বিশেষ সংখ্যা

রাগীব আলীর উন্নয়নের পৃষ্ঠপোষক

প্রফেসর ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ১২-১২-২০১৯ ইং ০১:০৫:৫০ | সংবাদটি ১১০ বার পঠিত

সিলেটের প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান দানবীর ড. রাগীব আলীর উন্নয়ন তৎপরতায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী শিক্ষানুরাগী ও নারী সমাজ উন্নয়নের পৃষ্ঠপোষক বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী। যিনি প্রতিটি কর্মে রাগীব আলীকে প্রেরণা জুগিয়েছেন। তাঁর সকল সফল কর্মকান্ডের পাশে ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিতা তাঁরই সহধর্মিণী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী। তিনি ড. রাগীব আলীর প্রতিটি কর্মে ছায়ার মতোই সঙ্গ দিয়েছেন, প্রেরণা দিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন। সমাজ ও জীবনঘনিষ্ঠ তাঁর চিন্তাধারা স্বামীকে দিয়েছে শক্তি, প্রতিকুলতা বিজয়ের ইন্দন।
সত্যিকার অর্থেই এই মহীয়সী নারী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী দানবীর ড. রাগীব আলীর মহতী উদ্যোগে শুধু পাশেই ছিলেন না, শত প্রতিকুলতা বিজয়েও তিনি রেখেছেন একজন সহযোদ্ধার স্বাক্ষর।
ক্ষণিকের এই পৃথিবীতে কিছু গুণীজন আছেন মৃত্যুর পরও তাঁদের মানবকল্যাণ ও সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের কারণে দেশ ও জাতি চিরকাল তাদেরকে স্মরণ করে। এই সব গুণীজন তাঁদের মানব কল্যাণমুখী কর্মকান্ডের কারণে মরেও অমর। তাঁরা মৃত্যুঞ্জয়ী। মহীয়সী রমণী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী তাঁর কর্মগুণে আজ সমাজের সর্বস্তরের লোকের অন্তরে অমর হয়ে আছেন।
মৃত্যুকে কেউ এড়াতে পারেনা, যেমনটি পারেননি বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী। কিন্তু কর্মকে নিশ্চিহ্ন করার ক্ষমতা মৃত্যুরও নেই। মানুষকে অমরত্ব দান করে তার কর্ম। মানুষ সেই কর্মে গৌরব উজ্জ্বল ব্যক্তিটিকে স্বরণ করে যুগ যুগ ধরে। তিনি আজ চলে গেছেন না ফেরার দেশে কিন্তু দানবীর ড. রাগীব আলী তাঁর সহধর্মিনী বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরীর স্বপ্নকে যেভাবে বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন, তাতে আমার মনে হয় যুগের পর যুগ চলে যাবে, তবুও রাগীব-রাবেয়ার কর্ম স্বগৌরবে মাথা উঁচু করে রয়ে যাবে উন্নয়নের শীর্ষস্থানে।
আজ তাঁর ত্রয়োদশতম মৃত্যুবার্ষিকীতে রাগীব-রাবেয়া পরিবারের সাথে সমব্যথিত হয়ে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
লেখক : উপাচার্য, লিডিং ইউনিভার্সিটি।

 

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT