অন্যান্য খবর

ভিপি নুর রক্তাক্ত : মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ৩ নেতা রিমান্ডে

প্রকাশিত হয়েছে: ২৬-১২-২০১৯ ইং ০১:৩৭:৪৪ | সংবাদটি ৪০০ বার পঠিত
Image

ডাক ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নূর ও তার সঙ্গীদের রক্তাক্ত করার ঘটনায় গ্রেফতার মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের তিন নেতার বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মাইনুল ইসলাম শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য ও মেহেদী হাসান শান্ত। এদিন তাদের শাহবাগ থানায় করা মামলায় ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালত তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। পরে আদালত তাদের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ভিপি নুরুল হক নূরসহ অন্য ছাত্রদের ওপর হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার শাহবাগ থানার নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মোহাম্মদ রইচ হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেন, যার মামলা নং-৩৪।
সোমবার হামলার ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আল মামুন ও ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্যকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার গ্রেফতার করা হয় মেহেদী হাসান শান্তকে। তিনি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের দফতর সম্পাদক।
রোববার ডাকসুতে নুরের কক্ষে বাতি নিভিয়ে হামলার ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে না আসায় পুলিশই মামলা করেছে। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখসহ ৪৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় এখন পর্যন্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
মামলার আট আসামি হলেন- মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ঢাবি শাখার সভাপতি এএসএম সনেট, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য, এ এফ রহমান হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক ইমরান সরকার, কবি জসিমউদ্দীন হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াদ আল রিয়াদ (হল থেকে অস্থায়ী বহিষ্কৃত), জিয়া হল শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম মাহিম এবং মাহবুব হাসান নিলয়।
উল্লেখ্য, রোববার ভিপি নুরুল হককে তার ডাকসুর কক্ষে ঢুকে বাতি নিভিয়ে পেটান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা। ভিপি নুরসহ আহতদের অভিযোগ– ছাত্রলীগ এ হামলায় সরাসরি অংশ নেয়।
এ সময় নূরের সঙ্গে থাকা ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্তত ৩০ জনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। দুজনকে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে রোববার রাত পর্যন্ত ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই দফায় নুরুল হক ও তার সহযোগীদের রড, লাঠি ও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়। প্রথম দফায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ডাকসু ভবনে ঢুকে তাদের পেটান।
এর পর ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিৎ চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক (ডাকসুর এজিএস) সাদ্দাম হুসাইন ঘটনাস্থলে আসেন। তাদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় দফায় হামলা ও মারধর করা হয়। এ সময় ডাকসু ভবনেও ভাঙচুর চালান ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী।
জাতীয় পার্টিতে জি এম কাদেরের নেতৃত্ব নিয়ে হাই কোর্টের প্রশ্ন
ডাক ডেস্ক : কাউন্সিল ছাড়াই জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পদে থাকা কেন অবৈধ হবে না- তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট। জাতীয় পার্টির এক সদস্যের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো.খায়রুল আলমের অবকাশকালীন হাই কোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ রুল জারি করে। আবেদনকারী পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুর উস সাদিক।
নুর উস সাদিক পরে সাংবাদিকদের বলেন, “চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের নিয়োগটা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- সেই মর্মে রুল দিয়েছে হাই কোর্ট। নির্বাচন কমিশন ও জিএম কাদেরকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।”
জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্র অনুসারে দলের পদে আসতে হলে তা আসতে হবে কাউন্সিলের মাধ্যমে। কিন্তু জিএম কাদেরের ক্ষেত্রে তা হয়নি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে উত্তর না পেয়ে হাই কোর্টে রিট করেন জাতীয় পার্টির ওই সদস্য।
আদালতের রুলের বিষয়ে প্রশ্ন করলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় বলেন, “কে কখন আদালতে গিয়ে রিট আবেদন করল, ওসব নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। তবে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ১৪ দিন পরে নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আমরা তা যথাসময়ে দেব।”
আগামী ২৮ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সম্মেলন ও কাউন্সিল হওয়ার কথা রয়েছে। হাই কোর্টের রুলের কারণে সম্মেলন বা কাউন্সিল অনুষ্ঠানে ‘কোনো সমস্যা হবে না’ বলেও মন্তব্য করেন সুনীল শুভ রায়।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ চলতি বছরের ৫ মে তার ছোট ভাই জিএম কাদেরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন। পরে ১৪ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এরশাদ।
এর চার দিনের মাথায় বনানীতে পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদেরের নাম ঘোষণা করেন।
প্রথমে ওই ঘোষণার বিরোধিতা করলেও পরে এরশাদপতœী রওশন ও জিএম কাদেরের মধ্যে সমঝোতা হয়। ৮ সেপ্টেম্বর আরেক সংবাদ সম্মেলনে রাঙ্গাঁ জানান, জিএম কাদের পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবেই দায়িত্ব পালন করবেন। আর রওশন এরশাদ হবেন সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

অন্যান্য খবর এর আরো সংবাদ
  • বিশ্বনাথের চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা
  • আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট সালেহ আহমদ হীরার মাতৃবিয়োগ
  • দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
  • দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
  • হাসপাতালের উন্নয়নে প্রবাসীদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে --আহমদ-উস-সামাদ চৌধুরী জেপি
  • ঢাকা সিটি নির্বাচন পেছানোর রিট: আদেশ আজ
  • আজমিরীগঞ্জে পুলিশ সুপারের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ
  • ফলো আপ চিকিৎসায় আজ সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন ওবায়দুল কাদের
  • উম্মেতুনেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ওমর আলী আর নেই
  • সিলেটে ‘সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ক্যাম্প’ কাল
  • বিশ্বম্ভরপুরে বিভাগীয় কমিশনার মাদক বিক্রেতাকে সমাজ থেকে উচ্ছেদ করে দেবেন
  • সিকৃবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে কর্মশালা
  • দোয়ারাবাজারে ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাত : গ্রেফতার ২
  • গোলাপগঞ্জে এক্সিম ব্যাংকের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
  • গোলাপগঞ্জে ওয়ালটন এসি সেলস প্রমোশনাল ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত
  • গোলাপগঞ্জে ডা. শেখ আব্দুর রহিম স্মৃতি ট্রাস্টের মেধা বৃত্তি বিতরণ সম্পন্ন
  • ঢাবি ছাত্রদলে ৯১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি
  • ভিপি নুর রক্তাক্ত : মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ৩ নেতা রিমান্ডে
  • শ্রীমঙ্গলে ভূমি খাতে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে মতবিনিময় সভা
  • মৌলভীবাজার ব্যাংক অফিসার্স এসোসিয়েশনের ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন
  • Image

    Developed by:Sparkle IT