স্বাস্থ্য কুশল

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.) -এর ভূমিকা

ওলীউর রহমান প্রকাশিত হয়েছে: ২০-১২-২০১৯ ইং ০১:৩০:০৯ | সংবাদটি ২৩০ বার পঠিত

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার আগে মানবাধিকারের পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা দরকার। মানবাধিকার (ঐঁসধহ জরমযঃং) এর অর্থ হলো মানুষের অধিকার। অর্থাৎ মানব জীবনের সহজাত এমন অধিকারগুলোকে মানবাধিকার বলা হয়, যে অধিকারগুলোর বাস্তবায়ন ছাড়া একজন মানুষ মানবীয় পরিচয় ও মর্যাদা নিয়ে বাস করতে পারে না। যেমন- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ওষুধ, চিকিৎসা, জীবনের নিরাপত্তা, সম্পদ ও সম্মানের নিরাপত্তা, ধর্মীয় অধিকার, মতামত প্রকাশের অধিকার ইত্যাদি। এক কথায় মানব জীবনের বৈধ অধিকারগুলোর পরিপূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠা করাকে মানবাধিকার বলে। মানবাধিকারের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রকৃত কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করা। তবে সেই অধিকারগুলো কী? মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো কি মানবাধিকারের অন্তর্ভুক্ত? না মানবাধিকার মৌলিক অধিকারের অংশ? এসব বিষয় নিয়ে দর্শনগত অনেক বিতর্ক রয়েছে।
১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের টহরাবৎংধষ উবপষধৎধঃরড়হ ড়ভ ঐঁসধহ জরমযঃং (টউঐজ) -এর মাধ্যমে আধুনিক বিশ্বে মানবাধিকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছিল। (টউঐজ) -এর ১ম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘জন্মগতভাবে সকল মানুষ স্বাধীন এবং সমান সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী।’ তবে বর্তমান বাস্তবতা হলো, একদিকে মানবাধিকারের সংজ্ঞা ও সীমারেখা নিয়ে যেভাবে বিতর্কের ঝড় তোলা হচ্ছে, অন্যদিকে ক্ষমতাধর শাসকরা দেশে দেশে জনগণের স্বীকৃত মৌলিক অধিকারগুলো অবলীলায় হরণ ও দমন করে চলেছে। আর দুর্বল জাতিগুলোর সাথে ক্ষমতাধর জাতিগুলোর আচরণ মানবাধিকারকে একটি উপহাসের বস্তুতে পরিণত করেছে।
সার্বজনীন ও পূর্ণাঙ্গ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.) -এর ভূমিকা :
প্রকৃত পক্ষে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ সনদ প্রণয়ন করেছিলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আজ থেকে চৌদ্দশ বছর আগে। নবুওত লাভের পূর্বেও তিনি ছিলেন মানবতার কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ। প্রথম ওহী নাজিল হওয়ার পর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লেন তখন হযরত খাদিজাতুল কুবরা (রা.) তাঁকে শান্তনা দিয়ে বলেছিলেন, ‘আল্লাহর কসম, আল্লাহ আপনাকে কখনো অপমানিত করবেন না। আপনি তো আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার করেন, অসহায় দুর্বলের দায়িত্ব বহণ করেন, নিঃস্বদের খোঁজ-খবর নেন, মেহমানের মেহমানদারী করেন এবং দুর্দশাগ্রস্তকে সর্বদা সাহায্য করেন।’ (-সহীহ বুখারী, হা/৩)
মদীনায় হিজরতের পর ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐতিহাসিক ‘মদীনা সনদ’ ঘোষণার মাধ্যমে মানবাধিকারের প্রধান ভিত্তি স্থাপন করেন। এই মদীনা সনদকে পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান এবং পূর্ণাঙ্গ ‘মানবাধিকার সনদ’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। এ সনদে মোট ৪৭টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যেগুলোতে মানবাধিকারের বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে বিবৃত হয়েছে। মদীনা সনদের বিশেষ কয়েকটি অনুচ্ছেদ নিম্নে উল্লেখ করা হলো, যাতে অনুমান করা যাবে যে, কত দৃঢ় ও সার্বজনীনতার সাথে মানবাধিকারের বিষয়গুলোকে এ সনদে সংক্ষণ করা হয়েছে।-
সনদে স্বাক্ষরকারী সকল সম্প্রদায় একটি সাধারণ জাতি গঠন করবে এবং সব সম্প্রদায় সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে।
সকল নাগরিক পূর্ণ ধর্মীয় অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ করবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবেনা।
নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।
সকল প্রকার রক্তক্ষয়, হত্যা ও ধর্ষণ নিষিদ্ধ।
কোন লোক ব্যক্তিগত অপরাধ করলে তা ব্যক্তিগত অপরাধ হিসেবেই বিবেচিত হবে। তার কারণে অপরাধীর সম্প্রদায়কে দায়ী করা যাবে না।
দুর্বল ও অসহায়দের সর্বোতভাবে সাহায্য সহযোগিতা করতে হবে।
এই মদীনা সনদের মাধ্যমে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সার্বজনীন মানবাধিকারের ভিত্তি স্থাপন করে মানুষের মধ্যে সাম্য, মৈত্রী, ভালবাসা, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি মৌলিক অধিকার, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অধিকার, জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার অধিকার, মত প্রকাশ ও বাকস্বাধীনতা, এতিম, মিসকীন, অসহায় নারী ও শিশুর অধিকার, দাস-দাসী, কৃষক-শ্রমিক, প্রতিবন্ধীসহ সমাজের প্রতিটি মানুষের অধিকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সংরক্ষণ করা হয়েছে মদীনা সনদে। একারণে মদীনা সনদকে যেভাবে পৃথিবীর সর্বপ্রথম ও সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ ‘মানবাধিকার সনদ’ আখ্যায়িত করা হয়, অনুরূপভাবে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পৃথিবীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মানবাধিকারের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এছাড়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আনীত ঐশী গ্রন্থ পবিত্র কোরআনের মাধ্যমে মানব জাতিকে ‘সৃষ্টির সেরা জীব’ হওয়ার মর্যাদা প্রদান করে জাতিগত ও বংশীয় বৈষম্য, বর্ণপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করে অধীনদের প্রতি সদাচারী ও ন্যায়পরায়ন হতে শিক্ষা দিয়েছেন। বিদায় হজ্জের ভাষণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানবাধিকারের বিষয়গুলো অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন।
১০ম হিজরী সনে বিদায় হজ্জের ভাষণে রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন, ‘জেনে রেখ, নিশ্চয় তোমাদের মাল-সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের ওপর হারাম, যেমন আজকের এই দিন, এই মাস এবং এই শহর তোমাদের জন্য হারাম।’ (অর্থাৎ, আজকের এই দিন, এই মাস এবং এই শহর তোমাদের কাছে যেভাবে সম্মানিত, তোমাদের পরস্পরের মাল-সম্পদ ও জীবন সেভাবে তোমাদের কাছে সম্মানিত। (-সহীহ বুখারী, হা/৬৭, দারেমী, হা/২২৭)
পৃথিবীতে আজ অহরহ মানবাধিকার লঙ্গিত ও উপেক্ষিত হচ্ছে, মানবতার অর্তনাদ শুনা যাচ্ছে পৃথিবীর প্রতিটি জনপদেই। যেসব বিষয়ে আজ মানবাধিকার চরমভাবে উপেক্ষিত ও পদপিষ্ট হচ্ছে সেসব বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কি ভূমিকা রেখেছিলেন এ সম্পর্কে আমরা কিছুটা আলোকপাত করব।
জীবনের নিরাপত্তার অধিকার :
সেই সময়কে বলা হতো অন্ধকার যুগ বা আইয়ামে জাহিলিয়্যাত। সেই সমাজে মানবতা শুধু অসহায়ই ছিল না বরং জাহিলিয়্যাতের পদাঘাতে পিষ্ট হচ্ছিল প্রতিনিয়ত। নর হত্যা সেই সমাজের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিল। মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্ভ্রমের কোন নিরাপত্তা ছিলনা। বর্তমান সময়েও মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা কতটুকু আছে আমরা সবাই জানি। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাহিলিয়্যাতের শক্ত প্রাচিরে দাঁড়িয়ে নরহত্যাকে জঘন্যতম অপরাধ আখ্যায়িত করে ঘোষণা করেন- ‘সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ হচ্ছে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা এবং মানুষকে হত্যা করা।’ (-সহীহ বুখারী, হা/৬৮৭১, মুসলিম, হা/৮৮)
পবিত্র কোরআনের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষের জীবনের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার জন্য কেসাসের বিধান প্রবর্তন করেন। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ! নিহতের ব্যাপারে তোমাদের উপর কেসাস ফরজ করা হয়েছে। স্বাধীনের বদলে স্বাধীন, দাসের বদলে দাস এবং নারীর বদলে নারী।’ অতঃপর বলা হয়েছে, ‘হে বিবেকসম্পন্নগণ! কেসাসে রয়েছে তোমাদের জন্য জীবন, আশা করা যায় তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে।’ (সূরা আল-বাকারা, আ/১৭৮-১৭৮) মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মু’মিন তার দ্বীনের ব্যাপারে সর্বদা অবকাশের মধ্যেই থাকে যাবৎ না সে নিষিদ্ধ রক্তপাত ঘটায়।’ (-সহীহ বুখারী, হা/৬৮৬২)
