার্টি’ আখ্যায়িত করে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান একটা মহাচোর।’ বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবে না। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন শেখ হাসিনা। পার্টিতে যারা দুর্নীতি করবে তাদের ছাড় দেয়া হচ্ছে না।’
ইনাম আহমদ চৌধুরী ॥ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ইনাম আহমদ চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগের পতাকা গণতন্ত্রের পতাকা। আওয়ামী লীগ সেই গণতান্ত্রিক আদর্শের উপর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সবাইকে কাজ করতে হবে। উন্নয়নের যে অবিস্মরণীয় অভিযাত্রা শুরু করেছেন সেটি অপ্রতিরোধ্য হবে শেখ হাসিনার হাত ধরে।
মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ॥ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, সিলেটের আওয়ামী লীগ প্রতিটি মৌলিক এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে। জীবনবাজি রেখে জঙ্গীদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পরও সিলেটে আওয়ামী লীগ প্রথমে আওয়াজ তুলেছিলো। সেই আওয়াজ এখনো বন্ধ হয়নি। খালেদা-নিজামীর বিরুদ্ধে যখন আন্দোলন শুরু হয়, তখন একটি মুহূর্তের জন্য সিলেটে আওয়ামী লীগ ঘরে বসে থাকেনি। তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের সাথে কোনোদিন বেঈমানি করিনি। আমরা বেঈমানি জানি না। যারা বেঈমানি করেছে তারা নিক্ষিপ্ত হয়েছে-সময়ের অন্ধকার গহ্বরে।
আফজাল আহমদ ॥ আওয়ামী লীগ নেতা আফজাল আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে সত্তর বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এই দীর্ঘ সময়ে অনেক ত্যাগী নেতা তৈরী হয়েছে। দলকে শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, দল সংগঠিত হলে শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।
রফিকুর রহমান ॥ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুর রহমান বলেছেন, দেশকে এগিয়ে নিতে দলকে শক্তিশালী করতে হবে। দল শক্তিশালী হলে শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী হবে। শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী হলে দেশ আরো প্রবল গতিতে এগিয়ে যাবে।
ড. এ কে আব্দুল মোমেন ॥ সম্মেলনকে ঐতিহাসিক দিন আখ্যায়িত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, শিল্প পর্যটন এবং শিল্পনগরী হলেও সিলেটে শিল্প কারখানা কম রয়েছে। যারা নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তারা সেই প্রত্যাশা পূরণে এগিয়ে আসবেন। তিনি বলেন, এশিয়ার ৪৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ দারিদ্র্যসীমার অর্ধেকের মধ্যে নেমে এসেছে। আরো নামবে। মন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছর স্বর্ণযুগ। সারা দেশে জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ পালন করা হবে।
সরকারের নানা উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আমরা পৃথিবীর মধ্যে সম্ভাবনাময় দেশ। ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট চালু হবে। এ সময় তিনি তরুণদের জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
ইমরান আহমদ ॥ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেছেন, সিলেটে আওয়ামী লীগের একটি ঐতিহ্য আছে। সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। মন্ত্রী বলেন, নতুন কমিটির কাছে অনেক প্রত্যাশা। সেই প্রত্যাশার জায়গাকে আরো মজবুত করতে হবে। তবেই জাতির জনকের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব।
শুরুতে প্রধান অতিথি সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ‘জয়বাংলা’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি স্মারকের মোড়ক উন্মোচন করেন।
এদিকে, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে ঘিরে গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট অনেকটা উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একদিন এখানে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রেখেছিলেন। বেলা বারোটার দিকে উৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও সকাল থেকে মাঠ ছিলো উৎসবমুখর। সিলেটের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়ামী পরিবারের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। দলে দলে মিছিল সহকারে তারা মাঠে প্রবেশ করেন। শ্লোগানে শ্লোগানে সুবিশাল প্রান্তরকে সরগরম করে রাখেন তারা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস। যদিও বেলা একটা এগারো মিনিটে সম্মেলনে হঠাৎ চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটে।
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে প্রধান অতিথি দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সভাস্থলে পা রাখেন। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উদ্বোধন ঘোষণা করেন সম্মেলনের।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ছবি
  • মৌলভীবাজারে ট্রাক চাপায় মহিলা নিহত
  •   সিলেটে চার মন্ত্রীর সফর সূচি আজ
  • এ সরকারের আমলে সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যার বিচার হবে না,   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি
  • মিজানুর রহমান আজহারী ও তারেক মনোয়ারের ওয়াজের বিষয় সংসদে উত্থাপন
  • আইসিজের সিদ্ধান্ত মিয়ানমার যেন এড়িয়ে যেতে না পারে: জাতিসংঘ
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুকে ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করবে
  • দুর্নীতির ধারণাসূচক : বাংলাদেশের অবস্থান সামান্য পরিবর্তন
  • সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়া প্রত্যক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গ হত্যা, নির্যাতন, বাস্তুচ্যুতি বন্ধে মিয়ানমারকে আদেশ
  • ‘নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে’ বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা
  • বিএসএফের গুলিতে ৩ বাংলাদেশি নিহত
  • ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে পুলিশ সদস্যের নিজ বন্দুক দিয়ে আত্মাহুতি
  • সিলেটের ওয়াসি আহমেদসহ এবার বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ১০ জন
  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে আজ টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ
  • গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ
  • রায়কে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা
  • প্রচারে পোস্টার-ব্যানার রাখতে চান না আতিক
  •   হারপিক পানে মারা গেলেন এমপিপুত্র অভিজিৎ
  • দক্ষিণ সুরমায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের উদ্বোধন কাল
  • Developed by: Sparkle IT