বিদায় হজ্জের ঐতিহাসিক ভাষণে রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সোয়া লক্ষ সাহাবীদের সম্বোধন করে ঘোষণা করেন, ‘নিশ্চয় তোমাদের মাল-সম্পদ ও তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের ওপর হারাম, যেমন আজকের এই দিন, এই মাস এবং এই শহর তোমাদের জন্য হারাম।’ (অর্থাৎ, আজকের এই দিন, এই মাস এবং এই শহর তোমাদের কাছে যেভাবে সম্মানিত, তোমাদের পরস্পরের মাল-সম্পদ ও জীবন সেভাবে তোমাদের কাছে সম্মানিত।) (-সহীহ বুখারী, হা/৬৭, দারেমী, হা/২২৭)
অমুসলিমদের নিরাপত্তা :
এই নিরাপত্তার অধিকার কেবল মুসলমানদের ক্ষেত্রে নয় বরং অমুসলিমদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। রাসূলে মাকবুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কোন মুসলিম রাষ্ট্রে অবস্থানরত চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম নাগরিককে হত্যাকারী জান্নাতের সুঘ্রাণ পর্যন্ত পাবেনা। যদিও জান্নাতের সুঘ্রাণ চল্লিশ বছর দূরত্ব থেকে পাওয়া যায়।‘ (-সহীহ বুখারী, হা/৩১৬৬)
ইনসাফ ভিত্তিক ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রবর্তন :
আজ পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই দুর্বলরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিচারের নামে চলছে অবিচার। জাতিসংঘ মানবাধিকার সনদ (টউঐজ)-এর ২নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, ‘মানুষ জন্মের পর পৃথিবীতে জাতি, বর্ণ, ধর্মমতে সমান। কোন বিষয়ে পার্থক্য বা কম বেশি করা যাবে না।’ কিন্তু এই পৃথিবীটা যেন আজ ভরে যাচ্ছে অন্যায় অবিচারে। মানবতার ধর্ম ইসলাম চৌদ্দশ বছর পূর্বে পৃথিবীর গোটা মানব জাতিকে একই ভ্রাতৃত্ববন্ধনে আবদ্ধ করে দিয়েছে। পবিত্র কোরআনের সূরা হুজরাতের ১৩নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে- ‘হে মানব! আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী হতে সৃষ্টি করেছি এবং বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা একে অন্যকে চিনতে পার।’ এ প্রসঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘একজন অনারবের ওপর একজন আরবের, একজন আরবের ওপর অনারবের, কালো মানুষের ওপর লাল মানুষের, লাল মানুষের ওপর কালো মানুষের আল্লাহ্ভীতি ছাড়া কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই।’ (-মুসনাদে আহমদ, হা/৪১১)
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর আনিত দ্বীন বা জীবনব্যবস্থার মাধ্যমে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষের আইনী অধিকার এবং সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ন্যায়-বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করে জাহেলী সমাজ ভেঙ্গে দিয়ে কায়েম করেছিলেন ইনসাফ ভিত্তিক এক শান্তিপূর্ণ সুন্দর সমাজ। আর ঘোষণা করেছিলেন, ‘মুহাম্মদের মেয়ে ফাতেমাও যদি চুরি করতো, তবে আমি তাঁর হাত কেটে দিতাম।’ (-আবু দাঊদ, হা/৪৩৭৩) (অসমাপ্ত)

শেয়ার করুন
স্বাস্থ্য কুশল এর আরো সংবাদ
  • শাকসবজি ও ফলমূল কেন খাবেন
  • দৈনন্দিন জীবনে লেবুর চাহিদা
  • এ্যাপোলো হসপিটালে ভারতের প্রথম ইনভেসিভ ডবল কার্ভ কারেকশন সার্জারি
  • হাঁড়ের ক্ষয় রোগ : নীরব ঘাতক
  • আপনার সন্তানের চোখের যত্ন নিন
  • আয়োডিন স্বল্পতায় জটিল রোগ
  • শারীরিক শক্তি বাড়ায় যে খাবার
  • সুস্থতার জন্য পানি
  • রোগ প্রতিরোধে ডালিম
  • শীতে হাঁপানি এড়াতে কী করবেন
  • শীতে ঠোঁটের সুরক্ষা
  • এক জায়গায় বসে কাজ করার কুফল
  • সুঅভ্যাসে সুস্বাস্থ্য
  • ঠান্ডায় নাক বন্ধ হলে করণীয়
  • শশার গুণাগুণ
  • রোগ প্রতিরোধে কমলা
  • শিশুর খাবার
  • ডা. এ হাসনাত শাহীন অসুস্থ শিশুর যত্ন নিচ্ছেন মা
  • শীতে যেসব রোগের প্রকোপ বাড়ে
  • শীতকালে নাক, কান ও গলার সমস্যা
  • Developed by: Sparkle IT